Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself


Leave a comment

ইসলামী শরীয়াহতে বিটকয়েন সহ অন্য কি ক্রিপ্টো কারেন্সি ব্যবহার হার াম

বিসমিল্লাহ্‌ ,
আজকে বিটকয়েন সহ অন্য কি ক্রিপ্টো কারেন্সি নিয়ে কিছু কথা লিখবো ইন শা আল্লাহ্‌ কারণ , সবার এই বিষয়ে তেমন জানা নেই ।
বিটকয়েনের ধাক্কা কাটতেনা কাটতেই শুরু হয়েছে ক্রিপ্টো কারেন্সির অন্যান্য অল্টকয়েন এর জনপ্রিয়তা , বিটকয়েনের সফলতায় অনুপ্রাণিত হয়ে পরবর্তীতে আরও কিছু ক্রিপ্টো কারেন্সি উদ্ভাবিত হয় যেমন
লাইটকয়েন , ড্যাশ , ডগি কয়েন ইত্যাদি ইত্যাদি ।
কিছুদিন আগে রাশিয়ানরা নিজস্ব ক্রিপ্টো কারেন্সি ডেভেলপ করতে চেয়েছিলো । একজন রাশিয়ান প্রোগ্রামার ডেভেলপ করেন ইথারিয়াম নামের ক্রিপ্টো কারেন্সি যা খুব অল্প সময়ে জনপ্রিয় হয় । ১
ইথারিয়াম = ৩০০+$$ ।
বিভিন্ন ইলেকট্রনিক কারেন্সির সাথে
বিটকয়েন কিংবা বিটকয়েনের পথ ধরে সফল হওয়া ক্রিপ্টো কারেন্সির পার্থক্য হলো ডিসেন্ট্রালাইজড সুবিধা অর্থাৎ পেপালের মতো ইলেকট্রনিক কারেন্সি সমূহ ব্যাংক খুব ইজিলি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে কিন্তু বিটকয়েন কিংবা এই জাতীয় ক্রিপ্টো কারেন্সি এতো সহজে কন্ট্রোল করতে পারেনা , বেশ কষ্ট করতে হয় ।
সফল ক্রিপ্টো কারেন্সি বিটকয়েন কে উদ্ভাবন করেছিলো তা এখনো জানা সম্ভব হয়নি ।
ছদ্মনামধারী সাতোশি নাকামোটোকে এর উদ্ভাবক বলা হয় কিন্তু এ কোনো ব্যাক্তি কিংবা কোনো সংঘ তা পরিষ্কার জানা যায়নি ।
জাপানীতে সাতোশি নাকামোটো অর্থ যিনি মুক্তভাবে চিন্তাভাবনা করেন । বিটকয়েনের সোর্স কোড গিটহাবে ওপেন সোর্স করা আছে , চাইলে যে কেউ সেটা নামিয়ে কাজ করতে পারে ।
বিটকয়েনের উদ্ভাবকের আসল পরিচয় না জানা গেলেও অন্যান্য ক্রিপ্টো কারেন্সির উদ্ভাবকরা প্রকাশ্যেই থাকে ।
তবে বিটকয়েন উদ্ভাবককে সবসময় ধরার জন্য চেষ্টা করা হয়
, অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ সাতোশি নাকামোটোকে ধরতে একটা বাড়িতে রেইড দিয়েছিলো বেশ অনেকদিন আগে কিন্তু ব্যার্থ হয় ।
আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থা সমূহ বিটকয়েনকে ধাক্কা দিতে সাময়িক সফল হলেও শেষে তারা ব্যার্থ হয়েছে কারণ রাশিয়ান ইথারিয়াম পাওয়ারফুল হয়ে উঠেছে বিটকয়েনের গ্রাভিটি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ।
বিট কয়েনের সকল লেনদেনের হিসাব যে কেউ রাখতে পারে ।
একে বলা হয় ব্লকচেইন ।
যেহেতু ব্লকচেইন অনেকের কাছে আছে তাই যদি কোনোভাবে বিটকয়েন নেটওয়ার্কে অ্যাটাক করা হয় তাহলে নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে সব ব্লকচেইনের যা খুবই কঠিন একারণে
সাধারণ সাইবার অ্যাটাক থেকে বিট
কয়েন নেটওয়ার্ক নিরাপদ ।
লাইট কয়েন নেটওয়ার্কের নাম লাইটনিং নেট ওয়ার্ক 🙂
কেউ বিটকয়েন কাউকে প্রেরণ করতে তা প্রাপকের নিকট পৌঁছাতে
১০ মিনিট সময় লাগে ।
লাইট কয়েনের ক্ষেত্রে ২.৫ মিনিটের
মতো । বিটকয়েন , লাইটকয়েন
আগে বেশী ব্যাবহার হতো হিডেন ওয়েবে বা ডার্কনেট বা ডিপ নেটে ।
বর্তমানে নরমাল ওয়েবে এর ব্যাবহার ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে ।
বিটকয়েন লেনদেন ভেরিফিকেশন
হলো বিটকয়েন মাইনারদের কাজ
, বিটকয়েন এক প্রকার প্রুফ অফ ওয়ার্ক অ্যালগরিদম ব্যাবহার করে
যা ডাবল sha-256 অথবা সিঙ্গেল sha-512 , sha = secure hash algorithm যা এনএসএ উদ্ভাবন করে । লাইট কয়েনের প্রুফ অফ ওয়ার্ক হিসাবে skrypt ব্যাবহার করা হয় , skrypt মাইনিং বেশী র‍্যাম
অপচয় করে এবং বিটকয়েন মাইনিং থেকে কিছু দিক দিয়ে জটিল । শুরুর দিকে বিটকয়েন মাইনিং সাধারণ কম্পিউটার দিয়েই
সহজে করা যেত কিন্তু আস্তে আস্তে
ডিফিকাল্টি টার্গেট বৃদ্ধি পাওয়ায়
গ্রাফিক্স কার্ড দিয়ে মাইনিং করা হত
এবং এরপরে , গ্রাফিক্স কার্ড দিয়ে মাইনিংয়ে আর কোনো সফলতা সেভাবে না আসায় asic কিংবা fpga মাইনিং হার্ডওয়্যার ইউজ করা
হয় । asic = application specific intregreted circuit এবং fpga = field programmable gate array অর্থাৎ এসব হলো শুধু মাত্র স্পেশালাইজড হার্ডওয়্যার চিপ যা নির্দিষ্ট ক্রিপ্টো কারেন্সির জন্য নির্দিষ্ট হয়ে থাকে ।
বিটকয়েন মাইনিং সাধারণত ২ ধরণের হয় pool মাইনিং এবং solo মাইনিং । pool মাইনিংয়ে একাধিক মাইনার একই সাথে দ্রুত মাইনিংয়ে অংশ নিয়ে দ্রুত বিটকয়েন মাইন করতে সক্ষম হন ।
পুল পাবলিক কিংবা প্রাইভেট হতে পারে যেমন অ্যাসিক মাইনিংয়ের পুল আলাদা হতে পারে ।
জনপ্রিয় বিটকয়েন মাইনিং পুল হলো স্লাশ পুল । স্বর্ণ রোপ্য মাইনিংয়ের মতই ক্রিপ্টো কারেন্সি
মাইনিং ঝামেলাপূর্ণ । পাওয়ার খরচ , ইনভেস্টমেন্ট , রক্ষণাবেক্ষণ , প্রফিট লস ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় থাকে । বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন
মাইনিং সার্ভিস আছে যেখানে ইনভেস্টমেন্ট করলেই চলে কারণ রিমোট সার্ভারে অটোমেটিক মাইনিং চলতে থাকে ।
মাইনিং ছাড়াও বিটকয়েন ফ্রীতে পাওয়া যেতে পারে ফসেট থেকে ।
ইংরেজিতে ফসেট মানে পানির কল বা আমরা বুঝি ট্যাপ হিসাবে ।
ফসেট সাইট সমূহ তাদের সাইট লাইভ রেখে বিভিন্ন ইনকাম পলিসির জন্য ফ্রীতে সামান্য কিছু বিটকয়েন প্রদান করে বিভিন্ন শর্ত দিয়ে যেমন।, বিজ্ঞাপন , গেম , কাপচা ইত্যাদি ইত্যাদি তবে ফসেট ব্যাবহারে তেমন কোনোই বেনিফিট নেই তবে এটা বিটকয়েন লেনদেনের
ব্যাপারে প্র‍্যাকটিসের জন্য উপযোগী অর্থাৎ বিটকয়েন ওয়ালেটে কারেন্সি আদান প্রদানের ব্যাপারে জানা বা অভিজ্ঞতা লাভ ।
বিটকয়েনের বিভিন্ন অনলাইন ওয়ালেট আছে ।
এখানে বিটকয়েন রাখা যেতে পারে এবং প্রয়োজনে ব্যাবহার করতে পারা যায় , আরও আছে বিটকয়েন
এক্সচেঞ্জ যেখানে বিটকয়েনের অদল বদল করা সম্ভব অন্য ফিয়াট
কিংবা ইলেকট্রনিক কারেন্সির সাথে
। বিটকয়েনের ক্ষুদ্রতম ভাগ হচ্ছে সাতোশি , লাইট কয়েনের ক্ষেত্রে লিতোশি এরকম একেকটার একেকরকম ।
বিটকয়েন কিংবা এ জাতীয় ক্রিপ্টো কারেন্সির মেইন প্রবলেম হলো এসব জুয়ার মতো এবং যদি
কারেন্ট না থাকে তাহলে এসব অকার্যকর কারণ , ক্রিপ্টো কারেন্সি তা সেটা বিটকয়েন হোক আর লাইট কয়েন কিংবা ইথারিয়াম ইত্যাদি সবই ফুল ডিজিটাল কারেন্সি ।

Muhaamaad Seum Uddin

??


Leave a comment

সৌদী আরব, কাতার এবং আশিটি পতাকা মাওলানা ইমরান নযর হোসেন

সৌদী আরব, কাতার এবং আশিটি পতাকা

পৃথিবী বর্তমানে এমন মানুষে পরিপূর্ণ যাহাদের চক্ষু আছে কিন্তু দেখিতে পায় না । অবশ্য শাসক শ্রেণীর মধ্যে এমন লোকদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী । দাজ্জাল ঢোল বাজাইতেছে এবং সবাই তালে তালে নৃত্য করিতেছে । হায় আল্লাহ ! কি সর্বনাশ !! কাজেই আপনি যখন কোরআন অধ্যয়ন করিবেন এবং আল্লাহ যদি আপনার তেলায়াত পছন্দ করেন, তবে তিনি আপনার অন্তরে আলো দান করিবেন, আপনাকে হোময়ার্ক করিবার সুযোগ দিবেন, যাহা দিয়া আপনি বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতা অনুধাবন করিতে সক্ষম হইবেন । আজ রাতে আমি বিশ্ব বাস্তবতার একটি দিক নিয়ে আলোচনা করিব । আপনাদের মধ্যে অনেকেই আমার উপর চাপ সৃষ্টি করিতেছেন, প্লিজ প্লিজ কিছু বলুন, সৌদী আরব এবং কাতারে প্রকৃতপক্ষে কি হইতেছে ? হ‍্যাঁ, অবশ্যই সেখানে অনেক নাটকীয় ঘটনা সংঘটিত হইতেছে । (আপনি যদি আখেরী জামানার ঘটনাবলী সম্পর্কে কোরআন-হাদীসে বর্ণিত ইঙ্গিতময়) বিন্দুগুলি সংযোগ করিতে না পারেন তবে আপনি বুঝিতে পারিবেন না কি দুনিয়াতে কি হইতেছে (এবং সামনে কি হইতে যাইতেছে) ? সুতরাং অদ্যরাতে আমি আপনাদেরকে কিছু সাজেশান দিব আর আমি কেবল তাহাই করিতে পারি । কারণ আমি কোন নবী-রাসুল নই, আল্লাহ আমার নিকট কোন ভবিষ্যতবাণী পাঠান না । আমি কেবল আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান এবং আল্লাহ প্রদত্ত অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে বিন্দুগুলোকে সংযুক্ত করিয়া দুনিয়াতে কি ঘটিতেছে তাহা বুঝিবার প্রচেষ্টা চালাইয়া থাকি । আর এই কাজে আমার ভুল হইতে পারে, অতীতে ভুল হইয়াছিল । আমি কখন ভুল করিলে বরং আনন্দিত হই ।

কারণ আমরা ভুল করিলে যখন বুঝিতে পারি যে ভুল হইয়া গিয়াছে, তখন আমাদের প্রথম কর্তব্য হইল সেই ভুলকে সংশোধন করা । আপনাদেরকে একটি উদাহরন দেই, ২০০৯ সালে আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হইয়াছিলাম যে, রাশিয়া হইল মাজুজ আর পাশ্চাত্য হইল ইয়াজুজ । ইহা ছিল আমার একটি ভুল সিদ্ধান্ত একটি ভুল সিদ্ধান্ত । সেৌভিয়েত ইউনিয়ন হয়ত মাজুজ হইতে পারে কিন্তু রাশিয়া নহে । যাহারা সেৌভিয়েত ইউনিয়ন এবং রাশিয়ার পার্থক্য বুঝিতে পারেন না তাহারা এখন স্কুল পড়ুয়া বালক । সৌদী আরবে এখন কি হইতেছে ? আমি মনে করি, অবশ্যই আমার ভুল হইতে পারে, এখনকার সৌদী নেতৃত্ব যিনি তরুণ শাহজাদা, বর্তমান বাদশার পুত্র, বেপরোয়া স্কুল বালক এবং তাহার আশেপাশের লোকেরা সম্ভবত বুঝিতে পারিয়াছে যে, বিশ্বযুদ্ধ আসিতেছে আর ইহাই হইল মালহামা (মহাযুদ্ধ) । যাহাতে ইজরাঈল তাহার প্রতিবেশী দেশগুলোর উপর হামলা চালাইবে এবং বাইবেলে বর্নিত তাহার সীমানা বৃদ্ধি করিবে । তবে বাইবেলে বর্ণিত ইজরাঈলের সীমানা সত্য নাকি কোরআনে বর্ণিত ইজরাঈলের (অর্থাৎ দাউদ আঃ এবং সোলায়মান আঃ প্রতিষ্টিত পবিত্র রাষ্ট্র বা খিলাফাহ রাষ্ট্রের) সীমানার মধ্যে পার্থক্য আছে আর সময়ই প্রমাণ করিবে কোনটা সত্য । তাহারা বুঝিতে পারিয়াছে যে, সেই যুদ্ধের সময় ইজরাঈল এবং তাহার বন্ধু সৌদী আরবের উপর ইসলামী বিশ্বের ঘৃণা এমন তীব্র হইবে যে, তাহাদের বিশেষত সৌদী আরবের (শাসকদের) অস্তিত্ব রক্ষাই মুশকিল হইয়া পড়িবে । দুইটি দেশের পরিণতি দেয়ালে লেখা আছে, সৌদী আরব এবং সিঙ্গাপুর । সিঙ্গাপুর হইল ছোট ইজরাঈল আর সৌদী আরব হইল বড় ইজরাঈল । সুতরাং এই দুইটি দেশের জন্য ভয়াবহ অশুভ পরিণতি অপেক্ষা করিতেছে । এখন কি করা যায় ? এখন কি বিশ্বযুদ্ধ শুরুর হয়ার জন্য বসিয়া বসিয়া অপেক্ষা করিবে, ফলে যুদ্ধ শুরু হয়ার পরে দেখা যাইবে কিছু করার উপযুক্ত সময় অতিক্রান্ত হইয়া গেছে, নাকি মালহামা (বিশ্বযুদ্ধ) শুরু হয়ার পূর্বেই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আগেভাগেই কিছু করিয়া ফেলিবে ? বিশ্বযুদ্ধ এখন যে-কোনো মুহূর্তে শুরু হইয়া যাইবে । আমার মনে করি, হ্যাঁ আমার ধারনা ভুল হইতে পারে, অপরিণামদর্শী সৌদী তরুণ নেতৃত্ব চাহিতেছে এমন কিছু করিতে যাহা তাহাদের জন্য জীবনবীমা হিসাবে কাজ করিবে, বিশ্বযুদ্ধের পরে তাহাদের অস্তিত্ব টিকিয়া থাকিবে । এজন্য তাহারা সুন্নী দেশসমূহের অবিসংবাদিত নেতা হিসাবে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করিতে চাহিতেছে, উসমানী সুলতানদের যোগ্য উত্তরসুরী হিসাবে । এই উদ্দেশ্য সফল করিতে হইলে তাহাদেরকে কিছু একটা যুদ্ধের উসকানী দিতে হইবে যাহাতে সকল সুন্নী দেশসমূহ সমর্থন নিয়া আসিয়া তাহাদের পেছনে দাঁড়ায় । এভাবে সৌদী আরব নিজের সুরক্ষার পরিকল্পনা করিতেছে সুন্নী জগতের নেতা হিসাবে । এভাবে তাহাদের মধ্যে ঐক্য গড়িয়া উঠিবে আমরা “শিয়া ইসলাম” এর মোকাবেলায় “সুন্নী ইসলাম” রক্ষার জন্য একতাবদ্ধ । সুতরাং তাহাদেরকে যাহা করিতে হইবে তাহা হইল সুন্নী ইসলামী দেশসমূহকে নিয়া একটি কোয়ালিশান গঠন করিতে হইবে । এই জোটকে বলা হইবে ‍‍‍“সন্ত্রাস বিরোধী জোট” যাহারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিবে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তাহা হইবে শিয়া বিরোধী জোট । কেননা ইরানকে এই জোটে দায়াত করা হয় নাই । ইরাককে দায়াত দেয়া হয়েছে যদি ইরাক শীয়া শাসিত রাষ্ট্র । ইরাক শিয়া শাসিত হইলে তাহা আবার ইঙ্গ-মার্কিন জোটভুক্ত, কারণ আমেরিকার সাথে তাহাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ট ।

