Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

ভারত পাকিস্তান বাং লাদেশের মুসলমানদের জন্য সতর্কবাণী শা য়খ ইমরান নযর হোসে ন

Leave a comment

ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য সতর্কবাণী

ইহা প্রকৃতপক্ষেই একটি বিস্ময়কর ব্যাপার যাহা আজকে আমরা আলোচনা করিতে বসিয়াছি ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, কাশ্মিরে ইসলামের ভবিষ্যত । মুসলমানদের ভবিষ্যত নয়, পাকিস্তানীদের ভবিষ্যত নয়, বাংলাদেশীদের ভবিষ্যত নয় বরং এই অঞ্চলে ইসলামের ভবিষ্যত । এমন একটি সময়ে যখন পৃথিবীতে অনেক আশ্চর্যজনক ঘটনা সংঘটিত হইতেছে । বর্তমানে খুবই অশুভ, দুর্ভাগ্যজনক, বিপদজনক ঘটনা ঘটিতেছে । আমরা বর্তমানে ইতিহাসের সবচাইতে বিপজ্জনক ক্রান্তিলগ্নের মুখোমুখি আসিয়া দাঁড়াইয়াছি । একইভাবে সংঘটিত হইয়াছিল একশ বছর আগে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ । একইভাবে সংঘটিত হইয়াছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আজ থেকে সত্তর বছর আগে । আমরা বর্তমানে সেই সময়ের মুখোমুখি দাঁড়াইয়া আছি যখন সংঘটিত হইবে বিশ্বযুদ্ধসমূহের বিশ্বযুদ্ধ । যেই সম্পর্কে মহানবী (সাঃ) ভবিষ্যতবাণী করিয়া গিয়াছেন । তিনি বিশ্বযুদ্ধ বলেন নাই । তিনি বলিয়াছেন মালহামা (মহাযুদ্ধ / বিশাল যুদ্ধ) । সুতরাং প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল তাহার প্রস্তুতিস্বরূপ যাহা বর্তমানে আসিতেছে (অর্থাৎ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ) । সারা বিশ্বেই ইহার প্রভাব পড়িবে । কিন্তু ইহার সর্বাধিক প্রভাব পড়িবে ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে । সম্ভবতঃ আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ইসরাঈল এসব যুদ্ধ শুরু করিবে ।

পাকিস্তানের নিউক্লিয়ার প্লান্ট এবং পারমাণবিক অস্ত্রগুলি ধ্বংস করিবার জন্য হামলা করিবার পূর্বে প্রথমে আপনাকে পাকিস্তানকে ভেঙ্গে টুকরা টুকরা করিতে হইবে যেন পাকিস্তান আর উঠিয়া দাঁড়াইতে না পারে । কিন্তু এই কাজ কে করিবে পাকিস্তানকে টুকরা টুকরা করিবার কাজ ? বর্তমান দুনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পরে ইসরাঈলের সবচাইতে বড় সামরিক কৌশলগত বন্ধু সহযোগী হইল ভারত । ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের অধীনে ইন্ডিয়া ছিল ধর্মনিরপেক্ষ ইন্ডিয়া । কিন্তু এখন ইন্ডিয়া হিন্দু ইন্ডিয়াতে পরিণত হইয়াছে । গান্ধীর হিন্দু ইন্ডিয়া নয়, ভিন্ন ধরনের হিন্দু ইন্ডিয়া । এই হিন্দু ভারত যোগ দিবে ইজরাঈলের সাথে সামরিক সম্পর্কে । সুতরাং পাকিস্তানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং নিউক্লিয়ার অস্ত্রগুলি ধ্বংস করিতে, পাকিস্তানকে বিনাশ করিতে এবং পাকিস্তানকে টুকরা টুকরা করিবার প্রচেষ্টায় ভারত পালন করিবে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা । আমি বিশ্বাস করি যে, ভারতীয় মুসলমানরা বিষয়টি জানে । সুতরাং ইহা হইল সেই সম্ভাব্য যুদ্ধ যাহা আসিতেছে ।

