Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্ তানের মুসলমানদের জ ন্য সতর্কবাণী

Leave a comment

বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তানের মুসলমানদের জন্য সতর্কবাণী

দাজ্জালের হাত থেকে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মুসলমানদের উচিত দ্রুত শহরগুলি ত্যাগ করিয়া দূরবর্তী গ্রামগুলিতে গিয়ে বসবাস করা । দাজ্জাল খুব শীঘ্রই শহরগুলিতে আক্রমণ করিয়া মুসলমানদেরকে হত্যা করিতে থাকিবে । যুদ্ধ, গেরিলা যুদ্ধ চাপাইয়া দিবে । খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করিয়া দিবে । পানি সরবরাহ বন্ধ করিয়া দিয়া মুসলমানদের নির্মূল করিবে । এইগুলি হইল দাজ্জালের মুসলিম নিধনের প্রধান হাতিয়ার যাহা সাধারণত গ্রাম অঞ্চলে কার্যকর হয় না । দাজ্জালের আরেকটি হাতিয়ার হইবে প্লেগ । প্লেগ মানে প্লেগ নয়, ইপিডেমিকস মহামারী । বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি । মহামারী দিয়াও শহরবাসীদের সহজে নির্মূল করা যায় কিন্তু গ্রামে তেমন একটা সফল হওয়া যায় না । তবে ভারতের মুসলমানদেরকে দাজ্জালের হাত থেকে জীবন বাঁচানোর জন্য আরো বেশী কিছু করিতে হইবে । আর তাহা হইল তাহাদেরকে বিপুল সংখ্যায় একত্রে বসবাস করিতে হইবে । যাহাতে ২০ জন লোক তাহাদেরকে আক্রমণ করিয়া হ্ত্যা করিতে না পারে । বরং তাহাদেরকে আক্রমণ করিয়া হত্যা করিতে ২০ হাজার লোকের প্রয়োজন হয় । ভারতীয় মুসলমানদেরকে ব্যক্তিগতভাবে জীবন রক্ষার চেষ্টা না করিয়া জাতীগতভাবে আত্মরক্ষার চেষ্টা করিতে হইবে । হযরত তামীম আদ দারী (রাঃ)-কে দাজ্জাল বলিয়াছে যে, সে প্রতিটি শহরে অভিযান পরিচালনা করিবে । এই কারণে মুসলমানদেরকে অতি সহজে ধ্বংস করিবার সুবিধার্থে বিভিন্নভাবে আকৃষ্ট করিয়া শহরগুলিতে আনিয়া একত্রিত করিতে সক্ষম হইয়াছে । ফলে অবস্থা এমন হইয়াছে যে, চারদিকে অগণিত মেগাসিটি তৈরী হইয়াছে । গ্রামে এখন আর মানুষ খুঁজিয়া পাওয়া যায় না । ফলে দাজ্জাল নিশ্চয়ই এখন খুশীতে হাত কচলাইতেছে । তার স্বপ্ন সে খুব সহজেই পূরণ করিতে পারিবে । কেননা শহরে বসবাস করিলে দাজ্জাল খুব সহজে মুসলমানদেরকে নিয়ন্ত্রণ করিতে সক্ষম হয় । সুদের চক্করে ফেরিয়া তাদের ঈমান নষ্ট করা যায় । টেলিভিশনের মাধ্যমে তাদের মগজ ধোলাই করতে পারে । এমনকি তাহাদেরকে খুনও করা যায় খুব সহজে । কাজেই আমাদেরকে চেষ্টা করিতে হইবে যাহাতে দাজ্জাল খুব সহজে আমাদেরকে বরবাদ করিতে না পারে, বরং আমাদেরকে ধ্বংস করিবার সময় সে নিজেও যাহাতে বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হয় ।

আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানী ইত্যাদি যে-সব দেশ সমকামিতাকে (একই লিঙে বিবাহ) রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিয়াছে, এই দেশগুলিকে আল্লাহ খুব শীঘ্রই ধ্বংস করিয়া দিবেন । অতীতেও যে-সব জাতির মধ্যে সমকামিতার প্রচলন হইয়াছিল, আল্লাহ তাহাদেরকে ভয়াবহ শাস্তি দিয়া ধ্বংস করিয়াছেন । আমাদেরকে মনে রাখিতে হইবে যে, আল্লাহর আইনে কোন পরিবর্তন হয় না । কাজেই মুসলমানদের উচিত যত দ্রুত সম্ভব এই দেশগুলো ত্যাগ করিয়া অন্যত্র চলিয়া যাওয়া ।

মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন

অনুবাদ – ডাঃ বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

দাজ্জাল বর্তমানে রাজনীতি, অর্থনীতি প্রভৃতির মতো ধর্মীয় ক্ষেত্রেও এতো বেশী প্রতারণার জাল বিছিয়ে যে, আপনার মনে হবে আপনি জান্নাতের পথে জীবন অতিবাহিত করেছেন অথচ বাস্তবে আপনার জীবন কেটেছে জাহান্নামের পথে । কাজেই খুবই সাবধান । কাজেই দাজ্জালের ফেতনাহ থেকে বাঁচার জন্য সর্বদা একজন ভালো আলেমের পরামর্শ মতো চলুন । আর ভালো আলেম তাকেই বলা যায়, যিনি কেবল এলেমই অর্জন করেন নাই, সাথে সাথে সেই অনুযায়ী আমল করিয়া উর্ধ্বজগতের সাথে নিজের সম্পর্ক সৃষ্টি করেছেন । ফলে তিনি আল্লাহ তায়ালার নিকট থেকে (স্বপ্নের / অনুপ্রেরনার মাধ্যমে) সর্বদা পথনির্দেশনা লাভ করিয়া থাকেন ।

মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন

অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

মহাবিশ্বের সকল বস্তুর শ্রষ্টা একমাত্র আল্লাহ । সুতরাং এই সকল বস্তুর মূল্য নির্ধারণের অধিকার একমাত্র তাঁহারই আছে । আল্লাহ তায়ালা সোনা এবং রূপাকে সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু ঘোষণা করিয়াছেন । আপনি এক টুকরা কাগজে কিছু রঙ মাখিলেন এবং একটি নাম্বার দিলেন । তারপর ইহাকে ঘোষণা করিলেন এক হাজার টাকা (ডলার / রিয়াল) হিসাবে । ইহার চাইতে বড় প্রতারণা এবং খোদাদ্রোহীতা (শিরক) আর কি হইতে পারে ?

মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন

অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

“If You Choose To Seek Guidance From Sources Other Than The Blessed Qur’an,
With Policies Other Than Those Permitted By Allah Most High, You Will Pay A Terrible Price For Your Mistake.

Imran Nazar Hosein

আদর্শ মুসলিম গ্রামে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ

আমাদের আদর্শ মুসলিম গ্রামে যে-সকল মুসলিম নারীরা বসবাস করিতে আসিবেন, তাহাদের জন্য স্বামীর প্রয়োজন আছে । কাজেই যেই সকল মুসলিম পুরুষ আমাদের আদর্শ গ্রামে বসবাস করিতেন চান, তাহাদেরকে আমরা স্বাগত জানাই । কিন্তু তাহাদের জন্য মোবাইল এবং ল্যাপটপ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ । কেননা মোবাইল এবং ল্যাপটপের ওয়ারলেস / ওয়াইফাই রেডিয়েশান পুরুষদের শুক্রাণুর ক্ষতি করিয়া থাকে । ফলে তাহারা কেবল কন্যা সন্তান জন্ম দিতে থাকে । পুত্র সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হইয়া পড়ে । কাজেই আমাদের আদর্শ মুসলিম গ্রামে পুরুষদের জন্য মোবাইল / ল্যাপটপ ব্যবহার নিষিদ্ধ ।

মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন

অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

দাজ্জাল আমাদের অনেক মুসলিম বোনের ব্রেনওয়াশ করিয়া দিয়াছে । ফলে তাহার এখন পুরুষদের মতো বড় বড় ডিগ্রী দরকার, বড় বড় চাকুরি দরকার, চাকরিতে বড় বড় প্রমোশন দরকার ইত্যাদি ইত্যাদি । এইগুলিকে সে তাহার জন্মগত অধিকার মনে করে । কাজেই সে এখন পুরুষদের সাথে কমপিটিশন দিয়ে বড় বড় ডিগ্রী নেয়, পুরুষদের সাথে ধাক্কাধাক্কি করিয়া রোজ অফিসে আসা-যাওয়া করে । তারপর ক্লান্ত-শ্রান্ত হইয়া বাসায় আসিয়া ঘুমাইয়া পড়ে । স্বামী-সন্তানের প্রতি এখন দ্বায়িত্ব পালন করা তাহার পক্ষে অসম্ভব । নিজের শিশু সন্তানকে কাজের মেয়ে অথবা ডেকেয়ার সেন্টারে কাঁদিয়ে রেখে অফিসে চলে যায় । মায়ের কাছে থাকা যে শিশুর অধিকার তাহা সে স্বীকার করে না । তাহার নিকট তাহার শিশুর অধিকারের চাইতে তাহার নিজের অধিকার বেশী গুরুত্বপূর্ণ । কিন্তু বোন আপনি একটি কথা মনে রাখিবেন । আল্লাহ বলিয়াছেন, প্রতিটি কাজেরই একটি ফলাফল আছে । একদিন আপনার চাকুরি থাকিবে না, আপনার শরীরের শক্তি থাকিবে না । আপনি বৃদ্ধ, দুর্বল আর অসহায় হইয়া পড়িবেন । পক্ষান্তরে আপনার অসহায় শিশু সন্তান যুবক-যুবতী হইবে, শক্তিশালী হইবে, চাকুরি নিয়ে ব্যস্ত হইয়া পড়িবে । সে তখন আপনাকে ঝামেলা মনে করিয়া বৃদ্ধাশ্রমে ফেলিয়া আসিবে । আপনি তখন চোখের জলে বুক ভাসাবেন যেভাবে আপনার শিশু সন্তান বুক ভাসাইত ।

মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন

অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

প্রশ্ন ঃ আপনি তো মনে করেন পারমাণবিক অস্ত্রধারী আমেরিকা এবং রাশিয়ার সেনাবাহিনীই ইয়াজুজ মাজুজ এবং তাদের পারমাণবিক ক্ষেপনাস্ত্রগুলিই ইয়াজুজ মাজুজের তীর । এখন কথা হইল আমেরিকা এবং রাশিয়া কখনো যুদ্ধ লাগিলে তাহারা একে অপরের দিকে তীর নিক্ষেপ করিবে । কিন্তু হাদীসে তো বলা হইয়াছে ইয়াজুজ মাজুজ আকাশের দিকেও তীর নিক্ষেপ করিবে । আপনার কাছে ইহার কি ব্যাখ্যা আছে ?

উত্তর ঃ প্রকৃতপক্ষে এখনকার দিনে যুদ্ধকৌশলের অধিকাংশই নিয়ন্ত্রিত হইয়া থাকে মহাশূণ্যে স্থাপিত মহাকাশযান বা স্প্যাস সেটেলাইট থেকে । কাজেই আসন্ন সেই মহাযুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার জন্য আমেরিকা এবং রাশিয়া প্রথমেই আকাশে স্থাপিত প্রতিপক্ষের সেটেলাইটগুলোকে ধ্বংস করিবার জন্য ক্ষেপনাস্ত্র (তীর) নিক্ষেপ করিবে । (ইতিমধ্যেই চীন ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে মহাশূণ্যযান ধ্বংস করিবার পরীক্ষা চালাইয়া সফলতা লাভ করিয়াছে ।)

মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন

অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

কোন দেশে যদি বোরখাবিরোধী অথবা দাড়িবিরোধী আইন করা হয় আর আপনি বোরকা খুলে ফেলেন অথবা দাড়ি সেভ করে ফেলেন, তাতে কিন্তু জাহান্নাম থেকে বাঁচতে পারবেন না । আল্লাহ অবশ্যই আপনাকে প্রশ্ন করবেন যে, আমার দুনিয়া কি এতো ছোট ছিল যে তুমি অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা পেলে না ?

