Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself

Kidney

কিডনী  রোগের  প্রকৃত  কারণ  এবং  চিকিৎসা 

Kidney  diseases – their  real  cause  and  cure

        সমপ্রতি বাংলাদেশে কিডনী নষ্ট হওয়াসহ অন্যান্য মারাত্মক কিডনী রোগ বৃদ্ধির যে পিলে চমকানো খবর বেরিয়েছে, তাতে যে-কোন সচেতন ব্যক্তিমাত্র মর্মাহত হবেনরিপোর্টে বলা হয়েছে যে, এসব প্রাণনাশী কিডনী রোগের সংখ্যা কল্পনাতীত হারে বৃদ্ধির মুল কারণ হলো ভেজাল খাবার (Contaminated  food), ডায়াবেটিস (Diabetes mellitus) এবং উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension)এই তিনটি কারণকে এলোপ্যাথিক কিডনী বিশেষজ্ঞরা প্রকৃত কারণ বললেও আসলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে  বরং  বেশী বেশী এলোপ্যাথিক ঔষধ খাওয়াকেই কিডনী নষ্ট হওয়ার  মূল কারণ বলতে হবে।  কেননা  আমরা অনেকেই জানি না  যে,  আমরা যতো ঔষধ খাই তার অধিকাংশই রক্তে প্রবেশ করে তাদের কাজ-কর্ম পরিচালনা করে থাকেপরবর্তীতে তাদেরকে রক্ত থেকে সংগ্রহ করে ছেকে ছেকে শরীর থেকে বের করার দ্বায়িত্ব পালন করতে হয় এই কিডনী দুটিকেফলে আমরা যতো বেশী ঔষধ খাই, আমাদের কিডনীকে তত বেশী পরিশ্রম করতে হয় এবং ফলস্রুতিতে কিডনী দুটি তত বেশী দুর্বল-ক্লান্ত-শ্রান্ত-অসুস্থ হয়ে পড়েতাছাড়া বেশী বেশী ঔষধ খেলে তাদেরকে শরীর থেকে বের করে দেওয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হয় 

        কিন্তু আমাদের অনেকেই বেশী বেশী পানি খাওয়ার বিষয়টি মেনে চলি নাকিডনী ড্যামেজ হওয়ার মূল কারণ হিসেবে যে রোগকে বিবেচনা করা হয় তার নাম নেফ্রাইটিস (Nephritis/ Bright’s disease) এবং নেফ্রাইটিস হওয়ার মুল কারণও এই ঔষধকিডনী যদিও নিয়মিত আমাদের খাওয়া সকল ঔষধসমুহ নিষ্কাশন করে কিন্তু তার মাঝেও ঔষধের দুয়েকটা কণা কিডনীর অজান্তেই কিডনীর গায়ে লেগে থাকেপরবর্তীতে সেই কণাটির ওপর নানারকমের জীবাণু, ক্যামিকেল, মৃতকোষ ইত্যাদি জমতে জমতে সেটির গঠন বদলে যায়ফলে কিডনী আর সেই কণাটিকে চিনতে পারে নাএক সময় কণাটি নিজে কিডনীর একটি অংশ হওয়ার চেষ্টা করেকিন্তু কিডনী সেই কণাটিকে গ্রহন করতে রাজী হয় নাশেষ পরযন্ত কিডনীর ভিতরে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় যাকে ডাক্তারী ভাষায় বলে অটোইমিউন রিয়েকশান (Auto  immune  reaction)।  এভাবে  কিডনীর  এক  অংশ  অন্য  অংশকে  চিনতে  না  পেরে  শত্রু  হিসেবে  গণ্য  করে  এবং  তাকে  ধ্বংস  করার  জন্য  উঠেপড়ে  লেগে  যায়।  ফলে  কিডনী  নিজেই  নিজের  ধ্বংস  ডেকে  আনে  এবং  আমরা  কবরের  বাসিন্দা  হয়ে যাইসাথে সাথে আমাদের  সনতান-সনততিদের করে যাই পথের ভিখারী।  কেননা  এলোপ্যাথিক  চিকিৎসায়  কিডনী  রোগের  যে  চিকিৎসা  খরচতাতে  যে-কোন  কিডনী  রোগীর  পরিবারকে  পথে  নামতে  ছয়  মাসের  বেশী  লাগে  না।  কাজেই বলা যায় যে, উচ্চরক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস আমাদের কিডনীর যতটা ক্ষতি না করে, তারচেয়ে অনেক বেশী ক্ষতি করে এসব রোগ চিকিৎসার নামে যুগের পর যুগ খাওয়া মারাত্মক ক্ষতিকর এলোপ্যাথিক কেমিক্যাল ঔষধগুলি