আগামীকাল যদি পাকিস্তানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংস করিবার এবং পাকিস্তানকে টুকরা টুকরা করিবার প্রচেষ্টা ভারত শুরু করে, তখন মুসলিম আলেমদের ভূমিকা কি হইবে তাহা স্থির করা প্রয়োজন । ইহা হইল বর্তমানে আমাদের সামনে আগত সবচাইতে জটিল মুহূর্ত । আগামীকাল আমরা দেখিতে পাইব ইহা কেবল সামরিক হুমকি নয়, সাথে সাথে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক হুমকিও বটে । কাগজের মুদ্রা বিলুপ্ত হইতেছে এবং তাহার বদলে কেবলমাত্র ইলেকট্রনিক মুদ্রা চালু হইতেছে । আপনারা তখন ইলেকট্রনিক অর্থব্যবস্থার কারাগারে বন্দি হইয়া পড়িবেন ।

ইসরাঈল যখন পাকিস্তানে হামলা করিবে সম্ভবত আগামী কয়েকমাসের মধ্যেই । আর ইন্ডিয়া হইল আমেরিকার পরে ইসরাঈলের সবচাইতে কৌশলগত বড় সামরিক বন্ধু । ইহা ভারতীয় মুসলমানদের মারাত্মক অশুভ পরিণতির ইঙ্গিত বহন করে । আজকের সভায় অনেক ইন্ডিয়ান মুসলিম উপস্থিত আছেন । যেহেতু পাকিস্তানের উপর আক্রমণ পূর্বপরিকল্পিত, কাজেই আমরা নিশ্চিত জানি ইহা আসিতেছে । তাহাদের পরিকল্পনা হইল স্বাধীন বেলুচিস্তান সৃষ্টি করা যাহা হইবে একটি নতুন যায়োনিষ্ট লিবিয়া । আর কিছু অংশ নিয়া পাখতুনিস্তান সৃষ্টি করিবে । পাকিস্তানের যেই অংশকে আজাদ কাশ্মির বলে তাহাকে ভারতের নিকট ফেরত দেওয়া । পাঞ্জাব এবং সিন্ধুর কিছু অংশও ইন্ডিয়াকে দেওয়া হইবে । এমনকি করাচীকেও একটি নগর রাষ্ট্রে পরিণত করা হইতে পারে । তখন পাকিস্তানের কাছে থাকিবে কিছু টুকরা টাকরা যাহাকে ভারত খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবে । রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এমনকি সাংস্কৃতিকভাবে ভারতের উপনিবেশে পরিণত হইবে । যেহেতু আমরা জানি যে তাহা আসিতেছে, কাজেই এই পরিস্থিতিতে আমাদের কি করা উচিত ? তেমন পরিস্থিতিতে পড়িলে আমি কি করিতাম ? আমি যদি বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে থাকিতাম তবে প্রথমেই আমি শহর ত্যাগ করিতাম । কারণ শহরগুলিতে অরাজকতা দাঙ্গা হাঙ্গামা শুরু হইবে । খাবার পানির সরবরাহ বিপর্যস্ত হইবে । বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংসপ্রাপ্ত হইবে । আর ইহা সারায়েভোর মতো কোন ভারসাম্যপূর্ণ শহর নয় যাহা তিন বছর অবরোধের মধ্যেও টিকিয়া ছিল । করাচী পৃথিবীর সবচাইতে ভারসাম্যহীন