Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

Epilepsy, Seizure, Convulsion and their real cure

Leave a comment

 

মৃগীরোগ এবং তার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

Epilepsy or Seizure & its homeopathic treatment

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/

https://bashirmahmudellias.wordpress.com/

https://www.facebook.com/drBashirmahmudellias

http://www.scribd.com/search

 

 

মৃগী রোগ বা খিঁচুনি (তড়কা, আক্ষেপ, সন্ন্যাস রোগ) হলো মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক গোলযোগ (হতে পারে লোড শেডিং কিংবা ভল্টেজের উঠানামা) যাতে আক্রান্ত ব্যক্তি কিছু সময়ের জন্য তার চেতনা হারিয়ে ফেলে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে খিচুঁনি / আক্ষেপ (convulsion) দেখা দেয়। যাতে সারা শরীর ধনুকের ন্যায় বাঁকা হয়ে যায়, গোঙানি বা অনিচ্ছাকৃত চীৎকার করতে থাকে, হাত-পা-আঙ্গুল ক্রমাগত বাঁকা এবং সোজা হতে থাকে, দাঁত দিয়ে জিহ্বা কামড়ে ধরে, মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে থাকে, অনিচ্ছাকৃতভাবে মল-মুত্র বের হয়ে যাওয়া এবং শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় (grand mal seizure)।

মৃগীর আক্রমণ শেষ হওয়ার পরে সাধারণত রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে এবং গভীর ঘুমে ডুবে যায়। রোগের আক্রমণের সময় সে যা যা করেছে, তার কিছুই মনে করতে পারে না। মৃগীরোগের আরো যে-সব লক্ষণ প্রকাশ পায় তা হলো চোখে উল্টাপাল্টা দেখা, কানে উল্টাপাল্টা কিছু শোনা, অল্প সময়ের জন্য আচার-আচরণ পরিবর্তন হওয়া, নির্দিষ্ট একটি অঙ্গে ঝাকুনি দেওয়া, হঠাৎ করে ঘামতে থাকা, এক মুহূর্তের জন্য জ্ঞান হারিয়ে ফেলা, বমিবমি লাগা, অকারণে ভয় ভয় লাগা, উপরের দিকে আড়চোখে তাকানো, মুখের পেশীর সঙ্কোচন্তপ্রসারণ ইত্যাদি ইত্যাদি (petit mal seizure)। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাথায় আঘাত পাওয়া, মসি-ষ্কে ইনফেকশান, ব্রেন টিউমার, রক্তনালীর রোগ, মাদকাসক্তি, শরীরে খনিজ লবণের ভারসাম্যহীনতা, সীসার বিষক্রিয়া প্রভৃতি কারণে মৃগী রোগ হতে দেখা যায়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃগী রোগের পেছনে কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। মৃগীর আক্রমণ দুয়েকদিন পরপর হতে পারে আবার অনেক বছর পরপরও হতে পারে; তবে বিষয়টি চলতে থাকে সারা জীবন ধরে। এমনকি ঘুমের মধ্যেও ইহার আক্রমণ হতে পারে। সাধারণত শারীরিক উত্তেজনা, উজ্জ্বল আলোর ঝলকানি, হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দ শোনা, আবেগ-উত্তেজনা ইত্যাদির ফলে মৃগীর আক্রমণ শুরু হয়।

 

