Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

শীঘ্রই দুইজন ভুয়া ইমাম মাহদী আত ্মপ্রকাশ করিবে আল্লামা ইমরান ন যর হোসেন

1 Comment

যে-কোন দিন শুরু হয়ে যাবে মালহাম/আরমাগেডন/তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ
সবার প্রতি আসসালামু আলাইকুম,
সম্ভবত এখন থেকে যে কোন দিনের মধ্যে মালহামা (মহাযুদ্ধ) শুরু হতে পারে। যদি তাই হয়, তবে আমরা ধারণা করছি যে, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ হয়ে যাবে আর আমরা আমাদের পরষ্পরের সাথে যোগাযোগের এই মাধ্যমটি হারিয়ে ফেলব। এই সুযোগে আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে, আমাদেরকে অবশ্যই শুকনো খাদ্য, খাবার পানি ও জ্বালানি সঞ্চয় করে রাখতে হবে।
আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে লাকড়ি লাগবে রান্না করার জন্য এবং অতিরিক্ত ব্যাটারিসহ টর্চলাইট লাগবে আলোর জন্য। আগামীতে যা-ই ঘটুক না কেন, আমাদের পবিত্র কোরান পাঠ চালিয়ে যেতে হবে। (আল্লাহ্ সবচেয়ে ভাল জানেন)

শাইখ ইমরান নজর হোসেইন
অক্টোবর ২০১৬

শেষযুগ বিদ্যা প্রচার করুন
এখনকার পৃথিবীতে যাহা ঘটিতেছে তাহা কেন ঘটিতেছে এবং ভবিষ্যতে কি ঘটিবে তাহা কোন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী তাহার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জ্ঞান দিয়া বলিতে পারিবেন না । এখনকার পৃথিবীতে যাহা ঘটিতেছে তাহা কেন ঘটিতেছে এবং ভবিষ্যতে কি ঘটিবে তাহা কোন অর্থনীতিবিদ তাহার অর্থনীতির জ্ঞান দিয়া বলিতে পারিবেন না । এসব ব্যাপার সঠিকভাবে বলিতে পারিবেন একমাত্র সেই ব্যক্তি যিনি ইসলামের আখেরীজামানা বিদ্যা বা শেষযুগ বিদ্যা নিয়া পড়াশোনা, গবেষনা করিয়াছেন । কাজে ইসলামের আখেরী জামানা বিদ্যা নিয়া পড়াশোনা, গবেষনা এবং প্রচার করেন । ইহুদী এবং খ্রীষ্টান পন্ডিতগণ তাহাদের আখেরীজামানা বিদ্যা নিয়া অনেক গবেষণা করিয়াছেন কিন্তু সেই তুলনায় ইসলাম ধর্মের আখেরীজামানা বিদ্যা নিয়া খুবই কম গবেষণা হইয়াছে । অথচ ইহুদী এবং খ্রীষ্টান ধর্মের শেষযুগ বিদ্যার তুলনায় ইসলামের শেষযুগ বিদ্যা অনেক বেশী নিখুঁত এবং সঠিক । কাজেই তাবলীগ জামায়াতসহ যে-সব ভাইয়েরা দাওয়াতী কাজ করেন, তাহাদের উচিত ইসলামের আখেরী জামানা বিদ্যা প্রচার করা । কারণ এখনকার পৃথিবীতে যে-সব অদ্ভুত অদ্ভুত, রহস্যজনক, বিপদজনক এবং ধংসাত্মক ঘটনা ঘটিতেছে ; সে-সবের কারণ সম্পর্কে ভাবিয়া ভাবিয়া মানবজাতি কোন কুল-কিনারা খুঁজিয়া পাইতেছে না । কাজেই আমরা যদি ইসলামের আখেরী জামানা বিদ্যার আলোকে সে-সব ঘটনার সঠিক ব্যাখ্যা মানবজাতির সামনে তুলিয়া ধরিতে পারি তাহলে মানবজাতি বুঝিতে পারিবে যে ইসলামই সর্বশক্তিমান মহান শ্রষ্টা প্রেরিত একমাত্র সত্য ধর্ম ।
মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

