Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

খিলাফাহ খিলাফত কি এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়া জায়েজ কিনা ?

Leave a comment

প্রশ্ন: ইমাম মাহদীর জন্ম কি হয়ে গেছে ?
উত্তর: প্রথমতঃ, এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। এ সম্পর্কে কেউই জানে নেই। এবং আল্লাহ্ না বলা পর্যন্ত কেউই জানতে পারবে না। তিনি তো আমাকে জানাননি।
দ্বিতীয়তঃ এবং এ কথা আমি অহংকার করে বলছিনা যে, আমার জানার ইচ্ছে নেই। আর এটি অহংকার নয়। তাঁর এখন জন্ম হয়েছে কিনা, এসব জানা এখন জরুরি নয়। যখনই ইমাম মাহদীর জন্ম হবে আল্লাহ্ তাঁকে নিরাপদে রাখবেন। এবং আল্লাহ্ তাঁর পরিচয় গুপন রাখবেন। আর আমার এই গুপন তথ্য জানার কথা নয়। তাই আপনারা আমাকে এমন প্রশ্ন কেন করছেন?
যখন আল্লাহর হুকুম হবে, তখন একজন খলিফার মৃত্যু হবে, এবং খলিফার অর্থ হচ্ছে শাসনকর্তা। আর আমি মনে করি এখানে সৌদি শাসনকর্তার কথা বলা হয়েছে। তার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারিত্বকে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি হবে। এবং সৌদির বর্তমান অবস্থা দেখে সহজেই তা বোঝা যায়, শত শত রাজপুত্রের মধ্যে এক সময় উত্তরাধিকারিত্ব নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হবে। ঠিক তখন একজন ব্যক্তি মদীনা থেকে মক্কা আসবেন। এবং তিনিই হবেন ইমাম আল মাহদী। আমার অভিমত, আরো ২০ থেকে ৩০ বছর লাগবে।
-শায়খ্ ইমরান নযর হোসেন
অনুবাদ: দ্বীনুজ্জামান চৌধুরী
খিলাফাহ্ (খিলাফত) কি এবং ইসলামি আন্দোলনের মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের অধীনে রাজনৈতিক দল হিসাবে নিবন্ধন দেয়া এবং নির্বাচনে অংশগ্রহন করা কি জায়েজ?
খিলাফাহ্ হচ্ছে একটি রাজনৈতিক তত্ত্ব এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা যেটা এসেছিল নবী দাউদ (আঃ) এর সময়ে নবী সুলাইমান (আঃ) এর সময়ে যারা পবিত্র ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই খিলাফতই নবী মোহাম্মদ (সাঃ) পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন সেই খিলাফত রাষ্ট্র আল্লাহ তায়ালাকে আল মালিক হিসাবে স্বীকৃতি দিত।
আল মালিক এর অনুবাদ হচ্ছে. . . .সার্বভৌমত্ব
আল্লাহ ছিলেন সর্বভৌম ক্ষমতার মালিক
সেই খিলাফত রাষ্ট্র আল্লাহ তায়ালাকে আল আকবর হিসাবে স্বীকৃতি দিত
যিনি সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী
সেই খিলাফত রাষ্ট্র আল্লাহ তায়ালার দেয়া বিধানকে সর্বোচ্চ আইন হিসাবে স্বীকৃতি দিত
আল হাকাম
আল্লাহর বিধানের উপর আর কারোর আইন নেই
যখন আল্লাহ্ কোনোকিছুকে হালাল করেছেন, রাষ্ট্র সেটাকে হালাল করে দিয়েছে।
যখন আল্লাহ্ কোনোকিছুকে হারাম করেছেন, রাষ্ট্র সেটাকে হারাম করে দিয়েছে।
খিলাফত রাষ্ট্র এমনই ছিল এবং সেই ভূখন্ডকে বলা হত দারুল ইসলাম।
দারুল ইসলাম:
যখনই কোনো রাষ্ট্র দারুল ইসলাম হিসাবে গন্য হয় তখন সেখানে যেকোনো মুসলিমের প্রবেশ করার অধিকার থাকে। পৃথিবীর যেকোনো এলাকা থেকে যেকোনো মুসলিমের সেই ভূখন্ডে প্রবেশ করার অধিকার ছিল, এর জন্য কোনো ভিসার দরকার ছিল না।
যেকোনো মুসলিমের দারুল ইসলামে প্রবেশ করার এবং সেখানে বসবাস করার অধিকার ছিল। আপনার সেই অধিকার আছে এর জন্য আপনাদের কোনো PR লাগবে না।
যেকোনো মুসলিমের সেখানে কাজের সন্ধান করার অধিকার আছে্, এবং এর জন্য আপনাদের কোনো Work Permit এর দরকার নেই।
যেকোনো মুসলিমের সেখানে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় অংশগ্রহনের সুযোগ রয়েছে; এর জন্য আপনাদের নাগরিকত্ব নামক বস্তুটির