বিশেষ করে যে-সব  এলোপ্যাথিক  ঔষধ মানুষ বেশী বেশী খায়  (যেমন-এন্টিবায়োটিক, ব্যথার ঔষধ, বাতের  ঔষধ, ঘুমের ঔষধ, ব্লাড প্রেসারের ঔষধ, মানসিক রোগের ঔষধ ইত্যাদি), এগুলো কিডনীর এতই ক্ষতি করে যে, এদেরকে কিডনীর যম বলাই উচিতএকটি বাস-ব সত্য কথা হলো, প্রচলিত অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ কখনও সারে না ; বলা হয় এগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকেআসল কথা হলো, কোন ঔষধ যখন বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ খাওয়া হয়, তখন সেই ঔষধ আর রোগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না বরং রোগই সেই ঔষধকে নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেফলে এসব কুচিকিৎসায় ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ তো সারেই না বরং দিন দিন আরো নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়মাঝখানে মারাত্মক মারাত্মক ঔষধের ধাক্কায় কিডনীর বারোটা বেজে যায়অথচ একজন বিশেষজ্ঞ হোমিও ডাক্তারের অধীনে চিকিৎসা নিলে ডায়াবেটিস, উচ রক্তচাপ এবং নেফ্রাইটিস দুয়েক বছরের মধ্যেই কেবল নিয়নত্রণ (control) নয় বরং একেবারে নির্মুল (cure) হয়ে যায়এমনকি যদি এসব রোগ নিরাময়ের জন্য যুগের পর যুগও হোমিও ঔষধ খেতে হয়, তথাপি হোমিও চিকিৎসা করা বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক হবেকেননা হোমিও ঔষধে যেহেতু ঔষধের পরিমাণ থাকে খুবই কম, সেহেতু এগুলো কয়েক যুগ খেলেও কিডনীতে জমে কিডনী নষ্ট হওয়ার সম্ভাবণা নাইহ্যাঁ, অন্যান্য রোগের মতো কিডনী রোগের চিকিৎসাতেও হোমিও ঔষধ শ্রেষ্টত্বের দাবীদারকারণ প্রচলিত অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে কিডনী রোগের কষ্টগুলো নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও কিডনী রোগের পেছনের মূল কারণসমূহ (Link) দূর করা যায় নাএকমাত্র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমেই কেবল কিডনী রোগের পেছনের মূল কারণসমূহ দূর করা সম্ভব হয় এবং এভাবে একই রোগ কয়েক বছর পরপর ঘুরে ফিরে বার বার ফিরে আসা ঠেকানো যায়

 