কোন কোন রোগী কিছু সতর্কীকরণ লক্ষণের (aura) মাধ্যমে বুঝতে পারে যে, এখনই মৃগীর আক্রমণ শুরু হতে যাচ্ছে ; আবার অনেক রোগীই সতর্কীকরণ লক্ষণ না পাওয়ায় আগেভাগে বুঝতে পারে না। সতর্কীকরণ লক্ষণের মধ্যে আছে ভয় লাগা, পেটের মধ্যে অস্বস্তি লাগা, চোখে সর্ষে ফুল দেখা, মাথাঘুরানি, অদ্ভূত গন্ধ পাওয়া ইত্যাদি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মৃগীর আক্রমণ হয় অল্প সময়ের জন্য। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের খিচুঁনি থাকতেও পারে আবার না ও থাকতে পারে, কিছু সময়ের জন্য ঝিমানি আসে অথবা মাথা এলোমেলো-হতবুদ্ধি হয়ে যায়। বিভিন্ন ধরণের লক্ষণের উপর ভিত্তি করে মৃগী রোগকে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। মৃগীর আক্রমণ হলে তাতে হস্তক্ষেপ করা যাবে না; তবে রোগী যাতে আগুনে পুড়ে, পানিতে ডুবে অথবা ধারালো কোন অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি রোগীর শ্বাস নিতে অসুবিধা হলে মুখের ফেনা পরিষ্কার করে, জিহ্বা নাড়াচাড়া করে, রোগীর মাথায় বালিশ দিয়ে, রোগীকে সুবিধামতো কাত-চিৎ করে ইত্যাদির মাধ্যমে শ্বাস নিতে সাহায্য করতে হবে।

 

এই রোগীদের আগুনের কাছে বা পানিবদ্ধ স্থানে একাকী অবস্থান করা বিপজ্জনক। সর্বদা সাথে একটি ডাক্তারী সার্টিফিকেট বা ‘মৃগী রোগী’ লেখা একটি লকেট গলায় ঝুলিয়ে রাখা উচিত। মৃগীর আক্রমণ যদি পাঁচ মিনিটের বেশী স্থায়ী হয় অথবা জ্ঞান ফিরার পূর্বেই আবার খিচুঁনি শুরু হয় কিংবা খিচুঁনি শেষ হওয়ার পরেও রোগী বেহুশ হয়ে পড়ে থাকে, তবে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করা, প্রচুর বিশ্রাম নেওয়া এবং মানসিক চাপমুক্ত থাকা মৃগীর উৎপাত কমাতে যথেষ্ট সাহায্য করে। রোগের অন্তর্নিহিত কারণটি সনাক্ত করতে পারলে এবং সে অনুযায়ী সঠিক হোমিও ঔষধ প্রয়োগ করা গেলে, মৃগী রোগ সম্পূর্ণ স্থায়ীভাবে নিরাময় করা সম্ভব। অন্যথায় ঔষধ প্রয়োগে কেবল রোগের তীব্রতা কমিয়ে রাখা যাবে। (বিঃ দ্রঃ- মৃগী রোগ ছাড়াও অন্য যে-কোন কারণেই খিচুঁনি হোক না কেন, তাতে এই অধ্যায়ে বণিত ঔষধগুলোর কোন একটি লক্ষণ মিলিয়ে খাওয়াতে থাকুন।)একই ঔষধ দীর্ঘদিন না খেয়ে বরং লক্ষণ অনুযায়ী কয়েকটি ঔষধ সিলেক্ট করে একটির পর আরেকটি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খান।

 

Bufo rana : ব্যাঙের বিষ থেকে তৈরী করা এই ঔষধটি মৃগী রোগের একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। মৃগী রোগের খিচুঁনি যারা দেখেছেন তারা নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন যে, রোগীর তখনকার অঙ্গভঙ্গি এবং লাফালাফির সাথে ব্যাঙের আকৃতি এবং লম্ফজম্ফের একটা অদ্ভূত মিল আছে। যে-সব যুবক-যুবতী অতিরিক্ত যৌনকর্ম অথবা হস্তমৈথুনের কারণে মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের জন্য বিউফো এক নাম্বার ঔষধ। বিউফোর লক্ষণ হলো মৃগীর আক্রমণের শুরুতে চীৎকার দেওয়া, মুখমন্ডল লাল হওয়া এবং মৃগীর আক্রমণ চলে যাওয়ার পরে ঘুমিয়ে যাওয়া। মাঝরাতে, মাসিকের সময়, অমাবশ্যা এবং যৌন উত্তেজনার সময় মৃগীর আক্রমণ বেশী হয়। রাতে ঘুমের মধ্যে মৃগীর আক্রমণ বেশী হয় এবং রোগীর ঘুম ভাঙতেও পারে আবার নাও ভাঙতে পারে। তবে ঘুম থেকে ওঠার পরে তার প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুরু হয়। রোগী ঠান্ডা বাতাস অপছন্দ করে কিন্তুগরম রুমে আবার রোগের উৎপাত বৃদ্ধি পায়।