সুতরাং সুন্নী ইসলামী জোট গঠিত হইয়া গিয়াছে এবং পাকিস্তানের সাবেক সেনাবাহিনী প্রধানকে এই ব্লকের কমান্ডার ইন চীফ নিয়োগ করা হইয়াছে । সমস্ত টুকরাগুলো যখন এক জায়গায় জড়ো করা সম্পন্ন, চুক্তিপত্র স্বাক্ষর হইয়া গিয়াছে, তখন তাহারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়াত করিয়া আনে সৌদী আরবে । তারপর সকল সুন্নী দেশসমূহের নেতাদেরকে জোরপূবর্ক সৌদী আরবে ঢাকিয়া আনা হয় ট্রাম্পের সাথে দেখা করার জন্য, কাউকে কাউকে এমনকি ঘাঢ় ধরিয়া আনা হইয়াছে, ন্যাটোর সাথে সুন্নী দেশসমূহের জোট গঠনের জন্য । তাহারা কেন (ইহুদী-খ্রীষ্টানদের সামরিক জোট) ন্যাটোর সাথে সুন্নী ইসলামকে জোটবদ্ধ করিতে চায় ? তাহাদের মহা পরিকল্পনা কি এবং কাতার কিভাবে তাহাতে বাধা হইয়া দাঁড়াইলো ? আমি মনে সৌদী আরবের মতো কাতার সন্ত্রাসে মদদ দাতা দুটি বড় দেশ । তাহারা দুইজনেই টাকা দিয়া, অস্ত্র দিয়া, প্রশিক্ষন দিয়া মানুষকে জিহাদে, আমি ইহাকে বলি ইংরেজি জিহাদ, সিরিয়া পাঠায়, ইরাকে পাঠায়, লিবিয়ায় পাঠায় । কিন্তু কাতার এবং সৌদী আরবের মধ্যে পার্থক্য হইল কাতারের সন্ত্রাসে মদদ দেয়ার বিষয়টি সারা দুনিয়াতে জানাজানি হইয়া গিয়াছে কিন্তু সৌদী আরবেরটা অতটা জানাজানি হয় নাই । তাছাড়া কাতার ভুয়া জিহাদে উসকানী দেয়ার পাশাপাশি ইরানের সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা করিয়া চলে । কারণ ইরানের সাথে যখন যুদ্ধ শুরু হইবে তখন ক্ষুদ্র আকৃতির কারণে কাতার খতম হইয়া যাইবে । কিন্তু সৌদী আরব তাহার বিরাট আকৃতির কারণে হয়ত ইরানের বিরুদ্ধে কিছুটা প্রতিরোধ গড়িয়া তুলিতে পারে । (অসমাপ্ত)

মূল – মাওলানা ইমরান নযর হোসেন

অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

Saudi Arabia Qatar & The Eighty Flags লেকচারের অনুবাদ

??


Leave a comment

রোগ ব্যাধিতে হোমিওপ্যাথিক পরাম র্শ ০৩

২৮১. আমার একটা সমস্যা ঘুম কম। চা খেলে ঘুম চলে যায় একে বারে রাতে। বিকেলে ঘুমালে রাতে আর ঘুম আসে না।আমি এজন্য বিকেলে সকালে ৩০মি. থেকে ১ঘন্টা হাটি।আমি স্ট্যুডেন্ট তাই মাঝে মাঝে চা খেতাম রাত জাগার জন্য। সকালে প্রচুর ঘুম আসে। মাঝে মাঝে সকালেও চা খাই।ঘুম এরকম হওয়ার কারনে ৭মাস আগে মানসিক রোগি হয়ে যাই।৩/৪ দিন রাত ঘুম হতো না শুধু চোখ বুঝে রাখতাম। ক্ষুদাও লাগতো না শুখিয়ে যাই। শুধু জুস খেতাম। ডাক্তার এর কাছে যাই ঘুম কমের জন্য। আমাকে কম পাওয়ার এর ঘুমের ওষুধ দেয়ার জন্য।১মাস দেয় খাওয়ার। আমি কখনই ঘুমের ওষুধ খেতে চাই না। ৭ মাস পর আবার সেই একই প্রব্লেম হচ্ছে।এখন ত চা না খেলে ঘুম হয় না। অথচ অনেকের দেখি ১বালতি চা/ কফি বা বিকেলে ঘুমালেও রাতে প্রচুর ঘুম হয়।.. ঘুম কারো কম আর কারো বেশি হয় কেন?

২৮২. আমার অপরিচিত মানুষের সাথে মিশতে একটু কষ্ট হয়, (আগে কথা বলেও লজ্জা পেতাম এখন ল্জ্জা নেই) তবে কোনভাবে কারো সাথে মিশে গেলে আর ছাড়তে পারিনা,,,,,,,, ছোটবেলা থেকে মেয়েদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতাম!!! 😦 ব্ট বড় হয়ে একটা সিরিয়াস প্রেম করে ছ্যাকা খেয়ে আবার দূরত্বে আছি!! ছ্যাকা কোন ব্যাপার না,,,,, সমস্যা হচ্ছে কারো সাথে মিশা

২৮৩. আমি সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বুক ধড় পড় করে এর সমাধান কি

২৮৪. ওসিডি রোগের থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কি কেউ জানেন??please help

২৮৫. ইদানীং পড়তে বসলে পড়া একেবারেই বাহির হয় না মুখ দিয়ে… গতকাল সন্ধ্যা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত বই নিয়া বসে ছিলাম! ৫ লাইন ও পড়তে পারি নাই। এন্ড গত পরশু তো রাত ১ টা পর্যন্ত ছিলাম বই নিয়া… লাভ হয়নি! প্রচুর পরিমানে অসহ্য লাগে বাট খুব পড়াশুনা দরকার। ১৫ দিন পরেই সেমিস্টার ফাইনাল…এই সমস্যা দুই সপ্তাহ ধরেই হচ্ছে।

২৮৬. মাঝে মাঝে অনেক SimplE বিষয় নিয়েই মাথায় রাগের খুন চেপে যায়!
প্রচন্ড রাগে আমি কি করতেছি ,কাজ টা কতোটা ভাল বা খারাপ,,,
এর React টা কতোটা hard হতে পারে,,,এসবের কিচ্ছু মাথায় থাকে না।
হাতের কাছে যা থাকে সে টা ছুড়ে না মারলে রাগ কমে না,,,
এভাবে অনেক Fvrt জিনিস গুলোও ভেঙ্গে নষ্ট করে ফেলছি…!

বাট আমার মধ্যে এই রাগ টা বেশি সময় থাকে না,,রাগ কমে গেলেই আমি আবার স্বাভাবিক হয়ে যাই এবং নিজের বোকামির জন্য অনেক কষ্ট পাই Evean কান্না পর্যন্ত করি,,,রাগের সময় যাদের সাথে খারাপ behavE করছি,বার বার তাদের কাছে ক্ষমা চাই!

আমি বুঝি না,আসলে কোন প্রবলেমের কারনে এরকম হয়।
অনেক ছোট থেকেই এ প্রবলেমে ভোগছি,,,আমি কোনভাবেই রাগ টা কে controll করতে পারি না…..কী করবো?
plZZ আমাকে এর সমাধান টা বলেন…..

২৮৭. আমি ভয়ানক ঝগড়ি। যাদের অপছন্দ করি তারা কোন ঠিক কথা বল্লেও ঝগড়া করি আর সেইম কথা অন্ন কেউ বললে অকপটে মেনে নেই কিন্তু অপছন্দের কেউ বললে ভয়ানক খেপে যাই আর খারাপ ভাবে ঝগড়া করি : ( কিন্তু ওর সাথে আমাকে আগামি কয়েক বছর থাক্তেও হবে । What can I do!

২৮৮. আমি নিজের আত্মসম্মানবোধ নিয়ে সব সময় খুবি সচেতন। আর এই সচেতনতা টা এবার বাড়াবাড়ি পর্যায়ে এসে পড়েছে। কেউ আমার ব্যক্তিত্বকে আঘাত করে একটু মশকরা করলেও আমি মানতে পারিনা; প্রচণ্ড মাত্রায় রেগে যাই আর রেগেই ক্ষেন্ত হইনা এগ্রেসিভ ভাবে তাকে পেয়ে বসি সামনের মানুষটি আমার জন্য কতটা মূল্যবান তার সাথে আমার সম্পর্ক টা কি রূপ, তাকে ছাড় দেয়া আমার জন্য কতটা জরুরি তা কিছুই বিচেচনা না করে পালটা হিট করে বসি। আমাকে একজন বলেছে আমি যেই কথাটাই বলি তা কারেক্ট কিন্তু আমার রাগের মাত্রা টা এতো তীব্র হয় যে আমার রিয়্যাকশন টা ভুল প্রমাণিত হয়। তারপর আমি যখন বুঝতে পারি আমার প্রতিক্রিয়া ভুল ছিলো আমি তখন অপরাধবোধে ভুগি। আর ভোগার মাত্রাটা এতোটাই হয় যে আমার মন মেজাজ, খিটখিটে হয়ে থাকে,শরীরের কোষ, শিরা, উপশিরা সব কাপতে থাকে,চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়তে থাকে। তখন আমি একা থাকতে চাইলে কেউ আমাকে সান্ত্বনা দিতে আসলে তার সাথেও তেরে বসি। ইন্সট্যান্ট আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায় আর অবিবেচকের মতো রেগে ওঠি। এখন আমি কি করতে পারি?এই রাগের মাত্রা কিভাবে কমাতে পারি? কেউ পরামর্শ দিন।

২৮৯. কিছুদিন ধরে ডিপ্রেশনে আছি…কোন কিছু করতে ভাল লাগেনা,স্টাডিতে মন বসেনা,শর্ট টার্ম মেমরী লস হচ্ছে (ছোটখাট ব্যাপার ভুলে যাচ্ছি…দুপুরে কী খেয়েছিলাম-এই রকম জিনিস), সব সময় খেতে ইচ্ছা করে (মন খারাপ থাকলে এটা হয়)….এখন কী করতে পারি এটা থেকে মুক্তির জন্য ?

২৯০. আগে কাঁদলে একটু ভাল লাগতো বাট এখন আমি কাঁদতে পারছিনা আমার মাথা ভারী লাগে কিছু ভাবলেই, আমি আর মাথায় এই স্ট্রেস নিতে পারছিনা! আমাকে হেল্প করুন প্লিজ

২৯১. রাতে আমার ঘুম হয় না কিনতু দিনের বেলা হয় এতে অনেক চেষ্টা করেছি কোনে ফলাফল হয় নি

২৯২. কথা বলার সময় মুখে আটকে যায়, বিশেষ করে দ্রুত কথা বলার সময় কথার আওয়াজটা স্পষ্ট শোনা যায় না বরং মুখে আটকে যায়। কিছু শব্দ উচ্চারণেও প্রবলেম হয়। আগে এরকম ছিল না, গত কয়েকমাস ধরে এই প্রবলেম হচ্ছে। এই ব্যাপারে কারো জানা থাকলে হেল্প করবেন প্লিজ।

২৯৩. আমার কিছু মনে থাকে না+মাথা ব্যাথা করে+এক চিন্তা খালি মাথায় ঘুরে
কেউ একটা ঔষধের নাম সাজেস্ট করেন প্লিজ

২৯৪. আমি খুব হতাশার মধ্য দিয়ে দিন পার করছি। কোন কিছুতেেই সাফল্য আসতেছে না। বেশ কিছু কাজ করতে চাই বা পারি কিন্তু কেন যেন মনে হয় আমার দ্বারা হবে না। আমার সামনে দিয়ে আমার বন্ধু-বান্ধব সেসব কাজ করে সাফল্য অর্জন করতেছে কিন্তু যখনই আমি করতে যাই। তখন আর আগাইতে পারি না।
এর কারনে মেজাজও বেশ খিটখিটে হয়ে গেছে। কারো ভালো ব্যবহার করতে পারতেছিনা। প্রচণ্ড পরিমাণে হতাশ আমি আমার এই জীবনের উপর। তার উপর ফ্যামিলির চাপ তো আছেই। 😦 😦
কি করবো?

২৯৫. জীবনের খুব খুব খারাপ একটা সময় ব্যায় করছি এই মুহুর্তে আমি। অতিতের পাওয়া না পাওয়া আর হারানোর কস্ট আমাকে প্রতিটা মুহুর্তে তাড়িয়ে চলছে। লাস্ট দু’সপ্তাহ বইয়ের ১ টা পেইজও পড়তে পারিনি। খুব বেশি বিরক্ত লাগে কিন্তু ঠিক এই সময় আমার সবচেয়ে বেশি পড়াশুনা করার কথা। ২১ তারিখ থেকে সেমিস্টার ফাইনাল। আমি ২ সপ্তাহ আগেও এমন ছিলাম না। আমার মা মারা গেছেন আজ ২ মাস থেকে বেশি। মা মারা যাবার ৫/৬ দিন পরেও শতকস্টের মাঝেও সব কিছুই ঠিক ভাবেই চালিয়েছি। জীবন সংগ্রামে হেরে যাবো ভাবতেও পারতাম না। মন অনেক শক্ত করে চলেছি এর পরেও। কাওকে বুঝতে দেই নাই। তারপর এক মেয়েকে ৬ বছর ধরে প্রচুর ভালোবেসে আসছি এন্ড সেই মেয়ের অবহেলায় অবহেলিত আমি। ঠিক বলতে পারেন প্রেমে ব্যর্থতা।

ঠিক এই মুহুর্তে নিশংগতা আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। এর চেয়ে মরন ভালো। খুব খুব বেশি কস্ট লাগে। সুইসাইড করার ভাবনা অনেকবার মাথায় আসছে। পাপ না হলে অনেক আগেই করে ফেলতাম। আর যাকেই খুব আপন ভেবে সব বলি সেই দেখি আমাকে কিছুদিন পর এভোয়েড করে। আমাকে ইউজ করে যাদের আপন ভাবি। এক কথায় খুব কস্টের মাঝে আছি।

এমন অবস্থা থেকে মুক্তি চাই। পড়াশুনায় মন দিতে চাই। সব চিন্তা দূর করতে চাই। না হয় হয়তো মরন ছাড়া কোন উপায় খুঁজে পাবো না…

২৯৬. আমি খুব মানসিক স্ট্রেসের মধ্য দিয়ে
যাচ্ছি,,,কারনটা বলছি,,,,,আমার একটা পড়া মুখস্থ
করতে অনেক সময় লাগে,,, এই নিয়ে আমার বড় ভাই
একদিন আমাকে বলেছিল, কি রে এক পড়া বার বার
পড়িস কেন??? এই কথাটা বলেছিল অনেক দিন
আগে,,,কিন্তু এখন আর কিছু বলে না,,,,,কিন্তু আমার
পড়ার সময় ও আমার সামনে আসলে আমার শুধু মনে হয়
এই বুঝি বলবে কিরে এক পড়া বার বার পড়িস
কেন??? এই চিন্তাটা ও আমার সামনে আসলে
অটোমেটিক মাথার মধ্যে এসে যায়,,,,আর আমার
হার্টবিট বেড়ে গিয়ে পড়াশোনার খেই হারিয়ে
ফেলি,,,,,কি করলে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে
পারি??? প্লিজ বলবেন

২৯৭. মোবাইলে কথা বলার সময় প্রায়শই আমি অপর সাইডের কথা বুঝি না… নেটওয়ার্কে সমস্যা হলে যেমনটা হয়। আবার কেউ যখন একসাথে একের বেশি বিষয় নিয়ে কথা বলে তখন বেশিরভাগ কথাই আমি খুব দ্রুত ভুলে যাই। কানের সমস্যা ভেবে কানের টেস্ট করিয়ে জানতে পারলাম আমার কান যথেষ্ট শার্প এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাধারণের থেকেও একটু বেশি শুনতে পাই আমি। মূল সমস্যাটা আমার মনোযোগের।

অনেক আগে থেকেই আমি সারাদিন কি দিয়ে খেয়েছি বা কোন জামা গতকাল পড়েছি এগুলো একদমই খেয়াল থাকে না। দিন তারিখ মাস ভুলে যাওয়াটা খুব সাধারণ ব্যাপার। ভয়াবহ বিষয়টি হচ্ছে আমি হয়তো কাউকে দেখে এইটা বুঝতে পারছি তাকে আমি চিনি কিন্তু কিভাবে চিনি সেটা মনেই করতে পারছি না। মজার ব্যাপার আমি যে সব ভুলে যাচ্ছি সেটাও কিন্তু না, কারন আমি আমার কম্পিউটারের কোথায় কি আছে সেটা প্রায় সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে বলতে পারব। আমি কালার গ্রেডিং নিয়ে কাজ করি। কোথায় কি করতে হবে বা কি করেছিলাম সেটাও পুরো নিশ্চিতভাবে জানি। এবং মাঝে মাঝে কোন কোন বিষয় এতো বেশি পয়েন্ট টু পয়েন্ট বলতে পারি যে নিজেই অবাক হয়ে যাই।

সুতরাং সহজ ভাষায় পৃথিবীর বেশিভাগ বিষয়ে আমার মস্তিষ্ক আগ্রহ দেখাচ্ছে না। যেটুকু তার বেশি প্রিয় সেটা ক্যাপচার করে বাকিটা কোনরকমে সংরক্ষণ করছে।

খুব যখন ছোট ছিলাম, ক্লাস ফাইভ সিক্স তখন বই পড়ে মেডিটেশনের প্রচুর চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু কখনোই যা করতে চাইতাম সেটা হতো না। মজার ব্যাপার এখনো আমি কল্পনাতে সোজা সামনে হাটতে পারি না। আমাকে হাটার জন্য উলটো হয়ে পিছের দিকে যেতে হয়।

এবং বলাই বাহুল্য একদম ছোট থেকেই আমার নানারকম অসুখ বিসুখে ভুগতে ভুগতে অত্যন্ত দুর্বল থাকতাম সারাবছর এবং স্লিপ প্যারালাইসিস আমার জন্য অতি সাধারণ বিষয় ছিল। এছাড়া স্বপ্নের মধ্যে স্বপ্ন তার মধ্যেও স্বপ্ন এবং সেটা আমি স্বপ্নের মধ্যেও মনে করতে পারি। স্বপ্নের বেশিরভাগই খুব ভয়ংকর কিছু অথবা একশন প্যাকড, সাধারণত আমি কোন এডভেঞ্চারে থাকি। ছোট বেলায় আমার স্বপ্নে ভাল মানুষগুলো খারাপ আর খারাপ মানুষগুলো (যাদের আমি সহ্য করতে পারতাম না) ভালো হয়ে যেত।

আমি ঘড়ির কাটার দিকে এক দৃষ্টিতে ৩০ সেকেন্ড তাকিয়ে থেকে মনোযোগ ধরে রাখতে পারি না, তবে চোখ বন্ধ করে আশে পাশের অনেক দূরের কারো কথাও বোঝার চেষ্টা করতে পারি দীর্ঘ সময়, তখন মনোযোগ সমস্যা তেমন হয় না।

এব্যাপারে কারো কোন পরামর্শ ?

