Dr. Bashir Mahmud Ellias's Blog

Know Thyself


Leave a comment

বিবাহ শাদী এবং শেষযুগ আল্লামা ই মরান নযর হোসেন

বিয়ে-শাদী এবং আখেরী জামানা আমি ধীরে ধীরে কথা বলিব, আশা করি ইনশায়াল্লাহ আপনারা বুঝিতে পারিবেন (যেহেতু আপনাদের অধিকাংশেরই মাতৃভাষা ইংরেজি নয়)। আমাদের আলোচনার বিষয় বিবাহ এবং আখেরী জামানা । আখেরী জামানা বা শেষ যুগ কি ? আখেরী জামানা হইল নবী পাক (সাঃ) বলিয়াছেন, যখন আমরা বিরাট বিরাট ফিতনাহ অর্থাৎ বিপদ-মুসিবত-পরীক্ষার সম্মুখীন হইব, যেমনটা হযরত আদম (আঃ) এর সময় হইতে কেয়ামত পর্যন্ত মানবজাতি কখনও হয় নাই । আপনি জানিবেন আপনি আখেরী জামানায় আছেন যখন দেখিবেন নারীরা কাপড় পরিধান করে তথাপি তাহাদেরকে নগ্ন মনে হয় । আপনি জানিবেন আপনি আখেরী জামানায় আছেন যখন দেখিবেন নারীরা কাপড় পরিধান করে পুরুষদের মতো এবং পুরুষরা কাপড় পরিধান করে নারীদের ন্যায় । আপনি জানিবেন আপনি আখেরী জামানায় আছেন যখন দেখিবেন জিনা ব্যভিচারের ব্যাপক বৃদ্ধি, অধিকাংশ শিশু হইবে ব্যভিচারের সন্তান হারামজাদা । আপনি জানিবেন যে দাজ্জালের সকল কর্মকান্ড হইবে আখেরী জামানায় । আপনি জানিবেন আপনি শেষ জামানায় আছেন যখন দেখিবেন সুদ লেনদেন সকল স্থানে ছড়াইয়া পড়িয়াছে । আপনি সমগ্র মানবজাতির মধ্যেও একজন মানুষও পাইবেন না যে সুদ খায় না অথবা সুদ দেয় না । ইহাই হইল আখেরী জামানা শেষ যুগ । কাজেই আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় একটিই আর তাহা হইল আখেরী জামানায় বিবাহ ।
saudi-arab-couple.jpg

