Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

তিন মাসের খাবার পানি সংগ্রহ করি য়া রাখুন

1 Comment

তিন মাসের খাবার পানি সংগ্রহ করিয়া রাখুন রাসুলাল্লাহ (সাঃ) আমাদেরকে জানাইয়াছেন যে, একটি ভয়ঙ্কর মহাযুদ্ধ সংঘটিত হইবে যাহাতে যুদ্ধরত সৈন্যদের শতকরা ৯৯ জন নিহত হইবে । প্রচলিত গতানুগতিক যুদ্ধে কখনও শতকরা ৯৯ জন নিহত হয় নাই, ইতিহাসে এমন কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয় নাই । সুতরাং যেই যুদ্ধটি আসিতেছে তাহা এমন যুদ্ধ হইবে যাহার সাথে মানবজাতি কখনও পরিচিত নয় । আমরা বলি ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধ অর্থাৎ ইহাতে ব্যাপক গণবিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করা হইবে । একমাত্র এই ধরনের যুদ্ধেই দুই পক্ষের শতকরা ৯৯ ভাগ লোকের মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে । যাহারা আমার এই ইন্টারভিউ শুনিতেছেন তাহারা সাবধান থাকিবেন, তাহাদেরকে সচেতন করা আমাদের কর্তব্য । এমন একটি যুদ্ধে সাধারণত খাবার, পানি এবং জ্বালানির সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংস হইয়া যাইবে । বড় বড় শহরগুলোতে যাহারা বসবাস করেন তাহারা যুদ্ধের পরে দেখিতে পাইবেন অরাজকতা, লুটপাট, ডাকাতি, খুনাখুনি । ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধে বাঁচিয়া যাওয়া মানুষদের জীবন বাঁচানোর চেষ্টার কারণে । সুতরাং আপনাদেরকে বড় বড় শহরগুলো ত্যাগ করিয়া গ্রাম অঞ্চলে চলিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকিতে হইবে । দ্বিতীয় কথা হইল আমাদের নিজের এবং স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার, পানি এবং জ্বালানি যেমন মোমবাতি সংগ্রহ করিয়া রাখা উচিত । আমার মতে অন্তত তিন মাস জীবন ধারণের মতো মওজুত থাকা উচিত । আমি কয়েক দিন আগে মার্কেটে গিয়া খাবার কেনাকাটা শুরু করিয়াছি বিশেষত কৌটাজাত খাবার । পানির ব্যাপারে আমাদেরকে পার্থক্য নির্ণয় করিতে হইবে, কোনটা পান করিবার জন্য এবং কোনটা রান্নাবান্না আর শৌচক্রিয়ার পানি । পান করিবার পানি সাধারণত প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে বরং কাচেঁর বোতলে সংরক্ষন করা উচিত । আমরা জানি না পারমাণবিক যুদ্ধ সংঘটিত হইলে পারমাণবিক রেডিয়েশানে প্লাষ্টিকের বোতলের কি অবস্থা হয় । তবে কাঁচের বোতল রক্ষা পাইবে বলিয়া আমরা আশা করিতে পারি । বড় বড় বোতলে পানি সংরক্ষণের চাইতে ছোট ছোট বোতলে পানি মওজুত করা উচিত । কেননা একটি বড় বোতল ভাঙিয়া গেলে আপনি দশ বিশ লিটার পানি হারাইয়া ফেলিবেন । পানির বোতলগুলি এমন জায়গায় সংরক্ষন করা উচিত যাহাতে বিল্ডিং ভাঙিয়া পড়িলেও বোতলগুলি অক্ষত থাকে । আমাদের
5645%2B%2Bend%2B%2Bnuke.jpg