শীঘ্রই দুইজন ভুয়া ইমাম মাহদীর আত্মপ্রকাশ করিবে
ইমাম মাহদী (আঃ) কখন আত্মপ্রকাশ করিবেন, তাহা কোন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী তাহার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জ্ঞান দিয়া বলিতে পারিবেন না । ইমাম মাহদীর আবির্ভাব কখন হইবে তাহা কোন অর্থনীতিবিদ তাহার অর্থনীতির জ্ঞান দিয়া বলিতে পারিবেন না । ইমাম মাহদী কখন আত্মপ্রকাশ করিবেন তাহা কোন মোফাসসির তাহার তাফসিরের জ্ঞান দিয়া বলিতে পারিবেন না । ইমাম মাহদি কখন আবির্ভূত হইবেন তাহা কোন ফকিহ্‌ তাহার ফেকাহর জ্ঞানের সাহায্যে বলিতে পারিবেন না । এই কথা একমাত্র তিনিই ভালো বলিতে পারিবেন যিনি ইসলামী আখেরীজামানা বিদ্যায় পড়াশুনা এবং চিন্তা-গবেষনা করিয়াছেন । ইসলামী আখেরীজামানা বিদ্যায় আমার যতটুকু জ্ঞান আছে তাহাতে আমার অনুমান আগামী পনের হইতে বিশ বছরের মধ্যে ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের সম্ভাবনা আছে । এজন্য আমাকে দোষারোপ করিবেন না । কেননা ‍আমি ছাড়াও বর্তমানে অনেক আলেম-ওলামা আছেন যাহারা এমনটা বিশ্বাস করেন । এমনকি অনেকে ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখও প্রচার করিতেছেন । হ্যাঁ, তবে আমি মনে করি ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের পূর্বে দুইজন ভুয়া ইমাম মাহদীর আবির্ভাব হইবে । একজন শিয়া ইমাম মাহদী এবং আরেকজন সুন্নী ইমাম মাহদী । আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং ইজরাঈলী গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ তাহাদেরকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়া প্রস্তুত করিয়া রাখিয়াছে । সম্ভবতঃ মালহামার (তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের) পরেই তাহাদেরকে মাঠে ছাড়িয়া দেওয়া হইবে । একজন ইতিমধ্যেই তুরষ্কে আত্মপ্রকাশ করিয়াছেন (হারুণ ইয়াহিয়া) যিনি নাকি অনেক বই-পুস্তক লিখিয়াছেন, অনেক ডকুমেন্টারী তৈরী করিয়াছেন এবং সেটেলাইট টিভি চ্যানেলে বক্তৃতা দিয়া বেড়াইতেছেন । যাহাদের অন্তরের চক্ষু আছে অর্থাৎ যাহারা আল্লাহর নুরের সাহায্যে দেখিতে পান, একমাত্র তাহারাই এসব ভুয়া মাহদীর প্রতারনা হইতে বাঁচিতে পারিবেন । পক্ষান্তরে যাহারা দাজ্জালের অনুসারী অর্থাৎ দাজ্জালের মতো অন্তরের চক্ষু কানা তাহারা ভুয়া মাহদীর বাহিনীতে যোগদান করিয়া ধ্বংস হইবেন । প্রকৃত ইমাম মাহদীর পরিচয় হইল তাঁহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিবার জন্য সিরিয়া হইতে একটি বিরাট সেনাবাহিনী ‍আসিবে । পবিত্র মক্কার নিকটবর্তী হইলে সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে মাটি গ্রাস করিয়া নিবে । এই ঘটনাই হইল ইমাম মাহদী (আঃ) প্রকৃত চিহ্ন ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

