Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

দুই বছরের মধ্যে ৩ য় বিশ্বযুদ্ধ মালহা মা আরমাগেডন

Leave a comment

দুই বছরের মধ্যে ৩য় বিশ্বযুদ্ধ / মালহামা/ আরমাগেডন
আস্‌সালামু আলাইকুম, আপনাদের অবগতির জন্য জানাইতেছি যে, সম্প্রতি ইরান সফরের সময় আমি দুইটি স্বপ্ন দেখিয়াছি (সেপ্টেম্বর / ২০১৪), একটার পর আরেকটা, যাহাতে আমি দেখিয়াছি পারমানবিক যুদ্ধ শুরু হইয়া গিয়াছে এবং আকাশের দিকে পারমানবিক ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করা হইয়াছে । একই ঘটনা ঘটিয়াছিল নাইন ইলাভেনের পূর্বে যখন আমি নিউ ইয়র্কের লঙ আইল্যান্ডে বসবাস করিতাম । আমি স্বপ্নে দেখিয়াছিলাম নাইন ইলাভেন সংঘঠিত হইয়াছে, ম্যানহাটনের উচুঁ বিল্ডিংয়ে আগুন দেওয়া হইয়াছে এবং সেখান থেকে সারা পৃথিবীতে আগুন ছড়াইয়া পড়িয়াছে । লং আইল্যান্ডের দার আল কোরআন মসজিদের জু’মুআর খোতবায় আমি আমার স্বপ্নের বিষয়টি উল্লেখ করিয়াছিলাম । আমার এই স্বপ্ন দেখিবার দুই বছর পরে নাইন ইলাভেন সংঘঠিত হয় । মহানবী (সাঃ) বলিয়াছেন যে, আখেরী জমানায় ঈমানদারদের স্বপ্ন কদাচিৎ মিথ্যা প্রমাণিত হইবে । আমার স্বপ্নের ব্যাখ্যা সম্ভবত এই যে, আমাদের হাতে মাত্র অল্প সময় বাকী আছে, সম্ভবত এক হইতে দুই বছর, যখন মহাযুদ্ধ শুরু হইবে, যাহাতে বড় বড় শহরগুলির অধিকাংশ মানুষ নিহত হইবে (বিশেষত উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ) । পক্ষান্তরে যেসব শহরের মানুষ এটম বোমার হাত হইতে বাঁচিয়া যাইবে, তাহারাও অরাজকতা, গৃহযুদ্ধ, মহামারী এবং অনাহারে কুকুর-বিড়ালের মতো ঝাঁকে ঝাঁকে মৃতুবরণ করিবে । আপনি যদি মুসলিম হন অথবা মুসলমানদের বন্ধু হন (যেমন খ্রীষ্টানরা), তবে যতদ্রুত সম্ভব শহর থেকে দূরবর্তী কোন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে চলিয়া যান, যেখানে আপনার স্ত্রী এবং সন্তানদের জন্য খাবার-পানির ব্যবস্থা আছে ।
মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
তাবলীগ জামায়াতের চিন্তাশক্তি নাই
তাহারা চাহিয়াছে এমন একটি দল সৃষ্টি করিতে যাহাদের ধর্মীয় ধ্যান-ধারনা সাথে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট, আমেরিকান কংগ্রেস এবং সমগ্র ইহুদী জাতি একমত হইবে । ইসলাম সম্পর্কে সেই জামাআতের ধারনা হইবে পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, সুন্নাহ সম্মত লেবাছ পড়া । তাছাড়া মেছওয়াক করা, মাশায়াল্লাহ ! খুব ভালো । তাহারা চায় যাহাতে দাঁতের এনামেলের কোন ক্ষতি না হয়, ভালো ভাবে পরিষ্কার চক্‌চকে হয় । ফলে হাসিলে মনে হইবে তাহাদের দাঁত তারকারাজির ন্যায় চকমক করিতেছে, মাশায়াল্লাহ । পক্ষান্তরে টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজিলে এনামেলের ক্ষতি হয়, দাঁত ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না । ফলে দাঁত বাহির করিয়া হাসিলেও কেউ মুগ্ধ হয় না । ফলে ধর্ম সম্পর্কে আমাদের ধ্যান-ধারনা হইতেছে মসজিদে যাওয়া, নামাজ পড়া এবং ঘরে ফিরিয়া আসা । ধর্ম সম্পর্কে আমাদের ধারনা হইল আশেপাশের মুসলমানদের কাছে যাওয়া, (যাহাকে গাস্ত বলা হয়) তাহাদেরকে মসজিদের দিকে ডাকা, নামাজের দিকে, রোজার দিকে ডাকা । কিন্তু ইমরান হোসেন আবোলতাবোল যাহা বলিতেছে তাহার প্রতি আমাদের কর্ণপাত করিবার দরকার নাই । আমরা এমন লোক যাহাদের মাথায় যুক্তি দিয়ে চিন্তাভাবনা বিচার-বিশ্লেষণ করিবার মতো শক্তি নাই । আমরা আজকের দুনিয়ার কঠিন বাস্তবতা অনুধাবনের চেষ্টা