        কিডনী নষ্ট হওয়ার কারণে যারা ডায়ালাইসিস (haemodialysis) করে বেঁচে আছেন, তারাও ডায়ালাইসিসের পাশাপাশি হোমিও চিকিৎসা গ্রহন করে তাদের বিকল কিডনীকে ধীরে ধীরে সচল করে তুলতে পারেনহ্যাঁহোমিওপ্যাথিতে বংশগত রোগ প্রবনতার (Chronic  miasm) ইতিহাস এবং শারীরিক-মানসিক গঠনগত (Constitutional  traits) বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ঔষধ প্রয়োগ করলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবসা (immune  system) উজ্জীবিত হয় এবং ফলস্রুতিতে দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে নষ্ট কিডনী আবার ভালোভাবে কাজ করতে শুরু করেকিছু কিছু ক্ষেত্রে কিডনী পুরোপুরি ভালো না হলেও যথেষ্ট উন্নতি হওয়ার ফলে ডায়ালাইসিসের সংখ্যা কমানো যায়যেমন- দেখা যায় যেই রোগীর প্রতি সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করতে হতো, তার হয়ত এখন পনের দিনে বা মাসে একবার ডায়ালাইসিস করলেই চলেআর কিডনী পুরোপুরি ভালো হয়ে গেলে ডায়ালাইসিস পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া যায়অথচ প্রচলিত অন্যান্য চিকিৎসায় একবার ডায়ালাইসিস শুরু করলে কিডনী না পাল্টানো (kidney  transplantation) পর্যনত আর সেটি বন্ধ করা যায় নাবরং যত দিন যায় ডায়ালাইসিস তত বেশী ঘন ঘন করতে হয়আমাদেরকে বুঝতে হবে যে, ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে নষ্ট কিডনী (CRF) কখনও ভালো করা যায় না বরং ইহার মাধ্যমে কেবল কিডনীর কাজ বিকল্প উপায়ে সমপন্ন করে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা হয়হ্যাঁ, একথা সত্য যে, শতকরা নব্বইভাগ রোগ বিনা চিকিৎসাতেই ভালো হয়ে যায় (আমাদের শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বদৌলতে)এতে সময় বেশী লাগে কিন্তু উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহন করলে অনেক কম সময়ে রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়সেহেতু অনেকের সাময়িকভাবে নষ্ট কিডনীও বিনা চিকিৎসায় ভালো হয়ে যেতে পারে

       

        সাধারণত কিডনী রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রোগের ভয়াবহতার মাত্রা এবং রোগের পেছনের অনর্তনিহিত কারণ অনুযায়ী দুই থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে শেষ করা যায়কিন্তু প্রচলিত অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে কিডনী রোগের চিকিৎসা প্রায় সারাজীবনই চালিয়ে যেতে হয়নষ্ট কিডনী প্রচলিত অন্যান্য চিকিৎসায় কখনও ভালো হয় নাকারণ তাদের টার্গেট হলো কিডনীকে ভালো করা নয় বরং কৃত্রিম উপায়ে কিডনীর কাজ অন্যভাবে চালিয়ে নেওয়া (যেমন- ডায়ালাইসিস করা এবং কিডনী পাল্টানো)হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের মায়াজমেটিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে এতে অনেক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটতে দেখা যায়, যা অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে অকল্পনীয়যেমন- হোমিও চিকিৎসায় কিডনীর ধ্বংস হওয়া কোষন্তুর (tissue) জায়গায় ভালো টিস্যু গজাতে দেখা যায়সাধারণত কিডনী পাল্টানোর পরে অনেক ক্ষেত্রে কিডনী গ্রহীতার শরীর এই নতুন কিডনীকে গ্রহন করতে চায় না (immune  reaction), নতুন কিডনীকে সে প্রত্যাখান করে (rejection  of  new  kidney)নতুন কিডনীকে প্রত্যাখ্যানের এই হার বেশ উচ্চরক্ত সমপর্কের আত্মীয় ছাড়া অন্যদের কিডনী গ্রহন করলে এসব বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে থাকেপ্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে নতুন কিডনীর বিরুদ্ধে শরীরের এই বিদ্রোহকে সামাল দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করতে হয় ; অথচ এসব ক্ষেত্রে অপারেশনের পূর্ব থেকেই (অথবা অপারেশনের পরেও) যদি হোমিও চিকিৎসা অবলম্বন করা হয় তবে অন্তত একশগুণ কম খরচে বিদ্রোহ সামাল দেওয়া সম্ভব

 

