Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

কেয়ামতের পূর্বে না রীদের সংখ্যা ‍বৃদ ্ধি পাইবে পঞ্চাশ গুণ

Leave a comment

খুব শীঘ্রই হজ্জ বন্ধ হইয়া যাইবে
প্রশ্ন ঃ- হাদীসে বলা হইয়াছে কেয়ামতের পূর্বে হজ্জ বন্ধ হইয়া যাইবে । আপনি কি বিষয়টি একটু ব্যাখ্যা করিয়া বলিবেন ?

উত্তর ঃ- আপনি কি আমাকে এক ঘণ্টা সময় দিতে পারিবেন ? ইয়াজুজ এবং মাজুজ ইংরেজিতে যাদেরকে বলা হয় গগ এবং ম্যাগগ । এদের সম্পর্কে মুসলিম শরীফের একটি হাদীসে বর্ণনা করা হয়েছে, যা কিনা হাদীসে কুদসী । যাহার অর্থ হইল হাদীসের ভাষ্যটি স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার । আল্লাহ ইয়াজুজ-মাজুজ সম্পর্কে বলেন, আমি এমন কিছু বান্দাকে সৃষ্টিকে করিয়াছি, তাহারা এমন শক্তিশালী যে

আমি ছাড়া অন্য কেউ তাহাদেরকে কেহ ধ্বংস করিতে পারিবে না । এই অদ্ভূত রকমের আক্ষরিক অর্থে অপরাজেয় মহাশক্তিশালী প্রাণীরা কিন্তু অন্য কোন বিচিত্র জীব নয়, বরং তাহারা মানুষ । রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলিয়াছেন, তাহারা মানবজাতির অন্তর্ভূক্ত , আদমের সন্তান । কিন্তু পবিত্র কোরআন বলিতেছে যে, তাহারা তাহাদের শক্তিকে ব্যবহার করিবে জুলুম অত্যাচারের কাজে । যেখানে জুলকারনাইন তাঁহার শক্তিকে ব্যবহার করিতেন জালেম অত্যাচারীদের শায়েস্তা করার কাজে । ইয়াজুজ-মাজুজ ফাসাদ সৃষ্টি করে । ফাসাদ অর্থ হইল দূষিত করা, বিকৃত করা এবং ধ্বংস করা । পবিত্র কোরআন আমাদেরকে বলে বিভিন্ন ধরনের ফাসাদের কথা । উদাহরণস্বরূপ আমরা বলিতে পারি কৃষিকাজের কথা, খাবার-দাবার । জেনেটিক্যালি মোডিফাইড ফুড আমাদেরকে পুষ্টি দিতে পারে কিন্তু তাহা কখনও ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হইতে পারে না । কারণ খাদ্যের ভেতরে আল্লাহ যেই জেনেটিক কম্পোজিশান দিয়াছেন তাহাকে পরিবর্তন করিয়া দেওয়া হইয়াছে । কাজেই আমাদের ইমিউন সিষ্টেম (রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা) কোথায় পাইবে তাহার খাদ্য-পুষ্টি । সুতরাং আমাদের ইমিউন সিষ্টেমের খাদ্য-পুষ্টির জন্য আমাদেরকে ফার্মেসীতে দৌড়াতে হইবে যেখানে আল্লাহ সেগুলো খাবারের ভিতরেই দিয়া রাখিয়াছিলেন । খাবারের উপর এই অবৈধ হস্তক্ষেপের ফলে সেগুলো এখন আর ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা সম্ভব হইবে না । ইহাই একটি ফাসাদ । কাজেই আমরা যখন সুপারমার্কেট ফুড খাই, আমি গ্রামের খাবারের কথা বলছি না, তাহার ফলস্রুতিতে আমাদের ইমিউন সিষ্টেম দিন দিনই দুর্বল হইয়া পড়িতেছে । সুতরাং ডাক্তাররা আমাদেরকে যে-সব এন্টিবায়োটিক দিতেছে, সেগুলির শক্তি ক্রমেই বৃদ্ধি করিতে হইতেছে । কম পাওয়ারের এন্টিবায়োটিকে এখন আর রোগ নিরাময় হইতেছে না । কাজেই খাদ্যের এই বিকৃতি এবং ধ্বংস সাধন ইয়াজুজ-মাজুজের অপকর্ম । যে-সব লোকের সাথে জুলকারনাইনের সাক্ষাত হইয়াছিল, তাহারা জুলকারনাইনের নিকট ইয়াজুজ-মাজুজের জুলুম-অত্যাচারের ব্যাপারে অভিযোগ করিয়াছিল এবং