করি না । তাবলীগ জামায়াত, জামায়াতুত তাবলীগ । আজকে তাদের প্রতি আমার একটি নসীহত আছে । এই লোকগুলি, যারা আমাদেরই লোক, রূপকথার পরীস্তানে ঘুমিয়ে আছে, গভীর ঘুমে অচেতন । এই প্রথম আমি তাদের সম্পর্কে কর্কশ ভাষায় কথা বলিতেছি এবং সময় আসিয়াছে কঠিন কথা বলিবার, যদি আমাদের জ্ঞানবুদ্ধির প্রতি নুন্যতম শ্রদ্ধাবোধ থাকে । আমরা হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রীষ্টান যাই হই না কেন, আমাদেরকে অবশ্যই জানিবার চেষ্টা করিতে হইবে বর্তমান বিশ্বে কি ঘটিতেছে । আল্লাহ পবিত্র কোরআনে আপনাদের সম্পর্কে বলিয়াছেন এবং সন্দেহ নাই একথা বাইবেলেও বর্ণিত হইয়াছে । (একদল লোক সম্পর্কে) “যাদের চক্ষু আছে কিন্তু তাহারা দেখে না”, ইহা আপনারা তাবলীগ জামাআত । “তাহাদের কান আছে কিন্তু তাহারা শোনে না”, ইহা আপনারা তাবলীগ জামায়াত । “তাহাদের অন্তঃকরণ আছে কিন্তু তাহারা কিছু অনুধাবন করে না”, ইহা আপনারা তাবলীগ জামাত। “তাহারা পশুদের ন্যায় নির্বোধ, বরং পশুর চাইতেও অধম ”। তাহারা পশুদের চাইতেও বেশী পথহারা । আজকের এই কটু ভাষা তাদের বদনাম ছড়ানোর জন্য নয় বরং তাদেরকে নিদ্রা হইতে জাগ্রত করিবার জন্য । এই কর্কশ ভাষা তাহাদের প্রতি দুষমনীর কারণে নয় বরং সহানুভুতির কারণে । তাহারা এমন লোক যাহারা মহাবিশ্বের একমাত্র প্রতিপালক আল্লাহর (আখেরি জামানা সম্পর্কিত) নিদর্শনগুলির প্রতি উদাসীন, যাহা রহস্যময়ভাবে বর্তমানে চারদিকে প্রকাশিত হইতেছে । আপনাদের কাছে যদি এই সংক্রান্ত সত্য থাকে, তাহা ব্যাখ্যা করুন । নতুবা সত্যকে অনুসন্ধ্যান করুন, কেননা আপনাদের নিকট সত্য নাই ।
মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ (মালহামা/আরমাগেডন) পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতি
মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
আমার আজকের আলোচ্য বিষয়টি কেবল আশ্চর্যজনকই নয়, পাশাপাশি দূর্লভও । তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ (মালহামা/আরমাগেডন) পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতি কেমন হবে। তখনকার পৃথিবীর সামরিক, রাজনৈতিক, সাংষ্কৃতিক, অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন হবে । কৃষির অবস্থা কেমন হবে, খাবার-দাবারের অবস্থা কেমন হবে । ইহা তো কোন সহজ বিষয় নয় । এই ব্যাপারে আমরা একটা বিখ্যাত হাদীসের আলোচনা করব । হাদীসটি আবু দাউদ শরীফের বর্ণিত হইয়াছে । বলুন তো ইহার বর্ণনাকারী কে ? মাশায়াল্লাহ ! মোয়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ) । মহানবী (সাঃ) বলিয়াছেন যে, “যখন বায়তুল মোকাদ্দাসের (অর্থাৎ জেরুজালেমের) উত্থান হইবে তখন মদীনা অধঃপতন হইবে”। ইহা ইশারা করে যে, দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ খুবই নিকটবর্তী । জেরুজালেমের উত্থান বলিতে রূপকার্থে বুঝানো হয়েছে যে, ইহুদীরা পৃথিবীর ক্ষমতার নিয়ন্ত্রকারী । মদীনার অধঃপতন বলিতে বুঝানো হয়েছে উম্মাতে মোহাম্মাদি (সাঃ) দুরবস্থা । ইসরাইল রাষ্ট্রটির উত্থান হইতেছে আর উম্মতে মোহাম্মদী ধ্বংসের দিকে যাইতেছে। মদীনার অধঃপতনের পরে মহাযুদ্ধ (মালহামা) শুরু হইবে । বিশ্বযুদ্ধের (মালহামা) পরের সবচেয়ে বড় ঘটনা হইবে কনস্ট্যানটিনোপল বিজয় । মোস্তফা কামাল পাশা আমাকে কনষ্ট্যান্টিনোপল বলা থেকে বিরত রাখিতে পারিবে না । (যিনি কনষ্ট্যান্টিনোপল নগরীর নাম পরিবর্তন করে ইস্তাম্বুল রাখিয়াছেন)

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s