8795%2B%2Bnuke.jpg

নভেম্বরের মধ্যেই মালহামা/ আরমাগেডন/ ৩য় বিশ্বযুদ্ধ
মহানবীর (সাঃ) ভবিষ্য‍ৎবাণীকৃত মালহামা (মহাযুদ্ধ) এখন নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছে । অথচ আমরা কোরআন না পড়িবার কারণে হালুয়া রুটি খাইতেছি আর নাক ডাকিয়া ঘুমাইতেছি । কোরআন পড়া কোন জরুরি কাজ নয় । ছেলেকে অক্সফোর্ডে পাঠাইয়াছি কমপিউটার সাইন্স পড়িবার জন্য । সেটা বেশী জরুরি । এই হইল এখন মোহাম্মদ (সাঃ)-এর উম্মাতের অবস্থা । মালহামাকে (মহাযুদ্ধ) তাহারা বলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ । কিন্তু ইহা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো হইবে না । ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধ, হাজার হাজার এটম বোমা ইহাতে বিস্ফারিত হইবে । ইহার তুলনায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে মনে হইবে চিনাবাদামের মতো । সেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এখন নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছি । খুব সম্ভবতঃ নভেম্বরের ৪ তারিখের পূর্বেই তাহা শুরু হইবে । কারণ ট্রাম্প তাহাদের (যায়োনিষ্টদের) জন্য হুমকি হইয়া দাঁড়াইতে পারে । যখনই পাকিস্তানে কোন শক্ত মেরুদন্ডের শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছে তাহারা (যায়োনিষ্টরা) তাহাকে হত্যা করিয়াছে । যখনই আমেরিকায় কোন যোগ্যতাসম্পন্ন শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছে তাহারা (যায়োনিষ্টরা) তাহাকে হত্যা করিয়াছে । এজন্য তাহারা কেনেডীকে হত্যা করিয়াছে (তাহাদের নির্দেশ মতো চলিতে অস্বীকার করিবার কারণে) । ব্রিটিশ জনগণ এখন আর ব্রিটেনের সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে না । আমেরিকার জনগণও এখন আর আমেরিকান সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে না । কাজেই ট্রাম্প যদিও মাঝে মাঝে বোকার মতো কথা বলে কিন্তু সে প্রমাণ করিয়াছে যে তাহার স্বাধীনভাবে চিন্তা করিবার শক্তি আছে । সে কাহারো ইশারায় চলে না । ডোনাল্ড ট্রাম্প বলিয়াছেন যে, আমি একজন ব্যবসায়ী । রাশিয়ার সাথে আমরা অযথা শত্রুতা করিব আর এই সুযোগে রাশিয়ার সাথে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য একচেটিয়া চীন দখল করিয়া নিবে তাহা হইতে পারে না । কাজেই তাহারা (যায়োনিষ্টরা) যাহা করিবার নভেম্বরের ৪ তারিখের পূর্বেই করিয়া ফেলিবে । কেননা সেদিন আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন । আল্লাহকে ধন্যবাদ যে রাশিয়া তাহাদের ভয়ে ভীত নহে । আল্লাহকে ধন্যবাদ যে চীন তাহাদের ভয়ে ভীত নহে । আল্লাহকে হাজার বার ধন্যবাদ যে রাশিয়া তাহাদের ভয়ে ভীত নয় । আল্লাহকে হাজার বার ধন্যবাদ যে চীন তাহাদের ভয়ে ভীত নয় । মুসলমান হওয়ার একটি সুবিধা এই যে, মুসলমান কখনও মরিতে ভয় পায় না । মুসলমানরা কোটি কোটিতে মরিতে রাজী, তারপরও আমরা চাই জালেমরা যেন ধুলায় মিশিয়া যায় । পৃথিবীতে যেনো পুণরায় সত্য এবং ন্যায় প্রতিষ্টিত হয় । মালহামা নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছে অথচ আলেম-ওলামাদের মুখে কিছুই শোনা যায় না । আমরা এখনও হালুয়া রুটি খাইতেছি আর নাক ডাকিয়া ঘুমাইতেছি । এই হইল মোহাম্মাদ (সাঃ)-এর উম্মাতের অবস্থা ! তাহারা চিনাবাদাম নিয়া মরনপণ জিহাদ করিতেছে ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

