Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

মুসলমানদের দুই প্রধান শত্রু মা ওলানা ইমরান নজর হোসেন

Leave a comment

ইরানে হামলা থেকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ
আমেরিকা চায় না ইরানে হামলা করিতে । কেননা তাহার ফলস্রুতিতে বিশ্বযুদ্ধ শুরু হইয়া যাইবে । আমেরিকা লিবিয়ার সাথে যুদ্ধ করিতে ভালবাসে ! (হা-হা-হা-) আমেরিকা ইরাকের সাথে যুদ্ধ করিতে চায়, আফগানিস্তানের সাথে যুদ্ধ করিতে চায় কিন্তু রাশিয়ার সাথে ? কখখ্‌নো না ! কারণ রাশিয়া তাহার বারোটা বাজাইয়া দিবে । (রাশিয়ার এটম বোমার আঘাতে) তখন আমেরিকার সুন্দর সুন্দর শহরগুলো জ্বলিয়া পুড়িয়া ছাই হইয়া যাইবে । রাশিয়ানরা আমেরিকার সাথে তেমন ব্যবহারই করিবে লিবিয়ার সাথে তাহারা যেমন ব্যবহার করিয়াছে, ইরাকের সাথে, আফগানিস্তানের সাথে তাহারা যেমন ব্যবহার করিয়াছে । এজন্যই আমেরিকা কখনও চায় না ইরানে হামলা করিতে । কিন্তু ইজরাঈল চায় । আপনারা কখনও মনে করিবেন না যে, ইসরাঈলী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যখন ইরানে হামলা করিবার সিদ্ধান্ত নিবেন, তখন তিনি সেনাবাহিনীর বড় বড় জেনারেলদের সাথে পরামর্শ করিয়া সিদ্ধান্ত নিবেন । নাহ, বরং তিনি বড় বড় ইহুদী রাব্বি এবং জ্যোতিষীদের সাথে পরামর্শ করিয়া একটি শুভক্ষণ ঠিক করিবেন । (-হা-হা-হা) ইজরাঈল ইরানে এমনভাবে হামলা করিবে যাহাতে ইরানের এটমিক প্লান্টগুলো ধ্বংস হয় কিন্তু ইরানের সামরিক শক্তির কোন ক্ষতি না হয় । কারণ ইসরাঈলীরা ভালোভাবেই জানে যে, তাহার ফলস্রুতিতে ইরাক-কুয়েত-সৌদী আরব এবং লোহিত সাগরে আমেরিকার সকল সামরিক ঘাটি এবং যুদ্ধজাহাজে ইরানীরা প্রতিশোধমূলক ভয়াবহ হামলা চালাইবে । ফলে আমেরিকাও ইরানে পাল্টা হামলা চালাইবে । এভাবেই ইসরাঈল এক ঢিলে দুই পাখি শিকার করিবে । ইজরাঈল অনেক বছর যাবতই পর্দার আড়ালে থাকিয়া পৃথিবী শাসন করিতেছে । কিন্তু এখন তাহারা চাহিতেছে বোরকা খুলিয়া বাহিরে আসিতে । এজন্য তাহারা ২০০৮ সাথে আমেরিকাকে অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস করিয়াছে । ইরানে হামলা করিবার মাধ্যমে তাহারা আমেরিকাকে সামরিক শক্তির দিক দিয়াও ধ্বংস করিবে । আমি মনে করি (শিয়া সংখ্যাগরিষ্ট ইরাক তো ইরানের নিয়ন্ত্রণে আছেই, অধিকন্তু) বাহরাইনকেও তখন ইরান দখন করিয়া নিবে । কেননা বাহরাইনের শাসকরা সুন্নী হইলেও সেখানকার সংখ্যাগরিষ্ট জনগণ শিয়া । সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দিতে আমেরিকা হয়ত তাহার শেষ অস্ত্র এটম বোমা ব্যবহার করিবে । আর তখনই সেটি আঞ্চলিক যুদ্ধ থেকে বিশ্বযুদ্ধে রূপান্তরিত হইবে । কেননা তখন তাহাতে রাশিয়া এবং চীন জড়াইয়া যাইবে । আমি মনে করি, একটা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত রাশিয়া ও চীন আন্তর্জাতিক আইন মানিয়া চলিবে । আমেরিকা সেই সীমা অতিক্রম করিলে তখন রাশিয়া ও চীন আর কোন আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা করিবে না । আর সেই সীমাটি হইল ইরান আক্রমণ ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