আপনার সেই অধিকার আছে এর জন্য আপনাদের কোনো PR লাগবে না।
যেকোনো মুসলিমের সেখানে কাজের সন্ধান করার অধিকার আছে্, এবং এর জন্য আপনাদের কোনো Work Permit এর দরকার নেই।
যেকোনো মুসলিমের সেখানে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় অংশগ্রহনের সুযোগ রয়েছে; এর জন্য আপনাদের নাগরিকত্ব নামক বস্তুটির দরকার নেই।
খিলাফতের সময় এমনটাই ছিল এবং ঈমাম আল মাহদির আগমনের সাথে সাথে এটা আবার ফিরে আসবে। আমাদেরকে আর মাত্র অল্পকিছু বছর অপেক্ষা করতে হবে।
এটা (খিলাফত) আবার ফিরে আসবে
আমাদের মন সেখানে পড়ে আছে
আমরা এটা থেকে কখনও বের হয়ে আসিনি
আমরা কখনও আশা ছাড়িনি
আমরা কখনও (এই ব্যবস্থাকে) বিশ্বাসঘাতকতা করিনি
আমরা এর ফিরে আসার অপেক্ষা করছি
এবং এটাকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব যদিও আমরা জানি আমাদেরকে ঈমাম আল মাহদির জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
কিন্তু বাকিরা কি করছে?
দাজ্জাল যখন খিলাফাহ্ ধ্বংস করল একটু ভেবে দেখুনতো সে কি ব্যবহার করেছিল?
খিলাফাহ্ ধ্বংস করার জন্য সে আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রকে ব্যবহার করেছিল এবং এখন বর্তমানে পুরো পৃথিবী এই ব্যবস্থাকে মেনে নিয়েছে যে ব্যবস্থা ঘোষনা করে যে, সার্বভৌমত্ব ক্ষমতার মালিকানা আর আল্লাহর নয় রাষ্ট্রেই সেখানে সর্বভৌম ক্ষমতার মালিক
তারা কেন এটা বুঝতে পারে না যে, এটা শিরক, সমস্যাসাটা কোথায়?
মিশরের ইখওয়ানুল মুসলিমিন এর সমস্যাটা কোথায়?
কালানটানের ইসলাম পার্টির সমস্যা কোথায়?
পাকিস্তানের জামাত-ই-ইসলামের সমস্যাটা কোথায়?
তিউনিশিয়ার আল-নাহ্দা পার্টির সমস্যা কোথায়?
তুরস্কের জাস্টিজ এন্ড ডেভেলপমেন্ট
পার্টির সমস্যা কোথায়?
সেখানকার ইসলামি চিন্তাবিদদের সমস্যাটা কোথায়? তারা কেন এটা বুঝতে পারছে না যে এটা শিরক।
(ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বলে) আল্লাহ্ আর আল আকবর নন।
তার কর্তৃত্ব/ক্ষমতা আর সর্বোচ্চ/সর্বশ্রেষ্ঠ নয়
না!!
জাতিসংঘের সনদ বলে যে, জাতীয় নিরাপত্তা ও শান্তির ক্ষেত্রে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কর্তৃত্ব সবার উপরে; আল্লাহ্ এখানে আল আকবর নন
আর এটা শিরক !
আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের আইন বলে যে, আল্লাহর আইন আর সর্বোচ্চ আইন নয়; রাষ্ট্রের আইনই হল সর্বোচ্চ আইন।
আল্লাহ্ কোনো কিছুকে হালাল করলেও আমরা সেটাকে হারাম করে দিতে পারি
এবং আমরা এরকমই করেছি।
আল্লাহ্ কোনো কিছুকে হারাম করলেও আমরা সেটাকে হালাল করে দিতে পারি
এবং আমরা এরকমই করেছি।
এবং এটাই শিরক !
এবং তারপরও ইসলামি আন্দোলনকারীরা ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের অধীনে রাজনৈতিক দল হিসাবে নিবন্ধন নিচ্ছে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহন করছে,
এবং বলছে আমাকে ভোট দিন
এবং চাচ্ছে নির্বাচনে জয়ী হতে।
আর যখন একটা হযবরল ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন তখন এটাকে বলবেন ইসলামিক রাষ্ট্র?
আমার বয়স সত্তর হয়ে গেছে কিন্তু আমি আমার জীবনে কখনও ইসলামিক রাষ্ট্রের কথা শুনিনি।
আমি জানিনা ইসলামিক রাষ্ট্র কি জিনিস এবং এটা আমি জানতেও চাই না।
আমি জানিনা ইসলামিক রাষ্ট্র কি জিনিস এবং এটা আমি জানতেও চাই না।
আপনাদের ইসলামিক রাষ্ট্রকে ফেলে আসেন।
কারন আমি জানি খিলাফাহ্ কি এবং দারুল ইসলাম কি?
এবং এটা আবার ফিরে আসছে…
-শায়খ্ ইমরান নযর হোসেন
২৩ জুন ২০১২


Posted By Blogger to Know Thyself at 7/28/2015 10:54:00 PM

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s