২৯৮. আমার Rejection এর প্রতি বড় ধরনের একটা ভয় কাজ করে…..আমি প্রচুর Reject হতে ভয় পাই….এই fear of Rejection এর ভয় এর কারনে আমি কখনো কারো কাছে কিছু চাই না….আমার কারো কাছে কিছু চাইতে প্রচুর অসস্তি লাগে….সামান্য একটা চাওয়ার কথা বলতে আমার অনেক বেশি সময় লেগে যায়….এমনকি আমি আমার খুব কাছের মানুষগুলোর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দি এই ভয়ে যে যদি তারা আমাকে ‘না’ বলে??? আর কখনো যদি কেউ আমার চাওয়া কে "না" বলে বা Reject করে আমার তখন তা নিতে অনেক অনেক বেশি কষ্ট হয়….মানুষিক কষ্ট টা আমি বর্ননা করতে পারব না….এই Reject হওয়ার ভয়ের কারনে আমি প্রত্যেক মানুষকে Ignore করি…আমার এই problem এর স্বীকার হয় সবচেয়ে বেশি আমার খুব কাছের মানুষ গুলো…..আমি প্রায় সব মানুষের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছি….এমনকি নিজের পরিবার এর মানুষের সাথেও আমি কথা বলিনা…আমি কোনো কাজ করার আগে দেখি যে এটাতে Select হওয়ার 100% Chance আছে কিনা??? যদি একটু ও মনে হয় যে Reject হওয়ার 1% ও chance আছে….আমি ওই কাজের পেছনে আর যায় না….যার কারনে আমাকে দিয়ে কোনো কাজই করা হয়ে উঠে না…..এই সমস্যার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে আমার বিভিন্ন সম্পর্কগুলোতে….যেহেতু আমি এখনো Professional life এ পা রাখিনি সেহেতু তখনের কথা বলতে পারছিনা….
আমি বুঝতে পারছিনা এটা কিভাবে কন্ট্রল করা যায়….আমি এটা থেকে কোনো ভাবেই বেরিয়ে আসতে পারছিনা!!!!

উত্তর : Palladium 50M নামক হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি একদিন মাত্র ১ ফোটা বা ৫টি বড়ি খাবেন । প্রয়োজন মনে করলে তিন থেকে ছয় মাস পরে আরেকবার খেতে পারেন ।

২৯৯. বেশ ছোটবেলায় আমার একটা সমস্যা ছিলো সন্ধ্যার আযানের টাইম /ওই সময় টায় অসম্ভব কান্না পেত বাট এর কোনো কারন কখনো খুজে পেতাম না,বেশির ভাগ শীতের শুরুতে এমন হতো! এর জন্যে কখনো ডাক্তার দেখানো হয়নি, বাট আমার এই সমস্যা টা কখনো স্থায়ী হতোনা ঠিক হয়ে যেত! এখন আমি 19 বাট এখনো মাঝে মাঝে সেইম কাজ টা হয় আর দেখা যায় হঠাৎ করেই রাতে বার বার জেগে উঠি,সকালে ঘুম ভাংতেই আপসেট লাগতে থাকে আর বিকেল বেলা আমি ঘুমাই ই না কজ বিকেলে ঘুম ভাংার পর অনেক বিষন্ন ভাব (depression) হয়! আর বলা দরকার আমি প্রেমে ব্যর্থ বা এই টাইপ কষ্ট পাইনি।
আর এখন যা হচ্ছে তা আমি নিজেই কাওকে বোঝাতে পারিনা সেই আগের লক্ষন গুলো আবার বাট এত লং টাইম স্থির থাকতেছে,আর খুব ছোট খাটো বিষয়েও খুব কষ্ট পাচ্ছি!
আর বড় কথা আমি একজন কে ভালোবাসি প্রচন্ড, সে আমাকে কষ্ট দিচ্ছেনা,বাট আমি তাকে পেইন এ রাখছি সারাক্ষন এমন টা মাথায় কাজ করে!
আর কিছু বিশেষ কারনে নিজেকে খুব ছোট ছোট অনুপযুক্ত মনে হয়
বার বার কিছু জিনিস ভুলেও যাচ্ছি
আমার এখন কি করা দরকার?

উত্তর : Natrum muriaticum 50M নামক হোমিওপ্যাথিক ঔষধটি একদিন মাত্র ১ ফোটা বা ৫টি বড়ি খাবেন । প্রয়োজন মনে করলে তিন থেকে ছয় মাস পরে আরেকবার খেতে পারেন ।

৩০০. আমি ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রচন্ড ডিপ্রেসড পারিবারিক নানা সমস্যার কারনে। মাথায় সারাদিন একেকটা চিন্তা আটকে থাকে। এ অবস্থায় সাধারনভাবে কোন কিছুতে মনযোগ দিতে পারে না। অবান্তর অনেক প্রশ্ন মাথায় আসে। আমি নিজেও বুঝি, প্রশ্নগুলি অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু, মাথা থেকে বাদ দিতে পারি না। অনেক সময় একেকটা প্রশ্ন/চিন্তা নিয়ে ৩-৪ দিন কেটে যায়। মনটা একটু শান্ত হলে নতুন কোন চিন্তায় আক্রান্ত হই। খুবই খুঁতখুঁতে অনুভব করি নিজেকে নিয়ে, নিজেকে ভীষন অপরাধী মনে হয় কোন কারন ছাড়াই। চিন্তা বা টেনশন বাড়লে ঘাড়ে এবং মাথায় প্রচন্ড ব্যথা হয়। আসলে এই ব্যথা বছরখানিক ধরেই চলছে। ২৪ ঘন্টা এই ব্যথা আর এইসব অবান্তর চিন্তাভাবনা নিয়ে কাটাতে আর পারছি না। মরে যেতে ইচ্ছা হয়। তবে, আত্মহত্যা খুব বড় পাপ আর ভুল এটাও বুঝি। ভালো ছাত্রী ছিলাম। কিন্তু এখন একদমই পড়তে পারি না। একটা গুরুত্বপূর্ন শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হয়ে গেছে। আমাকে একটা সমাধান কি দেয়া সম্ভব? সাধারন কোন এন্টি-ডিপ্রেসন ঔষধের নাম সাজেস্ট করুন (বিশেষজ্ঞ হলে)। অনেক ধন্যবাদ।

৩০১. বেশ কয়েক বছর যাবত আমি প্রচন্ড ভাবে দুশ্চিন্তার মত বদভ্যাস টার মধ্যে জড়িয়ে যাচ্ছি।
ছোট খাটো একটা কাজকেও বিশাল বা মহামারি করে মনে করে ফেলছি। ফলে কাজের মুন্ড মাথা কিছুই হয়না বরং মানসিকভাবে আরো দুর্বল হয়ে পড়ি,,,,খুব অল্প কিছুতেই অপমান বোধ হয়, মাঝে মাঝে খুব রাগ হয়,, এত্ত পরিমান রাগ হয় যে, নিজেকেও মেরে ফেলতে ইচ্ছে করে।
আমি একজন মিউজিসিয়ান,, তাই সেই মুহুরতে ভালো লাগার জিনিসের মধ্যে পচন্দের গিটার টা নিয়ে কিছু সময় কাটালে শাময়িক ভাবে উত্তেজনা কিছুটা পরিমান স্বাভাবিক হয়।

কিন্তু এর জন্য এখন কি ধরনের ব্যবস্থা নেয়ে যেতে পারে,,,,,?

উত্তর : যখনই এমন সমস্যায় পড়েন Opium 30 ঔষধটা ১ ফোটা বা ৫টি বড়ি খেয়ে নিবেন । এই ধরনের পরিস্থিতিতে পড়বেন এমন সম্ভাবনা আগে টের পেলে ঔষধটা আগেই খেয়ে নিতে পারেন ।

৩০২. আমি একটু সমস্যায় আছি…আমি এক রকমের রোবট ধরণের মানুষ…আমার মাঝে ভাব অনুভুতি খুবই কম…এতে আমার কোনো সমস্যা হয় না কিন্তু আমার আসে পাসের মানুষরা খুশি না..
আমি রোমান্টিক ব্যাপারে মাথা ঘামাই না…আমি বুঝিও না তেমন…রোমান্টিক সিনেমা ও আমার ভালো লাগে না…আমার মাঝে রোমান্টিকতা এক রকমের বিরক্তির জন্ম দেয়…এর ফলে আমার বন্ধু-বান্ধবরা যখন আমাকে কোনো রোমান্টিক গল্প শোনায় বা নিজেদের গল্প বলে তখন ওরা প্রায় খেয়াল করে যে আমি তাদের কথা শুনছি না বা আগ্রহ দেখাচ্ছি না…এতে ওরা খুবই বিরক্ত হয় আর আমার সাথে কথা বলতে চায় না…আমার অধিকাংশ বন্ধুরা এই কারণে আমার থেকে দুরে সরে যাচ্ছে..
কি করলে বিরক্ত না হয়ে অনততো বন্ধুদের কথা সহ্য করে মনযোগ দিয়ে শুনতে পারবো??

উত্তর : Sulphur CM ঔষধটি ১ ফোটা অথবা ৫টি বড়ি খান মাত্র একদিন । তিন মাস পর আবার একই নিয়মে একদিন খান । প্রয়োজনে আরো ৩ মাস পর আরেকবার খেতে পারেন । আশা করি আপনি কিছুটা হলেও রোমান্টিক হয়ে যাবেন ।

৩০৩. স্যর আমার বয়স ৩৩ গুড়া কৃমির জ্বালায় অস্থির,আমি এ বছর হোমিওপ্যাথি কলেজ এ ১ম বর্ষে পরিক্ষা দিলাম কিন্তু সিনা ছোটদের ছাড়া কোন ঔষধ পেলাম না.দয়া করে একটু সাহায্য করবেন ঔষধ এর নাম সহ শক্তি এবং সেবনের নাম বলে? জাঝাকাল্লাহ!

উত্তর : Natrum phos 30 ঔষধটি ১ ফোটা অথবা ৫টি বড়ি একবার খাবেন । ঝামেলা না গেলে দুয়েকদিন পর আরেকবার খেতে পারেন ।

৩০৪. ভাই প্রচুর গুড়া কৃমি বয়স ৩৩বৎসর, এ্যালোপ্যাথিক ঔষধ সাস্পেন্সান ৬টি ট্যাবলেট খেলে সর্বচ্চো মাস খানিক ভাল থাকে তারপর মলদ্বার এর কাছে এসে ভিষন চুলকায় এবং মাঝে মাঝে বেরহয়ে পড়ে,স্যর দয়া করে লক্ষণ বিবেচনা করে ঔষধ শক্তি সহ বলতে জনাবের মর্জি হয়! জাঝাকাল্লাহ

উত্তর : Natrum phos 30 ঔষধটি ১ ফোটা বা ৫টি বড়ি ১ বার খান । প্রয়োজন হলে দুয়েক দিন পরে পুণরায় খেতে পারেন ।

৩০৫. পান খাওয়ার নেশা দূর করার কোন মেডিসিন আছে ?

উত্তর : পান খাওয়ার নেশা মানে তামাক-জর্দার নেশা । এটা তামাক থেকে তৈরী Tabacum ঔষধটি খেলে চলে যাবে । রোজ রাতে ৫ বড়ি করে ১৫ দিন খেতে পারেন ।

৩০৬. which medicine work best for gynocomastia?

৩০৭. ইয়াবা , গাঁজা , ভাং , মদ ইত্যাদির প্রতি আসক্তি নির্মূলের কোন উপায় থাকলে তা বাতিয়ে দিন । বর্তমানে এই মাদকাশক্তি এ দেশের জন্য একটা ভয়ঙ্কর সমস্যা ।

উত্তর : ইয়াবার জন্য Avena sativa Q আর গাজার জন্য Cannabis indica Q ঔষধটি খেতে পারেন । নিম্নশক্তিতে রোজ ২ বার করে খেতে পারেন ।

৩০৮. ডাক্তার ভাই সালাম রইল। আমি কেন্ট রেপার্টরী বুঝি। কিন্তু সিনথেসিসের এই পদ্ধতি বুঝি না। এখানে লাল গোলাকার চিহ্নিত শব্দগুলো সাবরুব্রিক ? এগুলো মাইন্ড রুব্রিক পাশে না লিখে পরে লিখল কেন ? একটু বলবেন দয়া করে । ধন্যবাদ।

উত্তর : এখানে গুরুত্বের দিক থেকে লাল রেমিডিগুলো প্রথম শ্রেণীর, নীলগুলো দ্বিতীয় শ্রেণীর এবং সবুজগুলো তৃতীয় শ্রেণির বুঝানো হয়ে থাকে ।

৩০৯. amar wife assa ami 4 mas holo biya kora si

amar wife ar satha milonar somoi 5 munit thaki…amar porosottow ki thik assa – na problem?aktow sochoton hota chai………sothik ta janta chai………answear ta diban.

tin bala kowya daowya savabik.paikhana -posrab clear. body ta kom enargey pai kanow? sir line ya thakla homio prescription din kosi hotam.

উত্তর ঃ Sabal serrulata Q ঔষধটি রোজ রাতে ২০ ফোটা করে আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন ১৫ দিন ।

৩১০. অাছ ছালামুঅালাইকুম,,, স্যার অামি অাপনার কাছে সপ্তাহে একদিন করে হমিও সেবা শিখতে চাই,,,অামিও মানুষকে অাপনার মত ফ্রী সেবা দিতে চাই।

৩১১. স্যার,আসসালামু আলাইকুম। সিফিলিস সমস্যার জন্য আমাকে *কেলি আয়োড* খেতে বলেছেন। তিন বছর হয় বিয়ে করেছি, বাচ্ছার বয়স ১ বছর পূর্ন হয়েছে। ওর প্রায়ই বিচি ফোঁড়া হয়,স্বাস্হ্য শুকনা। তাছাড়া আমার wife এর নাকে পলিপাস। জানতে চাচ্ছি আমি কেলি আয়োড কতদিন, কত শক্তি এবং আমার wife ও মেয়েকে কোন কোন ঔষধ, কি মাত্রায় ব্যবহার করব? দয়াকরে বিস্তারিত জানাবেন।

উত্তর : সিফিলিস রোগীরা যে-কোন রোগে আক্রান্ত হন সাধারণত Kali iodatum এবং Aurum metallicum ঔষধ দুটির কথা প্রথমে চিন্তা করবেন । নিম্নশক্তিতে দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে পারেন । অবশ্য অন্য কোন ঔষধের লক্ষন পরিষ্কার দেখা গেলে, সেটিও ব্যবহার করতে পারেন । সিফিলিস রোগীর সন্তানদের বেলাতেও একই কথা প্রযোজ্য ।

৩১২. স্যার, আস্সালামু আলাইকুম। আমি …, বয়স ৩১। আমার সমস্যা পায়খানায় কোথ দিলে প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে প্রচুর আঠালো সাদা পদার্থ বের হয় উত্তেজনা ছাড়া। এটা কি ক্ষতিকর? এর সমাধান কি জানালে কৃতজ্ঞ থাকব। উল্লেখ্য প্রস্রাবের আগে পরে বা অন্য কোন সময় এমনটি হয়না। শুধুমাত্র পায়খানায় কোথ দিলে হয়।

উত্তর : এগুলো কোন রোগ নহে, কাজেই কোন চিকিৎসার দরকার নাই । বিয়ে করুন এবং সহধর্মিনীর সাথে বসবাস করুন, সমস্যা চলে যাবে । পাশাপাশি তেল-চর্বি জাতীয় খাবার বেশী খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা বর্জন করুন ।

৩১৩. baiya babur mukha soto soto fora hoicha baiya ki medecin khabo. baiya babur (age 25 days) aro akta problem asa. bumi kora, pat fapa, hagu kora na dui din. khub moramuri kora. bumi khoar satha satha o kora abar doi doi kora. ki kora jai?? pls suggest me.