67689%2B%2Bnuke.jpg

মুসলমানদের দুই প্রধান শত্রু
দুইটি শক্তি পৃথিবী থেকে ইসলামী খেলাফতকে ধ্বংস করিয়াছে এবং খিলাফাহ যাহাতে পুণরায় পৃথিবীতে ফিরিয়া আসিতে না পারে সেজন্য গত একশ বছর যাবত তাহারা তাহাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করিয়াছে । আর এই দুইটি শক্তি হইল তুরষ্ক এবং সৌদী আরব । (খেলাফতের কারণে চৌদ্দশত বছর মুসলমানরা ছিল পৃথিবীর একমাত্র সুপারপাওয়ার আর খেলাফত না থাকার কারণে গত একশ বছর যাবত মুসলমানরা পরিণত হইয়াছে পৃথিবীর সবচাইতে অসহায় জাতিতে ।)
মূল – শায়খ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

মুসলমানদের মধ্যে ইহুদীদের স্বভাব
ইহুদীরা প্রচার করিয়া বেড়াইত যে, তাহারাই আল্লাহর একমাত্র প্রিয় দল এবং তাহারা ছাড়া অন্য কেউ বেহেশতে যাইতে পারিবে না । আল্লাহ তাহাদের এই মিথ্যা কথার প্রতিবাদ করিয়া বলেন, (হে নবী, আপনি) বলুন, হে ইহুদীগণ ! যদি তোমরা দাবী কর যে, তোমরাই আল্লাহ্‌র বন্ধু, অন্য কোন মানুষ নয়, তবে তোমরা মৃত্যু কামনা কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হও। (কিন্তু) তাহারা নিজেদের কৃতকর্মের (অনিবার্য শাস্তির) কারণে কখনও মৃত্যু কামনা করিবে না। আল্লাহ্‌ জালেমদের সম্পর্কে সম্যক অবগত আছেন। (আল কোরআন ঃ ৬২: ৬-৭) বর্তমানে মুসলমানদের মধ্যে অনেকগুলি দলের সৃষ্টি হইয়াছে । প্রতিটি দলই মনে করে যে, তাহারাই একমাত্র সঠিক পথে আছে এবং একমাত্র তাহারাই বেহেশতে যাইবে । অন্য দলগুলি পথভ্রষ্ট হইয়া গিয়াছে এবং তাহারা জাহান্নামে যাইবে । এই সমস্যাকে আমরা কি বলিতে পারি ? আত্মিক অন্ধত্ব নাকি আত্মিক অহমিকা ? মহানবী (সাঃ) ভবিষ্যতবাণী করিয়া গিয়াছেন যে, তোমরা প্রতি হাতে হাতে প্রতি বিগতে বিগতে ইহুদী খ্রীষ্টানদের অনুসরন করিবে । এমনকি তাহারা যদি গিরগিটির গর্তে প্রবেশ করে তবে তোমরাও গিরগিটির গর্তে প্রবেশ করিবে । রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর ভবিষ্যতবাণী আশ্চর্যজনকভাবে সত্যে পরিণত হইয়াছে ।
মূল – মুফতী ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