Cuprum Metallicum : কিউপ্রাম মেট মৃগী রোগের সবচেয়ে শক্তিশালী ঔষধ।   ইহার প্রধান লক্ষণগুলো হলো চক্ষুগোলক উপরের দিকে উল্টে যায়, হাতের বৃদ্ধাগুলির আক্ষেপ, মাথা এবং পায়ের পাতাসহ সমস্ত শরীর পেছনের দিকে বেকে যায়, খিুচনি প্রথম শুরু হয় হাতের আঙুল অথবা পায়ের আঙুলে এবং পরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, দুটি আক্রমণের মধ্যবর্তী সময়ে রোগী খুব অস্থির থাকে। ভয় পেলে এবং পানিতে ভিজলে মৃগীর আক্রমণ হয়। ক্রোধ, বদমেজাজ, অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা ইত্যাদি এই ঔষধের মানসিক লক্ষণ।

Oenanthe crocata : ওইন্যান্থক্রোকেটা মৃগীর শ্রেষ্ট ঔষধগুলির মধ্যে একটি। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো হঠাৎ সম্পূর্ণ অচেতন হওয়া, মুখ দিয়ে ফেনা ওঠা, মুখমণ্ডল লাল এবং ফোলা ফোলা, দাঁত কপাটি লাগা এবং হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া। মৃগীর আক্রমণের সময় যাদের বমি হয় অথবা কানের পর্দায় সমস্যা হয় অথবা পুরুষাঙ্গ শক্ত হয়ে থাকে, তাদের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য

Hydrocyanic acid : হিউজের মতে, হাইড্রোসায়ানিক এসিড মৃগীর একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং স্প্যাসিফিক ঔষধ। নতুন রোগের ক্ষেত্রে এটি সর্বোত্তম ঔষধ। এতে অজ্ঞান হওয়া, মুষ্টিবদ্ধ হাত, কিছু গিলার সময় ভেতরে গরগর শব্দ হওয়া, শরীর পাথরের মতো ঠান্ডা হওয়া, দাঁত কপাটি লাগা, মুখ থেকে ফেনা নির্গত হওয়া, ঢোক গিলতে না পারা প্রভৃতি সব লক্ষণই আছে। মৃগীর আক্রমণের পরে ঘুমঘুম ভাব এবং ভীষণ দুর্বলতা-অবসন্নতা-ক্লান্তি আছে।

 

Artemisia vulgaris : ভয় পেয়ে, মনের আবেগ-উত্তেজনা থেকে, মাথায় আঘাত পাওয়া, মাসিকের গন্ডগোল, শিশুদের দাঁত ওঠার সময় প্রভৃতি কারণে মৃগীর আক্রমণ হলে আর্টিমিসিয়া ভালগেরিস প্রযোজ্য। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলো ঘনঘন মৃগীর আক্রমণ হওয়া, এমনকি দিনে কয়েকবার, আক্রমণ শেষে গভীর ঘুম পাওয়া এবং দুর্গন্ধযুক্ত (রসুনের মতো) প্রচুর ঘাম হওয়া। হালকা মাত্রার মৃগীতেও এটি ফলদায়ক (petit mal seizure)। এটি শিশু এবং আসন্ন যৌবনা তরুণীদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কাযর্কর।

 

Cicuta virosa : সিকিউটা মৃগীর ভাল ঔষধগুলোর মধ্যে একটি। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলো খিচুনির সময় মাথা পেছন দিকে বাঁকা হওয়া,অদ্ভূত ধরণের জিনিস খাওয়া ইচ্ছা হওয়া (যেমনকয়লা), এক দৃষ্টিতে কোন দিকে তাকিয়ে থাকা, মাথা এক দিকে কাত হওয়া বা মোচড় দেওয়া, সারাদিন বাম হাতে ঝাকুনি দেওয়া ইত্যাদি।

 

