Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

ইয়াজুজ-মাজুজের আক্রম ণ শুরু হইয়াছে

Leave a comment

ইয়াজুজ-মাজুজের আক্রমণ শুরু হইয়াছে
আজ বিশ বছর যাবত আমি বলিতেছে যে, ইয়াজুজ-মাজুজের আক্রমণ শুরু হইয়া গিয়াছে এবং বর্তমানে সারাবিশ্বে ইয়াজুজ-মাজুজের শাসন চলিতেছে । কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ট আলেম সম্প্রদায় আমার মতামতকে প্রত্যাখ্যান করিয়াছে । তাহারা বলেন, নাহ, ইয়াজুজ-মাজুজ এখনও মুক্তি পায় নাই । কিভাবে বুঝলেন ইয়াজুজ-মাজুজকে ছাড়িয়া দেওয়া হয় নাই ? কারণ হাদীসে বলা হইয়াছে, ঈসা (আঃ) ফিরিয়া আসিবার পরে ইয়াজুজ-মাজুজকে মুক্তি দেওয়া হইবে । মাত্র একটা হাদীসের জন্য মাত্র এ-ক-টা হাদীসের জন্য আপনারা ইয়াজুজ-মাজুজ সংক্রান্ত কোরআনের সকল আয়াত অস্বীকার করিলেন ? কোরআনকে অপমান করিবার জন্য আপনাদেরকে একদিন কবরে ভয়াবহ মূল্য দিতে হইবে কিন্তু তখন আর করিবার কিছু থাকিবে না । ঈসা (আঃ) সংক্রান্ত হাদীসের অর্থও তো আপনারা ভূল বুঝিয়াছেন । ইয়াজুজ-মাজুজ বুঝতে হইলে আপনাদেরকে কোরআনের নিকট আসিতে হইবে । এখনও কি আপনারা বিরিয়ানী খাইবেন আর ঘুমাইয়া থাকিবেন ? কোরআনে আল্লাহ বলিতেছেন, “ইয়াজুজ-মাজুজ পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করিবে” । বর্তমানে তো সারা দুনিয়ায় বিপর্যয় ছড়াইয়া পড়িয়াছে । রাজনীতিতে বিপর্যয় সৃষ্টি হইয়াছে, অর্থনীতিতে বিপর্যয় সৃষ্টি হইয়াছে, ধর্মীয় ক্ষেত্রে বিপর্যয় সৃষ্টি হইয়াছে, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিপর্যয় সৃষ্টি হইয়াছে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিপর্যয় সৃষ্টি হইয়াছে, শিক্ষা ক্ষেত্রে বিপর্যয় সৃষ্টি হইয়াছে, কৃষিকাজে বিপর্যয় সৃষ্টি হইয়াছে, পারিবারিক ক্ষেত্রে বিপর্যয় সৃষ্টি হইয়াছে, আবহাওয়ার ক্ষেত্রে বিপর্যয় সৃষ্টি হইয়াছে, নারী-পুরুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিপর্যয় সৃষ্টি হইয়াছে । রাসুলে করীম (সাঃ) বলিয়াছে, “ইয়াজুজ-মাজুজ সকল পানি পান করিয়া নিঃশেষ করিয়া ফেলিবে”। ইহাতো একটি রূপক বর্ণনা । ইহার অর্থ হইল ইয়াজুজ-মাজুজ পানি মাত্রাতিরিক্ত বেশী খরচ করিবে, অপচয় করিয়া ঘাটতি ফেলিয়া দিবে । পৃথিবীর সকল নদীগুলি কি ধীরে ধীরে শুকাইয়া যাইতেছে না ? এমনকি ইয়াজুজ-মাজুজ পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি (global warming) করিয়া পানির মূল ভাণ্ডার মেরু অঞ্চলের সমস্ত বরফকে গলাইয়া দিতেছে । উদ্দেশ্য একটাই, পৃথিবীর কোথাও যেন পান করিবার মতো বিশুদ্ধ পানি না থাকে । তখন আপনাকে পানির জন্য ইজরাইলকে সিজদা দিতে হইবে নতুবা পানির অভাবে মরিতে হইবে । দাজ্জালের মহাপরিকল্পনার কথা নবী করিম (সাঃ) ফাঁস করিয়া দিয়া গিয়াছেন । সেই হাদীসটি কথা আপনারা সবাই জানেন । বিশ্বনবী (সাঃ) বলিয়াছেন, “এক বছর বৃষ্টিপাত এক-তৃতীয়াংশ কম হইবে, ফলে খাদ্য-শস্য এক-তৃতীয়াংশ কম উৎপাদিত হইবে । দ্বিতীয় বছর বৃষ্টিপাত দুই-তৃতীয়াংশ কম হইবে, ফলে খাদ্য-শস্য দুই-তৃতীয়াংশ কম উৎপন্ন হইবে । তৃতীয় বৎসর কোন বৃষ্টিপাত হইবে না, ফলে সেই বছর কোন ফসল উৎপাদিত হইবে না ।” আমি মনে করি, এই ঘটনা ঘটিবে মালহামার (মহাযুদ্ধ, ৩য় বিশ্বযুদ্ধ) পরে । এজন্য তাহারা পারমাণবিক বিশ্বযুদ্ধের উষ্কানী দিতেছে । আমরা যদি তখন বাঁচিয়া থাকি তবে খাবার-পানির জন্য হয় ইসরাইলের নিকট মাথা নত করিতে হইবে নতুবা খাবার-পানির অভাবে মৃত্যুবরণ করিতে হইবে । আল্লাহ আমাদের সমস্যার সমাধান করিবেন না । কারণ আমরা বেশী বেশী অপচয় করিবার মাধ্যমে আল্লাহর অমূল্য নেয়ামতকে (খাবার-পানি) তাচ্ছিল্য করিয়াছি । অন্য সকল ক্ষেত্র বাদ দিয়া কেবল অজুর কথাই যদি বলি, দেখা যাইবে ইহাতে মহানবী (সাঃ)-এর তুলনায় আমরা অন্তত বিশ হইতে পঞ্চাশগুণ পানি বেশী খরচ করিতেছি । আপনারা যদি জানিতে পারিতেন যে, মহান আল্লাহর এই অমূল্য নেয়ামত পানিকে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কতোটা হিসাব করে খরচ করিতেন, তবে আপনাদের হৃদয় কাঁপিয়া উঠিত এবং চক্ষু হইতে অঝোরে অশ্রু প্রবাহিত হইত ।
মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

দুই বছরের মধ্যে ৩য় বিশ্বযুদ্ধ / মালহামা/ আরমাগেডন
আস্‌সালামু আলাইকুম, আপনাদের অবগতির জন্য জানাইতেছি যে, সম্প্রতি ইরান সফরের সময় আমি দুইটি স্বপ্ন দেখিয়াছি (সেপ্টেম্বর / ২০১৪), একটার পর আরেকটা, যাহাতে আমি দেখিয়াছি পারমানবিক যুদ্ধ শুরু হইয়া গিয়াছে এবং আকাশের দিকে পারমানবিক ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করা হইয়াছে । একই ঘটনা ঘটিয়াছিল নাইন ইলাভেনের পূর্বে যখন আমি নিউ ইয়র্কের লঙ আইল্যান্ডে বসবাস করিতাম । আমি স্বপ্নে দেখিয়াছিলাম নাইন ইলাভেন সংঘঠিত হইয়াছে, ম্যানহাটনের উচুঁ বিল্ডিংয়ে আগুন দেওয়া হইয়াছে এবং সেখান থেকে সারা পৃথিবীতে আগুন ছড়াইয়া পড়িয়াছে । লং আইল্যান্ডের দার আল কোরআন মসজিদের জু’মুআর খোতবায় আমি আমার স্বপ্নের বিষয়টি উল্লেখ করিয়াছিলাম । আমার এই স্বপ্ন দেখিবার দুই বছর পরে নাইন ইলাভেন সংঘঠিত হয় । মহানবী (সাঃ) বলিয়াছেন যে, আখেরী জমানায় ঈমানদারদের স্বপ্ন কদাচিৎ মিথ্যা প্রমাণিত হইবে । আমার স্বপ্নের ব্যাখ্যা সম্ভবত এই যে, আমাদের হাতে মাত্র অল্প সময় বাকী আছে, সম্ভবত এক হইতে দুই বছর, যখন মহাযুদ্ধ শুরু হইবে, যাহাতে বড় বড় শহরগুলির অধিকাংশ মানুষ নিহত হইবে (বিশেষত উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ) । পক্ষান্তরে যেসব শহরের মানুষ এটম বোমার হাত হইতে বাঁচিয়া যাইবে, তাহারাও অরাজকতা, গৃহযুদ্ধ, মহামারী এবং অনাহারে কুকুর-বিড়ালের মতো ঝাঁকে ঝাঁকে মৃতুবরণ করিবে । খ্রীষ্টান ধর্মজাযকগণ বলেন (আকাশে ছড়ানো ব্যাঙের ছাতার মতো এটম বোমার ধোয়ার কারণে) পৃথিবী অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকিবে তিন দিন । পক্ষান্তরে মহানবী (সাঃ) বলিয়াছেন, চল্লিশ দিন । আমি মনে করি আমার এই স্বপ্নের বিষয়টি ব্যক্তিগত নয় বরং সার্বজনীন । ইহার ফলে আমি যেমন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মহাদুর্যোগ মোকাবেলার ব্যাপারে নিজেকে প্রস্তুত করিতে যথেষ্ট সময় পেয়েছি, আপনারাও তাহা করিবার সুযোগ পাবেন । আজ থেকে দশ বিশ বছর পরে যখন মহাযুদ্ধ শেষ হইবে, এখনকার পৃথিবীর মানুষদের ক্ষুদ্র একটি ভগ্নাংশ মাত্র তখন বাঁচিয়া থাকিবে । আমার মনে হয় এখন পৃথিবীর জনসংখ্যা যদি আটশ কোটি হয়, যুদ্ধের পরে পৃথিবীর জনসংখ্যা হইবে পঞ্চাশ কোটি । আপনি যদি মুসলিম হন অথবা মুসলমানদের বন্ধু হন (যেমন খ্রীষ্টানরা), তবে যতদ্রুত সম্ভব শহর থেকে দূরবর্তী কোন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে চলিয়া যান, যেখানে আপনার স্ত্রী এবং সন্তানদের জন্য খাবার-পানির ব্যবস্থা আছে ।
মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তানের মুসলমানদের জন্য সতর্কবাণী
দাজ্জালের হাত থেকে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মুসলমানদের উচিত দ্রুত শহরগুলি ত্যাগ করিয়া দূরবর্তী গ্রামগুলিতে গিয়ে বসবাস করা । দাজ্জাল খুব শীঘ্রই শহরগুলিতে আক্রমণ করিয়া মুসলমানদেরকে হত্যা করিতে থাকিবে । যুদ্ধ, গেরিলা যুদ্ধ চাপাইয়া দিবে । খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করিয়া দিবে । পানি সরবরাহ বন্ধ করিয়া দিয়া মুসলমানদের নির্মূল করিবে । এইগুলি হইল দাজ্জালের মুসলিম নিধনের প্রধান হাতিয়ার যাহা সাধারণত গ্রাম অঞ্চলে তেমন একটা কার্যকর হয় না । দাজ্জালের আরেকটি হাতিয়ার হইবে প্লেগ । প্লেগ মানে প্লেগ নয়, ইপিডেমিকস, মহামারী । বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি । মহামারী দিয়াও শহরবাসীদের সহজে নির্মূল করা যায় কিন্তু গ্রামে তেমন একটা সফল হওয়া যায় না । তবে ভারতের মুসলমানদেরকে দাজ্জালের হাত থেকে জীবন বাঁচানোর জন্য আরো বেশী কিছু করিতে হইবে । আর তাহা হইল তাহাদেরকে বিপুল সংখ্যায় একত্রে বসবাস করিতে হইবে । যাহাতে ২০ জন বা ২০০ লোক তাহাদেরকে আক্রমণ করিয়া হ্ত্যা করিতে না পারে । বরং তাহাদেরকে আক্রমণ করিয়া হত্যা করিতে ২০ হাজার লোকের বিরাট সৈন্যবাহিনীর