নভেম্বরের মধ্যেই মালহামা/ আরমাগেডন/ ৩য় বিশ্বযুদ্ধ
মহানবীর (সাঃ) ভবিষ্য‍ৎবাণীকৃত মালহামা (মহাযুদ্ধ) এখন নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছে । অথচ আমরা কোরআন না পড়িবার কারণে হালুয়া রুটি খাইতেছি আর নাক ডাকিয়া ঘুমাইতেছি । কোরআন পড়া কোন জরুরি কাজ নয় । ছেলেকে অক্সফোর্ডে পাঠাইয়াছি কমপিউটার সাইন্স পড়িবার জন্য । সেটা বেশী জরুরি । এই হইল এখন মোহাম্মদ (সাঃ)-এর উম্মাতের অবস্থা । মালহামাকে (মহাযুদ্ধ) তাহারা বলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ । কিন্তু ইহা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো হইবে না । ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধ, হাজার হাজার এটম বোমা ইহাতে বিস্ফারিত হইবে । ইহার তুলনায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে মনে হইবে চিনাবাদামের মতো । সেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এখন নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছি । খুব সম্ভবতঃ নভেম্বরের ৪ তারিখের পূর্বেই তাহা শুরু হইবে । কারণ ট্রাম্প তাহাদের (যায়োনিষ্টদের) জন্য হুমকি হইয়া দাঁড়াইতে পারে । যখনই পাকিস্তানে কোন শক্ত মেরুদন্ডের শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছে তাহারা (যায়োনিষ্টরা) তাহাকে হত্যা করিয়াছে । যখনই আমেরিকায় কোন যোগ্যতাসম্পন্ন শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছে তাহারা (যায়োনিষ্টরা) তাহাকে হত্যা করিয়াছে । এজন্য তাহারা কেনেডীকে হত্যা করিয়াছে (তাহাদের নির্দেশ মতো চলিতে অস্বীকার করিবার কারণে) । ব্রিটিশ জনগণ এখন আর ব্রিটেনের সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে না । আমেরিকার জনগণও এখন আর আমেরিকান সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে না । কাজেই ট্রাম্প যদিও মাঝে মাঝে বোকার মতো কথা বলে কিন্তু সে প্রমাণ করিয়াছে যে তাহার স্বাধীনভাবে চিন্তা করিবার শক্তি আছে । সে কাহারো ইশারায় চলে না । ডোনাল্ড ট্রাম্প বলিয়াছেন যে, আমি একজন ব্যবসায়ী । রাশিয়ার সাথে আমরা অযথা শত্রুতা করিব আর এই সুযোগে রাশিয়ার সাথে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য একচেটিয়া চীন দখল করিয়া নিবে তাহা হইতে পারে না । কাজেই তাহারা (যায়োনিষ্টরা) যাহা করিবার নভেম্বরের ৪ তারিখের পূর্বেই করিয়া ফেলিবে । কেননা সেদিন আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন । আল্লাহকে ধন্যবাদ যে রাশিয়া তাহাদের ভয়ে ভীত নহে । আল্লাহকে ধন্যবাদ যে চীন তাহাদের ভয়ে ভীত নহে । আল্লাহকে হাজার বার ধন্যবাদ যে রাশিয়া তাহাদের ভয়ে ভীত নয় । আল্লাহকে হাজার বার ধন্যবাদ যে চীন তাহাদের ভয়ে ভীত নয় । মুসলমান হওয়ার একটি সুবিধা এই যে, মুসলমান কখনও মরিতে ভয় পায় না । মুসলমানরা কোটি কোটিতে মরিতে রাজী, তারপরও আমরা চাই জালেমরা যেন ধুলায় মিশিয়া যায় । পৃথিবীতে যেনো পুণরায় সত্য এবং ন্যায় প্রতিষ্টিত হয় । মালহামা নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছে অথচ আলেম-ওলামাদের মুখে কিছুই শোনা যায় না । আমরা এখনও হালুয়া রুটি খাইতেছি আর নাক ডাকিয়া ঘুমাইতেছি । এই হইল মোহাম্মাদ (সাঃ)-এর উম্মাতের অবস্থা ! তাহারা চিনাবাদাম নিয়া মরনপণ জিহাদ করিতেছে ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