আরো গুদামজাত করা উচিত খাবার, পানি, জ্বালানী আমার মতে অন্তত তিন মাসের প্রয়োজন পূরণ করিবার মতো পারমাণবিক যুদ্ধ সংঘঠিত হওয়ার সময় । আমি ভাবিতেছিলাম সম্ভবতঃ আগামী এক বছর বা কিছুটা কম বেশী সময়ের মধ্যে যুদ্ধটি সংঘটিত হইতে পারে । কিন্তু আমি সতর্ক করিতে চাই যে যুদ্ধটি তাহার চাইতেও কম সময়ে সংঘটিত হইতে পারে । আমরা যখন কোন ভবিষ্যতবাণী করি তখন সব সময়ই আশা করি তাহা সত্য না হউক । তাহা মিথ্যা প্রমাণিত হইলে আমরা বরং খুশী হইব । কিন্তু যাহারা আমাদের কথা শোনেন এবং আমাদের মতামতকে শ্রদ্ধা করেন তাহাদেরকে বলিতেছি যে যুদ্ধটি এক বছর অতিক্রমের পূর্বেই সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে । পারমাণবিক যুদ্ধের পরে কি ঘটিবে তাহাও গুরুত্বপূর্ণ । ইহা কেবল পারমাণবিক যুদ্ধ থেকে আত্মরক্ষার বিষয় নয়, ইহা বরং পারমাণবিক যুদ্ধের পরবর্তী প্রধান ঘটনাটিও গুরুত্বপূর্ণ । মরিস, আপনার ইন্টারভিউর মাধ্যমে আমি মানুষকে সাবধান করিতে পারিতেছি যাহা অন্যথায় মানুষ জানিতে পারিত না । ইসলামী আখেরী জামানা বিদ্যা আমাদেরকে জানাইয়াছে যে মহাযুদ্ধের পরে কন্সট্যান্টিনোপোল বিজিত হইবে । ইহা ঠিক যে খ্রীষ্টানদের আখেরী জামানা বিদ্যাতেও মহাযুদ্ধের পরে কন্সট্যান্টিনোপোল বিজয়ের কথা আছে, কিন্তু ততটা নিশ্চিতভাবে নয় যতটা ইসলামী আখেরী জামানা বিদ্যাতে আছে । কন্সট্যান্টিনোপোল বিজয়ের সময় সেখানে অবশ্যই গৃহযুদ্ধ চলিতে থাকিবে । কারণ তুরষ্কে গৃহযুদ্ধ ছাড়া কখনও কন্সট্যান্টিনোপোল জয় করা সম্ভব নয় । কাজেই আমাদের বিশেষত রাশিয়ার নীতি এমন ভাবে পরিবর্তন করিতে হইবে যাহাতে আপনারা তুরষ্কের সংখ্যাগরিষ্ট জনগণের মতামতকে উত্তেজিত করা যাইবে না । সংখ্যাগরিষ্ট তুর্কী জনগণের মনোভাব যায়োনিষ্ট ন্যাটো বিরোধী । এই ব্যাপারে আমি রাশিয়ান সরকারকে সতর্ক করিয়াছি । আমি জানি কখন দেখিতে পাইব রাশিয়ান সরকারের এমন নীতি গ্রহনের উদ্যোগ যে, তুরষ্কের সমস্ত মানুষের মনোভাবকে বিরুপভাবাপন্ন করা হইবে না । কেননা সেক্ষেত্রে তুর্কী জাতীয়তাবাদ মাথাচাড়া দিয়া উঠিবে এবং জাতীয়তাবাদীরা নেতৃত্বে চলিয়া আসিতে পারে । তুরষ্ক কর্তৃক রাশিয়ার জঙ্গী বিমান গুলি করিয়া ভূপাতিত করিবার প্রেক্ষাপটে বর্তমানে কন্সট্যান্টিনোপল বিজয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বলভাবে দৃষ্টিগোচর হইতেছে । মরিস ঃ শায়খ ইমরান, রাশিয়ান সরকারের মনোভাব আপনার আকাঙ্খার সাথে সাদৃশ্যশীল মনে হইতেছে । সম্প্রতি তাহারা জানাইয়াছে যে, তাহারা তুরষ্কের জনগণকে নিজেদের শত্রু মনে করে না ।
মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
Sheikh Imran Hosein Expects The Nuclear War In 1 Year লেকচারের অনুবাদ
প্রশ্ন ঃ হযরত ঈসা (আঃ) পৃথিবীতে ফিরিয়া আসিবার পরে কোন ভাষায় কথা বলিবেন ?
