Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

কেমোথেরাপি নেওয়া ক্যানসার রোগী রা আরো তাড়াতাড়ি মৃত্যুবরণ করে

1 Comment

কেমোথেরাপি নিলে ক্যানসার রোগীরা আরো তাড়াতাড়ি মৃত্যুবরণ করে

ইদানীং এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা ক্যান্সার সারানোর জন্য মারাত্মক মারাত্মক অনেকগুলো কেমিক্যাল ঔষধ এক নাগাড়ে কয়েক মাস যাবত রোগীদের শরীরে ইনজেকশন দিয়ে ঢুকিয়ে দিয়ে থাকেন। একে তারা নাম দিয়েছেন কেমোথেরাপি (chemotherapy) । ক্যামোথেরাপির ক্ষতিকর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া এতই বেশী যে, এতে প্রায় সকল রোগীই অকালে করুণ মৃত্যুবরণ করতে বাধ্য হয়। তবে কেমোথেরাপির সবচেয়ে ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো ব্রেন ড্যামেজ (brain damage) হয়ে যাওয়া অর্থাৎ স্মরণশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। কোন কিছু মনে থাকে না, কোন কথার পরে কোন কথা বলতে হবে তা মাথায় আসে না, একসাথে একটার বেশী কাজ করতে পারে না, ছোটখাটো ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিতে অনেক সময় লেগে যায়, অল্প সময়ের জন্য সবকিছু ভুলে যায়, কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারে না, নতুন কিছু শিখতে পারে না ইত্যাদি ইত্যাদি। ডাক্তাররা এই সমস্যার নাম দিয়েছে ‘কেমোব্রেন’ (chemobrain)।

তাছাড়া কেমোথেরাপির আরো যে-সব মারাত্মক সাইড-ইফেক্ট আছে তা হলো মুখে ঘা হওয়া (stomatitis), পেটে আলসার হওয়া (gastric ulcer), মারাত্মক রক্তশূণ্যতা (anaemia), অপুষ্টি (malnutrition), ওজন কমে যাওয়া (weight loss), চুল পরে যাওয়া (hairlessness), লিভার-কিডনী-হার্টের সর্বনাশ হওয়া (Liver damage), শ্রবণশক্তি নষ্ট হওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। কেমোথেরাপির ধাক্কায় রোগী এতই দুর্বল হয়ে পড়ে যে, সে একেবারে শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে অনেক দিনের জন্য। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কেমোথেরাপি দিতে যেহেতু লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করতে হয়, সেহেতু এই চিকিৎসায় উপকার হোক বা না হোক চিকিৎসা শেষে অনেকেই পথের ভিখিরিতে পরিণত হয়ে যান। আবার টাকার অভাবে অনেকে এই চিকিৎসাই নিতে পারেন না। অথচ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় অন্তত একশগুণ কম খরচে টিউমার/ ক্যান্সার সারানো যায় এবং তাতে রোগীর স্বাস্থের কোন ক্ষতি তো হয়ই না বরং আরো উন্নতি হয়। একজন হিন্দু যুবকের কথা আমার মনে আছে যার লিম্ফ্যাটিক গ্লান্ডে ক্যান্সার (non-hodgkin’s lymphoma) হয়েছিল। আমি বলেছিলাম এই ভয়ঙ্কর ক্যান্সার যদি ইতিমধ্যে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে থাকে (metastasis), তবে হয়ত হোমিও চিকিৎসায় তাকে পুরোপুরি সারানো নাও যেতে পারে। কিন্তু তারপরও হোমিও ঔষধের মাধ্যমে ক্যান্সারের অগ্রগতিকে কমিয়ে দিয়ে রোগীকে অনত্মত দশ-বিশ বছর বাঁচিয়ে রাখা যাবে। কিন্তু সে হোমিওপ্যাথির ওপর ভরসা না করে রাতারাতি সুস্থ হওয়ার আশায় জায়গা-জমি বিক্রি করে ভারতে গিয়ে কেমোথেরাপি দিয়ে আসে। ভারতের এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা তাকে রোগমুক্ত সম্পূর্ণ সুস্থ (?) বলে ঘোষণা করেন। দেশে এসে সে আবার তার চাকুরিতে যোগদান করে। বাহ্যিকভাবে তাকে দেখতে বেশ সুস্থ-সবল-হৃষ্ট-পুষ্ট মনে হচ্ছিল কিন্তু দেড় বছরের মাথায় সে হঠাৎ করে মারা যায়।(আসলে কেমোথেরাপি এমনই ভয়ঙ্কর ঔষধ যে সেগুলো প্রয়োগের ফলে শরীরের কল-কব্জা সব ঢিলা হয়ে যায়।) আর অপারেশনের কথা বলতে গেলে বলতে হয়, অপারেশনে টিউমার এবং ক্যান্সারের উন্নতি না হয়ে বরং আরো খারাপের দিকে চলে যায়।