Kali bromatum : পুরুষদের বেলায় অতিরিক্ত যৌনকর্ম বা হস্তমৈথুন থেকে মৃগী রোগ হলে এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় অথবা মাসিকের কিছু পূর্বে মৃগীর আক্রমণ হলে তাতে ক্যালি ব্রোম প্রযোজ্য। এদের শরীরের ব্রণ থাকে প্রচুর, স্মরণশক্তি দুর্বল, হাত দুটি সর্বদা কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।  

 

Indigo : সাধারণত কৃমির উৎপাতের কারণে মৃগীর খিচুঁনি হলে ইন্ডিগো ভালো কাজ করে। ঘনঘন মৃগীর আক্রমণ হলে ইন্ডিগো ব্যবহার করে তার মাত্রা অনেক কমিয়ে আনা যায়। ইন্ডিগোর রোগীদের মৃগীর আক্রমণের পূর্বে মেজাজ থাকে ভীষণ খারাপ আবার মনের দুঃখে তারা রাতের পর রাত একা একা কাঁদে কিন্তুআক্রমণে পরে তারা ভীতু হয়ে যায়। এদের আক্রমণ শুরু হয় ঠান্ডা থেকে অথবা ভয় পেলে। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে মাথার দিকে গরম ভাপ উঠতে থাকে এবং মাথার ভেতরে ঢেউ খেলানোর মতো অনুভব হয়। কখনও কখনও চোখে ঝাপসা দেখে। যে-কোন কৃমির ঔষধই গর্ভবতীদের খাওয়ানো নিষিদ্ধ, তেমনি এটিও।

 

Calcarea carbonica : ক্যালকেরিয়া কার্বের রোগীদের পা দুটি থাকে ঠান্ডা, মাথা অর্থাৎ কপাল ঘামে বেশী, হাত দুটি থাকে নরম তুলতুলে, এদের ঘাম-পায়খানা-প্রস্রাব সবকিছু থেকে টক গন্ধ আসে এবং এদের স্বাস্থ্য থাকে থলথলে মোটাইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে উপরের দিকে ছড়াতে থাকে অথবা তলপেটের দিকে ছড়াতে থাকে এবং ইহার পরই খিচুঁনি শুরু হয়। কখনও কখনও মনে হয় হাতের ওপর একটি ইদুর দৌড়াচ্ছে।

 

Causticum : মাসিক অনিয়মিত হওয়ার কারণে মৃগী রোগ হলে অথবা মেয়েদের প্রথম মাসিক শুরু হওয়ার বয়সে মৃগী রোগ হলে কষ্টিকাম প্রযোজ্য। তাছাড়া খোলা বাতাসে হাটার সময় পড়ে যায় আবার সাথে সাথেই ঠিক হয়ে যায়। অমাবশ্যার সময় যদি মৃগীর আক্রমণ হয় তবে কষ্টিকাম উপকারী। ঘুমের ভেতরে মৃগীর আক্রমণ হয় এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রস্রাব বেরিয়ে যায়ইহার মানসিক লক্ষণ হলো অন্যের দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে পারে না

 

Camphora : ক্যাম্ফরা মৃগী পুরোপুরি নির্মূল করতে না পারলেও মৃগীর আক্রমণ ঠেকিয়ে রাখতে পারে এবং আক্রমণের সময়কাল কমিয়ে আনতে পারে। এতে সারা শরীরের সাথে সাথে এমনকি জিহ্বা, চোখ এবং মুখের পেশীতেও খিচুঁনি হওয়ার লক্ষণ আছে। আক্রমণের পরে বেহুঁশের মতো ঘুমাতে থাকে এবং হাত-পা-মাথা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যায়

 

Silicea : সিলিসিয়া ঔষধটি যাদের হাড়ের বৃদ্ধিজনিত সমস্যা আছে অর্থাৎ রিকেটগ্রস্থলোকদের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে থাকে এবং শরীরের বাম পাশে শীত শীত বোধ হওয়া বা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া এই ঔষধের একটি উল্লেখযোগ্য সতর্কীকরণ লক্ষণ। মানসিক চাপ বা আবেগ-উত্তেজনার কারণে আক্রমণের সূচনা হয় এবং অমাবশ্যা-পূর্ণিমায় আক্রমণের মাত্রা বেড়ে যায়। এই ঔষধের মেরুদন্ডের সাথে সম্পর্কিত কোন না কোন রোগ লক্ষণ থাকবেই।