উত্তর : Natrum mur 30 ঔষধটি একদিন ৫টি বড়ি খাওয়াইয়া দিবেন । তিন দিনের মধ্যে সমস্যা না গেলে Silicea 30 ঔষধটি একদিন ৫টি বড়ি খাওয়াতে হবে ।

৩১৪. Sir ..amr west bengal er kolkata …ami muslim…age 25+, ….sir..ami milon er 30 sec er moddhe amr birjo poton hoye jay …plz sir aapni help korun …plz sir….sir ektu personally dekhun sir ..plz

315. Hello Dr. Asalamwalekum, I m one of the admirer of yours. I read your blogs on homeopathy treatments and it’s very helpful. Even I have tried some of it and believe me its remarkable effective. Thank you so much. You r doing a great for humanity. Even I tell others to read your blogs. I came here with a problem and I m very hopeful that you will help me out.
My brother in law, now is 42yrs ,at his age of 20 had tingling sensations on the left side of his body that somehow effect his movement and balancing. He had gone through the different treatment for a long and finally diagnosis that some nerves near nake succumbed between bones as a result no proper information transfer between the brain and the body parts. After successful operation when one side of the bone cut down and replaced by plate. Its completely ok. But after few years same problem arises. They again go for the diagnosis and doctor told everything is normal to advice to carry on physio therapy. But it goes worsen. And now he is unable to move without any persons support. All his extremities r numb along with hands and legs. He can’t grip anything. Plz plz plz plz help me

Answer : Ruta graviolens 6 take this homeopathic medicine 1 drop or 5 pills 2 times daily for 6 months.

316. Sir. my wife requires to go for urinal frequently and she cannot stop. she has no control on bladder.kindly suggest some homeopathic medicines for her. Thanks

Answer : Cantharis 30 take this homeopathic medicine 1 drop or 5 pills 2 times daily for 3 days.

317. sir advice medicine for arotic valve calcific severe heart 68%

Answer : Silicea 6x take this homeopathic medicine 5 pills 2 times daily for 3 months.

318. Asalam o Alykum,
Sir I M Thalaseemia major patient 16yr old want to be cure as my spleen is enlarged about 14.5 cm help me sir in detail !

Answer : I have a prescription for thalassemia patients in my blog. Follow it or consult a local homeopathic doctor.

৩১৯. আস সালামু আলাইকুম |কেমন আছেন? দয়াকরে আমাকে একটু জানাবেন কি?কাঁচা রসুন সেক্স এর কোন্ ক্ষতি করে কিনা?অনেকে বলে থাকেন ইহা সেক্স এর ক্ষতিকরে সঠিকটি জানালে উপকৃত হতাম |

উত্তর : আমার জানা মতে, পেয়াজ-রসুন যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে । পাশাপাশি রোজা বা খাদ্য-নিয়ন্ত্রণেও যৌনশক্তি বৃদ্ধি পায় ।

৩২০. শনিবারে পেটের সমস্যায় চারবার পাতলা পায়খানা হয়েছিল এর পরে গত তিন দিনে মলের কোন বেগ নাই কি মেডিসিন খাব

উত্তর : কোন ঔষধ খাওয়া লাগবে না । গোডাউন পুরোপুরি খালি হয়ে যাওয়াতে আপাতত কিছূ দিন পায়খানা হবে । গুদাম আস্তে আস্তে ভরে গেলে আবার মলত্যাগ শুরু হয়ে যাবে । দুঃশ্চিন্তার কিছু নাই ।

৩২১. আমার সাইনুসাইটিস সমস্যা। নাকে মাংস বৃদ্ধি পেয়েছে। শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয় । মাথা অনেক ব্যথা করে। সমস্ত মাথা কামড়ায়। বিশেষ করে মাথার পেছনের সাইড বেশি কামড়ায়। তখন মনে চায় মাথার চুল ছিড়ে ফেলি,মাথা ভেংগে ফেলি । হাত পানিতে ভিজিয়ে মাথা মুচলে সাময়িক আরামবুদ করি । এলোপ্যাথি নাক কান গলা বিশেজ্ঞ দেখিয়েছিলাম, ঔষধ দিয়েছিলো এক মাসের, খেয়ে ভালো ছিলাম মাস খানেক । এখন আগের মত অবস্থা । আবার গিয়েছিলাম ডাঃ বলে অপারেশন করা লাগবে । আমি আর কোন অপারেশন করাতে চাইনা । পায়খানা বেশীর ভাগ সময় কষা থাকে । পায়খানা করার সময় অনেক কষ্ট হয় পেট মুচড়ায় । পায়খানা করতে অনেক সময় লাগে । রক্তে এলার্জির মাত্রা পজিটিভ । শরীর অনেক চুলকায়, বিশেষ করে পায়ের পাতা থেকে গোড়ালির উপরিভাগ । চুলকালে গোটা হয়ে যায় । পায়ের আংগুলের চিপায় ঘা আছে, অনেক চুলকায়, চুলকানোর সময় আরাম লাগে, পড়ে জ্বলে এবং অসস্থি লাগে, ৬/৭ বছরের পুরোনো । শীত আসলে দুই হাতের তালুর চামড়া উঠে এবং চুলকায় । ঠোট সব সময় শুকিয়ে থাকে । পানি খাওয়া সত্বেও গলা শুকিয়ে থাকে । শরীরে সবসময় জ্বর জ্বর ভাব থাকে । বিশেষ করে মাথার সামনের অংশ (সমস্ত মুখ-মন্ডল) বেলা যত বাড়তে থাকে জ্বর ভাব তত বাড়তে থাকে আবার বেলা যত কমতে থাকে জ্বর ভাব তত কমতে থাকে। থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর মাপলে জ্বর ৯৬ থেকে ৯৮ ডিগ্ৰি । প্রায় ৬ বছর আগে ডান চোখে ছানি পড়ার কারণে অপারেশন করে চোখে লেন্স লাগানো হয়েছে । চশমা ব্যবহার করতে হয় । এখন চোখ জ্বলে মাঝে মাঝে পানি বেরোয়। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠলে চোখ থেকে আঠালো পুঁজ বেরোয় । তখন চোখ জ্বালা যন্ত্রনা করে । কুট কুট করে কামড়ায় । মাঝে মাঝে মনে হয় চোখে যেন কিছু আছে । ডাঃ বলেছে, চক্ষে ময়লা জমেছে । চক্ষু লেজার (ওয়াশ ) করতে হবে । এখন এলোপ্যাথি ডাঃ দেখাতে ভয় লাগে । কারণ ঔষধ খাই রোগ ভালো হওয়ার জন্য কিন্তু রোগত পুড়োপুড়ি ভালোই হয়না আরো অন্যন্যা সমস্যা দেখা দেয় । অনেকবার এলোপ্যাথি চক্ষু বিশেজ্ঞ দেখিয়েছিলাম । ড্রপ দিয়েছিলো, ড্রপ যতদিন দেই ততদিন ভাল থাকি, না দিলে আগেরমত হয়ে যায় । আর চশমাতো বার মাস ব্যবহার করতেই হয়,কারণ,চশমা ছাড়া কাছের জিনিস ঝাপসা দেখি।

উত্তর : Iodium Q ঔষধটি ২০ ফোটা করে রোজ ২ বার খাবেন ১ বছর (আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে) ।

৩২২. স্যার, কেমন আছেন ? ব্যার্থ প্রেমিক, যার বার বার প্রেমিকার কথা মনে পড়ে* মনে কষ্ট লাগে* কি ঔষধ দিব ?

উত্তর : নতুন ঘটনা হলে Ignatia amara 200 আর পুরাতন ঘটনা হলে Natrum muriaticum 200 ঔষধটি খেতে হবে । একবার খাওয়াই যথেষ্ট ১ ফোটা অথবা ৫টি বড়ি । তবে প্রয়োজন হলে কিছুদিন পরপর পুণরায় খেতে পারেন ।

৩২৩. স্যার,আচ্ছালামু আলাইকুম। আমার মেয়ের বয়স ৪, গোসল এর সময় কিছুকাল আগে পানি যায়, এখন প্রচুর চুলকায়, ভিতরে পুজ এবং বাইরে পুজের প্রভাবে ক্ষতের সৃষ্টি,এবং ব্যাথা আছে। মেহেরবাণী করে লক্ষণ অনুযায়ী যদি ঔষধ বলতেন,তাহলে উপকৃত এবং কৃতজ্ঞ হতাম। জাঝাকাল্লাহ।

উত্তর : Merc corvis 200 ঔষধটি ১ দিন খাওয়াবেন ১ ফোটা অথবা ৫ বড়ি ।

৩২৪. sir amar nake dns (deviation of nasal septum) problem chilo.goto bocor operation koraici.kicodin valo chilo kinto abar somossa dekha dice.sara bocor thanda lege thake.naker vitor khoil hoy,nissas nite kosto hoy.ki kora

উত্তর : Aurum metallicum 1x ঔষধটি রোজ রাতে ১ চিমটি করে খাবেন ৬ মাস ।

৩২৫. Dear Sir, hope you are fine and doing your best. How i can get radar software. Is any link to download this. Or is there any CD available of crack version?

উত্তর : এগুলো তো সিডি মার্কেটে পাওয়া যায় । চট্টগ্রামে না পেলে ঢাকায় খোঁজতে পারেন ।

৩২৬. Sir amar varicocele rog-e vugsi 2 year dhore…amar problem ondo kos-e rog gula fule jay..onek betha kore ami 2 year shore Homio medicin khacchi but medicin khele fula kom thake betha kore na medicn bondho korlei abar rog fula fule jay r betha kore…ei roger ki permanet koto solution na? Plz amake help koren. Amar age 26

উত্তর : Aurum metallicum 1x ঔষধটি ১ চিমটি করে প্রতিদিন দুইবেলা করে খাবেন ৬ মাস ।

৩২৭. স্যার! আমার মলদ্বারের সামনে,ডানে বায়ে এবং এন্ডো কোষে দাউদ এর মত চর্ম পিড়া অনেক দিন যাবত কিছুতেই উপসম হচ্ছেনা। লক্ষনঃ মলদারের পাশে হাত দিলে কাটার মত বিধে,মাঝে মাঝে একদম শুকিয়ে যায়,এবং এন্ডো কোষ ও শুখানে অবস্থায় হাত দিয়ে খুড়লে ক্ষতের আবারন পড়ে যায়, সেই সাথে চুলকানি আছে বিঃদ্রঃ নিচে এমন অবস্থা হয়েছে যে, অবাঞ্চিত লোম কাটতে পারছিনা সেখানে চাকা দাউদ এর জন্য তার কারন।

উত্তর : ‍Silicea 50M ঔষধটি একদিন খাবেন ১ ফোটা অথবা ৫ বড়ি । ১ মাসের মধ্যে উন্নতি না হলে আরেকবার খেতে পারেন ।

৩২৮. আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন ? স্যার আমি একটা সমস্যা নিয়ে আপনাকে মেসেজ করতেছি, বিয়ে করেছি ৯ বছর হলো আমার দুই ছেলে, আমি প্রবাসে থাকি প্রতি বছর দেশে যাই চার মাস থাকি, ইদানিং সেক্সুয়াল প্রবলেম ফেইস করতেছি।দ্রূত বীর্যপাত হচ্ছে, আশা রাখি সঠিক পরামর্শ দিবেন।

উত্তর : Nux vomica Q ঔষধটি রোজ রাতে ২০ ফোটা করে খাবেন ১ মাস (আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে)।

৩২৯. স্যার দীর্ঘদিন টনসিলের সমস্যায় ভুগেছি। আপনার পরামর্শ মতে বেসিলিয়াম ২০০ ঔষধ টি খাবার পরে আল্লাহর রহমতে এখন অনেক ভালো আছি। কিন্তু সবসময় মনে হয় গলার মাঝে কিছু একটা আটকে আছে। কোন ব্যাথা নেই।গরম খাবার পছন্দ করি।শীত কাতর।রাগ বেশী কিন্তু সবার সাথে ভালো ভাবে মিলেমিশে চলার চেষ্টা করি।মিষ্টি খাবার পছন্দ করি ভাত খাবার পরে। প্রতিদিন গোসল করি যত শীত থাকুক। আপনার পরামর্শের অপেক্ষায় থাকলাম।

৩৩০. assalamuwalaykum. sir ame ekto tension korle mathar upor chap sisti hoy. majhe majhe jontrona kore batha o kore. akhon ki ousod khabo sir please bolen sir. or solve it. please

উত্তর ঃ Avena sativa Q ঔষধটি ২০ ফোটা করে রোজ ২ বেলা করে খান ১ মাস আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে ।

৩৩১. ভাইয়া, আমার বয়স ৩০, বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারে আছি । আমার সমস্যা হলো সারাক্ষন মাথা ঘুরায় । গত ছয় বছর যাবত এই সমস্যায় ভুগছি । সাধারণত চুপচাপ থাকলে মাথা ঘুরায় বেশী, কিন্তু কাজেকর্মে থাকলে কম ঘুরায় । আমার দুই বছরের একটি ছেলে আছে । তবে আমার গর্ভকালীন সময় আমার এই মাথা ঘুরানোর সমস্যাটি চলে গিয়েছিল, এখন আবার ফিরে এসেছে । শিশুকালে আমার বাবা ইন্তেকাল করেন । ফলে আমার জীবনটা নানারকম টেনশানে কেটেছে । অনার্স-মাস্টার্স এবং বিসিএস পাস করার জন্য আমাকে অনেক রাত জেগে পড়াশোনা করতে হয়েছে । ফলে আমার ঘুমের সমস্যাও আছে অনেক বছর যাবত, সাধারণত রাত ২টা ৩টার আগে ঘুম আসে না । আমি অনেক বছর এলোপ্যাথি-হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করেছি কিন্তু আমার মাথা ঘুরানোর সমস্যাটি ভালো হয়নি । হোমিও ডাক্তাররা আমাকে ক্যালকেরিয়া ফস, জেলসেমিয়াম ইত্যাদি ঔষধ দিয়েছিলেন ।

উত্তর : ‍Acidum picricum 30 ঔষধটি একদিন খাবেন ১ ফোটা অথবা ৫ বড়ি । কাজ না হলে কিছুদিন পরপর আরো দুয়েকবার খেতে পারেন ।

৩৩২. আস্সালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।।আমাক­­কে দয়া করে জানাবেন,,,আমি ১০ দিন যাবৎ পাইখানা করতে পাইখানার রাস্তায় জালাপুরা অনুভব করছি,,,, আর দুইদিন পরপস আমার পাইখানা হয়,,,,আমি যখন পানি ব্যবহার করি তখন হাতের আঙ্গুল দিয়ে গশা দেওয়ার সময় জালাপুরা করে,,,,,এখন আমি হোমিওপ্যাথিক কি ওষুধ খেতে পারি,,,আমি কিন্তু কোন ঔষুধ খেয়ে অব্যস্ত নয়,,

উত্তর : Natrum sulph 30 ঔষধটি একদিন খাবেন ১ ফোটা অথবা ৫ বড়ি । কাজ না হলে কিছুদিন পরপর আরো দুয়েকবার খেতে পারেন ।

৩৩৩. আমার বয়স ২৪ । আমার এতটুকু বয়সে আমি প্রচুর পরিমাণে হস্তমৈথুন করেছি। যে কারণে নব বিবাহিত জীবনের প্রথমেই আমি কঠিন বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছি যেটার কু-প্রভাব সম্পর্কে এতোদিন আমি কল্পনাও করতে পারিনি। আমার সল্প সময়ের মধ্যেই বির্য আউট হয়ে যায়। খুব মানসিক টেনশনে আছি স্যার। দয়া করে এ কঠিন বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় বা পরামর্শ দেন তবে ছোট ভাই হিসেবে চির কৃতজ্ঞ থাকবো।

উত্তর ঃ স্যাবাল সেরুলেটা (Sabal serrulata Q) এবং অরিগ্যানাম (Origanum marjorana Q) ঔষধগুলো সাতদিন সাতদিন করে একটার পর আরেকটা এভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খাবেন, রোজ রাতে ২০ ফোটা করে আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে ।

৩৩৪. স্যার, আমার আম্মাজানের চার বছর আগে হার্টের একটি ভাল্ব উয়িক হয়ে যায়, তিনি হাই বি পি এবং মেরুদণ্ডেরর হাড় ক্ষয় রোগেও ভুগছেন। একজন কার্ডিওলজি তাকে আজীবন কপিডগ্রেল জাতীয় ট্যাব খেতে বলেছেন, আম্মজানের খাবার রুচি খুব কম, গ্যাস, পেটফাপা, ক্ষুধামন্দা, কোষ্ঠকাঠিন্য লেগেই থাকে। আপনি হার্টের উয়িক ভাল্ব ও হাড়ক্ষয় রোগের জন্য কিছু পরামর্শ দিন।।।।যাযাকাল্লাহু খাইরান।

উত্তর : Nux vomica Q ঔষধটি রোজ রাতে ২০ ফোটা করে খাবেন ১ মাস (আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে)।

৩৩৫. পিত্ত পাথরের জন্যে খুবই ব্যাথা হয় । এখন আমি কি করবো পাথরের সাইজ 5

উত্তর : Cholesterinum 3x ঔষধটি ১ ফোটা অথবা ৫ বড়ি করে রোজ ৩ বার করে খান যতদিন প্রয়োজন হয় ।

৩৩৬. স্যর আমি আর্সেনিক ও কেলিবাইক্রম খাচ্ছি।কাশি,সর্দি,ও শ্বাসনালীর তীব্র ইরিটেশনের জন্য। মাঝে ভালো ছিলাম এখন উচ্চ শক্তির ঔষধ খাচ্ছি কিন্তু রোগ কমেনা।এখন কি করবো?

