Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

National health policy _ few suggestions

Leave a comment

জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ঃ
কতিপয় সুপারিশ

আমাদের একটি জাতীয় স্বাস’্যনীতি আছে, যা প্রতিটি নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেই পরিবর্তন-পরিবর্ধন করে যুগোপযোগী করার প্রয়াস নিয়ে থাকে। সমপ্রতি একটি নতুন স্বাস’্যনীতির খসড়া তৈরী করে স্বাস’্য মনত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে এবং তার ওপর জনগণের মতামত আহ্বান করা হয়েছে। এটি একটি ভালো উদ্যোগ এবং আমার মতে ইহাতে সুফলই পাওয়া যায় বেশী। কিন’ দুঃখের বিষয় হলো স্বাস’্যনীতি তৈরীর জন্য সরকার যে কমিটি গঠন করে, অধিকাংশ সময় তার নব্বই ভাগ সদস্যই থাকেন এলোপ্যাথিক ডাক্তার। বাকী দশ ভাগ সদস্য থাকেন হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক ডাক্তার। ফলে প্রতিবারই যখন আমাদের জাতীয় স্বাস’্যনীতি প্রণয়ন করা হয়, সে পর্যনত সেটি জাতীয় স্বাস’্যনীতি না হয়ে “জাতীয় এলোপ্যাথিক স্বাস’্যনীতি”তে পরিণত হয়। কেননা তাতে হোমিওপ্যাথি, ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বিজ্ঞান, সংশ্লিষ্ট ডাক্তার এবং তাদের অবদানকে প্রাপ্ত মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে।

বিশ্ব স্বাস’্য সংস’ার মতে, বাংলাদেশের শতকরা ৭০ ভাগ মানুষ দারিদ্র বা অন্যান্য কারণে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে থাকে। নিশ্চয় উপকার পেয়ে থাকে বলেই তারা পয়সা খরচ করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করে থাকে। অথচ জাতীয় স্বাস’্যনীতিতে অর্থাৎ সরকারী চিকিৎসা শিড়্গা প্রতিষ্টান, সরকারী চাকরি-বাকরি, সরকারী হাসপাতাল ইত্যাদিতে আনুপাতিক হারে পঞ্চাশ ভাগ না হউক পঁচিশ ভাগ বরাদ্ধও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞান পায় না। তাই আমাদের দাবী হলো দেশে যতগুলো সরকারী এলোপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ আছে, সমান সংখ্যক সরকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্টা করা হউক। পাশাপাশি একটি সরকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি স’াপন করা হউক। হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজগুলো ছাত্র ভর্তির কোটা বৃদ্ধি করা হউক।

আমাদের দেশে মেডিক্যাল কলেজের চাইতে নার্সিং কলেজ এবং প্যারামেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা অনেক কম। এজন্য ডাক্তার, নার্স এবং টেকনোলজিষ্টদের সংখ্যার অনুপাতে কোন যৌক্তিক ভারসাম্য নাই। অথচ জনগণের স্বাভাবিক স্বাস’্য সেবার গতিশীলতা বজায় রাখতে হলে অবশ্যই দেশে ডাক্তার, নার্স এবং মেডিক্যাল টেকনোলজিষ্টদের স্বাভাবিক অনুপাত ঠিক রাখতে হবে। এজন্য সরকারের উচিত যতগুলো নতুন মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্টা করা হয়েছে, তার দ্বিগুণ সংখ্যক নতুন নার্সিং কলেজ এবং প্যারামেডিক্যাল কলেজ স’াপণ করা হউক।

জাতীয় স্বাস’্যনীতির খসড়ায় সমপ্রসারিত টিকাদান কর্মসূচীকে আরো বেগবান করার কথা বলা হয়েছে। আমাদের মতে, এসব টিকাদান কর্মসূচী সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হউক। কেননা প্রাচীন এবং আধুনিক সমসত্ম গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, টিকা দিয়ে ড়্গতি ছাড়া কোন উপকার পাওয়া যায় না। এটি চিকিৎসা নামে একটি রমরমা বাণিজ্য। একমাত্র টিকা প্রস’তকারী কোম্পানীগুলো এবং তাদের ব্যবসায়িক পার্টনারই কেবল দাবী করে থাকে যে, টিকাতে অনেক ফায়দা আছে। কাজেই অযথা নিজেদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা আমেরিকান টিকা প্রস’তকারী কোম্পানীর পকেটে তুলে দেওয়াতে কোন কল্যাণ নাই। তার চাইতে বরং হোমিওপ্যাথিক টিকা শিশুদেরকে খাওয়ানো উচিত, যাদের কোন ক্ষতিকর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নাই, খুবই কার্যকর এবং দাম অনত্মত একশগুণ কম।