        নতুন কিডনী সংযোজনের পরে অনেক সময় দেখা যায় কিডনীর সাথে সম্পর্কিত রোগের (যেমন-ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদির) মাত্রা বেড়ে গিয়ে এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, তাকে আর নিয়ন্ত্রণ করা যায় নাডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো কিডনীর সাথে সমপর্কিত রোগসমুহ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় যে কত সহজে দমন করা যায়, তা পুর্বেই বলেছিকিডনী রোগীদের পাশাপাশি যাদের কিডনী রোগ নাই কিন্তু ফ্যামিলিতে কিডনী রোগের ইতিহাস আছে, তাদের উচিত প্রতিরোধমুলক (Preventive) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়ে কিডনী নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকাকারণ একজন দক্ষ হোমিও ডাক্তার যে-কোন মানুষের সামগ্রিক ইতিহাস শুনলে অদুর অথবা দুর ভবিষ্যতে তার কি কি রোগ হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তা বুঝতে পারেন এবং সেই অনুযায়ী ঔষধ প্রয়োগ করে তাকে সে রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে পারেনযারা  জন্মের  পর  থেকেই  একজন  হোমিও  বিশেষজ্ঞ  ডাক্তারের  চিকিৎসার  অধীনে  থাকেন,  তাদের  কিডনী  নষ্ট  হওয়ার  কোনই  সম্ভাবনা  নাই।  আবার যে-সব ডায়াবেটিস রোগী একই সাথে উচ্চ রক্তচাপেও ভোগছেন, তাদের কিডনী নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচার জন্য হোমিও চিকিৎসা গ্রহন করা একেবারে ফরজযে-সব কিডনী রোগীর রোগের কারণ অজ্ঞাত বলে ডাক্তাররা মতামত দেন, তাদের জন্যও হোমিও চিকিৎসা অবলম্বন করা ফরজ

        আপনার কিডনী রোগ হালকা, মাঝারি, মারাত্মক বা চরম মারাত্মক যে পর্যায়েই থাকুক না কেন, (কিডনী একশভাগ নষ্ট হওয়ার পুবেই) যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার হোমিও চিকিৎসা অবলম্বন করা উচিতকারণ হোমিওপ্যাথিতে অনেক দেরি হয়েছে গেছেবলে কোন কথা নাইযে-সব কিডনী রোগী জরুরি ভিত্তিতে কিডনী পাল্টানোর চেষ্টা করছেন, তারাও হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে কিডনী পাল্টানোর জন্য বেশী সময় পেতে পারেনআরেকটি কথা হলো, অন্য যে-কোন পদ্ধতির চিকিৎসার পাশাপাশিও আপনি হোমিও চিকিৎসা গ্রহন করতে পারেন ; এতে কোন সমস্যা হয় নাপরিশেষে কিডনীরোগ বিশেষজ্ঞসহ সেবার মানসিকতা সমপন্ন সকল মেধাবী ডাক্তারদের প্রতি আমাদের আহ্বান, আপনারা সামান্য কষ্ট শিকার করে হোমিওপ্যাথি আয়ত্ত করে নিন এবং হোমিও ঔষধ প্রেসক্রাইব করুন যাতে কিডনী রোগীরা বহুগুণ কম খরচে, কম সময়ে এবং কম ভোগান্তির মাধ্যমে রোগমুক্ত হতে পারেন

 

 

ডাঃ  বশীর  মাহমুদ  ইলিয়াস

গ্রন্থকার,  ডিজাইন  স্পেশালিষ্ট,  ইসলাম  গবেষক,  হোমিও  কনসালটেন্ট

চেম্বার ‍ঃ  ১৩/ক – কে.  এম.  দাস  লেন (২য় তলা),

(হুমায়ুন  সাহেবের  রেলগেইটের  সামান্য  পশ্চিমে 

এবং  হায়দার  ফামের্সীর  উপরে)

টিকাটুলী,  ঢাকা।

                                                ফোন ঃ +৮৮০-০১৯১৬০৩৮৫২৭

E-mail : Bashirmahmudellias@hotmail.com

Website : http://bashirmahmudellias.blogspot.com

Website : https://bashirmahmudellias.wordpress.com

সাক্ষাতের  সময় ‍ঃ  সন্ধ্যা  ৬:০০  টা  হইতে  রাত  ৯:০০  টা

ক্যানসারের  চিকিৎসায়  ভয়ঙ্কর  বিপদ

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2009/10/cancer-and-its-perilous-treatment_31.html

মানসিক  রোগীদের  চরম  দুর্ভাগ্য

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2009/10/mental-patients-their-tradgedy.html