শাইখ ইমরান নজর হোসেন

আদর্শ মুসলিম গ্রামে চলে যান

আপনার জন্য শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যাওয়ার প্রয়োজন নাই যদি আপনার শহর ভালো লাগে ।

যদি আপনার চক্ষু থাকে অথচ দেখিতে পান না যে মহিলারা কাপড় পরিধান করিয়াও নগ্ন থাকে

যদি আপনার চক্ষু থাকে অথচ দেখিতে পান না নারীরা পুরুষদের বেশভূষা ধারন করে

যদি আপনার চক্ষু থাকে অথচ দেখিতে পান না উচু উচু বিল্ডিং

যদিও আপনার চক্ষু আছে অথচ দেখিতে পান না মদ্যপানের ব্যাপক বৃদ্ধি

যদিও আপনার চক্ষু আছে অথচ দেখিতে পান না পতিতাবৃত্তির প্রসার

…..আপনি দেখিতে পান না বড় সাইজের শস্য-ফল-ফ্রুট এবং ভেজাল

…..আপনি দেখিতে পান না শহরগুলোতে শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি

…..আপনি দেখিতে পান না আল্লাহবিরোধী পৃথিবী

আপনি যদি এই বিষয়গুলি দেখিতে না পান তবে আমি আপনাকে শহর ত্যাগ করিতে বলিব না

শহরেই থাকুন সেটা আপনার ইচ্ছা

কিন্তু আপনি যাহা দেখিতে পান না আমরা তাহা দেখিতে পাইতেছি যেই বিষয়গুলি আমরা উল্লেখ করিলাম

আমরা মনে করি শহর ত্যাগ করিবার সময় আসিয়া গিয়াছে

আপনি যদি শহর ত্যাগ করিতে না চান তবে না করুন

কিন্তু আমাদের শহর পরিত্যাগ করা ঠেকাতে চান কেন ?

আমাদের ধারনা জাহাজ ডুবিতে যাইতেছে

আমাদের ধারনা জাহাজকে ডুবার হাত থেকে কেউ রক্ষা করিতে পারিবে না

আমাদের ধারনা আমরা যে নৌকায় উঠিয়াছি তাহা ডুবিতেছে এবং কেহই তাহার ডুবা রোধ করিতে পারিবে না

সুতরাং এখন সাধারণ কান্ডজ্ঞানের দাবী হইল আমাদেরকে জাহাজ থেকে নামিয়া যাইতে হইবে

কাজেই আমরা মুসলিম গ্রামে চলিয়া যাইতেছি

যদি আপনি তাহা করিতে না চান

যদি আপনি ডুবন্ত জাহাজেই থাকিতে চান তবে থাকুন

আমরা সেখানে আদৌ থাকিতে চাই না

ইহা আপনার ইচ্ছা

জাহাজ যখন ডুবিয়া যাইবে তাহার সাথে আপনিও ডুবিয়া যাইবেন

আমরা যখন মুসলিম গ্রামে চলিয়া যাইব

আমরা যখন শহর হইতে নিজেদের সরাইয়া নিব

আমরা তাহলে সুরা কাহাফের অনুসরন করিলাম

যাহা আখেরী জামানা সংক্রান্ত সুরা এবং সেই সুরাতে কয়েকজন যুবক শহর ত্যাগ করিয়া গৃহ ত্যাগ করিয়া গুহায় আশ্রয় নিয়াছিল-

তোমরা যখন তাহাদের থেকে পৃথক হলে এবং তাহারা আল্লাহ্‌র পরিবর্তে

যাদের ইবাদত করে তাহাদের থেকে, তখন তোমরা গুহায় আশ্রয় গ্রহণ কর।

তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্যে দয়া বিস্তার করিবেন

এবং তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের কাজকর্মকে ফলপ্রসু করার ব্যবস্থা করিবেন। -আল কোরআন (১৮:১৬)

আপনি যখন আদর্শ মুসলিম গ্রামে চলিয়া করিবেন, আল্লাহ সোবহানাহু তায়ালা বলেন, তিনি আপনাকে রক্ষা করিবেন, আপনার উপর তাঁহার অনুগ্রহ বর্ষন করিবেন ।

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s