সরকার পরিবার পরিকল্পনার পেছনে ফি বছর যত টাকা খরচ করে তার পুরোটাই অপচয় ছাড়া কিছু না। চীন, ভারত, জাপান, কোরিয়াসহ অনেক রাষ্ট্রই বর্তমানে ইহা প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, জনসংখ্যা কখনও একটি জাতির জন্য সমস্যা হতে পারে না। বরং জনসংখ্যাকে বলা হয় জনশক্তি। কাজেই সরকারের উচিত পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচী বাতিল করা এবং এই খাতে যত টাকা খরচ হয় তা দিয়ে জনগণকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা। এখনও পৃথিবীর যে-সব দেশে লক্ষ লক্ষ বর্গমাইল উর্বব ভূমি অনাবাদী পড়ে আছে, সরকার দক্ষ জনশক্তিকে সে-সব দেশে রপ্তানীর মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে। তাছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে- ভবিষ্যতে পানি নিয়ে, ক্ষমতা বজায় রাখা নিয়ে, ধর্ম নিয়ে প্রভৃতি কারণে সারা দুনিয়ায় অনেক যুদ্ধ-বিগ্রহ হবে এবং তাতে কোটি কোটি মানুষ মারা পড়বে। তখন দেখা যাবে আমাদের এই জনসংখ্যা সমস্যাই বিরাট সম্ভাবনায় পরিণত হবে।

একটি ঐতিহাসিক সত্য এই যে, আমেরিকা এবং ইউরোপে হোমিওপ্যাথির জনপ্রিয়তা অর্জনের একটি বড় কারণ ছিল উনবিংশ শতাব্দিতে এসব অঞ্চলে সংঘটিত সংক্রামক মহামারীসমূহের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথির অবিস্মরণীয় সাফল্য। ডা. টমাস এল ব্রাডফোর্ডের সংখ্যার যুক্তি (ঞযব খড়মরপ ড়ভ ঋরমঁৎবং) নামক বইটি প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে যাতে তিনি এলোপ্যাথিক এবং হোমিওপ্যাথিক হাসপাতালে রোগীদের মৃত্যু হারের বিসত্মারিত তুলনামূলক উপাত্ত উপস’াপন করেন। এতে দেখা যায় হোমিওপ্যাথিক হাসপাতালের তুলনায় এলোপ্যাথিক হাসপাতালে মৃত্যুর হার ছিল দ্বিগুণ থেকে আট গুণ বেশী। ১৮৪৯ সালে সিনসিনাটির হোমিওপ্যাথিক ডাক্তাররা দাবী করেন যে, তাদের চিকিৎসাধীন এক হাজার কলেরা রোগীর মধ্যে মাত্র ৩% মৃত্যুবরণ করেছেন। তারা তাদের দাবীর সত্যতা প্রমাণের উদ্দেশ্যে বেঁচে যাওয়া এবং মৃত্যুবরণ করা সমসত্ম রোগীর নাম এবং ঠিকানা তারা পত্রিকায় ছাপিয়ে দিয়েছিলেন। অথচ কলেরা রোগে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের মৃত্যু হার ছিল ৪০% থেকে ৭০% ভাগের মধ্যে। এজন্য সরকারের নিকট আমাদের দাবী থাকবে- ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, কালাজ্বর, সোয়াইন ফ্লু, এইচআইভি/এইডস, আর্সেনিকজনিত রোগ, যক্ষ্মা, ডেঙ্গু প্রভৃতি মহামারী রোগের প্রকৃত বৈজ্ঞানিক চিকিৎসার জন্য প্রতিটি বিভাগীয় সদরে একটি করে হোমিওপ্যাথিক সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল প্রতিষ্টা করা হউক।