তিন মাসের খাবার পানি সংগ্রহ করিয়া রাখুন
রাসুলাল্লাহ (সাঃ) আমাদেরকে জানাইয়াছেন যে, একটি ভয়ঙ্কর মহাযুদ্ধ সংঘটিত হইবে যাহাতে যুদ্ধরত সৈন্যদের শতকরা ৯৯ জন নিহত হইবে । প্রচলিত গতানুগতিক যুদ্ধে কখনও শতকরা ৯৯ জন নিহত হয় নাই, ইতিহাসে এমন কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয় নাই । সুতরাং যেই যুদ্ধটি আসিতেছে তাহা এমন যুদ্ধ হইবে যাহার সাথে মানবজাতি কখনও পরিচিত নয় । আমরা বলি ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধ অর্থাৎ ইহাতে ব্যাপক গণবিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করা হইবে । একমাত্র এই ধরনের যুদ্ধেই দুই পক্ষের শতকরা ৯৯ ভাগ লোকের মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে । যাহারা আমার এই ইন্টারভিউ শুনিতেছেন তাহারা সাবধান থাকিবেন, তাহাদেরকে সচেতন করা আমাদের কর্তব্য । এমন একটি যুদ্ধে সাধারণত খাবার, পানি এবং জ্বালানির সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংস হইয়া যাইবে । বড় বড় শহরগুলোতে যাহারা বসবাস করেন তাহারা যুদ্ধের পরে দেখিতে পাইবেন অরাজকতা, লুটপাট, ডাকাতি, খুনাখুনি । ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধে বাঁচিয়া যাওয়া মানুষদের জীবন বাঁচানোর চেষ্টার কারণে । সুতরাং আপনাদেরকে বড় বড় শহরগুলো ত্যাগ করিয়া গ্রাম অঞ্চলে চলিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকিতে হইবে । দ্বিতীয় কথা হইল আমাদের নিজের এবং স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার, পানি এবং জ্বালানি যেমন মোমবাতি সংগ্রহ করিয়া রাখা উচিত । আমার মতে অন্তত তিন মাস জীবন ধারণের মতো মওজুত থাকা উচিত । আমি কয়েক দিন আগে মার্কেটে গিয়া খাবার কেনাকাটা শুরু করিয়াছি বিশেষত কৌটাজাত খাবার । পানির ব্যাপারে আমাদেরকে পার্থক্য নির্ণয় করিতে হইবে, কোনটা পান করিবার জন্য এবং কোনটা রান্নাবান্না আর শৌচক্রিয়ার পানি । পান করিবার পানি সাধারণত প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে বরং কাচেঁর বোতলে সংরক্ষন করা উচিত । আমরা জানি না পারমাণবিক যুদ্ধ সংঘটিত হইলে পারমাণবিক রেডিয়েশানে প্লাষ্টিকের বোতলের কি অবস্থা হয় । তবে কাঁচের বোতল রক্ষা পাইবে বলিয়া আমরা আশা করিতে পারি । বড় বড় বোতলে পানি সংরক্ষণের চাইতে ছোট ছোট বোতলে পানি মওজুত করা উচিত । কেননা একটি বড় বোতল ভাঙিয়া গেলে আপনি দশ বিশ লিটার পানি হারাইয়া ফেলিবেন । পানির বোতলগুলি এমন জায়গায় সংরক্ষন করা উচিত যাহাতে বিল্ডিং ভাঙিয়া পড়িলেও বোতলগুলি অক্ষত থাকে । আমাদের আরো গুদামজাত করা উচিত খাবার, পানি, জ্বালানী আমার মতে অন্তত তিন মাসের প্রয়োজন পূরণ করিবার মতো পারমাণবিক যুদ্ধ সংঘঠিত হওয়ার সময় । আমি ভাবিতেছিলাম সম্ভবতঃ আগামী এক বছর বা কিছুটা কম বেশী সময়ের মধ্যে যুদ্ধটি সংঘটিত হইতে পারে । কিন্তু আমি সতর্ক করিতে চাই যে যুদ্ধটি তাহার চাইতেও কম সময়ে সংঘটিত হইতে পারে । আমরা যখন কোন ভবিষ্যতবাণী করি তখন সব সময়ই আশা করি তাহা সত্য না হউক । তাহা মিথ্যা প্রমাণিত হইলে আমরা বরং খুশী হইব । কিন্তু যাহারা আমাদের কথা শোনেন এবং আমাদের মতামতকে শ্রদ্ধা করেন তাহাদেরকে বলিতেছি যে যুদ্ধটি এক বছর অতিক্রমের পূর্বেই সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে । পারমাণবিক যুদ্ধের পরে কি ঘটিবে তাহাও গুরুত্বপূর্ণ । ইহা কেবল পারমাণবিক যুদ্ধ থেকে আত্মরক্ষার বিষয় নয়, ইহা বরং পারমাণবিক যুদ্ধের পরবর্তী প্রধান ঘটনাটিও গুরুত্বপূর্ণ । মরিস, আপনার ইন্টারভিউর