উত্তর : Nux vomica 3x ঔষধটি ১ ফোটা অথবা ৫ বড়ি করে রোজ ৩ বার করে খান ৭ দিন ।

৩৩৭. স্যার আমার এক ভাই ভোর রাত থেকে অজ্ঞান হয়ে বিছানায় পরে আছে। চোখ গুলো শুধু মিট মিট করছে আর কোন লক্ষ্যন নেই। মাঝে মাঝেই এমন হয়। স্যার এখন রোগীর জ্ঞান আসছে না । এমন কোন ঔষধ আছে যাতে করে রোগীর জ্ঞান ফিরে আসে ?

উত্তর : অচেতন রোগীদেরকে জিংকাম মেট (Zincum metallicum) দিতে হয়। যে-কোন শক্তিতে ১ ফোটা অথবা ৫টি বড়ি খাওয়ান, ফোটের ভিতরে দিয়ে রাখলেই হবে । তবে ভুলেও এক মাত্রার অর্থাৎ এক বারের বেশী দিবেন না। সে যাক, আপনার ভাই সম্ভবত মৃগী রোগে আক্রান্ত, তাকে কোন হোমিও ডাক্তারের অধীনে চিকিৎসা নিতে বলবেন ।

৩৩৮. স্যার আমার স্ত্রীর সন্ধার পর থেকেই মাথা ব্যাথা হতে থাকে এবং কাসি বারতে থাকে। ওর বাম পাশের গালে সবসময় ব্রন থাকে।কিন্তু ডান পাশে নেই।ব্রনগুলো প্রথমে লাল হয় এবং তাতে প্রচন্ড ব্যাথা থাকে। পরে সেগুলো থেকে সাদা পুজ হয় এবং আরো পরে চালের মত শক্ত কিছু বের হয়।ওর মন খুব নরম,খুব সহজেই কান্না করে,খুব অল্পতেই অনেক সন্তুষ্ট, শরীরে খুব ঘাম হয় কিন্তু শীত কাতর। ওর কোমরেও প্রায় সময় ব্যাথা থাকে। আপনার পরামর্শ চাই।

উত্তর : Calcarea carbonica 50M ঔষধটি একদিন খাবেন ১ ফোটা অথবা ৫ বড়ি । কাজ না হলে ১ মাস পরপর আরো দুয়েকবার খেতে পারেন ।

৩৩৯. Vaia amr salam niben. apnk aktu bisas proyojon a birokto korchi. amr cousin ar sala age 2 years 9 mon. ak bosor jabot gara aktu uchu ki jano hoisa. ora PG te dakhaechilo bolsa TB hoisa boro hola operation korta hoba. homeo khachilo kono kaj hoyni boron barsa. Akn apnar suggestion chai. ki kora jai. Thanks

উত্তর : Bacillinum 200 ঔষধটা ১ ফোটা বা ৫ টি বড়ি খাওয়াবেন ২ মাস পরপর একবার । আর Alfalfa Q ঔষধটা প্রতি মাসে ১৫ দিন খাওয়াবেন প্রতিদিন ১০ ফোটা করে অর্থাৎ ১৫ দিন খাওয়াবেন এবং ১৫ দিন বন্ধ রাখবেন এভাবে ৬ মাস (আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে) ।

৩৪০. খাবার রুচি ভাল, কোষ্ঠকাঠিন্য আছে,খাই কিন্ত সাস্থ্য হয়না। দয়াকরে কিছু মেডিসিন প্নেসক্রাইব করুন।মোটা হবার জন্য কিছু পরামর্শ দিন। ( আমি বিবাহিত)

উত্তর : মোটা হওয়ার মধ্যে ক্ষতি ছাড়া কোন উপকার নাই । আর বিয়ে করলে এমনিতেই অনেকে মোটা হয়ে যায় । সে যাক, Thyroidinum 1x ঔষধটি ৩ দিন পর পর একটি বড়ি খাবেন । এভাবে ৩ মাস বা আরো বেশী দিন খেতে পারেন ।

৩৪১. sir আসআসসালামু আলাইকুম। রোগীর বয়স ৭০ মহিলা।। ঘন ঘন পস্রাব হয় সারা জীবন ধরে।।এলোপ্যাথি চিকিৎসা করছে অনেক ভাল হয় নি।। মহিলারর বাচ্চা হওয়ার সময় নাকি ডাক্তার ভুল করে প্রসাব,যে জায়গায় জমা হয় সেটা কেটে ফেলছে এটা মহিলা বলল। এই রোগীরর জন্য কি কোন ওষধ আছে

৩৪২. স্যার আমার হস্তমৈতুন এর কারনে পেনিস ছোট হয়ে গেছে চিকন নিস্তেজ অবস্থায় শক্ত হয়ে থাকে।চামড়া কুঁচকে গেছে।। আরেকটি প্রব্লেম হচ্ছে প্যান্ট পড়লে লিঙ্গ এ জিঞ্জির ধরে। শক্ত জায়গায় পা একটু ভাজ করে বসলে পাছার ডান দিক থেকে অন্ডথলির নিচ পর্যন্ত অবশ হয়ে পড়ে।। রক্ত চলাচল এ সমস্যা মনে হচ্ছে। স্যার পাছার সাথে লিঙ্গ এর কোন রগ কি যুক্ত আছে।

উত্তর ঃ ফসফরিক এসিড (Acidum phosphoricum Q) এবং আলফালফা (Alfalfa Q) ঔষধগুলো সাতদিন সাতদিন করে একটার পর আরেকটা এভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খাবেন ৩ মাস, ২০ ফোটা করে রোজ ২ বেলা হিসাবে আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে ।

৩৪৩. ভাই আমি একজন হোমিও ডাক্তার । পনের দিন আগে ১২ ঘন্টা ট্রাফিক জ্যামে আটকা পড়েছিলাম । তারপর থেকে কোমড় ব্যথা শুরু হয়েছে । এখন গাড়িতে উঠলেই এমন ব্যথা হয় মনে হয় জান বেরিয়ে যাবে । ভাই “গাড়িতে চড়লে কোমড় ব্যথা বৃদ্ধি” এই রুব্রিকে কোন ঔষধ আছে কি ?

উত্তর : ডাক্তার সাহেব, আপনার চিন্তাধারা তো ভুল পথে চলে গেছে । গাড়িতে চড়লে আপনার কোমড়ে নড়াচড়া হয় এজন্য কোমড় ব্যথা বেড়ে যায় । কাজেই গাড়িতে চড়া নয় বরং এটা হবে নড়াচড়াতে বৃদ্ধি । সুতরাং নড়াচড়াতে বৃদ্ধি লক্ষণে আপনি Bryonia alba ঔষধটি খান । আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে ।

৩৪২. আসসালামু আলাইকুম। স্যার কেমন আছেন ? স্যার আমি DHMS 1st ইয়ারের ছাত্র। স্যার আমাকে ভাল কোন মেটেরিয়া মেডিকা বই এর নাম বলুন যাতে আমি ভাল করে শিখতে পারি। এছাড়া চিকিৎসা বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে নিজের জ্ঞান কে সমৃদ্ধ করতে পারি।

উত্তর : ক্লার্কের মেটেরিয়া মেডিকা পড়েন, মনে হয় বাংলা একাডেমী ছেপেছে । মার্কেটে না পেলে কেন্টের মেটেরিয়া মেডিকা পড়তে পারেন । আমি অবশ্য ছোটখাটো লেখকদের লেখা মেটেরিয়া মেডিকা পড়া সমর্থন করি না, কেননা এতে হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে বিকৃত ধারনার সৃষ্টি হতে পারে । আমার মতে হোমিও বিজ্ঞানীদের লেখা বই পড়াই নিরাপদ, যেমন- হ্যানিম্যান, হ্যারিং, এলেন, কেন্ট, ক্লার্ক, বার্নেট, বোরিক, বোগার, বনিংহুসেন, লিপি, ফ্যারিংটন, ন্যাশ প্রভৃতি ।

৩৪৩. স্যার আমার বয়স ২২,উচ্চতা ৫ফিট সাত ইঞ্জি,গায়ের রঙ স্যাম বরনের।আমি প্রায় নেটে পরন দেখে হস্তম্যথুন করি। পরন নেটে দেখার সময় অনেক উত্তেজিত হতাম আর মাথার ভিতর প্রচুর লাফাত আর ভিডিও চলা মাঝে মাঝে আটকে জেত জা মাথার লাফানিটাকে আরু বাড়িয়ে দিত।এখন কোন কারনে এক্টু উত্তেজিত বা এক্সাইটে্ড হলেই মাথায় অস্থিরতা বেড়ে জায় মনে হয় মাথা টাকে সজুরে নারাতে আর শরিল ও কাপা শুরু হয়।আমি কারু চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পাড়ি না বিশেষ করে মেয়েদের চোখের দিকে ত চোখ নিতেই পাড়ি না।কারু সাথে রাগারাগি করে কথা বলতে গেলে কথা গুলিয়ে ফেলি কথা জরিয়ে জায়।নাকের সমস্যা আছে। কিছুদিন আগে Aurum metallicum সি এম এক ফুটা খেয়েছিলাম তাও প্রায় এক মাস আগে।কোথাও অপ্রিচিত সবার সামনে কথা বলতে পাড়ি না কিন্তু বন্ধুদের সাথে অনেক মজা করি তখন কোন সমস্যা হয় না।সমস্যা গুলর জন্ন সাহাজ্জ চাচ্ছি

উত্তর : China officinalis 3x ঔষধটি ১০ ফোটা হিসাবে রোজ দুই বার করে খান ১৫ দিন এবং তারপরে Avena sativa Q ঔষধটি ২০ ফোটা করে রোজ ২ বার করে খাবেন ১ মাস (আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে) ।

৩৪৪. ঘন ঘন বেশি মাত্রায় ঔষধ প্রয়োগে কি রোগীর ক্ষতি হবে ?

উত্তর : ঘন ঘন বেশী মাত্রায় ঔষধ খেলে দেহ-মনে সেই ঔষধের প্রুভিং (পরীক্ষা-নিরীক্ষা) হয়ে যাবে যদি তার লক্ষণের সাথে মিল না থাকে । হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা যেভাবে তাদের শরীরে সকল ঔষধের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে গুণাগুণ আবিষ্কার করতেন । এই কাজের বিপদ হলো যে-সব রোগ শরীরে নাই, ঔষধটি সে-সব রোগ শরীরে সৃষ্টি করে দিবে । ফলে এগুলো দূর করতে আবার অন্য ঔষধ খেতে হবে ।

৩৪৫. আচ্ছালামু আলাইকুম ভাইজান। আমার জন্যই লিখছি।প্রায় ৬/৭ মাস থেকে বাম হাঁটুর ব্যাথায়।কষ্ট পাচ্ছিলাম। গত কএক দিন থেকে খুব কষ্ট হচ্ছে।ছি আর পি হাস্পাতালে টেস্ট করালাম, হাটু তে ক্ষয় শুর‍্য হয়েছে। ৮৭/৮৮ সালে আঘাত পেয়ে ছিলাম ওখানেই। আর রক্তে ইউরিক এসিড ৯% ! ৭ % হলে নরমাল। যাহোক কিডনিতে ওঅল্প একটু সমস্যা। বায়াম শুরু করেছি।এলোপ্যাথিক ঔষূধ খাচ্ছি।এক সপ্তাহ, আপ্নার পরামর্শ আর হোমিও ঔষূধ কি খাব। এলোপ্যাথিক বাদ দিয়ে দেব। দয়া করে জানাবেন ভাই। শরীর খুব দুর্বল, সাথে মন টাও।

উত্তর : Ruta graviolense 6 ঔষধটা ১ ফোটা বা ৫ বড়ি করে প্রতিদিন ২ বেলা হিসাবে ১৫ দিন খান । তারপর Thlaspi bursa pastoris Q ঔষধটা ১০ ফোটা করে রোজ ২ বার করে খাবেন ১ মাস, আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে ।

??


Leave a comment

ক্ষুদ্র ভূখণ্ডের সেই শাসক ইমাম ম াহদীর সৈন্য বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ ্ধ করবে

“মেরুদণ্ডের সর্বশেষ হাড়ের চেয়েও ছোট হাড়ের ন্যায় একটি ভূখণ্ড যুদ্ধের কারণ হবে। সারা বিশ্ব তার জন্য এমনভাবে একত্র হবে যেন সেই ক্ষুদ্র ভূখণ্ড বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ভূখণ্ড আর তাকে পাওয়ার জন্য সারা বিশ্ব এক হয়েছে। সেই ক্ষুদ্র ভূখণ্ডের শাসক পৃথিবীর সকল ফিতনা সৃষ্টিকারী শাসকদের নেতার কাছে তার পতাকাকে সমর্পণ করবে, যে (ফিতনা সৃষ্টিকারী শাসকদের নেতা) কিনা সর্ব পশ্চিমের সুদূরবর্তী সমুদ্র উপকূলবর্তী ভূখণ্ড থেকে আসবে। আর তখন এটাই হবে শেষের (শেষ জামানার) শুরু যেহেতু সে (ক্ষুদ্র ভূখণ্ডের শাসক) গোটা বিশ্বের কাছে তার (ক্ষুদ্র ভূখণ্ডের) সাহায্যের জন্য আর্জি জানাবে। সে (ক্ষুদ্র ভূখণ্ডের শাসক) আবার তার সিংহাসন ফিরে পাবে আর এর মোকাবিলায় ইরাকের শেষ জামানা সম্পর্কিত ধ্বংস শুরু হবে। ক্ষুদ্র ভূখণ্ডের সেই শাসক ইমাম মাহদির সৈন্য বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে এবং সেই ক্ষুদ্র ভূখণ্ড আবার হুমকির সম্মুখীন হবে যেহেতু এর শাসক অনেক ফেতনার কারণ। ইমাম মাহদি এই (ক্ষুদ্র ভূখণ্ডের) শাসককে হত্যার নির্দেশ দিবে এবং সেই ক্ষুদ্র হাড়টি (ক্ষুদ্র ভূখণ্ড) মূল শরীরে (মূল ভূখণ্ডে) ফেরত আসবে”।(আসমাল মাসালিক লিয়্যাম মাহাদিয়্যা মালিকি লি কুল্লু-ইদ দুনিয়া বি ইম্রিল্লাহিল মালিক, লেখকঃ কালদা বিন জায়েদ বিন বারাকা)

১৯৯০ সালের ২ রা আগস্ট ইরাক কুয়েত (তাছাড়া কুয়েতি দিনার পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান নোট) দখল করে নেয় এবং ১৯ তম প্রদেশ হিসাবে ঘোষণা করে। ইরাক যুক্তি হিসাবে দেখায়, “Kuwait was a natural part of Iraq carved off as a result of British imperialism”।

একই দিন সর্ব পশ্চিমের সুদূরবর্তী সমুদ্র উপকূলবর্তী ভূখণ্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থানরত তৎকালীন কুয়েতি রাষ্ট্রদূত শেখ সাউদ নাসির আল সাবাহ মিডিয়াকে জানায়ঃ “We have appealed to all our friends around the world, including the USA, to come to our aid and assistance; we would like to have military assistance in order to survive.”

নানা ঘটনার পরিক্রমা পেরিয়ে ১৯৯১ সালের ১৭ই জানুয়ারি বোমারু বিমানের মাধ্যমে বাগদাদ নগরীর উপর বোমা বর্ষণের মাধ্যমে শুরু হয় ইরাককে কুয়েত ছাড়ার জন্য বল প্রয়োগ। ৩৪ টি দেশের পদাতিক বাহিনীর অংশগ্রহণে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী গঠন করা হয়। দেশসমূহঃ আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, বাংলাদেশ, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, মিশর, ফ্রান্স, গ্রীস, ইতালি, কুয়েত, মরক্কো, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নাইজার, নরওয়ে, ওমান, পাকিস্তান, পর্তুগাল, কাতার, দক্ষিন কোরিয়া, সৌদি আরব, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সিঙ্গাপুর, সিরিয়া, স্পেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইংল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্র নিজে। ১৫ ই ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ সালে পদাতিক আক্রমণ।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ সালে জোটের নেতৃত্বদানকারী সর্ব পশ্চিমের সুদূরবর্তী সমুদ্র উপকূলবর্তী ভূখণ্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাসক নেতা জর্জ বুশ কুয়েতকে মুক্ত ঘোষণা করে এবং ‘আল সাবাহ’ রাজ পরিবারকে সিংহাসন ফিরিয়ে দেয়। আর ইরাকের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের দ্বার উন্মুক্ত হয়। (আল্লাহু আ’লিম)
এটিকে চুড়ান্ত আক্বীদা হিসেবে নেয়া যাবেনা, কেবল একটি ধারনা নেয়া আর কি…..