উত্তর ঃ এই ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে কিছু উল্লেখ করা হয় নাই । এই বিষয়ে হাদীস শরীফেও কিছু বলা হয় নাই । কাজেই এই সম্পর্কে আমি কোন মতামত দিতে পারিব না ।
প্রশ্ন ঃ আমেরিকা এবং রাশিয়া কি ইয়াজুজ মাজুজ ?
উত্তর ঃ না, আমেরিকা এবং রাশিয়া ইয়াজুজ মাজুজ নয় । তবে তাহাদের ভেতরেই ইয়াজুজ মাজুজ রহিয়াছে । আর সেই ইয়াজুজ মাজুজরা তাহাদেরকে মালহামার (পারমাণবিক যুদ্ধের) উসকানি দিতেছে । মালহামার অর্থাৎ মহাযুদ্ধের মাধ্যমে আমেরিকা রাশিয়া ধ্বংস হইলেও ইয়াজুজ মাজুজ থাকিয়া যাইবে । ইয়াজুজ মাজুজ ধ্বংস হইবে হযরত ঈশা ইবনে মারিয়াম (আঃ)-এর আগমণের পরে ।
প্রশ্ন ঃ অস্ত্রকে কি বর্তমানে দাজ্জালের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া হিসাবে ধরিয়া নেওয়া যায় ?
উত্তর ঃ হ্যাঁ, অবশ্যই । কোন সন্দেহ নাই । নবী করীম (সাঃ) বলিয়াছেন যে, দাজ্জাল আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করিবে । সে বৃষ্টি বর্ষণ করিবে এবং বৃষ্টি বন্ধ করিবে । কাজেই আবহাওয়ার উপরে বর্তমান পাশ্চাত্য সভ্যতার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা মহানবীর (সাঃ) ভবিষ্যতবাণীর সুস্পষ্ট বাস্তবায়ন । কিন্তু আপনি ইহা ততক্ষন পর্যন্ত বিশ্বাস করিতে পারিবেন না যতক্ষন না বিশ্বাস করিবেন যে দাজ্জালকে মুক্তি দেওয়া হইয়াছে । আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান
মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

প্রশ্ন ‍ঃ শিয়ারা কি কাফের ?
উত্তর ‍ঃ প্রথম কথা হইল কাউকে কাফের ঘোষণা করিবার পদ্ধতি কি ? তাহা হইল প্রথমে কোরআন-হাদীসে অসাধারণ যোগ্যতা সম্পন্ন এমন একজন আলেমকে দ্বায়িত্ব দিতে হইবে ফাতওয়া দেওয়ার জন্য যাহার যোগ্যতার ব্যাপারে কাহারো কোন সন্দেহ নাই । তিনি কোরআন-হাদীসের ভিত্তিতে কাফের ফতোয়া দিলে সেই ফতোয়াকে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ ঐক্যবদ্ধভাবে গ্রহন করিয়া নিবেন । এই ফাতওয়ার ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ইজমাহ অর্থাৎ একমত হইতে হইবে । আর তখনই কেবল সেই ব্যক্তি বা দলকে কাফের হিসাবে গণ্য করা যাইবে । যেমনটা হইয়াছে কাদ্য়িানীদের ক্ষেত্রে । কিন্তু শিয়াদের ক্ষেত্রে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে এমন কোন ইজমাহ বা ঐক্যমত্য সৃষ্টি হয় নাই । বিগত চৌদ্দশত বছরে পবিত্র মক্কায় অগণিত সুন্নী শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছিলেন কিন্তু কোন সুন্নী শাসকরাই শিয়াদেরকে হজ্জ করিতে নিষেধ করেন নাই । কাজেই আমাদের শিয়া ভাইয়েরা কাফের নয় বরং নিশ্চিতভাবেই মুসলিম । অনেকে বলিয়া থাকেন