মাধ্যমে আমি মানুষকে সাবধান করিতে পারিতেছি যাহা অন্যথায় মানুষ জানিতে পারিত না । ইসলামী আখেরী জামানা বিদ্যা আমাদেরকে জানাইয়াছে যে মহাযুদ্ধের পরে কন্সট্যান্টিনোপোল বিজিত হইবে । ইহা ঠিক যে খ্রীষ্টানদের আখেরী জামানা বিদ্যাতেও মহাযুদ্ধের পরে কন্সট্যান্টিনোপোল বিজয়ের কথা আছে, কিন্তু ততটা নিশ্চিতভাবে নয় যতটা ইসলামী আখেরী জামানা বিদ্যাতে আছে । কন্সট্যান্টিনোপোল বিজয়ের সময় সেখানে অবশ্যই গৃহযুদ্ধ চলিতে থাকিবে । কারণ তুরষ্কে গৃহযুদ্ধ ছাড়া কখনও কন্সট্যান্টিনোপোল জয় করা সম্ভব নয় । কাজেই আমাদের বিশেষত রাশিয়ার নীতি এমন ভাবে পরিবর্তন করিতে হইবে যাহাতে আপনারা তুরষ্কের সংখ্যাগরিষ্ট জনগণের মতামতকে উত্তেজিত করা যাইবে না । সংখ্যাগরিষ্ট তুর্কী জনগণের মনোভাব যায়োনিষ্ট ন্যাটো বিরোধী । এই ব্যাপারে আমি রাশিয়ান সরকারকে সতর্ক করিয়াছি । আমি জানি না কখন দেখিতে পাইব রাশিয়ান সরকারের এমন নীতি গ্রহনের উদ্যোগ যে, তুরষ্কের সমস্ত মানুষের মনোভাবকে বিরুপভাবাপন্ন করা হইবে না । কেননা সেক্ষেত্রে তুর্কী জাতীয়তাবাদ মাথাচাড়া দিয়া উঠিবে এবং জাতীয়তাবাদীরা নেতৃত্বে চলিয়া আসিতে পারে । তুরষ্ক কর্তৃক রাশিয়ার জঙ্গী বিমান গুলি করিয়া ভূপাতিত করিবার প্রেক্ষাপটে বর্তমানে কন্সট্যান্টিনোপল বিজয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বলভাবে দৃষ্টিগোচর হইতেছে । মরিস ঃ শায়খ ইমরান, রাশিয়ান সরকারের মনোভাব আপনার আকাঙ্খার সাথে সাদৃশ্যশীল মনে হইতেছে । সম্প্রতি তাহারা জানাইয়াছে যে, তাহারা তুরষ্কের জনগণকে নিজেদের শত্রু মনে করে না ।
মূল – মাওলানা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
Sheikh Imran Hosein Expects The Nuclear War In 1 Year লেকচারের অনুবাদ
অচেতন মানবজাতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে
আল্লাহর নবী (সাঃ) বলেছেন, “যখন জেরুজালেমের উত্থান হবে এবং মদীনার পতন হবে, তখন আসবে মহাযুদ্ধ । ইহা হবে এমন যুদ্ধ যাতে শতকরা ৯৯ জন মৃত্যুবরণ করবে” । মহানবী (সাঃ) জেরুজালেমের উত্থান বলিতে ইসরাঈলের উত্থান অর্থাৎ ইহুদীদের উত্থানকে বুঝিয়েছেন এবং মদীনার পতন বলিতে মুসলমানদের পতনকে বুঝিয়েছেন । বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীর রাজনীতি, অর্থনীতি এমনকি ধর্মীয় বিষয়াদি ইহুদীরা নিয়ন্ত্রণ করে । অন্যদিকে এখনকার দুনিয়ার রাজনীতি, অর্থনীতি, ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক কোন ব্যাপারেই মুসলমানদের কোন কর্তৃত্ব নাই । সুতরাং রাসুলূল্লাহ (সাঃ) এর ভবিষ্যতবাণীকৃত সেই ভয়ঙ্কর যুদ্ধ এখন যে-কোন মুহূর্তেই শুরু হয়ে যাবে । আর তা হবে পারমাণবিক যুদ্ধ । কেননা এটম বোমা ছাড়া প্রচলিত অন্য কোন অস্ত্রের আঘাতে শতকরা ৯৯ জন মানুষের মৃত্যু হয় না । সেই যুদ্ধে পৃথিবীতে বিদ্যমান একটি এটম বোমাও অবশিষ্ট থাকবে না, সবগুলো ফাটানো হবে । ফলে পৃথিবীর বিরাট একটি অংশ মানুষের বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে যাবে (সম্ভবত উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপ) । সম্প্রতি আল্লাহ আমাকে স্বপ্নেযোগে যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাতে মনে হয় আমাদের হাতে আর মাত্র এক বছর সময় আছে । দ্রুত সমাগত এই ভয়ংকর বিপদের খবর নেওয়ার সময় নাই মানবজাতির । তারা এখন ম্যাকডোনালসে বসে ক্যান্টাকি ফ্রাই খাওয়া নিয়ে মহাব্যস্ত । তারপরও আলেমদের কাজ মানুষকে সাবধান করা সেটা করে যাচ্ছি ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