Monsur Mehedi

??


Leave a comment

ইসলামে জীনা ব্যভিচারের শাস্তি রজম বা পাথর ছুড়িয়া হত্যা নহে বরং জনসম্মুখে বেত্রাঘাত

ইসলামে জিনা ব্যভিচারের শাস্তি পাথর ছুড়িয়া হত্যা নহে বরং জনসম্মুখে বেত্রাঘাত

পবিত্র কোরআনে একটি আয়াত আছে যাহা আজকের লেকচারের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ । ইহা আছে সুরা বাকারার ১০৬ নাম্বার আয়াতে, এই ব্যাপারে আপনাদের বাড়ি গিয়া কিছু হোমওয়ার্ক করিতে হইবে । আল্লাহ বলেন, “আমি কোন আয়াত রহিত করিলে অথবা বিস্মৃত করিয়া দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তাহার সমপর্যায়ের আয়াত আনয়ন করি”। কোরআন এখানে নাসখ (রহিত করা, বাতিল করা) সম্পর্কে আলোচনা করিতেছে । আল্লাহ এখানে বলিতেছেন যে, তিনি কখনও কোন আয়াত (ওহী, বাণী, আইন) রহিত করেন না, বাতিল করেন না, বিস্মিত করিয়া দেন না, ভুলাইয়া দেন না, তাহার সমান বা তাহার চাইতে উত্তম আয়াত প্রতিস্থাপিত না করিয়া, বদল না করিয়া । মানসুখ মানে একজন আরববাসী নহেন যিনি কুয়ালালামপুরে ব্যবসা করেন, মানসুখ মানে রহিত করা, বাতিল করা, বদল করা । কাজেই আপনাকে বিশেষত ওলামায়ে কেরামগণকে লক্ষ্য রাখিতে হইবে যে, যেই আয়াতকে যেই আয়াত দ্বারা বদল বা প্রতিস্থাপন করা হইয়াছে, তাহারা সদৃশ বা একই রকম হইতে হইবে অথবা একটি অপরটির চাইতে উত্তম হইতে হইবে কিন্তু কিছুতেই একটি অপরটির চাইতে বিপরীত, ভিন্ন বা সার্ঘষিক হইতে পারিবে না, পারিবে না, পারিবে না । অতএব সমান বা উত্তম হইতে হইবে । কাজেই আল্লাহ নাসখের (রহিত করা, বাতিল করা, বদল করা) প্রথম দৃষ্টান্ত স্থাপন করিতেছেন । তিনি কি বাতিল করিলেন ? তিনি পুরনো শারীয়াহর কিবলাহ বাতিল করেন । পুরনো শরীয়াহ আমাদেরকে কিবলাহ দিয়াছিল জেরুজালেম । তারপর নতুন শারীয়াহ আসিল, নতুন আয়াত নাজিল হইল, তাহাতে নতুন কিবলাহ করা হইল মক্কা শরীফ । কিন্তু মক্কা এবং জেরুজালেমের মধ্যে কোন সংঘর্ষ বা বৈপরীত্য নাই । কাবা শরীফ হযরত ইব্রাহিম (আঃ)-এর তৈরী আর মসজিদুল আকসা দাউদ (আঃ) সোলায়মান (আঃ)-এর তৈরী । কাজেই ইহাই হইল পন্থা পদ্ধতি যাহা ইব্রাহীম (আঃ)-এর ধর্মে আমাদেরকে জিনা ব্যভিচারের শাস্তির ব্যাপারে প্রয়োগ করিতে হইবে । খ্রিষ্টানরা বলে আমরা ইব্রাহীম (আঃ)-এর ধর্মের অনুসারী । ইহুদীরাও দাবী করে যে আমরা ইব্রাহীম (আঃ)-এর ধর্মের অনুসারী ।

আর কোরআন আমাদের নবীজি (সাঃ) -কে বলিতেছে যে, আপনি ইব্রাহীমের (আঃ) ধর্মের উপর প্রতিষ্টিত থাকুন যাহাতে কোন বক্রতা নাই । কাজেই তিন দলই নিজেদেরকে ইব্রাহীম (আঃ)-এর ধর্মের অনুসারী বলিয়া দাবী করে । সুতরাং আপনি যদি জীনা ব্যভিচারের শাস্তির বিষয়টি জানিতে চাহেন তবে এই পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে, আগের শরীয়াহতে ফিরিয়া যান । তারপর আসিল নাসখের (বদল করার, বাতিল করার) দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত । আপনারা জানেন প্রথম দিকে আমরা ইহুদীদের সাথে এবং তাহাদের শরীয়াহ অনুযায়ী রোজা পালন করিতাম, যেদিন তাহারা রোজা রাখিত সেদিন আমরাও রোজা রাখিতাম, সূর্যাস্ত থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাওয়া বন্ধ যৌনমিলন বন্ধ । তারপর আল্লাহ তায়ালা এই আইন পরিবর্তন করিয়া দিলেন এবং তাহার পরিবর্তে নতুন আইন নাজিল করিলেন । ফলে সমগ্র মদীনা আনন্দে উদ্বেলিত হইয়া উঠিল, মুসলমানদের আনন্দের সীমা রহিল না । কারণ ইহা ছিল আগের শরীয়াহর চাইতে উত্তম । আল্লাহ বলেন, “তোমাদের জন্য হালাল করা হইল রোজার রাতে তোমাদের নারীদের (স্ত্রী এবং অধিকারভুক্ত নারী) নিকট গমন করা” । পৃথিবীতে পুরুষদের জন্য সবচাইতে আকর্ষনীয় এবং সবচাইতে সুন্দরতম করিয়া যাহা সৃষ্টি করা হইয়াছে তাহা হইল নারী । এমনকি পিরামিডের চাইতেও সুন্দর, যদিও ম্যানহাটনে বসবাসকারী কেউ কেউ ভিন্ন মত পোষন করিতে পারেন (সমকামীগন) । “তাহারা তোমাদের পোষাক এবং তোমরা তাহাদের পোষাক (স্বরূপ)।” অর্থাৎ নারী-পুরুষ ভিন্ন ভিন্ন দলভুক্ত নহে বরং একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ (পোষাক) । এজন্য আমরা নারী-পুরুষ মসজিদের একই কক্ষে নামাজ আদায় করি, মসজিদে আমরা দুই জামাআত নহি । বিশ্বনবী (সাঃ) বলিয়াছেন, “নারীরা যখন সিজদায় যাইবে তখন পুরুষরা উঠিয়া না দাঁড়ানো পর্যন্ত তাহারা সিজদায় পড়িয়া থাকিবে” । আপনারা নিশ্চয় এই হাদীসটি কখনও শোনেন নাই, কারণ তাহারা এক একটা হাদীস ধরিয়া হিমাগারে পাঠাইয়া দেয় । রাসুলে করীম (সাঃ) বিষয়টি এভাবে ব্যাখ্যা করিয়াছেন যে, সকল পুরুষের লম্বা চওড়া জামা না ও থাকিতে পারে, সেক্ষেত্রে নারীরা যদি পুরুষদের আগে সিজদাহ হইতে মাথা উঠায় তবে অপ্রীতিকর দৃশ্য পুরুষদের চোখে পড়িবে । কাজেই পুরুষরা থাকিবে সামনের কাতারে এবং নারীরা দাঁড়াইবে পেছনের কাতারে । নারীরা পুরুষদের পেছনে নামাজ পড়িতে পারে কিন্তু পুরুষরা নারীদের পেছনে নামাজ পড়িতে পারিবে না ।

আপনি কি নারীদের পেছনে নামাজ পড়িতে পারিবেন ? পুরুষরা নারীদের পেছনে দাঁড়াইলে তাহাদের মনোযোগ নষ্ট হইয়া যাইবে, তাহারা কেবল নারীদের কথাই ভাবিতে থাকিবে, হা-হা-হা- । কাজেই পুরুষরা দাঁড়াইবে সামনে কাতারে এবং নারীরা দাঁড়াইবে পেছনের কাতারে ইহা প্রজ্ঞার সাথেই আল্লাহ নির্ধারন করিয়াছেন । “আল্লাহ জানেন তোমরা (অন্তরে) কি গোপন করিতেছিলে, সুতরাং তোমাদের প্রতি তিনি দয়ার দৃষ্টিতে তাকাইলেন । এখন তোমরা (রমজানের রাতে) নারীদের নিকট গমন কর এবং কামনা কর আল্লাহ তোমাদের জন্য (সন্তান-সন্ততি) যাহা লিখিয়া রাখিয়াছেন”। সুতরাং সিয়ামের নতুন বিধান নাজিল হইল, ফলে আমরা সবাই আনন্দিত হইয়াছিলাম । কারণ ইহা ছিল পূর্ববর্তী বিধানের চাইতে অনেক সহজ অনেক উত্তম । কাজেই দয়া করিয়া কোরআনে খুঁজিতে যাইবেন না যে, ইহা কোন আয়াতকে বাতিল রহিল করিল । ইহা চরম নির্বুদ্ধিতার কাজ, ইহা চরম ভুল পন্থা পদ্ধতি । কারণ ইহা বাতিল রহিত করিয়াছিল পূর্ববর্তী কিতাবের আয়াতকে ।

আমি যখন করাচি, পাকিস্তানের আলীমিয়া ইনিস্টিটিউট অব ইসলামিক স্টাডিজের ছাত্র ছিলাম, আপনারা জানেন ক্লাশে অনেকেই ঘুমাইয়া পড়েন বিশেষত পেছনের সারিতে যাহারা বসেন । কিন্তু আমি ঘুম থেকে হঠাৎ লাফাইয়া উঠিলাম, কারণ আমার শিক্ষক সুরা নুরের ব্যাখ্যায় একটি হাদীস দিয়া বলিতেছিলেন যে, এখানে একটি আয়াত ছিল যাহা রহিত হইয়া গিয়াছে…….. । আমি প্রকাশ্যে বলি নাই কিন্তু মনে মনে বলিলাম, কি সব ফালতু কথা…….একটি আয়াত ছিল যাহা রহিত হইয়া গিয়াছে ? সুতরাং আমি ক্লাশ রুম ত্যাগ করিয়া আমার মূল শিক্ষক (ইনিস্টিটিউটের অধ্যক্ষ) মাওলানা ডঃ ফজলুর রহমান আনসারীর নিকট গেলাম । বলিলাম, হে শায়খ, ক্লাসে একজন মাওলানা এই কথা বলিলেন । তিনি বলিলেন, বৎস, তাহারা ভুল বলিয়া থাকেন । কোরআনের কোন আয়াত কখনও বাতিল করা হয় নাই, কোরআনের কোন আয়াত কখনও প্রতিস্থাপন করা হয় নাই, কোরআনের কোন আয়াতকে কখনও ভুলাইয়া বিস্মৃত করিয়া দেওয়া হয় নাই । আল্লাহ বরং নিজে কোরআনের সুরক্ষার জিম্মাদারী ঘোষণা করিয়াছেন । আর যদি কোরআনের কোন অংশ বাতিল রহিত করা হইয়া থাকে, তবে তাহা কি পাকিস্তানের বা মিশরের কোন মাওলানা আমাদেরকে জানাইবেন নাকি আল্লাহ যাহাকে কোরআনের শিক্ষক হিসাবে পাঠাইয়াছেন সেই নবীজি (সাঃ) জানাইবেন ? কাজেই এমন কিছু হইলে মহানবী (সাঃ) আমাদেরকে জানাইতেন যে, কোরআনের এই সুরার এই আয়াত সেই সুরার সেই আয়াত অমুক সুরার তমুক আয়াত আল্লাহ বাতিল রহিত করিয়া এই সেই অমুক আয়াত নাজিল করিয়াছেন । কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তো আমাদেরকে এমন কোন পরিবর্তনের কথা বলিয়া যান নাই । এমনকি মাত্র একটি পরিবর্তনের কথাও কখনও বলিয়া যান নাই, মাত্র একটাও না । কাজেই কেউ যদি আসিয়া আমাকে বলেন যে, কোরআনের অমুক আয়াত পরিবর্তন বা প্রতিস্থাপন বা বাতিল করা হইয়াছে, আমি বলি ইহা সত্য নয়, ইহা মিথ্যা কথা, তা তিনি যত বড় ব্যক্তিত্বই হোন না কেন । কেউ একজন জাল হাদিস বানাইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সাহাবীদের নামে চালাইয়া দিয়াছেন ।

সুতরাং আল্লাহ কোন আয়াতকে বদল করিয়াছেন, বাতিল করিয়াছেন, ভুলাইয়া দিয়াছেন ইত্যাদি বলিতে পবিত্র কোরআনের আয়াতকে নয় বরং কোরআনের আগে অবতীর্ন পূর্ববর্তী শরীয়াহকে (তাওরাত, ইঞ্জিলের আয়াতকে) বুঝানো হইয়াছে । আরো একটি প্রশ্ন , মহানবী (সাঃ) ইন্তেকাল করিয়াছেন এবং আমাদের নিকট থেকে বিদায় নিয়াছেন, এখন কোরআনের যত বিধান আছে এগুলো কি বাতিল বা পরিবর্তন করা যাইবে ? আপনারা কি প্রশ্নটি শুনিয়াছেন ? বর্তমানে কোরআনে যাহা আছে ভবিষ্যতে কি তাহা পরিবর্তন বা বাতিল করা যাইবে ? উত্তর হইল, না । আপনারা সবাই মাথা নাড়িতেছেন কেন ? নাহ, অসম্ভব । অথচ একজন বলিতেছেন, সহিহ বোখারীর হাদিস, হযরত ঈশা (আঃ) ফিরিয়া আসিবার পরে জিজিয়া কর বাতিল করিবেন । জিজিয়ার কথা কোরআনে আছে অথচ একটি হাদীস বলিতেছে যে তিনি জিজিয়া বাতিল করিবেন হা-হা-হা- । তাহলে বলা যায় আরো একটি নাসখ্ (পরিবর্তন/বাতিল) এখনও বাকী আছে ? আপনারা কি তাহা বিশ্বাস করেন ? আপনারা কি বিশ্বাস করেন যে, কোরআনের কোন আয়াত কখনও বাতিল হইয়াছিল বা বাতিল হইবে, পরিবর্তন হইয়াছিল বা পরিবর্তন হইবে, ভুলাইয়া দেওয়া হইয়াছিল অথবা ভুলাইয়া দেওয়া হইবে ? আমি মনে করি সময় হইয়াছে এই বিষয়টি নিয়া আলেমগণ সঠিক পন্থায় চিন্তা করিবেন । আমি আশা করি আলেমগণ এই বিষয়টিতে যাহা করিয়া আসিতেছিলেন তাহা বন্ধ করিবেন । এই ব্যক্তি আসিলেন এবং বলিলেন কোরআনের ৪৯টি আয়াত বাতিল করা হইয়াছে । তিনি আয়াতগুলির একটি তালিকা দিলেন । আপনার কাছে ইহার কি দলিল আছে ? এই তালিকা কি আপনাকে বিশ্বনবী (সাঃ) দিয়া গিয়াছেন ? ঐ ব্যক্তি আসিলেন ৩৫টি আয়াতের তালিকা নিয়া । আরেক ব্যক্তি আসিলেন ২৫টি আয়াতের তালিকা নিয়া । ইহা কি ডিজনীল্যান্ডের রূপকথার জগত নাকি ? তারপর আসিলেন শাহ ওয়ালীউল্লাহ মোহাদ্দিসে দেহলভী (রহঃ) । তিনি বলিলেন, তাহার সবাই ভুল করিয়াছেন । তিনি তাঁহার কিতাব ‌ ‘ফজুল কবির ফি উসুলে তাফসির’ এ বলিলেন, তাহাদের সংখ্যা ৫টি । তারপর ইসলামের একজন বড় শিক্ষক ডঃ ইসরার আহমদ (রহঃ) যিনি সারাজীবন ইসলামের পক্ষে লড়াই করিয়া গিয়াছেন । আমি তাহাকে শ্রদ্ধা করি, তিনি ভুল করিয়াছেন, আমিও ভুল করি, তাহার মানে এই নহে যে এজন্য তাহাকে অশ্রদ্ধা করিব । তিনি ইসলামের একজন বড় মনীষী ছিলেন । ডঃ ইশরার আহমদ বলিলেন, আমি নাস্‌খের সংখ্যা পাঁচটি থেকে কমাইয়া তিনটিতে পরিণত করিতে পারি । মাওলানা ডঃ ফজলুর রহমান আনসারী (রহঃ) বলিলেন, নাহ, একটিও না । কোরআনের একটি আয়াতকেও বাতিল করা হয় নাই, পরিবর্তন করা হয় নাই, ভুলাইয়া দেয়া হয় নাই । কাজেই কোরআনের কোনো আয়াতকে বাতিল করা হয় নাই এবং ভবিষ্যতে বাতিল করা হইবে না ।