তাহাদেরকে রক্ষার জন্য একটি দেয়াল নির্মাণের আবেদন করিয়াছিল । জুলকারনাইন লোহার ইট দিয়ে একটি উচুঁ দেওয়াল তৈরী করিয়াছিলেন এবং তাহার উপর গলিত তামা ঢালিয়া দিয়াছিলেন । আমরা সঠিকভাবে জানি ইয়াজুজ-মাজুজের দেওয়াল কখন এবং কোথায় নির্মাণ করা হইয়াছিল, সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান । ইয়াজুজ-মাজুজের ওপর লিখিত আমার বইয়ে এই ব্যাপারে বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেওয়া আছে । সুতরাং ইয়াজুজ-মাজুজ বসবাস করিত সেই দেয়ালের পেছনে । আমরা ইহাও জানি দেয়ালটি কখন ভাঙ্গিয়া ফেলা হইয়াছিল, আমি হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়াছি, “আজকে ইয়াজুজ-মাজুজের দেওয়ালে একটি ছিদ্র হইয়াছে”। সুতরাং যখন ইয়াজুজ-মাজুজকে মুক্তি দেওয়া হইবে, মানবজাতি দেখিতে পাইবে একটি অপরাজেয় শক্তি পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করিতেছে, সেই শক্তি হইবে একটি অপশক্তি, শয়তানী শক্তি । আপনি যখন সুরা আম্বিয়া পাঠ করিবেন, তাহাতে আমরা দ্বিতীয়বার ইয়াজুজ-মাজুজের বর্ণনা পাই । এই ছুরাতে আল্লাহ তায়ালা একটি শহরের কথা বলিয়াছেন যাহাকে তিনি ধ্বংস করিয়াছেন এবং শহরের অধিবাসীদেরকে তিনি বহিষ্কার করিয়াছেন এবং সেখানে তাহাদের পুণরায় ফিরিয়া আসিবার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করিয়াছেন । এই শহরে তাহারা পর্যটক হিসাবে আসিতে পারিবে কিন্তু কখনও নিজেদের আবাসভূমির দাবী নিয়া আসিতে পারিবে না ঃ- যতক্ষণ না দুইটি ঘটনা ঘটে (১) ইয়াজুজ-মাজুজকে ছাড়িয়া দেওয়া হয় এবং (২) ইয়াজুজ-মাজুজ পৃথিবীর চারদিকে ছড়াইয়া পড়ে, তারপর তাহারা পৃথিবীর নিয়ন্ত্রণ নিয়া নেয়, ইয়াজুজ-মাজুজের বিশ্ব ব্যবস্থা চালু হয় । সেই সময়ে সেই শহরের অধিবাসীরা পুণরায় ফিরিয়া আসিবে, সেই শহরের প্রতি তাহাদের পূর্বপুরুষের আবাসভূমির দাবী নিয়া । সেটি কোন শহর ? আমার উত্তর হইল জেরুজালেম । আমার উত্তরের পক্ষে আমি যে-সব যুক্তি দেখিয়েছি সেগুলো দেখতে পাবেন পবিত্র কোরআনে জেরুজালেম নামক আমার বইটিতে । কাজেই যখন দেখিবেন যে, ইহুদীরা পবিত্রভূমি জেরুজালেমে ফিরিয়া আসিয়াছে তাহাদের আবাসভূমির দাবী নিয়া, মনে করিবেন ইয়াজুজ-মাজুজই তাহাদেরকে এখানে ফিরাইয়া নিয়া আসিয়াছে । সবশেষে আমি আরেকটি হাদীসের উল্লেখ করতে চাই । হাদীসটি বোখারী শরীফে আছে । “ইয়াজুজ-মাজুজের মুক্তির পরেও মানুষ আল্লাহর ঘরে (অর্থাৎ কাবা শরীফে) হজ্জ এবং ওমরাহ পালন করিতে থাকিবে”। তারপর হাদীসে আরও বলা হইয়াছে, “কেয়ামত অনুষ্টিত হইবে না যে পর্যন্ত না হজ্জ বন্ধ হইয়া যাইবে অর্থাৎ পরিত্যক্ত হইবে” । ইসরাঈল যদি ইরানে হামলা করে তবে হজ্জের বিদায় ঘন্টা বাজিয়া যাইবে । ইজরাইল যখন ইরানে আক্রমণ করিবে তখন হজ্জ বন্ধ হইয়া যাইবে । হজ্জ বন্ধ হইয়া যাওয়ার পরেও আপনি কিভাবে দাবী করিবেন যে ইয়াজুজ-মাজুজ মুক্তি পায় নাই ? লম্বা উত্তরের জন্য দুঃখিত । আর কাহারো কোন প্রশ্ন আছে ?