Nux vomica : যারা অধিকাংশ সময়ে বদহজমে ভোগে, বদমেজাজী এবং অল্প শীতেই কাতর হয়ে পড়ে, এটি তাদের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) পেটের উপরের অংশে শুরু হয়ে থাকে এবং মুখের ওপর পোকা হাটতেছে এমন মনে হয়

Plumbum metallicum : প্লামবামের মৃগীর আক্রমণের সূচনা হয় হাই তোলা অথবা মাথাঘুরানির মাধ্যমে এবং আক্রমণের শেষে মনের অবস্থা হয় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অর্থাৎ রোগীর আক্কল-বুদ্ধি ফিরে পেতে অনেক সময় লাগে। আক্রমণের পরে মাথা ডান দিকে কাত হয়ে থাকে। মাথার রক্তনালীর রোগ এবং ব্রেন টিউমারের কারণে মৃগী হলে এটি প্রযোজ্য। সাথে যদি পুরনো কোষ্টকাঠিন্য এবং পেট ব্যথার সমস্যা থাকে, তবে অবশ্যই প্লামবাম প্রয়োগ করতে হবে

 

Sulphur : কোন চর্মরোগ (যা থেকে পূঁজ বের হতো) কড়া ঔষধ ব্যবহার করে চাপা দেওয়ার ফলে মৃগী রোগ হলে সালফার প্রযোজ্য। সালফার সেই চর্মরোগ ফেরত আনবে এবং ভেতর থেকে সারিয়ে তুলবে এবং সাথে সাথে মৃগীকেও বিদেয় করবে। কাজেই মৃগী দেখা দেওয়ার পূর্বে যাদের নানা রকম চর্মরোগ হওয়ার ইতিহাস আছে, তাদের প্রথমেই কিছুদিন সালফার খেয়ে নেওয়া উচিত। তাছাড়া সালফারের প্রধান প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে সকাল ১১টার দিকে ভীষণ খিদে পাওয়া, শরীর গরম লাগা, রোগ রাতে বৃদ্ধি পাওয়া,রোগ গরমে বৃদ্ধি পাওয়া, মাথা গরম কিন্তুপা ঠান্ডা, মাথার তালু-পায়ের তালুসহ শরীরে জ্বালাপোড়া ইত্যাদি।

Hyoscyamus niger : হায়োসায়েমাসের প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলো মুখের পেশীতে খিচুঁনি বেশী হওয়া,অট্টহাসি-চীৎকার-হৈহুল্লোর করতে ইচ্ছে হওয়া, দুঃখবোধ, মানুষকে সন্দেহ করা, নগ্ন হওয়ার ইচ্ছা ইত্যাদি।

Agaricus muscarius : এগারিকাসের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো মৃগীর আক্রমণের পরে মাথায় নানা রকমের চিন্তার জোয়ার এসে যায়,বকবকানি, দীর্ঘস্থায়ী মাথা ঘুরানি, খোলা বাতাসে হাটার সময় মৃগীর আক্রমণ হওয়া।

 

Belladonna : বেলেডোনা মৃগীর প্রথম দিকের আক্রমণে বেশী প্রযোজ্য। তাপ, লাল রঙ এবং জ্বালাপোড়া হলো বেলেডোনার তিনটি প্রধান লক্ষণ। যদি সারা শরীর গরম হয়ে যায়, মুখ লাল হয়ে যায় এবং শরীরে জ্বালাপোড়া হয়, তবে বেলেডোনা দিতে হবে। আলো, নড়াচড়া, গোলমাল এবং ঝাকুনিতে রোগের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়

 

Absinthium : এবসিনথিয়ামের প্রধান লক্ষণ হলো কম্পন; জিহ্বা, হৃৎপিন্ড প্রভৃতি কাঁপতে থাকে। মুখ বিকৃত করা, জিহ্বা কামড়ে ধরা, মুখে রক্তযুক্ত ফেনা, পুরোপুরি অজ্ঞান হওয়া, হঠাৎ করে তীব্র মাথা ঘুরানি, আক্রমণের পরে বুদ্ধিহীনতা এবং স্মরণশক্তি নষ্ট হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ এতে আছে।