হৃদরোগের  সবচেয়ে  ভালো  চিকিৎসা  আছে  হোমিওপ্যাথিতে

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2010/02/cardiac-diseases-their-easy-cure.html

কিডনী  রোগের  প্রকৃত  কারণ  এবং  চিকিৎসা

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2009/10/kidney-diseases-their-real-cause-and.html

শিশুদের  টিকা  থেকে  সাবধান

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2008/10/beware-of-childhood-vaccine.html

হোমিওপ্যাথিক  ঔষধ  ছাড়া  ডায়াবেটিস  নিমূর্ল  হয়  না

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2009/09/diabetes-and-some-hard-talks.html

হেপাটাইটিস  একটি  ফালতু  রোগ

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2008/11/hepatitis-is-not-incurable-disease.html

প্যাথলজিক্যাল  টেস্ট  মারাত্মক  ক্ষতিকর

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2010/04/pathological-tests-are-seriously.html

ফ্রি  হোমিওপ্যাথিক  ই-কনসালটেশান

Free  homeopathic  e-consultation

http://bashirmahmudellias.blogspot.com/2009/11/free-homeopathic-e-consultation.html

Homeopathy is the best in Renal or Kidney failure (CKD).
A comparison in Homeopathic and allopathic treatment of Kidney Failure.

VideoTestimonials    read more about it…….

 
Allopathic treatment

1) In comparison to life long treatment in allopathy

2) Damaged Kidneys cannot be repaired in allopathy. Modern medicine try to facilitate the bodily waste products to pass out by the process of dialysis through artificial or by transplanted natural kidney and simultaneously by doing forced diuresis with the help of tab. Lasix, Dytor etc. that eventually lead to more damage to the remaining renal cells.
3) The process of dialysis could not be stopped once a patient starts on it. As the time passes this procedure has to done more frequently. Even doctors cannot imagine that it can be slow down (gap in dialysis can be increased) so they (doctors) compel their patient to come for dialysis more frequently.
4) There is no curative procedure for CRF in modern medicine. Kidney transplantation and Dialysis does not cure renal failure, but instead keeps a person alive by performing the crucial functions of the kidneys.
5) There is very high percentage of rejection of new kidney.

6) In allopathic system patient has to spend Rs.5000 to 20000/- per month exclusively on medicines. Expanses of hospital’s fee and investigations are superfluous.

7) In case of kidney transplanted patients kidney’s linked diseases like Diabetes mellitus and Hypertension may become uncontrolled instead of taking full medical care.

8) In allopathic system damage is a continuous process, it can be slow down up to a certain limit but cannot be stopped.

9) In the similar way it can not treat (correct) the cysts or tumors of kidneys.

10) Doctors and patient always remain worried about the bio-chemistry (Sodium, potassium, calcium, phosphorus, etc.) otherwise some complications may likely to occur. Even with taking care of all the measures patient starts complaining of symptoms related to electrolyte imbalance almost every day.
11) Doctors (except classical homeopaths) remain busy in managing one or the other problem.

12) Allopathic doctors know that they have very limited role in such cases so they keep on experimenting on different food supplements etc.

 

Homeopathic treatment

1) Homeopathic medicines can be stopped in 2 to 5 years depending on the severity and underlying cause of the disease.
2) Though Homeopathy does not provide any substitute (dialysis or new Kidney) for any organ (Kidney) but it can revive the damaged organ as it has been proved at many times in my treated TB Cases where I always found normal tissue in place of fibrocavitory lesions (Completely damaged tissue).

3) Patient’s kidney starts improving as soon as he starts taking homeopathic treatment. It helps the patient withdrawing from dialysis. That’s why homeopath advises his patient to increase gap in the subsequent dialysis.

4) But homeopathy stimulates someone’s immune system to perform normal functions, in this way damaged kidneys and other organ’s functions start improving.

5) If such patient starts taking homeopathic treatment that would minimize the rejection percentage.
6) Homeopathic treatment cost depends on the severity of disease and knowledge and experience of the doctor, even a costliest doctor’s treatment remains quite economical than allopathic expenses.