শহর । যদি করাচীর পানি সরবরাহ বন্ধ হইয়া যায় আর ইন্ডিয়া তাহা করিতে সক্ষম । যদি করাচীর খাদ্য সরবরাহ বন্ধ হইয়া যায় আর ইন্ডিয়া তাহা করিতে সক্ষম । আপনি কি বুঝিতে পারিতেছেন না যে তখন করাচীর প্রতিটি অলিগলিতে দাঙ্গা হাঙ্গামা খুনাখুনি লাগিয়া যাইবে । আর শত্রুরা তাহাতে আরো উস্কানী দিবে । খাবার পানি বন্ধ হইয়া গেলে মানুষের অবস্থা হইবে যাহাকে বলা হয় কুকুর কুকুরকে খায় । তাহারা জানোয়ারে পরিণত হইবে । তাহারা ধর্মের বাণী ভুলিয়া যাইবে । কাজেই আমার উপদেশ হইল, আমি আশা করি যথেষ্ট দেরি হওয়ার পূর্বেই আমার কথা আপনাদের কাছে পৌঁছিয়া যাইবে, বেশী বিলম্ব হওয়ার পূর্বেই শহর ত্যাগ করুন এবং দূরবর্তী গ্রামগুলোতে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করুন । আসন্ন যুদ্ধের হাত থেকে জীবন বাঁচাইতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামগুলোতে বসবাস করুন যেখানে জীবনধারনের মতো খাবার-পানির ব্যবস্থা আছে এবং জীবনের নিরাপত্তা আছে । অনেক লোক একত্রে বসবাস করিবেন না বরং অল্প অল্প লোকেরা দলবদ্ধ ভাবে বসবাস করুন । আমি ইহাকে বলি মুসলিম ভিলেজ । সর্বদা আল্লাহর রহমত, আল্লাহর করুণা, আল্লাহর ক্ষমার জন্য প্রার্থনা করিতে থাকুন । সেখানে আপনারা আল্লাহর বিধান এবং পথনির্দেশনা মতো জীবন যাপন করুন । সুতরাং ইহা হইবে খিলাফাহর ক্ষুদ্রতম সংস্করণ । হয়ত পঞ্চাশ বা একশত পরিবারের একত্রে বসবাসরত ক্ষুদ্রতম খেলাফত । এভাবে যদি আপনারা দূরবর্তী গ্রামাঞ্চলে হাজারে হাজারে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইসলামী রাষ্ট্রের আকারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসবাস করেন, তাহলে দাজ্জাল আপনাদেরকে হজম করিতে পারিবে না । দাজ্জালের পেটে বদহজম দেখা দিবে । কেননা দাজ্জাল কামনা করে আপনারা শহরে একত্রে বসবাস করিবেন যাহাতে সে আপনাদেরকে সহজে আক্রমণ করিতে পারে, আপনাদেরকে সহজে ধ্বংস করিতে পারে, আপনার সন্তানদেরকে ধ্বংস করিতে পারে । কাজেই আপনারা যদি প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে বসবাস করেন, তবে নিজেদের রক্ষা করিতে পারিবেন । সেই টর্নেডো থেকে বাঁচিতে পারিবেন যাহা সামনে আসিতেছে । ঢাকা একটি বসবাসের অনুপযুক্ত শহর । আমি মনে করি তেমন পরিস্থিতিতে করাচীর চাইতেও অনেক আগে ঢাকায় রায়ট শুরু হবে । সুতরাং পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে শহরগুলো ত্যাগ করিয়া গ্রামে বসবাস করা এবং নিজেদের খাবার-পানির ব্যবস্থা করা, এই প্রক্রিয়া কি ভারতীয় মুসলমানদের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট হইবে যাহারা একটি হিন্দুত্ববাদী সরকারের খপ্পরে পড়িবে যে কিনা ইসরাঈলের পক্ষে যুদ্ধ করিবে ? আমি মনে করি ভারতের সরকার মুসলমানদের সাথে তেমন আচরণ করিবে আমেরিকান সরকার সেখানকার মুসলমানদের সাথে যেমন আচরণ করিবে । এই কারণে তাহারা আমেরিকায় বন্দী শিবির তৈরী করিতেছে । কাজেই ভারতীয় মুসলমানদের জন্য ভয়াবহ অশুভ ভবিষ্যত অপেক্ষা করিতেছে । সুতরাং আমি মনে করি না যে, ভারতীয় মুসলমানদের জন্য আমার নিকট যথেষ্ট পথনির্দেশনা রহিয়াছে । প্রথম কথা হইল শহর ছাড়িয়া গ্রামে বসবাস করা এবং খাবার-পানিতে আত্মনির্ভশীল হওয়া, এই পলিসি ভারতীয় মুসলমানদের জন্য যথেষ্ট নয় । আমি মনে করি ভারতীয় মুসলমানদের প্রথমতঃ নিজেদেরকে ব্যক্তিগতভাবে নয় বরং সম্মীলীতভাবে রক্ষা করিবার চেষ্টা করিতে হইবে । কাজেই ভারতীয় মুসলমানদেরকে বিপুল বিশাল সংখ্যায় একত্রে বসবাস করিতে হইবে । যাহাতে বিশ জনের একটি দল আসিয়া তাহাদেরকে আক্রমণ করিতে সাহস না পায় বরং তাহাদের উপরে হামলা করিতে চাহিলে বিশ হাজার লোকের বিরাট বাহিনীর দরকার হয় । আমি মনে করি ভারতীয় মুসলমানদের অবশ্যই শহর ত্যাগ করা উচিত, কেননা বড় শহরগুলোতে কেবল হরহামেশা রায়ট লাগিবে তাহাই নয় বরং দাজ্জাল অবশ্যই শহরবাসীদের উপর জীবাণূ অস্ত্র দিয়া হামলা করিবে । অনেক দিন পূর্বে ইহাকে বলা হইত প্লেগ আর বর্তমানে বলা হয় ইপিডেমিকস । আর মহামারীর সময় আপনি সর্বশেষ যেই স্থানে বসবাস করিতে চাহিবেন না তাহা হইল শহর । কারণ তাহাতে আপনি একেবারে নির্বংশ হইয়া যাইবেন । কাজেই আমি বিশ্বাস করি ভারতীয় মুসলমানদের বড় শহরগুলোর বাহিরে যাইয়া আত্মরক্ষার প্রচেষ্টা চালাইতে হইবে । আপনাদেরকে এমন বিরাট সংখ্যায় বসবাস করিতে হইবে যাহাতে কেউ আপনাদের উপর আক্রমণ করিতে ভাতিপ্রদর্শন করিতে মানুষ হত্যা করিতে আসিলে (অতীতে তাহারা অনেকবার এমন করিয়াছে) যেন বিশ জন বা দুইশ জনের দল নিয়া আসিতে সাহস না পায়, বরং বিশ হাজার লোকের বিরাট বাহিনী নিয়া আসিতে হয় । সেক্ষেত্রে তীব্র স্বশস্ত্র মোকাবেলা হইবে এবং অনেক মানুষ শাহাদাত লাভ করিবে ।