যে, ইমাম গাজ্জালী শিয়াদেরকে কাফের ফতোয়া দিয়াছেন । উত্তরে আমি বলিব শর্ত একটাই । আর তাহা হইল কত বড় ব্যক্তিত্ব ফাতওয়াহ দিয়াছেন তাহা বিবেচনার বিষয় নয় বরং দেখিতে হইবে যে মুসলিম উম্মাহ ঐক্যবদ্ধভাবে সেই ফতোয়া গ্রহন করিয়া নিয়াছেন কিনা । যাহারা মনে করেন শিয়ারা কাফের তাহাদেরকে বলিব শিয়াদেরকে যদি কাফেরই মনে করেন তাহলে তাহাদের হজ্জ করা বন্ধ করেন না কেন ? কাফেরদের জন্য তো হজ্জ করার অনুমতি নাই । সুতরাং কথায় কথায় শিয়াদেরকে কাফের বলিবার মতো ফালতু কাজ বন্ধ করেন । অন্যথায় আপনি নিজেই কাফের হইয়া যাইবেন । আল্লাহর নবী (সাঃ) ভবিষ্যতবাণী করিয়া গিয়াছেন যে, আখেরী জামানায় তোমরা রুমের সাথে জোট বাধিবে । আর রুম বলিতে মহানবী (সাঃ) লন্ডন বা ওয়াশিংটনের খ্রীষ্টানদের বুঝান নাই । কেননা রাসুলে পাক (সাঃ) যুগে এগুলোর কোন অস্তিত্বই ছিল না । রুম বলিতে নবী করীম (সাঃ) কনন্সট্যান্টিনোপোল ভিত্তিক বাইজান্টাইন অর্থোডক্স খ্রীষ্টানদেরকে বুঝাইয়াছেন যাহাদের বর্তমান নেতা হইল রাশিয়া । বর্তমানে একমাত্র শিয়া ইরানই নবীজির (সাঃ) ভবিষ্যতবাণী অনুযায়ী রাশিয়ার সাথে জোট বাধিয়াছে, কোন সুন্নী মুসলিম দেশ কিন্তু এই কাজে করিতে পারে নাই । সুন্নীরা বর্তমানে যায়োনিষ্টদের এজেন্ট হিসাবে কাজ করিতেছে । গতবছর আমি ইরানে মুক্তচিন্তার গবেষকদের এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহন করিয়াছিলাম । সেখানে আমি যেসব কথা বলিয়াছি তাহা যদি সুন্নী দেশ সৌদী আরবেও বলিতাম তবে আমাকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার অথবা দেশ হইতে বহিষ্কার করা হইত । কিন্তু ইরানীরা আমাকে গ্রেফতারও করে নাই আর আমাকে কথা বলিতেও বাধা দেয় নাই । বরং তাহারা আমাকে অনেক সম্মানের সাথে গ্রহন করিয়াছে । ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদেনিজাদের সাথে আমার খোলামেলা দীর্ঘ আলাপ হইয়াছে । তিনি খুবই ভালো মানুষ এবং একজন জ্ঞানী ব্যক্তি । পৃথিবীর সমস্ত টাকা দিয়াও কেউ তাহাকে কিনিতে পারিবে না । আমি সেমিনারে বলিয়াছি যে, দাজ্জালের একমাত্র স্বপ্ন মুসলমানদেরকে শীয়া-সুন্নী দুই দলে ভাগ করিয়া গৃহযুদ্ধ বাধাইয়া দেওয়া । আর তাহা হইলে সে বিনা পরিশ্রমে মুসলমানদেরকে ধ্বংস করিতে পারে । যায়োনিষ্টদের এই স্বপ্নকে ব্যর্থ করিবার জন্য শীয়া-সুন্নী দুই দলকেই কিছু দ্বায়িত্ব পালন করিতে হইবে । প্রথমে সুন্নীদেরকে “শীয়ারা কাফের” এই জাতীয় ফালতু কথা বলার অভ্যাস ছাড়িতে হইবে । দ্বিতীয়তঃ শিয়াদেরকেও কিছু হোমওয়ার্ক করিতে হইবে । আমরা সকলেই বিশ্বাস করি যে, যেই কথা কোরআনে উল্লেখ নাই তাহা কখনও ইসলামের মূলভিত্তি হইতে পারে না । কেননা হাদীস আমাদের