7) But Classical Homeopathic treatment not only repairs the damaged kidneys but simultaneously it helps in maintaining the blood sugar level and blood pressure to a normal level.

8)Very well selected Homeopathic medicine can stop the further damage of diseased organ without delay and further treatment may revive the damaged tissue.

9) It can treat the tumors as well as polycystic kidneys also.

10) Once patient’s immunity improves (you can feel it just within days) all organs’ functions will start improving simultaneously bio-chemistry also becomes normal naturally.

11) Classical Homeopaths have to take lot of time for the first prescription then things become quite easier in comparison to other doctors.

12) While we have enough evidences of more damage to the remaining nephrons by experimenting with any artificial food material or chemicals.

 

 

Chronic Renal (Kidney) Failure is a fatal disease where bodily waste products (in the form of urine) collected in the body which leads to multiorgan failure.
There are three procedures in modern medicine for such condition…
1) Symptomatic medicines with some specific medicines to control the causative disease such as Diabetes mellitus, hypertension, etc.
2) Dialysis (Haemodialysis or Peritoneal dialysis depending on the doctors decision)
3) Kidney transplantation.
These are not the curative procedure for CRF but instead they keep a person alive by performing the crucial functions of the kidneys. But homeopathy stimulates someone’s immune system to perform normal functions in this way damaged kidneys start functioning normally.
Which type of kidney patients should take Homeopathic treatment?
1. Healthy persons who have strong family history of renal failure should take classical homeopathic treatment to avoid the risk of renal failure.
2. Diabetic patients who are suffering from Hypertension also must take homeopathic treatment.
3. Persons who are having symptoms of early renal failure of unknown etiology.
4. Patients suffering from recurrent renal stone formation or having stone lodged somewhere in the ureter.
5. Kidney patients of any stage should start homeopathic treatment earliest possible for avoiding passing into the complete renal damage.
6. Patients who are taking some urine forming medicines such as Lasix, Dytor etc. should start homeopathic treatment otherwise their kidneys will have to suffer badly.
7. Patients who are on dialysis can get rid off the frequent dialysis by taking classical homeopathic treatment.
8. Patients who are waiting for renal transplantation should start homeopathic treatment which can stop the urgent need of kidney donor.
It’s mean to say that nothing is too late for classical homeopathic treatment; every patient should start it as soon as they come to know about benefits of homeopathy.

Please Note: Dehydration is one of the most important causes of kidney failure. Diuretics (Dytor, Lasix etc) may cause dehydration if person is lacking in proper fluid intake (as in case of most CRF patients) so, they can never improve the kidney functions in such cases. Diuretics are simply used to protect the heart (temporarily) for getting overload by accumulation of water in the body.

Actually allopathic system does not think about any improvement even in the first stage of kidney failure. They think that ultimately patient has to go for dialysis or kidney transplantation later or sooner, so, they least bother about further damage of kidney tissue.

One more important point to be noted: Our 99% life functions are being carried out by proteins. Do you think protein intake can be injurious to health? But as you know its intake is being restricted by some doctors in most cases of kidney disease patients.

Do you think its further intake can damage the nephrons? Or

Its restriction can slow down the disease process? Or

Have you ever heard that protein intake was responsible of kidney failure?

Answer of all these questions is NO.
Health is Wealth, so keep yourself healthy by improving the immune system.
We can keep our immune system (body’s defence system) up to date by so many means such as – by taking good nutrients; good and mild physical exercise (yoga); keeping activity of life in good routine; avoiding mental and physical stress etc. But when someone’s immunity is influenced by some disease process then Homeopathic treatment can treat the patient in a better way, even end stage kidney disease, chronic kidney failure, up to 90% damaged kidneys, nephrotic syndrome, nephritis, recurrent kidney stone formation, TB of Kidney, recurrent Kidney infections, etc. even blood urea and serum creatinine starts controlling just within days.
When allopathy fails in treating the cases of terminal stage then Homeopathy helps a lot. Though it is very difficult to treat a case of drug resistant TB or Chronic Kidney disease or a polycystic Kidney or a kidney tumor etc. with homeopathy yet we have treated many such cases successfully.

http://www.cancertb.com/crf.shtml

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s