প্রয়োজন হয় এবং বিরাট যুদ্ধের মোকাবিলা করিতে হয় । ভারতীয় মুসলমানদেরকে ব্যক্তিগতভাবে জীবন রক্ষার চেষ্টা না করিয়া সম্মীলিতভাবে আত্মরক্ষার চেষ্টা করিতে হইবে । হযরত তামীম আদ দারী (রাঃ)-কে দাজ্জাল বলিয়াছে যে, সে প্রতিটি শহরে অভিযান পরিচালনা করিবে । এই কারণে মুসলমানদেরকে অতি সহজে ধ্বংস করিবার সুবিধার্থে বিভিন্নভাবে আকৃষ্ট করিয়া শহরগুলিতে আনিয়া একত্রিত করিতে সক্ষম হইয়াছে । ফলে অবস্থা এমন হইয়াছে যে, চারদিকে অগণিত মেগাসিটি তৈরী হইয়াছে । গ্রামগুলি ধীরে ধীরে জনশূন্য হইয়া পড়িতেছে । ফলে দাজ্জাল নিশ্চয়ই এখন খুশীতে হাত কচলাইতেছে । তার স্বপ্ন এখন সে খুব সহজেই পূরণ করিতে পারিবে । কেননা শহরে বসবাস করিলে দাজ্জাল খুব সহজে মুসলমানদেরকে নিয়ন্ত্রণ করিতে সক্ষম হয় । সুদের চক্করে ফেরিয়া তাদের ঈমান নষ্ট করা যায় । টেলিভিশনের মাধ্যমে তাদের মগজ ধোলাই করিতে পারে । এমনকি তাহাদেরকে ধ্বংসও করা যায় খুব সহজে । কাজেই আমাদেরকে চেষ্টা করিতে হইবে যাহাতে দাজ্জাল খুব সহজে আমাদেরকে হত্যা করিতে না পারে, বরং আমাদেরকে ধ্বংস করিবার সময় সে নিজেও যাহাতে বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হয় ।
মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – ডাঃ বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানী ইত্যাদি যে-সব দেশ সমকামিতাকে (একই লিঙে বিবাহ) রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিয়াছে, এই দেশগুলিকে আল্লাহ খুব শীঘ্রই ধ্বংস করিয়া দিবেন । অতীতেও যে-সব জাতির মধ্যে সমকামিতার প্রচলন হইয়াছিল, আল্লাহ তাহাদেরকে ভয়াবহ শাস্তি দিয়া ধ্বংস করিয়াছেন । আমাদেরকে মনে রাখিতে হইবে যে, আল্লাহর আইনে কোন পরিবর্তন হয় না । কাজেই মুসলমানদের উচিত যত দ্রুত সম্ভব এই দেশগুলো ত্যাগ করিয়া অন্যত্র চলিয়া যাওয়া ।
মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – ডাঃ বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

আরব মুসলমানদের ধ্বংস অতি নিকটবর্তী
যায়োনিষ্টরা (অর্থাৎ ইসরাঈলের সমর্থকরা) প্রথমে ইরাক-সিরিয়া এবং লিবিয়াকে ধ্বংস করিয়াছে । তারপরে তাহারা ধ্বংস করিবে ইরান এবং মিশরকে । আর সর্বশেষে তাহারা ধ্বংস করিবে সৌদি আরবকে । এই ক্ষেত্রে যায়োনিষ্টদের প্রধান অস্ত্র হইবে আরবদেরকে শিয়া-সুন্নী-ইসলামপন্থী-ধর্মর্নিরপেক্ষতাবাদী-জাতীয়তাবাদী ইত্যাদি বিভিন্ন দলে বিভক্ত করিয়া নিজেদের মধ্যে গৃহযুদ্ধ বাধিয়ে দেওয়া । এই কাজে তাহারা ইতিমধ্যেই বেশ সাফল্য লাভ করিয়াছে । ইরাক, সিরিয়া এবং ইয়েমেনে শিয়া-সুন্নী গৃহযুদ্ধ শুরু হইয়া গিয়াছে ।
মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s