Cimicifuga / Actea racemosa : সিমিসিফিউগার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) হলো মাথার ভেতরে ঢেউ খেলানোর অনুভুতি হওয়াঅন্যান্য লক্ষণের মধ্যে আছে বিষন্নতা বা মনমরা ভাব, ঘাড়ের পেছনে ব্যথা, বিভিন্ন জয়েন্টে বাতের সমস্যা বেশী হওয়া ইত্যাদি।

Ammonium Bromatum : এমন ব্রোমের সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) হলো অজ্ঞান হওয়ার অথবা দম বন্ধ হওয়ার অনুভুতি যা পেটের ওপরের অংশে শুরু হয়ে বুকের দুই পাশে এবং গলার দিকে যেতে থাকে। নখের নীচে অস্বস্তি বোধ হয় যা কামড় দিলে কমে যায়।

Argentum nitricum : ভয় পেয়ে বা মাসিকের সময় মৃগীর আক্রমণ হলে তাতে আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম প্রযোজ্য। মৃগীর আক্রমণের কয়েক দিন অথবা কয়েক ঘণ্টা পূর্ব থেকেই চোখের তারা প্রসারিত হয়ে থাকে, আক্রমণের পরে রোগী খুবই অস্থির থাকে এবং তার হাত কাঁপতে থাকে, কঙ্কালসার, শিশুকে মনে হয় বৃদ্ধের মতো, জোরে হাঁটার ইচ্ছা, মিষ্টি জাতীয় খাবারের প্রতি ভীষণ লোভ ইত্যাদি।

Asterias rubens : এটি মৃগীর একটি প্রাচীন ঔষধ। মুখ লাল হয়ে যায়, মাথা গরম হয়ে যায় এবং মনে হয় মাথার চারদিকের বাতাস গরম হয়ে গেছে। পায়খানা শক্ত থাকে এবং মাথার ভিতরে ইলেকট্রিক শকের মতো ব্যথা হয়।

Cuprum aceticum : ইহার সতর্কীকরণ লক্ষণ (aura) হাটুতে শুরু হয়ে তলপেটের দিকে যায় এবং তখন রোগী অচেতন হয়ে পড়ে।

 

 

ডাঃ বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

গ্রন্থকার, ডিজাইনস্পেশালিষ্ট, ইসলাম গবেষক, হোমিওকনসালটেন্ট

৬৪/জে/৯ আর, কে, মিশন রোড (৪র্থ তলা), নিঝুম ভিলা,

(গোপীবাগ দারুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা

ও এতীমখানা’র বিপরীতে)

গোপীবাগ, ঢাকা ।

ফোনঃ +৮৮০-০১৯১৬০৩৮৫২৭

E-mail : Bashirmahmudellias@hotmail.com

Website : http://bashirmahmudellias.blogspot.com

Website : https://bashirmahmudellias.wordpress.com

সাক্ষাতের সময় ‍ঃ সন্ধ্যা ৬:০০ টা হইতে রাত ৯:০০ টা

 

 

 

Epilepsy or seizure and its homeopathic treatment

Self treatment scheme for Epilepsy

মৃগী রোগএবংতারহোমিওপ্যাথিকচিকিৎসা

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/

https://bashirmahmudellias.wordpress.com/

https://www.facebook.com/drBashirmahmudellias

http://www.scribd.com/search

 

 

Dear all,

 

Take these   homeopathic medicines (as a cure for Epilepsy or seizure) according to my direction. I am optimistic that my formula will give a full cure for 99% of Epilepsy or seizure patient. Although few cases will not get full cure ; still they will get ten fold better result than any other healing systems. Yea, it is better to take all homeopathic medicines in empty stomach ; but you can take them after meal if you forget. You can take these homeopathic medicines along with other allopathic or herbal medicines (whether they may be tablet, capsule or injection). It will not cause any trouble. But it is better to take all homeopathic medicines half an hour before or after other medicines. The dose of old, adult, kids, male, female and animals are same. Try to buy Germany or U.S.A. made medicines.