প্রচলিত এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় প্রকৃতপড়্গে মানসিক রোগের কোন কার্যকর চিকিৎসা নাই। কেননা এলোপ্যাথিক ঔষধ পরীড়্গা করা হয় ইদুর এবং গিনিপিগের শরীরে। পড়্গানত্মরে প্রতিটি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ শারীরিক-মানসিকভাবে সুস’ হোমিও চিকিৎসা বিজ্ঞানী এবং হোমিও ডাক্তারদের শরীরে পরীড়্গা-নিরীড়্গা করে আবিষ্কার করা হয়েছে। ফলে প্রতিটি হোমিওপ্যাথিক ঔষধের মানসিক লড়্গণ হোমিও ডাক্তারদের জানা আছে এবং এই কারণে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় মানসিক রোগ খুব সহজে, কম খরচে এবং অল্প সময়ের মধ্যে সারানো যায়। এজন্য সরকারের নিকট আমাদের দাবী থাকবে, প্রতিটি বিভাগীয় শহরে অনত্মত একটি করে সরকারী হোমিওপ্যাথিক মানসিক হাসপাতাল স’াপন করা হউক।

দেশে একটি সরকারী ঔষধ প্রস’তকারী কোম্পানী আছে যেটি এলোপ্যাথিক ঔষধ তৈরী করে থাকে। কাজেই আমাদের দাবী হলো হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক ঔষধ প্রস’তকারী একটি করে সরকারী ঔষধ কোম্পানী প্রতিষ্টা করতে হবে। স্বাস’্যনীতির একস’ানে দেখলাম লেখা আছে যে, “প্রচলিত স্বাস’্য সেবার পাশাপাশি আয়ুর্বেদীয়, ইউনানী ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস’াকে বিকল্প চিকিৎসা ব্যবস’া হিসাবে কাজ করার জন্য সম্পৃক্ত করা হবে। সেই লক্ষ্যে আয়ুর্বেদীয়, ইউনানী ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাকে বিজ্ঞানভিত্তিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার নীতিকে আরও শক্তিশালী করা হবে, যাতে এ সব চিকিৎসা পদ্ধতি স্বাস’্য সেবায় অবদান রাখতে পারে।” আজব কথা ! হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিকে বিজ্ঞান ভিত্তিক করে গড়ে তোলা হবে ? তার মানে এগুলোর কোনটিই বিজ্ঞানসম্মত নয় ? তাহলে তো এসব অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতিকে আইন করে নিষিদ্ধ করে দেওয়া উচিত ! একবিংশ শতাব্দির এই বিজ্ঞানের যুগে আমাদের দেশে এসব অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো কিছুতেই চলতে দেওয়া যায় না ! জাতীয় স্বাস’্যনীতির মতো একটি গুর”ত্বপূর্ণ দলিলে কিভাবে এরকম হাস্যকর কথা ঢুকে গেলো তা ভাবলে অবাক হতে হয়। এটা নিশ্চয় হোমিওপ্যাথি, ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে অজ্ঞ কোন অর্বাচীন এলোপ্যাথিক ডাক্তারের উর্বর মসিতষ্ক প্রসূত। পরশ্রীকাতর কিছু এলোপ্যাথিক ডাক্তার আছেন যারা এলোপ্যাথি ছাড়া অন্যকোন চিকিৎসা পদ্ধতিকে বিজ্ঞান বলে স্বীকার করতে অনি”ছুক। ভাবখানা এমন যেনো বিজ্ঞান তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ; এতে অন্যকারো কোন অধিকার থাকতে পারে না। অথচ একটু খোজ নিলে দেখা যায়, এমন শত শত এলোপ্যাথিক ডাক্তার এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানী আছেন, যারা অকপটে স্বীকার করে গেছেন যে, এলোপ্যাথি পুরোপুরি বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি নয়। বরং এতে বিজ্ঞানের নামে গোজামিলের পরিমাণই বেশী। এজন্য অনেকে এলোপ্যাথিকে বিদ্র”প করে এলোপাথারি চিকিৎসা পদ্ধতি বলে থাকে।