মূল – মাওলানা ইমরান নজর হোসেন

অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

Piligramage will stop লেকচারের অনুবাদ

নারীদের সংখ্যা হইবে পুরুষদের পঞ্চাশ গুণ বেশী

মহানবী (সা:) কেয়ামতের যে-সব আলামতের কথা বলিয়া গিয়াছেন তাহার একটি হইল, পুরুষদের সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমিয়া যাইবে, এমনকি পঞ্চাশজন নারীর রক্ষণাবেক্ষন করিতে হইবে মাত্র একজন পুরুষকে । হ্যাঁ, পুরুষদের সংখ্যা ইতিমধ্যেই আশংকাজনকভাবে কমিতে শুরু করিয়াছে । কিছুদিন পূর্বে আমি মালয়েশিয়ার রাজধানীর বাইরের একটি ইউনির্ভাসিটিতে লেকচার দিতে গিয়েছিলাম। আমার শ্রোতাদের মধ্যে দেখলাম ছাত্রদের চাইতে ছাত্রীদের সংখ্যা তিনগুণ বেশী । দাজ্জাল মোবাইল নেটওয়ার্ক, ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক আবিষ্কার করিয়াছে পুরুষদের সংখ্যা হ্রাস করিবার জন্য । ডাক্তারদের মতে, মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক থেকে যে রেডিয়েশান ছড়ায়, তাহা পুরুষদের শুক্রাণুর ক্ষতি করিয়া থাকে । ফলে এখনকার পুরুষরা ধীরে ধীরে পুত্র সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হইয়া পড়িতেছে । তাহারা অধিক সংখ্যায় কন্যা সন্তান জন্ম দিতেছে । আসন্ন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে যত এটম বোমার বিস্ফোরণ ঘটিবে, কেউ কেউ বলেন মোবাইল নেটওয়ার্কের কারণে তাহাদের রেডিয়েশান বহুদূর পর্যন্ত ছড়াইয়া পড়িবে । এমনটা কেন ঘটিবে তাহা পদার্থ বিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞরা ভাল বলিতে পারিবেন । আমি পদার্থ বিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ নই । কাজেই আসন্ন মালহামায় / তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে একদিকে পুরুষরা বিপুল সংখ্যায় মৃত্যুবরণ করিবে, আবার অন্যদিকে জীবিত পুরুষরা পারমাণবিক রেডিয়েশানের শিকার হওয়ার কারণে পুত্র সন্তান জন্ম দিতে একেবারেই অক্ষম হইয়া পড়িবে । তাহারা কেবল কন্যা সন্তান জন্ম দিতে থাকিবে । মহানবী (সা:) বলিয়াছেন, একজন পুরুষকে পঞ্চাশ জন নারীকে দেখভাল করিতে হইবে । তিনি বলেন নাই যে, একজন পুরুষকে পঞ্চাশ জন নারীকে বিবাহ করিতে হইবে । বিবাহ সর্বোচ্চ চারটি পর্যন্তই হালাল, চারের অধিক হারাম । সে সময় একজন পুরুষ দেখিতে পাইবে যে, তাহার মাতা বিধবা হইয়া গিয়াছে, তাহার বোন বিধবা হইয়া গিয়াছে, তাহার কন্যা বিধবা হইয়া গিয়াছে অথবা তাহার বোনের / কন্যার জন্য স্বামী পাওয়া যাইতেছে না । সে আরো দেখিতে পাইবে তাহার একাধিক খালা-ফুফু-মামী-চাচী-ভাগ্নি-ভাতিজী-কন্যা-নাতণী-শ্যালিকা-খালাতো বোন-মামাতো বোন-ফুফাতো বোনা-চাচাতো বোন ইত্যাদি সকলেই বিধবা হইয়া গিয়াছে । সুতরাং তাহাকে একাই সকলের দেখাশুনা রক্ষণাবেক্ষন অভিবাবকত্ব করিতে হইবে । সুতরাং আমি মনে করি, নারীদের সংখ্যা পঞ্চাশ গুণ বৃদ্ধি পাইবে- বিশ্বনবীর (সা:) এই ভবিষ্যতবাণী বাস্তবায়িত হইতে আর বেশী দিন বাকী নাই ।
মূল – মাওলানা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s