এখন আমি রাসুলে করীম (সাঃ) এর ভারত সংক্রান্ত একটি হাদীসের দিকে ফিরিয়া যাইতে চাই । সেই হাদীসে ইন্ডিয়া বা ভারত শব্দটি নাই বরং তাহাতে যেই শব্দটি ব্যবহৃত হইয়াছ তাহা হইল হিন্দ । গাজওয়া হইল এমন যুদ্ধ যাহাতে একজন নবী অংশ গ্রহন করেন । যেহেতু হযরত ঈশা (আঃ) এর ফিরিয়া আসিবার পরে এই যুদ্ধটি সংঘটিত হইবে সেই কারণে সম্ভবত তাহাকে গাযওয়া বলা হইয়াছে, গাযওয়াতুল হিন্দ । আল্লাহই ভাল জানেন । মহানবীর (সাঃ) একটি হাদীস আছে যাহাতে বলা হইয়াছে আখেরী জামানায় হিন্দুস্তান বিজয় সম্পর্কে । সুতরাং যখন হযরত ঈশা (আঃ) ফিরিয়া আসিবেন তখন তিনি হইবেন হাকিম অর্থাৎ শাসক । সেজন্য আমি গতরাতে প্রশ্ন করিয়াছি যে, ঈশা ইবনে মারিয়াম (আঃ) যখন ফিরিয়া আসিবেন তখন কি তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমতি নিয়া শাসনকার্য পরিচালনা করিবেন ? উত্তর দেন ! অবশ্যই না । আমার পক্ষ হইতে এই কথাটি ওয়াশিংটনকে জানাইয়া দেন । ঈশা (আঃ) যখন আসমান হইত ফিরিয়া আসিবেন তখন তিনি পৃথিবী শাসন করিতে আসিবেন । তাহার মানে হইল তিনি যায়োনিষ্টদের শাসন করিতে আসিবেন । তাহার মানে হইল তিনি ইন্ডিয়াকেও শাসন করিতে আসিবেন । ভারতকে অবশ্যই তাঁহার নিকট বশ্যতা স্বীকার করিতে হইবে । হিন্দু ইন্ডিয়াকে অবশ্যই জেসাস অর্থাৎ হযরত ঈশা (আঃ)-এর নিকট আত্মসমর্পন করিতে হইবে । কাজেই গাযওয়াতুল হিন্দ বা ভারত বিজয় সংক্রান্ত কোন হাদীস থাকুক বা না থাকুক, আমি মনে করি যুদ্ধের মাধ্যমে ভারত বিজয় আসিতেছে যাহাতে নিশ্চিত হওয়া যায় ভারত ঈশা (আঃ) এর শাসনে বশ্যতা স্বীকার করিয়াছে । হিন্দু ইন্ডিয়াকে অবশ্যই ঈশা (আঃ)-এর নিকট আত্মসমর্পন করিতে হইবে । সেই সেনাবাহিনীতে কাহারা থাকিবে ? তাহারা অবশ্যই মোজাহেদীন হইবেন । আমি মনে করি না যে আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ কোন রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী দিয়া সেই কাজ সম্পন্ন হইবে । মোজাহেদীনরা কি ধরনের যুদ্ধে লিপ্ত হইবে ? তাহাদের উপরে সব রকমের জুলুম অত্যাচার চাপাইয়া দেওয়া হইয়াছে । কাজেই যুদ্ধ খুব তাড়াতাড়িই শুরু হইতে যাইতেছে । আমি আশা করি পাকিস্তানী মুসলমানরা আমার কথা শুনিতে পাইতেছেন । কারণ আমি আশা করি পাকিস্তানীরা তাহাদের আফগানিস্তানের ভাইদের সাথে যোগ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করিবে । আফগানিস্তান হইল যুদ্ধে প্রধান ফ্রন্ট । আফগানিস্তান গত দশ বছর যাবত যায়োনিষ্ট ন্যাটোকে সফলতার সাথে মোকাবিলা করিয়া আসিতেছে । ওবামার চূড়ান্ত মাথাব্যথার কারণ হইয়া দাঁড়াইয়াছে । ইহা সেই আফগানিস্তান ! আমি আশা করি ইহার দ্বিতীয় সারিতে থাকিবে পাকিস্তান । এই কারণে আমি পাকিস্তানী যুব সম্প্রদায়কে বলিতেছি, এখনই শহর ত্যাগ কর গ্রামে চলিয়া যাও । নিজেদের খাবারের নিশ্চয়তা বিধান কর, নিজেদের পানির নিশ্চয়তা বিধান কর, নিজের পরিবারের নিরাপত্তা বিধান কর । কেননা তোমরাই থাকিবে সামনের সারিতে ফ্রন্টলাইনে । কেননা আমি মনে করি তাহা গতানুগতিক কোন যুদ্ধ হইবে না বরং তাহা হইবে বিশ বছর ব্যাপী গেরিলা যুদ্ধ আফগানিস্তানের স্টাইলে । আমি আশা করি আমার এই কথাগুলি পাকিস্তানের, ভারতের এবং বাংলাদেশের যুব সম্প্রদায়ের নিকট পৌছিয়া গিয়াছে ।

আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ-কাশ্মিরের মুসলমানদের চক্ষু খুলিয়া দেন এবং তাহাদের অস্তিত্ব রক্ষার একটি পথ দেখাইয়া দেন । আমিন !

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন

অনুবাদ – ডাঃ বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

The Future Of Islam In India, Pakistan & Bangladesh লেকচারের অনুবাদ

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s