যে-কোন দিন শুরু হইবে ৩য় বিশ্বযুদ্ধ / মালহামা/ আরমাগেডন
ইতিপূর্বে আমি মনে করিতাম মহানবী (সাঃ)-এর ঘোষিত মালহামা (মহাযুদ্ধ / আরমাগেডন / তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ) সংঘঠিত হইতে এখনও পাঁচ / দশ বছর বাকী আছে । কিন্তু সম্প্রতি ইরান সফরের সময় আমি দুইটি স্বপ্ন দেখিয়াছি (সেপ্টেম্বর / ২০১৪), একটার পর আরেকটা, যাহাতে আমি দেখিয়াছি পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হইয়া গিয়াছে এবং আকাশের দিকে পারমানবিক ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করা হইয়াছে । একই ঘটনা ঘটিয়াছিল নাইন ইলাভেনের পূর্বে যখন আমি নিউ ইয়র্কের লঙ আইল্যান্ডে বসবাস করিতাম । আমি স্বপ্নে দেখিয়াছিলাম নাইন ইলেভেন সংঘঠিত হইয়াছে, ম্যানহাটনের উচুঁ বিল্ডিংয়ে আগুন দেওয়া হইয়াছে এবং সেখান থেকে একটার পর একটা বিল্ডিংয়ে আগুন ছড়াইতে ছড়াইতে সারা পৃথিবীতে আগুনের শিখা ছড়াইয়া পড়িয়াছে । লং আইল্যান্ডের দার আল কোরআন মসজিদের জু’মুআর খোতবায় আমি আমার স্বপ্নের বিষয়টি উল্লেখ করিয়াছিলাম । আমার এই স্বপ্ন দেখিবার দুই বছর পরে নাইন ইলাভেন সংঘঠিত হয় । এই স্বপ্নটি দেখিবার সাথে সাথেই আমার সেই নাইন ইলাভেনের স্বপ্নের কথা মনে পড়িল । মহানবী (সাঃ) বলিয়াছেন যে, আখেরী জমানায় ঈমানদারদের স্বপ্ন কদাচিৎ মিথ্যা প্রমাণিত হইবে । কাজেই নাইন এলেভেনের স্বপ্নের ইশারা অনুযায়ী বলা যায় যে, আমাদের হাতে মাত্র অল্প সময় বাকী আছে, গত সেপ্টেম্বর হইতে হিসাব করিয়া দুই বছর, যখন মহাযুদ্ধ শুরু হইবে, যাহাতে বড় বড় শহরগুলির অধিকাংশ মানুষ নিহত হইবে (বিশেষত উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ মহাদেশের) । পক্ষান্তরে যেসব শহরের মানুষ এটম বোমার আঘাত হইতে বাঁচিয়া যাইবে, তাহারাও অরাজকতা, গৃহযুদ্ধ, মহামারী এবং অনাহারে কুকুর-বিড়ালের মতো ঝাঁকে ঝাঁকে মৃত্যুবরণ করিবে । মালহামার পরে বড় বড় শহরগুলিতে জাহান্নামের সকল দরজা খুলিয়া দেওয়া হইবে । কেননা এসব মেগাসিটিতে কোটি কোটি মানুষ বসবাস করে অথচ এদের খাবার-পানি আসে গ্রাম থেকে । যুদ্ধের পরে যেহেতু খাবার-পানি সরবরাহ ব্যবস্থা অচল হইয়া পড়িবে, তখন শহরবাসীগণ জীবন বাঁচাতে ছিনতাই-ডাকাতি-লুটতরাজ শুরু করিবে । তাহারা সভ্যতা-ভদ্রতা কিংবা জাহান্নামের শাস্তির কথা বেমালুম ভুলিয়া যাইবে । কুকুর কুকুরকে খায় বলিয়া একটি কথা প্রচলিত আছে, তখনকার মেগাসিটিতে বসবাসকারীদের অবস্থা হইবে অনেকটা এই রকম । শহরবাসীদের কেউ যদি জানিতে পারে যে, আপনার গৃহে একটু খাবার বা পানি আছে, তবে হাজার হাজার লোক ঝাপাইয়া পড়িবে এবং দরজা ভাঙিয়া তাহা ছিনাইয়া নিবে । এই ব্যাপারে আপনারা পবিত্র কোরআনের সুরা ইসরার এই আয়াতটি পাঠ করিয়া দেখিতে পারেন, “এমন কোন শহর নগর নাই, যাহাকে আমরা (অবাধ্যতার কারণে) কেয়ামত দিবসের পূর্বে ধ্বংস করিব না অথবা যাহাকে কঠোর শাস্তি দিব না। ইহা তো কিতাবে লিপিবদ্ধ হইয়া গিয়াছে (১৭:৫৮)” । খ্রীষ্টান ধর্মজাযকগণ বলেন (আকাশে ছড়ানো ব্যাঙের ছাতার মতো এটম বোমার ধোয়ার কারণে পৃথিবীতে সূর্যের আলো আসিতে না পারিবার কারণে) পৃথিবী অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকিবে তিন দিন । পক্ষান্তরে মহানবী (সাঃ) বলিয়াছেন, চল্লিশ দিন (মানে অনেক দিন) পৃথিবী অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকিবে । এই সময় পৃথিবীর তাপমাত্রা নামিয়া যাইবে হিমাঙ্কের নীচে এবং শীতে মারা যাইবে কোটি কোটি মানুষ । বিশ্বনবী (সাঃ) বলিয়াছেন, “এক বছর বৃষ্টিপাত এক-তৃতীয়াংশ কম হইবে, ফলে খাদ্য-শস্য এক-তৃতীয়াংশ কম উৎপাদিত হইবে । দ্বিতীয় বছর বৃষ্টিপাত দুই-তৃতীয়াংশ কম হইবে, ফলে খাদ্য-শস্য দুই-তৃতীয়াংশ কম উৎপন্ন হইবে । তৃতীয় বৎসর কোন বৃষ্টিপাত হইবে না, ফলে সেই বছর কোন ফসল উৎপাদিত হইবে না ।” আমি মনে করি, এই ঘটনা ঘটিবে মালহামার (মহাযুদ্ধ, ৩য় বিশ্বযুদ্ধ) পরে । পারমানবিক রেডিয়েশান থেকে পৃথিবীর জলবায়ুর মারাত্মক সর্বনাশ হওয়ার কারণে এই অবস্থা হইবে । আমি আমার স্বপ্নের কথা সাধারণত প্রকাশ করি না কিন্তু এই স্বপ্নটি আপনাদের কল্যাণে আসিবে ধারনা করিয়া প্রকাশ করিলাম । ইহার ফলে আমি যেমন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মহাদুর্যোগ মোকাবেলার ব্যাপারে নিজেকে প্রস্তুত করিতে যথেষ্ট সময় পাইতেছি, আপনারাও তাহা করিবার সুযোগ পাবেন । নবী করীম (সাঃ)-এর ভবিষ্যৎবাণীকৃত মালহামা (মহাযুদ্ধ) এমন ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হইবে যে, তাহার তুলনায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে মনে হবে চীনাবাদামের মতো । শেষ নবীর (সাঃ) আরেকটি ভবিষ্যতবাণী হইল, মালহামার পরে একটি পাখিও যদি আকাশে উড়ে তাহা ভূপাতিত হইবে । ইহাতে আমরা ধরিয়া নিতে পারি যে, মালহামার (তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের) পরে পৃথিবীতে মিসাইল, জঙ্গী বিমান, সেটেলাইট ইত্যাদি উড়ন্ত কিছুর অস্তিত্ব থাকিবে না । তারপর থেকে যুদ্ধ হইবে স্থলপথে এবং জলপথে ঘোড়া এবং নৌকা দিয়ে । আজ থেকে দশ বিশ বছর পরে যখন মালহামা (মহাযুদ্ধ) শেষ হইবে, পৃথিবীর এখনকার মানুষদের মাত্র ক্ষুদ্র একটি ভগ্নাংশ তখন বাঁচিয়া থাকিবে । আমার মনে হয় এখন পৃথিবীর জনসংখ্যা যদি আটশ কোটি হয়, মালহামার পরে পৃথিবীর জনসংখ্যা হইবে পঞ্চাশ কোটি । আপনি যদি মুসলিম হন অথবা মুসলমানদের বন্ধু হন (যেমন খ্রীষ্টানরা), তবে যত দ্রুত সম্ভব শহর থেকে দূরবর্তী কোন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে চলিয়া যান, যেখানে আপনার স্ত্রী এবং সন্তানদের জন্য খাবার-পানির ব্যবস্থা আছে । অন্যথায় আপনার স্ত্রী এবং সন্তানদের অকাল মৃত্যুর জন্য আপনি দায়ী থাকিবেন ।
মূল – শায়খ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
Imran Hosein predicts nuclear WW3_ Armageddon_ Al Malhama in 2 years লেকচারের অনুবাদ
আর কতো ঘুমাবেন এবার জেগে ওঠুন
ইরানের ওপর ইজরাঈলী হামলা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র । আর এই ঘটনা হইতে পারমাণবিক যুদ্ধের (তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের) সূচনা হইবে । আর পারমাণবিক যুদ্ধের পরে (অর্থাৎ হাজার হাজার এটম বোমা নিক্ষিপ্ত হওয়ার পরে) আপনারা যেই পৃথিবীকে দেখিবেন, তাহা হইবে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পৃথিবী । বিদ্যুৎ নাই, মোবাইল নাই, ইন্টারনেট নাই, বৃষ্টি নাই, খাবার নাই (এবং চাকরি নাই) ।