এই বিষয়টি আমার কাছে এখনো একটি জটিল রহস্যই রহিয়া গিয়াছে, আমি জানি না কেন ? তাহারা যেভাবে হযরত ঈশা (আঃ) –কে পরীক্ষা করিয়াছিল একইভাবে তাহারা মোহাম্মদ (আঃ)-কেও পরীক্ষা করিতে আসিয়াছিল । তাহারা দুইজন লোক নিয়া আসিয়াছিল, আমি জানি না পর্দার আড়ালে আরো কত লোক লাইনে ছিল । তাহারা বলিলেন, এই দুইজন জিনা ব্যভিচার করিয়াছে । হে মোহাম্মাদ (সাঃ) ‍‍! আপনি তাহাদের বিচার করুন । কিন্তু তাহাদের চক্রান্ত বুমেরাং হইয়া তাহাদের দিকেই ফিরিয়া গেল । তিনি বলিলেন, তোমাদের ধর্মগ্রন্থে ব্যভিচারের শাস্তি কি ? কিন্তু ইহুদী রাব্বীগণ তাহাদের ধর্মগ্রন্থের ব্যভিচারের শাস্তি রজম বা পাথর মারিয়া হত্যার আইনটি সর্বসম্মতভাবে ত্যাগ করিয়াছিল দুই হাজার বছর আগে থেকেই । নবী করিম (সাঃ) বলিলেন, তোমাদের ধর্মগ্রন্থ তাওরাত নিয়া আসো । জিনাকারীকে পাথর মারিয়া হত্যার আয়াতটি তখনও তাহাদের কিতাবে বিদ্যমান ছিল, যদিও কিছুটা পরিবর্তন করা হইয়াছিল । তারপর একজনকে নির্দেশ দেয়া হইল তাওরাতে ব্যভিচারের শাস্তির অংশটুকু পাঠ করিবার জন্য । সেই ব্যক্তি পাথর মারিয়া হত্যার বাক্যটির উপর আঙুল রাখিয়া বাকী অংশটুকু পাঠ করিতেছিলেন । ইসলামে নবদীক্ষিত ইহুদী রাব্বী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা) বলিলেন, থাম, তোমার আঙুল সরাও এবং পুণরায় পাঠ কর । আমি এই ভিডিওটি পুণরায় দেখিতে চাই । কাজেই আমি আশা করি ইহুদী জাতি আমার কথা শুনিতেছেন এবং খ্রিষ্টানজগতও আমার কথা শুনিতেছেন, আপনাদের ধর্মগ্রন্থে আল্লাহর কিতাবে যাহা ইব্রাহীম (আ) এর প্রভুর নিকট হইতে অবতীর্ন হইয়াছে ব্যভিচারের শাস্তি ছিল পাথর ছুড়িয়া হত্যা করা । সুতরাং যদি কোন ইহুদী বা খ্রিষ্টান বলেন যে, ইহা একেবারেই বর্বরতা, তবে শেষবিচারের দিন আপনি বিরাট ঝামেলায় পড়িয়া যাইবেন, কারণ আপনি ইব্রাহীম (আঃ) এর প্রভুকে অপমান করিয়াছেন । যদি ইহুদী খ্রিষ্টান না হইয়া অন্য কেহ হয়, যেমন কোন হিন্দু বা বেৌদ্ধ এই আইনের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন তবে আমি আপনাকে সতর্ক করিতেছি শেষবিচারের দিন আপনার অবস্থা হইবে শোচনীয়, কারণ ইহা ইব্রাহীম (আঃ) এর প্রভুর নিকট থেকে নাজিল হইয়াছে । ইহা এখনও তাওরাত কিতাবে লিপিবদ্ধ করা আছে । কাজেই এই আইনের বিরুদ্ধে কোন ফন্দি ফিকির করিবার পূর্বে আমার কথাগুলো স্মরন রাখিবেন । সুতরাং ইহুদীরা তখন তোতলাইতে লাগিল, দেখুন, কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি জিনা করিলে আমরা তাহাদের একটু পিটুনি দিয়া ছাড়িয়া দেই কিন্তু কোন গরীব লোক ব্যভিচার করিলে তাহাকে রজমের শাস্তি দেই অর্থাৎ পাথর মারিয়া হত্যা করি । এখনও অনেক দেশ আছে যাহাতে এই ধরনের বিচার ব্যবস্থা চালূ আছে, আমি তাহাদের নাম বলিতে পারি । এই আইনটি আমাদের ভালো লাগে না, এজন্য আমরা আল্লাহর আইন ত্যাগ করিয়াছি এবং মানুষের তৈরী আইন চালু করিয়াছি । এই জন্য তাহারা নতুন আইন তৈরী করিয়াছে, মুখে কালো রঙ মাখিয়া জনসম্মুখে কিছু পিটুনি দেওয়া । কালো রঙ কেন ? লাল রঙ নয় কেন ? কাজেই এমনকি তাহাদের মানব রচিত আইনেও ব্যভিচারের জন্য জনসম্মুখে পিটুনী দেওয়ার কথা আছে, ইহাও তাহারা প্রয়োগ করে না । আমি ইহুদী জাতি এবং খ্রীষ্টান জাতিকে বলিব আপনারা আল্লাহর আইন ত্যাগ করিয়াছেন আবার নিজেদের তৈরী করা আইনও ত্যাগ করিয়াছেন, আপনাদের কি লজ্জা বলিতে কিছু নাই ?

অন্যদিকে আরবের নবীর (সাঃ) কোটি কোটি অনুসারী আমরা মুসলমানরা আপনাদের আইন কার্যকর করিতে প্রস্তুত যাহা আপনারা ত্যাগ করিয়াছেন । সুতরাং তাহাদেরকে কিতাবে পাঠ করিতে হয় যে, জীনা ব্যভিচারের শাস্তি ছিল পাথর নিক্ষেপে হত্যা । তাহারা সেটি কার্যকর করিতে পারিত না, ফলে তাহারা সেটি পরিবর্তন করিয়া মুখে কালো রঙ মাখিয়া জনসম্মুখে বেত্রাঘাতের নতুন আইন তৈরী করিয়াছিল । হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) তখন কি পদক্ষেপ নিয়াছিলেন ? তিনি কি বলিয়াছিলেন যে, তোমাদের মধ্যে যে নিষ্পাপ সে প্রথম পাথর নিক্ষেপ করিবে ? নাহ, হযরত ঈশা (আঃ) এর মতো তিনি ইহা স্বীকার করিয়া নিয়াছেন যে, ইহা আল্লাহর আইন, ব্যভিচারের জন্য পাথর নিক্ষেপে হত্যা । ফলে তিনি অভিযুক্ত এবং অপরাধ স্বীকার করা দুইজনকে পাথর নিক্ষেপে হত্যার নির্দেশ দিলেন । সাধারণ ইহুদীরা যারপর নাই বিস্মিত হইল । কারণ সুদীর্ঘ ছয়শত বছরের মধ্যে তাহারা জিনার জন্য পাথর ছুড়িয়া হত্যার শাস্তি প্রয়োগ হইতে দেখে নাই । তাহারা ভাবিয়াছিল এই আইন বোধ হয় বিলুপ্ত হইয়া গিয়াছে । তাহারা ভাবিল এই ব্যক্তি তো কেবল জেরুজালেমের দিকে মুখ করিয়া নামাজই পড়ে না, আমাদের মতো করিয়া রোজাই রাখে না, এমনকি সাথে সাথে আমাদের কিতাবের আইনও প্রয়োগ করেন, যাহা আমরা পরিত্যাগ করিয়াছিলাম । এই ব্যক্তি (মোহাম্মদ সাঃ) নিশ্চয়ই একজন সত্য নবী ! কিন্তু পরবর্তীতে ইহুদীরা যখন তাহাকে নবী হিসাবে মানিয়া নিতে অস্বীকার করিল আল্লাহ তখন দিলেন নতুন নাস্‌খ (আইনের পরিবর্তন) । প্রথম নাস্‌খ হইল কিবলাহ পরিবর্তন জেরুজালেমের বদলে মক্কা মোয়াজ্জমাহ, দ্বিতীয় নাস্‌খ হইল রোজা আইন পরিবর্তন । তারপর আসিল তৃতীয়টা আর ইহাও কোরআনে আছে । সুরা নূরের যাহা কোরআনের ২৪ নাম্বার সুরা দ্বিতীয় আয়াতে আল্লাহ সোবহানাহু তায়ালা দিয়াছেন ব্যভিচারের শাস্তির আইন, নতুন শারীয়্যাহতে । নতুন আইন পুরনো আইনকে সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন করিয়া থাকে, আংশিকভাবে নয়, ৫০% নয় । কাজেই বিষয়টি এমন নহে যে আপনারা শুত্রুবারে মক্কা মোয়াজ্জমার দিকে মুখ করিয়া নামাজ পড়িবেন আর সানডে টুয়েজডে জেরুজালেমের দিকে মুখ করিয়া নামাজ পড়িবেন । অবশ্য আমার পক্ষে ফ্রাইডে সানডে মানডে ইত্যাদি বলা ঠিক নয়, কারণ এগুলো তাহাদের দেব-দেবীর নামে রাখা হইয়াছে, সানডে হইল যেদিন তাহারা সূর্যের পূজা করিত । সুতরাং জুমুআর দিনে আমরা কাবা শরীফের দিকে আর অন্যান্য দিনে বায়তুল মুকাদ্দিসের দিকে নামাজ আদায় করিব এমনটা হইতে পারে না । তো একই ফলাফল রোজার আইনের ব্যাপারে প্রয়োজ্য ।

একই পরিণতি জীনা ব্যভিচারের আইনের বেলায় প্রযোজ্য । কাজেই পাথর ছুড়িয়া হত্যার আইনটি সম্পূর্ণভাবে বাতিল এবং পরিবর্তন হইয়া গিয়াছে । আর নতুন শরীয়াহতে ব্যভিচারের শাস্তি হইল জনসম্মুখে বেত্রাঘাত। তাহা হইলে ইহা কিভাবে সম্ভব হইল যে, এখন এই উম্মাহর কোটি কোটি লোক পাথর নিক্ষেপে হত্যার আইনটি কার্যকর করিতে প্রস্তুত ? ইহার মধ্যে নিশ্চয় কোন রহস্য আছে । ইহার উত্তর পাওয়া যাইবে হাদীসে । বোখারী শরীফের প্রায় চারটি হাদীস আছে যাহা আমাদেরকে এই শিক্ষা দেয় যে, জিনার শাস্তির আইনটি পুরোপুরি বাতিল হয় নাই বরং আংশিক বাতিল হইয়াছে । যেমন অবিবাহিতরা যদি জিনা করে তবে নতুন আইনে শাস্তি হইবে এবং এইক্ষেত্রে পুরনো আইন বাতিল । আর বিবাহিতরা যদি ব্যভিচার করে তবে নতুন আইন বাতিল এবং তাহাদের ক্ষেত্রে পুরনো আইন এখনও কার্যকর আছে । হাদীসে বেশী নয় অল্প কিছু সম্ভবত দুই তিনটি উদাহরণ পাওয়া যায় যেখানে মহানবী (সাঃ) জিনা ব্যভিচারের জন্য পাথর নিক্ষেপে হত্যার আইন প্রয়োগ করিয়াছেন । কিন্তু হাদীসে ইহা বলা হয় নাই যে, নবীজির (সাঃ) ব্যভিচারের জন্য পাথর নিক্ষেপে হত্যার নির্দেশমূলক হাদীসগুলো ব্যভিচারের জন্য বেত্রাঘাতের আয়াত নাজিলের আগেকার নাকি পরের দিকের ঘটনা । তাছাড়া যাহারা জাল হাদীস প্রস্তুত করিতেন তাহাদের জন্য এই ধরনের নতুন জাল হাদীস তৈরীর সুযোগও এখন আর অবশিষ্ট নাই….হা…হা… । কিন্তু ইসলামী আইনের একটি মূলনীতি আছে, আর আমার লেকচার আর বেশী দীর্ঘায়িত করিব না । কোরআনের বিশুদ্ধতা হইল সকল সন্দেহের উর্ধ্বে । আল্লাহর পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে গ্যারান্টি আছে, আল্লাহ কোরআনের বিশুদ্ধতা রক্ষা করিবেন । কিন্তু কোন হাদীসেরই এমন মর্যাদা নাই । কাজেই কোরআন এবং হাদীসের মর্যাদা সমান নহে । সুতরাং এবার আমার কথা মনোযোগ দিয়া শুনুন । ইহা আসলে আমার কথা নহে, আমি কেবল পাঠ করিতেছি । ইহা আমার শিক্ষক মাওলানা ডঃ ফজলুর রহমান আনসারী রাহিমাহুল্লাহর কথা । একমাত্র কোরআনের ক্ষমতা আছে হাদীসের বিশুদ্ধতার বিচার আচার করিবার, অন্য কারো সেই ক্ষমতা নাই ।

কোরআন এবং হাদীসের মর্যাদা সমান নয়, এমনকি কোন সহীহ হাদীসেরও সেই মর্যাদা নাই । হযরত ঈশা (আঃ) ফিরিয়া আসিলে জিজিয়া বাতিল করিবেন, তাহার মানে আরো একটি নাস্‌খ বাকী আছে, নাহ ইহা ঠিক না । কোরআন হইল হাদীসের বিচারক । কাজেই যখনই আপনি হাদীসে এমন কিছু পান যাহা কোরআনের বিরুদ্ধে, সেক্ষেত্রে আপনি কোরআনের সাথে অবস্থান করিবেন । ইহাই হইল ইসলামী আইনের মূলনীতি । বিশেষভাবে আরেকটি হাদীস আছে এবং ইহাও সহীহ বোখারীতে, যাহাতে হযরত ওমর (রা) নাকি বলিয়াছেন যে, মানুষ বলিবে আমরা এখন আর কোরআনে পাথর নিক্ষেপের আয়াত দেখিতেছি না । এই হাদীসটাই আমার শিক্ষক ক্লাশে বলিতেছিলেন যখন আমি ঘুমাইতেছিলাম এবং শুনিয়া লাফাইয়া উঠিয়াছিলাম । আমরা পাথর নিক্ষেপে হত্যার আয়াত কোরআনে খুজিঁয়া পাইতেছি না । তাহার মানে হইল পাথর নিক্ষেপের আয়াত কোরআনে ছিল কিন্তু এখন আর সেখানে নাই । ইহা কি বাতিল করা হইয়াছে, বিলুপ্ত হইয়া গিয়াছে নাকি ভুলাইয়া দেয়া হইয়াছে ? হইতে পারে পাথর নিক্ষেপের আয়াত কোরআনে ছিল কিন্তু এখন নাই, তাহা হইলে কেবল হাদীসের উপর ভিত্তি করিয়া আপনি কিভাবে পাথর নিক্ষেপের বিধান কার্যকর করিবেন ? ইহা কি ধরনের ফালতু কথা যে কোরআনে একটি আয়াত ছিল !! সুতরাং ইহা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, ইহা একটি বানোয়াট হাদিস । আমরা যদি বোখারী শরীফের একটি হাদীস নিয়া আলোচনা করি এবং ঘোষনা করি যে ইহা জাল হাদীস, তাহার মানে এই নহে যে সকল হাদীস ধ্বংস হইয়া গেল । ইহা এক ধরনের ফালতু চিন্তা । দাজ্জাল শব্দটি কোরআনে নাই অথচ আপনার যদি দাজ্জাল সংক্রান্ত জ্ঞান না থাকে তবে আপনি আধুনিক জগতকে চিনিতে পারিবেন না, এখনকার পৃথিবীতে যাহা ঘটিতেছে তাহা বুঝিতে পারিবেন না । অথচ দাজ্জাল সম্পর্কিত সকল জ্ঞানই আমরা হাদীস থেকে পাইয়া থাকি ।

যেহেতু আমি বলি যে সহীহ বোখারীর একটি হাদীস জাল, তাহা হইলে আপনি কি বলিবেন যে ইমরান হাদীসের ধ্বংস কামনা করিতেছে ? ইহা তো কোন সুস্থ চিন্তাধারার পরিচায়ক নহে । ইহা হইল আমাদের সাহস আমাদের সততা যে আমরা হাদীসের একটি বেজাল প্রতারনার ফাঁদ ধরিতে পারিলে তাহাকে স্বীকার করিয়া নেই যে ইহা একটি ভুয়া হাদীস । একইভাবে আমরা খ্রিষ্টান এবং ইহুদীদের প্রতি আহবান জানাইব, আপনারা যদি আপনাদের ধর্মগ্রন্থে কোন কিছু খুজিঁয়া পান যাহা পরিষ্কার বেজাল প্রতারনা বানোয়াট, আপনারা তাহাকে স্বীকার করিয়া নিবেন । যেমন ইহুদীদের জন্য অন্য ইহুদীদের নিকট সুদে ঋন দেয়া হারাম কিন্তু অইহুদীদের নিকট হালাল । কাজেই এই জাতীয় দিবালোকের ন্যায় পরিষ্কার বানোয়াট বিকৃতি স্বীকার করিয়া নেওয়ার মানে ইহা নহে যে বাইবেলের বাকী অংশও জাল, তাহা কখনও নহে । আজকে মসজিদ আল হোসনায় আমাদের লেকচারের শেষ প্রান্তে আমরা শ্রোতাদেরকে স্মরণ করাইয়া দিতে চাই যে, পাথর নিক্ষেপে হত্যার বিষয়টি এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ নহে । কিন্তু সামনে আসিতেছে এমন সময় যখন প্রতারণার ফাঁদ আরো শক্ত হইবে (এই আইনের মাধ্যমে যায়োনিষ্টরা ইসলামী শরীয়াহকে বর্বর নিষ্টুর মানবতাবিরোধী হিসাবে প্রচারনা চালাইবে) । আমি মুসলিম উম্মাহর জন্য গর্বিত যাহারা এখনও পূর্ববর্তী শরীয়াহর জিনা ব্যভিচারের জন্য পাথর নিক্ষেপে হত্যার বিধানকে সমর্থন করেন । কারণ ইহার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, ইসলাম সত্য । যেহেতু ইহা এখনও ইঞ্জিল এবং তাওরাতের সত্যতাকে সমর্থন করে । তবে আমাদেরকে ইহাও স্বীকার করিতে হইবে যে, ব্যভিচারের শাস্তি পাথর ছুড়িয়া হত্যা আমাদের শরীয়াহ নহে বরং পূর্ববর্তী উম্মাহর শরীয়াহ । কাজেই আমরা মনে করি সহীহ বোখারীর হাদীস যাহা বলে যে, বিবাহিতরা জিনা করিলে তাহার শাস্তি হইবে তাওরাত ইঞ্জিলের বিধান অনুযায়ী আর অবিবাহিতরা জিনা করিলে তাহাদের শাস্তি হইবে কোরআনের বিধান অনুযায়ী, ইহা একটি ভুয়া জাল বানোয়াট হাদীস । কাজেই আমরা আশা করি এবং কামনা করি যে, মুসলিম ব্রাদাহুডের শাসনামলে মিশরের ইসলামী আদালতে কোন বিবাহিত ব্যক্তিকে বিচারের জন্য হাজির করা হইলে আদালত তাহার রায়ে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিবেন এবং অপরাধীকে জনসম্মুখে বেত্রাঘাতের শাস্তি দিবেন ।

মূল – মাওলানা ইমরান নজর হোসেন

অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

Penalty for adultery Muslims লেকচারের অনুবাদ

??