ধর্মগ্রন্থ নয় বরং হাদীস হইল আমাদের ধর্মগ্রন্থের ব্যাখ্যা গ্রন্থ । আপনারা কোরআন থেকে প্রমাণ করে দেখান সেখানে কোথায় বলা আছে যে নেতৃত্ব বা খেলাফত একই পরিবারে সীমাবদ্ধ থাকিবে বা নবীজির (সাঃ) পরে আলী (রাঃ) খলিফা হইবেন । যদি প্রমাণ করিতে না পারেন তবে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) , ওমর ফারুক (রাঃ) , ওসমান গনি (রাঃ) জোরপূর্বক খলিফা হইয়াছেন এই জাতীয় ফালতু কথা বলা ছাড়েন । হ্যাঁ, আমি অনেক শীয়াকে হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) -এর নামের সাথে রাদিয়াল্লাহু আনহু বলিতে নিজের কানে শুনিয়াছি ।
মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

অচেতন মানবজাতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে
আল্লাহর নবী (সাঃ) বলেছেন, “যখন জেরুজালেমের উত্থান হবে এবং মদীনার পতন হবে, তখন আসবে মহাযুদ্ধ । ইহা হবে এমন যুদ্ধ যাতে শতকরা ৯৯ জন মৃত্যুবরণ করবে” । মহানবী (সাঃ) জেরুজালেমের উত্থান বলিতে ইসরাঈলের উত্থান অর্থাৎ ইহুদীদের উত্থানকে বুঝিয়েছেন এবং মদীনার পতন বলিতে মুসলমানদের পতনকে বুঝিয়েছেন । বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীর রাজনীতি, অর্থনীতি এমনকি ধর্মীয় বিষয়াদি ইহুদীরা নিয়ন্ত্রণ করে । অন্যদিকে এখনকার দুনিয়ার রাজনীতি, অর্থনীতি, ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক কোন ব্যাপারেই মুসলমানদের কোন কর্তৃত্ব নাই । সুতরাং রাসুলূল্লাহ (সাঃ) এর ভবিষ্যতবাণীকৃত সেই ভয়ঙ্কর যুদ্ধ এখন যে-কোন মুহূর্তেই শুরু হয়ে যাবে । আর তা হবে পারমাণবিক যুদ্ধ । কেননা এটম বোমা ছাড়া প্রচলিত অন্য কোন অস্ত্রের আঘাতে শতকরা ৯৯ জন মানুষের মৃত্যু হয় না । সেই যুদ্ধে পৃথিবীতে বিদ্যমান একটি এটম বোমাও অবশিষ্ট থাকবে না, সবগুলো ফাটানো হবে । ফলে পৃথিবীর বিরাট একটি অংশ মানুষের বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে যাবে (সম্ভবত উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপ) । সম্প্রতি আল্লাহ আমাকে স্বপ্নেযোগে যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাতে মনে হয় আমাদের হাতে আর মাত্র এক বছর সময় আছে । দ্রুত সমাগত এই ভয়ংকর বিপদের খবর নেওয়ার সময় নাই মানবজাতির । তারা এখন ম্যাকডোনালসে বসে ক্যান্টাকি ফ্রাই খাওয়া নিয়ে মহাব্যস্ত । তারপরও আলেমদের কাজ মানুষকে সাবধান করা সেটা করে যাচ্ছি ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

One thought on “তিন মাসের খাবার পানি সংগ্রহ করি য়া রাখুন

  1. Pingback: শিয়ারা কি কাফের ? | হু দ হু দে র চি ঠি

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s