মূল – শায়েখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – ডাঃ বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হইবে সিরিয়াতে
বিশ্বনবী (সাঃ) আজ থেকে চৌদ্দশত বছর পূর্বে ভবিষ্যতবাণী করিয়া গিয়াছেন যে, মালহামা (মহাযুদ্ধ অর্থাৎ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ) অনুষ্টিত হইবে সিরিয়ার আমুক শহরে (কেউ কেউ মনে করেন আমুক বলিতে মহানবী (সাঃ) আলেপ্পো শহরকে বুঝাইয়াছেন) । বর্তমানে আমেরিকান জোট এবং রাশিয়ান জোট তাহাদের অস্ত্রশস্ত্র এবং সৈন্যসামন্ত সিরিয়া এবং তাহার আশেপাশের দেশগুলোতে আনিয়া মওজুত করিতেছে । নবী করীম (সাঃ) আরো ভবিষ্যতবাণী করিয়াছেন যে, এই যুদ্ধে উভয়পক্ষের শতকরা ৯৯ জন নিহত হইবে । কাজেই ইহাতে বুঝা যায় যে, সেই যুদ্ধটি হইবে পারমাণবিক যুদ্ধ অর্থাৎ ইহাতে অগণিত এটম বোমা নিক্ষিপ্ত হইবে । কেননা সাধারণ যুদ্ধে এতো বেশী মানুষ কখনও নিহত হয় না । নবীজি (সাঃ) কেবল বিশ্বযুদ্ধের কথাই বলেন নাই, ইহার কারণ সম্পর্কেও ভবিষ্যতবাণী করিয়া গিয়াছেন । তিনি বলিয়াছেন যে, ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর তলদেশ থেকে একটি সোনার খনি বাহির হইবে এবং লোকেরা তাহার দখল নিয়া যুদ্ধে লিপ্ত হইবে । কাজেই আমরা মনে করি মহানবী (সাঃ) সোনার খনি বলিতে তেলের খনিকে বুঝাইয়াছেন অর্থাৎ তেলভিত্তিক অর্থাৎ পেট্টোডলার ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা । আমেরিকান জোট চাহিতেছে তাহাদের প্রতিষ্টিত পেট্টোডলার ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা টিকাইয়া রাখিতে । অন্যদিকে রাশিয়ান জোট চাহিতেছে পেট্টোডলার ভিত্তিক বৈষম্যমূলক অর্থব্যবস্থাকে ধ্বংস করিতে । এজন্য রাশিয়া-চীন-ভারত-ব্রাজিল-দক্ষিন আফ্রিকা মিলিয়া তৈরী করিয়াছে নতুন ব্যাংক ব্রিকস (BRICS) । সুতরাং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মূল কারণ ইউক্রেন বা সিরিয়া ইস্যু নয় বরং ইহার মূল কারণ হইল ব্রিকস (অর্থাৎ পেট্টোডলার ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা টিকাইয়া রাখা বা সহজ কথায় তেলের খনি ) ।

মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

Author: bashirmahmudellias

I am an Author, Design specialist, Islamic researcher, Homeopathic consultant.

One thought on “শীঘ্রই দুইজন ভুয়া ইমাম মাহদী আত ্মপ্রকাশ করিবে আল্লামা ইমরান ন যর হোসেন

  1. DEAR DIVINE DR. BASIR MAHMMUD ,

    PLEASE YOU SEND ABOUT HIATUS HERNIA .

    DR. RAHMAN

    2016-10-24 13:59 GMT+05:30 Dr. Bashir Mahmud Ellias’s Blog :

    > bashirmahmudellias posted: “যে-কোন দিন শুরু হয়ে যাবে মালহাম/আরমাগেডন/তৃতীয়
    > বিশ্বযুদ্ধ সবার প্রতি আসসালামু আলাইকুম, সম্ভবত এখন থেকে যে কোন দিনের মধ্যে
    > মালহামা (মহাযুদ্ধ) শুরু হতে পারে। যদি তাই হয়, তবে আমরা ধারণা করছি যে,
    > ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ হয়ে যাবে আর আমরা আমাদের পরষ্পরের সাথে যো”
    >

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s