 

You can exclude any of these medicines if it seems don’t helping you or causing undesirable side-effects (like acidity, vertigo, pain, vomiting etc) or is not available in the local market. Continue rest of the medicines according to their suggested order or serial. Do not change my recommendation on potency and dose, but you can take the nearest potency if the recommended potency is not available in the local market. You should know that the names of the homeopathic medicines are universal (that means they could be found with the same name in every country). You should take the lowest potency first and try to increase the potency gradually in the next round if possible. In some rare cases, you may need to consult a homeopathic specialist to be able to use more precisely selected medicines (which best suit with your physical and mental make-up). You will need to take these medicines untill you attain a full cure or sufficient improvement. (N.B. – I shall appreciate if you translate this formula in your mother tongue and propagate through journal, blog, youtube etc as a service to the mankind.)

 

Many people are writing to me enquiring how to collect these homeopathic medicines. These   homeopathic medicines are actually the most common homeo medicines. You can buy them from any homeopathic pharmacy. As far as I know, homeopathic medicines are available in most of the major cities in the world. If these are not available in your area, then you can collect them by ordering to many companies over e-mail. In this regards, these following three links may greatly help you:-

 

1. http://hpathy.com/homeopathy-pharmacies/

2. http://www.hmedicine.com/homeopathic/single_remedies

3. http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2009/01/great-homeopathic-dispensaries-in-dhaka.html

 

Rx

 

(1)Argentum Nitricum                         3/6/12/30/200

(Take this homeopathic medicine 1 drop or 5 pills   02 times daily for 1 week. )

(2)Silicea                                          3/6/12/30/200

(Then take this homeopathic medicine 1 drop or 5 pills 02 times daily for 1 week.)

(3) Baryta muriatica                               3/6/12/30/200

(Then take this homeopathic medicine 1 drop or 5 pills   02 times daily for 1 week.)

(4)   Sulphur                                                3/6/12/30/200

(Then take this homeopathic medicine 1 drop or 5 pills   02 times daily for 3 days.)

(5) Bufo rana                                       3/6/12/30/200

(Then take this homeopathic medicine 1 drop or 5 pills   02 times daily for 1 week.)

(6)   Viscum album                                  3/6/12/30/200

(Then take this homeopathic medicine 1 drop or 5 pills   02 times daily for 1 week.)

(7) Hydrocyanic acid                     3/6/12/30/200

(Then take this homeopathic medicine 1 drop or 5 pills   02 times daily for 1 week.)

(8)Oenanthe crocata                             3/6/12/30/200

(Then take this homeopathic medicine 1 drop or 5 pills   02 times daily for 1 week. Now start taking from no. 1 medicine in similar rules if necessary.)

 

 

Dr. Bashir Mahmud Ellias

Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeo consultant

64/j/9 R. K. Mission road (3rd flr), Gopibugh,  

(Nijoom vila) (Oposite of Gopibugh   Darul Uloom

Hafizia Madrasha & Ateemkhana)

P/O-Warri, Thana-Sutrapore,

Dhaka,

Mob : +880-01916038527

E-mail : Bashirmahmudellias@hotmail.com

Website : http://bashirmahmudellias.blogspot.com

Website : https://bashirmahmudellias.wordpress.com

 

Beware  of  childhood  vaccine

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2008/10/beware-of-childhood-vaccine.html

Cancer  and  its  easy  treatment  in  homeopathy

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2009/10/cancer-and-its-perilous-treatment_31.html

Psychiatric diseases and their easy cure in homeopathy

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2009/10/mental-patients-their-tradgedy.html

Heart  diseases  and  their  easiest  homeopathic cure

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2010/02/cardiac-diseases-their-easy-cure.html

Damaged Kidney  is repairable with homeopathic treatment

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2009/10/kidney-diseases-their-real-cause-and.html

Diabetes  can  never  be  cured  without  homeopathic  medicine

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2009/09/Chloasma-and-some-hard-talks.html

HEPATITIS  is  an  easily  curable  disease

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2008/11/hepatitis-is-not-incurable-disease.html

Pathological  tests  are  seriously  harmful

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2010/04/pathological-tests-are-seriously.html

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s