কেউ যদি ইউনানী, আয়ুর্বেদিক, এলোপ্যাথি এবং হোমিওপ্যাথি এই চারটি বিষয়ে গভীরভাবে পড়াশোনা করেন, তবে তিনি নির্দ্বিধায় স্বীকার করবেন যে, ইউনানী-আয়ুর্বেদী হলো প্রাইমারী মেডিক্যাল সাইন্স, এলোপ্যাথি হলো স্ট্যান্ডার্ড মেডিকেল সাইন্স এবং হোমিওপ্যাথি হলো এডভান্সড মেডিক্যাল সাইন্স। আর এই কারণে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে সহজ থেকে জটিল শতকরা নিরানব্বইভাগ রোগ নিরাময় করা যায় সবচেয়ে কম সময়ে, সবচেয়ে কম খরচে এবং রোগীকে সবচেয়ে কম কষ্ট দিয়ে। এজন্য প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিসমুহের দুর্বলতা এবং সীমাবদ্ধতা সমপর্কে যারা জ্ঞান রাখেন, তারা হোমিওপ্যাথিকে মনে করেন ভবিষ্যতের চিকিৎসা বিজ্ঞানরূপে। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস’া বা টিকা, অপারেশনের র”ম এবং ডেলিভারি কক্ষকে পরিষ্কার-পরি”ছন্ন রাখা, রোগীকে একটি-দুটি অর্থাৎ কম সংখ্যক ঔষধ দেওয়া, ঔষধ পরিমাণে কম কম করে খাওয়ানো, মানসিক রোগকে জিন-ভুতের আছর মনে না করে রোগ মনে করা ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক থিওরী এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞান থেকে শিখেছেন। এগুলো বিসতারিত লিখতে গেলে একটি বড় সাইজের বই হয়ে যাবে। সংকীর্ণমনা কিছু এলোপ্যাথিক ডাক্তারদের কুটকৌশলের কারণে গত দুইশ বছরেও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং হোমিওপ্যাথিক ডাক্তাররা পৃথিবীর কোন দেশেই উল্লেখযোগ্য কোন সরকারী সাহায্য-সহযোগিতা-পৃষ্টপোষকতা পায় নাই। তারপরও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞান নিজগুণে দুইশ বছর যাবত সগৌরবে টিকে আছে। পক্ষানতরে সরকারী সাহায্য না পেলে পৃথিবীতে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি দুই বছরও টিকে থাকতো কিনা সন্দেহ আছে !

ক্যান্সার, হৃদরোগ, কিডনী রোগ, নিউরোলজিক্যাল রোগ, হাঁপানি, ডায়াবেটিস, মানসিক রোগ প্রভৃতি জটিল রোগ প্রচলিত যে-কোন চিকিৎসার চাইতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় অনতত একশগুণ কম খরচে এবং একশগুণ কম সময়ে নিরাময় করা যায়। এই কারণে শত বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও আজ এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা থেকে আমেরিকা পর্যনত সারা বিশ্বে আবারও হোমিওপ্যাথি জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সরকারী পৃষ্টপোষকতা পাওয়ার কারণে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি এতটাই সমৃদ্ধি লাভ করেছে যে, ইউরোপ-আমেরিকার উন্নত দেশের মানুষরা এখন উন্নতমানের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার দলে দলে ভারতে এসে ভিড় করছে। আমাদের মতো একটি দরিদ্রদেশে চরম ব্যয়বহুল এলোপ্যাথিক চিকিৎসা অবলম্বন করা নেহাত বিলাসিতার নামানতর। সরকার দুরদৃষ্টির পরিচয় দিবে যদি রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে হোমিওপ্যাথিকে অগ্রাধিকার দেয়। ইহার মাধ্যমে চিকিৎসা খাতে সরকারী বরাদ্ধ একশগুণ কমানো সম্ভব অথবা বলা যায় বরাদ্ধ না বৃদ্ধি করেও অনতত একশগুণ বেশী মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া সম্ভব। এজন্য সেবার মানসিকতা সমপন্ন যে-সব মেধাবী এলোপ্যাথিক, ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক ডাক্তার আছেন, তাদেরকে হোমিওপ্যাথিতে উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে হোমিও এক্সপার্ট হিসেবে গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেওয়া হউক।

ডাঃ বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
গ্রন্থকার, ডিজাইন স্পেশালিষ্ট, ইসলাম গবেষক, হোমিও কনসালটেন্ট
চেম্বার ‍ঃ ১৩/ক – কে. এম. দাস লেন (২য় তলা),
(হুমায়ুন সাহেবের রেলগেইটের সামান্য পশ্চিমে
এবং হায়দার ফামের্সীর উপরে)
টিকাটুলী, ঢাকা।
ফোন ঃ +৮৮০-০১৯১৬০৩৮৫২৭
E-mail : Bashirmahmudellias@hotmail.com
Website : http://bashirmahmudellias.blogspot.com
Website : https://bashirmahmudellias.wordpress.com
সাক্ষাতের সময় ‍ঃ সন্ধ্যা ৬:০০ টা হইতে রাত ৯:০০ টা

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s