মুসলমানদের জন্য ভয়াবহ শাস্তি অপেক্ষা করিতেছে
রাসুল বলিলেন, হে আমার প্রতিপালক, আমার জাতি এই কোরআনকে প্রলাপ সাব্যস্ত করিয়াছে। -আল কোরআন (২৫:৩০) আল্লাহর কোন নবী যখন আল্লাহর কাছে এই অভিযোগ করেন যে, তাঁহার জাতি তাঁহার প্রেরিত আসমানী গ্রন্থকে অবহেলা করিয়াছে, পরিত্যাগ করিয়াছে, তখন সেই জাতির উপর কত ভয়াবহ শাস্তি নামিয়া আসে তাহা ইতিহাস পড়িয়া দেখিতে পারেন । এখন পৃথিবীর সকল মুসলমানরাই তাহাদের সন্তানদের অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজ আর হার্বার্ড ইউনিভার্সিটিতে পাঠান কমপিউটার সাইন্স পড়িবার জন্য । একজন মুসলমানও পাওয়া যাইবে না যে তাহার সন্তানকে অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজ আর হার্বার্ড ইউনিভার্সিটিতে পাঠিয়েছেন কোরআন গবেষনার জন্য । কাজেই বর্তমান মুসলিম জাতি চুড়ান্তভাবে কোরআনকে অবজ্ঞা করিয়াছে, পরিত্যাগ করিয়াছে । (সুতরাং মুসলমানদের উপর কি ভয়াবহ শাস্তি নাজিল হইয়াছে তাহা নিজেদের চোখেই দেখিতে পাইতেছেন এবং সামনে আরো যে-সব ‍ভয়ঙ্কর শাস্তি আসিতেছে তাহাও স্বচক্ষে দেখিতে পাইবেন ।)

মূল – শায়খ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

বোখারী শরীফে জাল হাদীস
বোখারী শরীফে একটি হাদীস আছে, হযরত আয়শা সিদ্দিকা (রাঃ) বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে বিবাহ করেন যখন আমার বয়স ছয় এবং তিনি আমার সাথে বসবাস করা শুরু করেন যখন আমার বয়স নয়”। এখন কথা হইল, নবী করীম (সাঃ) যদি একটি ছয় বছরের শিশুকে বিবাহ করিয়া থাকেন, তবে তো ইহা নবীজির (সাঃ) সুন্নাহ । তাহলে আপনি রাসুলের (সাঃ) সুন্নাহর উপর আমল করেন না কেন ? বিগত চৌদ্দশত বছরে একজন মুসলমানও রাসুলুল্লাহর (সাঃ) এই সুন্নাহর উপর আমল করিল না কেন ? অন্ততঃপক্ষে সবার সামনে দাঁড়াইয়া ঘোষণা তো দেন যে, আমি ছয় বছরের একটি শিশুকে বিবাহ করিতে রাজী আছি । আমি তো আজ পর্যন্ত এমন একজন পুরুষকেও পাই নাই যে, প্রকাশ্যে ইহাতেই প্রমাণিত হয় যে, ইহা একটি জাল হাদীস । প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) কখন আয়শা সিদ্দিকাকে (রাঃ) বিবাহ করেন নাই, কস্মিনকালেও না । বরং আল্লাহ নিজেই জিব্রাঈলের (আঃ) মাধ্যমে রাসুলে করীম (সাঃ)-কে জানাইয়া দিয়াছেন যে, এখন থেকে আয়শা সিদ্দিকা (রাঃ) আপনার সহধর্মিনী (যাহা অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে বর্ণিত আছে) । কাজেই আল্লাহ তায়ালা নিজেই তাহাদের বিবাহ দিয়াছেন । আর আল্লাহ যেহেতু শ্রষ্টা, কাজেই তিনি তাঁহার সৃষ্টি সম্পর্কে যে-কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করিতে পারেন, এই অধিকার তাঁহার আছে ।
মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস


Posted By Blogger to Know Thyself at 10/19/2016 07:51:00 AM

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s