একজন শিশু বিশেষজ্ঞের (pediatrician) কথা আমার মনে আছে যার গালে টিউমার হয়েছিল। ফলে অপারেশন করে টিউমার কেটে ফেলে দেওয়ার ছয়মাস পরে গালে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এবার ক্যান্সারসহ গাল কেটে ফেলে দেওয়ার ছয়মাস পরেই চোয়ালের হাড়ে ক্যান্সার দেখা দেয় এবং আবার অপারেশন করে একপাশের সব দাঁতসহ চোয়াল কেটে ফেলে দেওয়া হয়। ফলে এক বছরের মধ্যে তিন তিনটি অপারেশনের ধাক্কায় তার স্বাস্থ্য এতোই ভেঙে পড়ে যে, টিউমার দেখা দেওয়ার দেড় বছরের মধ্যে তার মৃত্যু হয়। অথচ অপারেশন না করে ভদ্রলোক যদি বিনা চিকিৎসায়ও থাকতেন, তথাপি এর চাইতে অনেক বেশী দিন বাঁচতেন। অপারেশনের পরে হাসপাতালের বেডে যেই নারকীয় কষ্ট ভোগ করেছেন, তা না হয় বাদই দিলাম (তিন মাস তো কেবল স্যুপ আর জুস খেয়ে বেঁচেছিলেন, তাও গলা ছিদ্র করে ঢুকানো রাবারের পাইপ দিয়ে !)। হ্যাঁ, সার্জনরা অনেক সময় অজ্ঞতার কারণে অথবা টাকার লোভে অনাকাঙ্খিত অপারেশনের মাধ্যমে ক্যান্সার রোগীদের মৃত্যুকে তরান্বিত করে থাকেন। বহুল প্রচলিত এলোপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে ক্যানসারের চিকিৎসা করা হয় কেমোথেরাপি, অপারেশন এবং রেডিয়েশন দিয়ে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয়ে থাকে কেমোথেরাপি। অথচ নিরপেক্ষ চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, এসব পদ্ধতিতে ক্যানসারের রোগীদের কোন উপকার হওয়ার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় নাই। বরং এগুলো ক্যানসার রোগীদের শরীরকে এবং জন্মগত রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে (immune system) দুর্বল করার মাধ্যমে ক্যানসারেরই উপকার করে এবং রোগীর ড়্গতি করে থাকে। এভাবে এসব অপচিকিৎসা ক্যানসার রোগীর মৃত্যুকে আরো কাছে টেনে আনে। ফ্রান্সের একজন ক্যানসার গবেষক বিজ্ঞানী প্রফেসর জর্জ ম্যাথি (Dr. George Mathé) বলেন যে, “যদি আমি ক্যানসারে আক্রান্ত হই, তবে আমি কখনও এসব (কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন, অপারেশন ইত্যাদি) চিকিৎসা গ্রহন করব না। কেননা যে-সব ক্যানসার রোগী এসব (কু) চিকিৎসা থেকে অনেক অনেক দূরে থাকতে পারেন, একমাত্র তাদেরই বাঁচার আশা আছে”।

ডাঃ বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

ডিজাইন স্পেশালিষ্ট, হোমিও কনসালটেন্ট, ইসলাম গবেষক

৬৪/জে/৯ আর. কে. মিশন রোড (৪র্থ তলা),

গোপীবাগ, ঢাকা, বাংলাদেশ।

ফোনঃ +৮৮০-০১৯১৬০৩৮৫২৭

E-mail : Bashirmahmudellias

Website : http://bashirmahmudellias.blogspot.com

Website : https://bashirmahmudellias.wordpress.com

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

One thought on “কেমোথেরাপি নেওয়া ক্যানসার রোগী রা আরো তাড়াতাড়ি মৃত্যুবরণ করে

  1. Have any English side?

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s