Leave a comment

চিকনগুনিয়া জ্বরের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

চিকনগুনিয়া জ্বরের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা : বর্তমানে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস জ্বর চিকনগুনিয়ার জন্য একটি সেরা হোমিওপ্যাথিক ঔষধ হবে Eupatorium perfoliatum । এটি ৩০ বা ২০০ শক্তিতে ১ ফোটা বা ৫টি বড়ি করে রোজ ৩ বেলা করে খেতে পারেন । ২ দিন বা ৩ দিন খাওয়াই যথেষ্ট হবে । জ্বর বেশী থাকলে মাথায় পানি ঢালবেন এবং ভিজা গামছা দিয়ে ঘন ঘন শরীর মুছে দিবেন । তরল খাবার বেশী বেশী খাবেন । চিনি লেবু দিয়ে শরবত খেতে পারেন ।

??

Virus-free. www.avast.com


Leave a comment

ইসলামে জিনা ব্যভিচারের শাস্তি পাথর ছুড়িয়া হত্যা নহে বরং বেত্র াঘাত

ইসলামে জিনা ব্যভিচারের শাস্তি পাথর ছুড়িয়া হত্যা নহে বরং বেত্রাঘাত-

পবিত্র কোরআনে একটি আয়াত আছে যাহা আজকের লেকচারের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ । ইহা আছে সুরা বাকারার ১০৬ নাম্বার আয়াতে, এই ব্যাপারে আপনাদের বাড়ি গিয়া কিছু হোমওয়ার্ক করিতে হইবে । আল্লাহ বলেন, “আমি কোন আয়াত রহিত করিলে অথবা বিস্মৃত করিয়া দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তাহার সমপর্যায়ের আয়াত আনয়ন করি”। কোরআন এখানে নাসখ (রহিত করা, বাতিল করা) সম্পর্কে আলোচনা করিতেছে । আল্লাহ এখানে বলিতেছেন যে, তিনি কখনও কোন আয়াত (ওহী, বাণী, আইন) রহিত করেন না, বাতিল করেন না, বিস্মিত করিয়া দেন না, ভুলাইয়া দেন না, তাহার সমান বা তাহার চাইতে উত্তম আয়াত প্রতিস্থাপিত না করিয়া, বদল না করিয়া । মানসুখ মানে কোন আরববাসী নহে যিনি কোন কুয়ালালামপুরে চাকরি করেন, মানসুখ মানে রহিত করা, বাতিল করা, বদল করা । কাজেই আপনাকে বিশেষত ওলামায়ে কেরামগণকে লক্ষ্য রাখিতে হইবে যে, যেই আয়াতকে যেই আয়াত দ্বারা বদল বা প্রতিস্থাপন করা হইয়াছে, তাহারা সদৃশ বা একই রকম হইতে হইবে অথবা একটা অপরটির চাইতে উত্তম হইতে হইবে কিন্তু কিছুতেই একটি অপরটির চাইতে বিপরীত, ভিন্ন বা সার্ঘষিক হইতে পারিবে না, পারিবে না, পারিবে না । অতএব সমান বা উত্তম হইতে হইবে । কাজেই আল্লাহ নাসখের (রহিত করা, বাতিল করা, বদল করা) প্রথম দৃষ্টান্ত স্থাপন করিতেছেন । তিনি কি বাতিল করিলেন ? তিনি পুরনো শারীয়াহর কিবলাহ বাতিল করেন । পুরনো শরীয়াহর আমাদেরকে কিবলাহ দিয়াছিল জেরুজালেম । তারপর নতুন শারীয়াহ আসিল, নতুন আয়াত নাজিল হইল, তাহাতে নতুন কিবলাহ করা হইল মক্কা শরীফ । কিন্তু মক্কা এবং জেরুজালেমের মধ্যে কোন সংঘর্ষ বা বৈপরিত্য নাই । কাবা শরীফের ইব্রাহিম (আঃ)-এর তৈরী আর মসজিদুল আকসা দাউদ (আঃ) সোলায়মান (আঃ)-এর তৈরী । কাজেই ইহাই হইল পন্থা পদ্ধতি যাহা ইব্রাহীম (আঃ)-এর ধর্মে আমাদেরকে জিনা ব্যভিচারের শাস্তির ব্যাপারে প্রয়োগ করিতে হইবে । খ্রিষ্টানরা বলে আমরা ইব্রাহীম (আঃ)-এর ধর্মের অনুসারী । ইহুদীরাও দাবী করে যে আমরা ইব্রাহীম (আঃ)-এর ধর্মের অনুসারী ।

আর কোরআন আমাদের নবীজি (সাঃ) –কে বলিতেছে যে, আপনি ইব্রাহীমের (আঃ) ধর্মের উপর প্রতিষ্টিত থাকুন যাহাতে কোন বক্রতা নাই । কাজেই তিন দলই নিজেদেরকে ইব্রাহীম (আঃ)-এর ধর্মের অনুসারী বলিয়া দাবী করে । সুতরাং আপনি যদি জীনা ব্যভিচারের শাস্তির বিষয়টি জানতে চাহেন তবে এই পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে, আগের শরীয়াহতে ফিরিয়া যান । তারপর আসিল নাসখের (বদল করার, বাতিল করার) দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত । আপনারা জানেন প্রথম দিকে আমরা ইহুদীদের সাথে এবং তাহাদের শরীয়াহ অনুযায়ী রোজা পালন করিতাম, যেদিন তাহারা রোজা রাখিত সেদিন আমরাও রোজা রাখিতাম, সূর্যাস্ত থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাওয়া বন্ধ যৌনমিলন বন্ধ । তারপর আল্লাহ তায়ালা এই আইন পরিবর্তন করিয়া দিলেন এবং তাহার পরিবর্তে নতুন আইন নাজিল করিলেন । ফলে সমগ্র মদীনা আনন্দে উদ্বেলিত হইয়া উঠিল, মুসলমানদের আনন্দের সীমা রহিল না । কারণ ইহা ছিল আগের শরীয়াহর চাইতে উত্তম । আল্লাহ বলেন, “তোমাদের জন্য হালাল করা হইল রোজার রাতে তোমাদের নারীদের (স্ত্রী এবং অধিকারভুক্ত নারী) নিকট গমন করা” । পৃথিবীতে পুরুষদের নিকট সবচাইতে আকর্ষনীয় এবং সবচাইতে সুন্দরতম করিয়া যাহা সৃষ্টি করা হইয়াছে তাহা হইল নারী । এমনকি পিরামিডের চাইতেও সুন্দর যদিও ম্যানহাটনে বসবাসকারী কেউ কেউ ভিন্ন মত পোষন করিতে পারেন (সমকামীগন) । “তাহারা তোমাদের পোষাক এবং তোমরা তাহাদের পোষাক (স্বরূপ)।” অর্থাৎ নারী-পুরুষ ভিন্ন ভিন্ন দলভুক্ত নহে বরং একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ (পোষাক) । এজন্য আমরা নারী-পুরুষ মসজিদের একই কক্ষে নামাজ আদায় করি, মসজিদে আমরা দুই জামাআত নহি । বিশ্বনবী (সাঃ) বলিয়াছেন, “নারীরা যখন সিজদায় যাইবে তখন পুরুষরা উঠিয়া না দাঁড়ানো পর্যন্ত তাহারা সিজদায় পড়িয়া থাকিবে” । আপনারা নিশ্চয় এই হাদীসটি কখনও শোনেন নাই, কারণ তাহারা এক একটা হাদীস ধরিয়া হিমাগারে পাঠাইয়া দেয় । রাসুলে করীম (সাঃ) বিষয়টি এভাবে ব্যাখ্যা করিয়াছেন যে, সকল পুরুষের লম্বা চওড়া জামা না ও থাকিতে পারে, সেক্ষেত্রে নারীরা যদি পুরুষদের আগে সিজদাহ হইতে মাথা উঠায় তবে অপ্রীতিকর দৃশ্য পুরুষদের চোখে পড়িবে । কাজেই পুরুষরা থাকিবে সামনের কাতারে এবং নারীরা দাঁড়াইবে পেছনের কাতারে । নারীরা পুরুষদের পেছনে নামাজ পড়িতে পারে কিন্তু পুরুষরা নারীদের পেছনে নামাজ পড়িতে পারিবে না ।

আপনি কি নারীদের পেছনে নামাজ পড়িতে পারিবেন ? পুরুষরা নারীদের পেছনে দাঁড়াইলে তাহাদের মনোযোগ নষ্ট হইয়া যাইবে, তাহারা কেবল নারীদের কথাই ভাবিতে থাকিবে, হা-হা-হা- । কাজেই পুরুষরা দাঁড়াইবে সামনে কাতারে এবং নারীরা দাঁড়াইবে পেছনের কাতারে ইহা প্রজ্ঞার সাথেই নির্ধারন করা হইয়াছে । “আল্লাহ জানেন তোমরা (অন্তরে) কি গোপন করিতেছিলে, সুতরাং তোমাদের প্রতি তিনি দয়ার দৃষ্টিতে তাকাইলেন । এখন তোমরা (রমজানের রাতে) নারীদের নিকট গমন কর এবং কামনা কর আল্লাহ তোমাদের জন্য (সন্তান-সন্ততি) যাহা লিখিয়া রাখিয়াছেন”। সুতরাং সিয়ামের নতুন বিধান নাজিল হইল, ফলে আমরা সবাই আনন্দিত হয়েছিলাম । কারণ ইহা ছিল পূর্ববর্তী বিধানের চাইতে অনেক সহজ অনেক উত্তম । কাজেই দয়া করিয়া কোরআনে খুঁজিতে যাইবেন না যে ইহা কোন আয়াতকে বাতিল রহিল করিল । ইহা চরম নির্বুদ্ধিতার কাজ, ইহা চরম ভুল পন্থা পদ্ধতি । কারণ ইহা বাতিল রহিত করিয়াছিল পূর্ববর্তী কিতাবের আয়াতকে ।

আমি যখন করাচি, পাকিস্তানের আলীমিয়া ইনিস্টিটিউট অব ইসলামিক স্টাডিজের ছাত্র ছিলাম, আপনারা জানেন ক্লাশে অনেকেই ঘুমাইয়া পড়েন বিশেষত পেছনের সারিতে যাহারা বসেন । কিন্তু আমি ঘুম থেকে হঠাৎ লাফাইয়া উঠিলাম, কারণ আমার শিক্ষক সুরা নুরের ব্যাখ্যায় একটি হাদীস দিয়া বলিতেছিলেন যে, এখানে একটি আয়াত ছিল যাহা রহিত হইয়া গিয়াছে…….. । আমি প্রকাশ্যে বলি নাই কিন্তু মনে মনে বলিলাম, কি সব ফালতু কথা…….একটি আয়াত ছিল যাহা রহিত হইয়া গিয়াছে ? সুতরাং আমি ক্লাশ রুম ত্যাগ করিয়া আমার মূল শিক্ষক (ইনিস্টিটিউটের অধ্যক্ষ) মাওলানা ডঃ ফজলুর রহমান আনসারীর নিকট গেলাম । বলিলাম, শায়খ, ক্লাসে একজন মাওলানা এই কথা বলিলেন । তিনি বলিলেন, বৎস, তাহারা ভুল বলিয়া থাকে । কোরআনের কোন আয়াত কখনও বাতিল করা হয় নাই, কোরআনের কোন আয়াত কখনও প্রতিস্থাপন করা হয় নাই, কোরআনের কোন আয়াতকে কখনও ভুলাইয়া বিস্মৃত করিয়া দেওয়া হয় নাই । আল্লাহ বরং নিজে কোরআনের সুরক্ষার জিম্মাদারী ঘোষণা করিয়াছেন । আর যদি কোরআনের কোন অংশ বাতিল রহিত করা হইয়া থাকে, তবে তাহা কি পাকিস্তানের বা মিশরের কোন মাওলানা আমাদেরকে জানাইবে নাকি আল্লাহ যাহাকে কোরআনের শিক্ষক হিসাবে পাঠাইয়াছেন সেই নবীজি (সাঃ) জানাইবেন ? কাজেই এমন কিছু হইলে মহানবী (সাঃ) আমাদেরকে জানাইতেন যে, কোরআনের এই সুরার এই আয়াত সেই সুরার সেই আয়াত অমুক সুরার তমুক আয়াত আল্লাহ বাতিল রহিত করিয়া এই সেই অমুক আয়াত নাজিল করিয়াছেন । কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তো আমাদেরকে এমন কোন পরিবর্তনের কথা বলিয়া যান নাই । এমনকি মাত্র একটি পরিবর্তনের কথাও কখনও বলিয়া যান নাই, মাত্র একটাও না । কাজেই কেউ যদি আসিয়া আমাকে বলেন যে, কোরআনের অমুক আয়াত পরিবর্তন বা প্রতিস্থাপন বা বাতিল করা হইয়াছে, আমি বলি ইহা সত্য নয়, ইহা মিথ্যা কথা, তা তিনি যত বড় ব্যক্তিত্বই হোন না কেন । কেউ একজন জাল হাদিস বানাইয়া রাসুলুল্লাহ (সা) এর সাহাবীদের নামে চালাইয়া দিয়াছেন ।

সুতরাং আল্লাহ কোন আয়াতকে বদল করিয়াছেন, বাতিল করিয়াছেন, ভুলাইয়া দিয়াছেন ইত্যাদি বলিতে পবিত্র কোরআনের আয়াতকে নয় বরং কোরআনের আগে অবতীর্ন পূর্ববর্তী শরীয়াহকে (তাওরাত, ইঞ্জিলের আয়াতকে) বুঝানো হইয়াছে । আরো একটি প্রশ্ন , মহানবী (সা) ইন্তেকাল করিয়াছেন এবং আমাদের নিকট থেকে বিদায় নিয়াছেন, এখন কোরআনের যত বিধান আছে এগুলো কি বাতিল বা পরিবর্তন করা যাইবে ? আপনারা কি প্রশ্নটি শুনিয়াছেন ? বর্তমানে কোরআনে যাহা আছে ভবিষ্যতে কি তাহা পরিবর্তন বা বাতিল করা যাইবে ? উত্তর হইল, না । আপনারা সবাই মাথা নাড়িতেছেন কেন ? নাহ, অসম্ভব । অথচ একজন বলিতেছেন, সহিহ বোখারীর হাদিস, ঈশা (আ) ফিরিয়া আসিবার পরে জিজিয়া কর বাতিল করিবেন । জিজিয়ার কথা কোরআনে আছে হা-হা-হা- অথচ হাদীস বলিতেছে তিনি জিজিয়া বাতিল করিবেন । তাহলে বলা যায় আরো একটি নাসখ্ (পরিবর্তন/বাতিল) এখনও বাকী আছে । আপনারা কি তাহা বিশ্বাস করেন ? আপনারা কি বিশ্বাস করেন যে, কোরআনের কোন আয়াত কখনও বাতিল হইয়াছিল বা বাতিল হইবে, পরিবর্তন হইয়াছিল বা পরিবর্তন হইবে, ভুলাইয়া দেওয়া হইয়াছিল অথবা ভুলাইয়া দেওয়া হইবে ? আমি মনে করি সময় হইয়াছে এই বিষয়টি নিয়া আলেমগণ সঠিক পন্থায় চিন্তা করিবেন । আমি মনে করি আলেমগণ এই বিষয়টি যাহা করিয়া আসিতেছিলেন তাহা বন্ধ করিবেন । এই ব্যক্তি আসিলেন এবং বলিলেন কোরআনের ৪৯টি আয়াত বাতিল করা হইয়াছে । তিনি আয়াতগুলির তালিকা দিলেন । আপনার কাছে ইহার কি দলিল আছে ? এই তালিকা কি আপনাকে বিশ্বনবী (সা) দিয়াছেন ? ঐ ব্যক্তি আসিলেন ৩৫টি আয়াতের তালিকা নিয়া । আরেক ব্যক্তি আসিলেন ২৫টি আয়াতের তালিকা নিয়া । (অসমাপ্ত)

মূল – মাওলানা ইমরান নজর হোসেন

অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

Penalty for adultery Muslims লেকচারের অনুবাদ

??