Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

Excess Salt / sugar eating habit

Leave a comment

Excess Salt / sugar eating habit (অতিরিক্ত লবণ/ চিনি খাওয়ার অভ্যাস) ঃ – আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনে বহুল ব্যবহৃত খাবার লবণ একই সাথে একটি ভয়ঙ্কর বিষও। যারা নিয়মিতভাবে বেশী বেশী করে লবণ খান অথবা লবণ বেশী দেওয়া খাবার খান (যেমন- চিপস, কাবাব, চটপটি, ফোস্কা, আচার ইত্যাদি), তারা মারাত্মক ধরণের শারীরিক-মানসিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন এবং অকালে মৃত্যুবরণ করতে পারেন। লবণ আমাদের শরীরের উপর কি ধরণের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, এই সমপর্কে সর্বপ্রথম বাসতবসম্মত গবেষণা পরিচালনা করেন ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের আবিষ্কারক এই মহান জার্মান চিকিৎসা বিজ্ঞানী আজ থেকে প্রায় দুইশ বছর পুর্বে দীর্ঘদিন যাবত নিজে লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড (sodium chloride) খেয়ে শরীরের উপর তার ক্ষতিকর প্রভাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। পাশাপাশি তিনি তাঁর ভক্ত অনুসারী অনেক হোমিও চিকিৎসকদের শরীরেও লবণের গুণাগুণ যাচাই করেন। প্রাপ্ত গবেষণায় তিনি দেখতে পান যে, লবণ প্রথমত মানুষের শরীরের রক্ত ধ্বংস করার মাধ্যমে রক্তস্বল্পতা (Anemia) সৃষ্টি করে। ইহার ফলস্রুতিতে শরীর শুকিয়ে শীর্ণ বা চিকন হয়ে যায়। সময়মতো ইহার চিকিৎসা করা না গেলে মানুষ কংকালসার হতে হতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। দীর্ঘদিন বেশী বেশী লবণ খাওয়ার ফলে কোষ্টকাঠিন্য দেখা দেয় অর্থাৎ পায়খানা শক্ত হয়ে যায় এবং তার থেকে পাইলস দেখা দেয়। লবণ মানুষের ব্রেনের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয় ; ফলে মানুষের বুদ্ধি-মেধা, স্মরণশক্তি ইত্যাদি কমে যায়। লবণ মানুষের ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ শক্তি দুর্বল করে দেয় ; ফলে মানুষ ঘনঘন সর্দি, কাশি, ডায়েরিয়া ইত্যাদি নানাবিধ রোগে আক্রানত হয়। চামড়া দুর্বল হয়ে যায় ফলে অল্পতেই চামড়া ফেটে যাওয়াসহ বিভিন্ন চর্মরোগ দেখা দেয়।

বেশী বেশী লবণ খাওয়ার ফলে গেটেবাত, রিউমেটিক ফিভার, মুখের ঘা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, মাথাব্যথা, অর্ধেক মাথাব্যথা/মাইগ্রেন, গলগন্ড, বিভিন্ন গ্ল্যান্ডের রোগ, মাসিকের গন্ডগোল, হৃদরোগ, মৃগীরোগ, বন্ধ্যাত্ব, গ্যাস্ট্রিক আলসার, ক্যান্সার প্রভৃতি মারাত্মক রোগের সৃষ্টি হয়ে থাকে। বেশী বেশী লবণ খাওয়ার ফলে যে-সব মানসিক সমস্যা দেখা দেয়, তাদের মধ্যে প্রথমেই দেখা দেয় বদমেজাজ বা খিটখিটে মেজাজ । তারপরে আসে বিষন্নতা বা মনমরাভাব, হতাশা । বিষন্নতা বা হতাশা থেকে মানুষের মধ্যে আত্মহত্যা করার প্রবল ঝোঁকের সৃষ্টি হয় এবং এদের মধ্যে একটি ক্ষুদ্র অংশ সত্যিসত্যি আত্মহত্যা করে বসে (গলায় দড়ি দিয়ে, উপর থেকে লাফ দিয়ে, ঘুমের বড়ি খেয়ে কিংবা মাথায় গুলি করে)। ইহার পরে দেখা দেয় খুতঁখুতেঁ স্বভাব বা সাধারণভাবে যাকে শুচিবাই (Fastidiousness) বলা হয়। সারাক্ষণ সে হাত ধুঁতে থাকে ; প্লেট, বিছানার চাদর ইত্যাদি পরিষ্কার করতে থাকে। আর সবশেষে আসে উন্মত্ততা বা পাগলামি (schizophrenia) ; তখন হয়ত দেখা যাবে সে উলঙ্গ হয়ে রাজপথের ট্রাফিক কনট্রোল করতে শুরু করেছে। অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাস পরিবর্তন এবং শরীরের ওপর তজ্জনিত ক্ষতিকর প্রভাব দূর করার জন্য Natrum muriaticum (শক্তি ৩০) রোজ একমাত্রা করে একমাস খান।

* যারা অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খায় কিংবা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে কারো কোনো অসুখ হলে Argentum nitricum খেতে থাকুন।

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s