saudi-arab-couple.jpg

আমাদের আলোচনা শুরু করিব ইসরাহ বা মেরাজ নিয়া, রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-কে মহাশূণ্যে উঠাইয়া নেওয়া হইয়াছিল, মহাকাশে জান্নাতে নয় । সেখানে নবী-রাসুল এবং ফেরেশতাগণ তাহাকে স্বাগত জানাইয়াছিলেন । সকলেই ছিলেন আনন্দিত মুখে ছিল হাসি । কিন্তু একজন ফেরেশতার মুখে কোন হাসি ছিল না । হযরত জিবরাঈল (আঃ) বলিলেন, তিনি হইতেছেন মালিক, জাহান্নামের রক্ষনাবেক্ষণকারী ফেরেশতা । এমনকি আপনার সুভাগমনেও তাহার মুখে হাসি নাই । কারণ জাহান্নাম কোন ভালো জায়গা হয় । সুতরাং মহানবী (সাঃ) জিবরাঈলকে জাহান্নামের ভিতরে তাকানোর জন্য তাহার অনুমতি নিতে বলিলেন । তারপর নবী করীম (সাঃ) জাহান্নামের ভিতরে তাকাইয়া দেখিলেন । তিনি অনেকগুলি বিষয় দেখিলেন যাহাদের অবস্থান হইল আখেরী জামানায় । তিনি কিছু মানুষকে দেখিলেন যাহাদের পেট বিরাট বড় । তাহাদের পেটের ভিতরে ছিল বড় বড় সাপ, সত্যি ভয়াবহ দৃশ্য । তাহাদের পেট ছিল স্বচ্ছ বাইরে থেকে সব দেখা যায় । রাসুলে পাক (সাঃ) জিজ্ঞাসা করিলেন, ভাই জিবরাঈল, এই লোকগুলি কাহারা ? জিবরাঈল (আঃ) বলিলেন, তাহারা হইল ঐ সকল লোক দুনিয়াতে যাহারা সুদ খাইত । সুতরাং সুদ হইল আখেরী জামানার সবচাইতে বড় আলামত । বিশ্বনবী (সাঃ) বলিয়াছেন, সুদ দারিদ্র অভাব-অনটন সৃষ্টি করে । সুদের হার কম-বেশী হইলে সময় কম-বেশী লাগিতে পারে, কিন্তু দারিদ্র ‍নিঃস্বতা সৃষ্টি হইবেই । তারপর মহানবী (সাঃ) দেখিলেন আরেক ব্যক্তিকে যে একটি টেবিলে বসিয়া আহার করিতেছিল । তাহার সামনে ছিল খাবারের দুইটি বাসন । একটি থালায় ছিল কাচ্চি বিরিয়ানী সুস্বাদু তাজা রুটি । অন্য প্লেটে ছিল ভয়াবহ দুর্গন্ধযুক্ত পঁচা মাংস ভয়াবহ জঘন্য ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়ার যোগ্য । কিন্তু সেই লোকটি ভালো খাবারগুলির পরিবর্তে পচাঁ নোংরা খাবারগুলো খাইতেছিল । নবীজি (সাঃ) জিজ্ঞাসা করিলেন, এই লোকটি কে ? হযরত জীবরাইল (আঃ) বলিলেন, এই ব্যক্তি হইল যাহাকে আল্লাহ স্ত্রী দিয়াছিল যাহা ছিল তাহার জন্য হালাল । কিন্তু সে তাহার স্ত্রীকে রাখিয়া অন্য নারীদের সাথে মেলামেশা করিত যাহারা ছিল তাহার জন্য হারাম । আর জাহান্নামে ইহাই হইল তাদের শাস্তি । আজ রাতে আমি আরেকটি বিষয় উল্লেখ করিতে চাই যাহা নিয়ে আমি অনেক অনুসন্ধান করিয়াছি । যাহার কোন সমাধান আমি খুঁজিয়া পাই নাই আমার সারাজীবনের চিন্তাগবেষনার পরেও আল্লাহর মেহেরবাণীতে যতক্ষন না আমি আখেরী জামানাবিদ্যা অধ্যয়ন করা শুরু করি । নবী করীম (সাঃ) বলিয়াছেন, “আমি জাহান্নামের ভিতরে তাকাইয়া দেখিলাম সেখানকার অধিবাসীদের অধিকাংশই নারী” । কিন্তু আপনি যদি ভুল পদ্ধতি অনুসরন করেন তবে এই উপসংহারে পৌছিঁবেন যে, মানব ইতিহাসের সকল যুগের নারীরাই বিপুল সংখ্যায় জাহান্নামে যাইবে । কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সমগ্র মানবইতিহাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কিন্তু ইহা ভুল । বরং কেবলমাত্র আখেরী জামানার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । ইসরাহ মেরাজে দেখা সকল কিছু আখেরী জামানার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । সুতরাং আখেরী জামানায় নারীজগতে এমন কিছু ঘটিবে যাহার ফলস্রুতিতে অধিকাংশ নারীরাই পথভ্রষ্ট হইয়া জাহান্নামে যাইবে । আর ইহাই আমাদের আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু – বিবাহ এবং শেষ যুগ ।

আখেরী জামানার অধিকাংশ মহিলার শেষ আবাসস্থল কেন ইহার উত্তর জানিবার জন্য আজকের মজলিশে উপস্থিত ভাইদের চাইতে আমাদের বোনেরা বেশী আগ্রহী হইবেন যাহাতে তাহারা জাহান্নাম থেকে নিজেদের রক্ষা করিতে পারেন । ইহার উত্তর নির্ভর করে আখেরী জামানার মূলনায়ক মাসীহ দাজ্জালের উপর । সে সারা দুনিয়া শাসন করিতে চায় । সে যখন সারা দুনিয়ার দখল করিতে সক্ষম হইবে তখন ঘোষণা করিবে “আমি সেই প্রতিশ্রুত মাসিহ” । কিন্তু সে মাসীহ নয়, মাসীহ হইলেন হযরত ঈশা ইবনে মারিয়াম (আঃ) অর্থথাৎ জেসাস । এই ব্যক্তি সত্যিকারের মাসীহের চরিত্রে ছদ্মবেশী অভিনেতা হইতে চায় এবং এভাবে ইহুদীদের সাথে প্রতারনা করিয়া বোকা বানাইতে চায় । এভাবে দাজ্জাল যাহা করিতে চায় তাহা হইল ইহুদীদের ভুল পথে পরিচালিত করা যাহাতে তাহারা তাহাকে ম্যাসাইয়া হিসাবে মানিয়া নেয় । ইহার বাহিরেও দাজ্জালকে আল্লাহ সমগ্র মানবজাতিকে পরীক্ষার মাধ্যম বানিয়েছেন । মহানবী (সাঃ) বলিয়াছেন, “দাজ্জালের সহযোগী হিসাবে সর্বশেষ যেই দলের আবির্ভাব হইবে তাহারা হইল নারী এবং ঈমানদার ব্যক্তি তাহার ঘরে আসিয়া রশি দিয়া তাহার স্ত্রী-কন্যা-বোনকে বাধিয়া রাখিবে দাজ্জালের তীব্র আকর্ষণ থেকে রক্ষা করিবার জন্য” । রশি দিয়া বাধাকে ইন্দোনেশিয়ার ভাষায় কি বলে ? আচ্ছা যাক, আগে জানিয়া পরে আমাকে বলিবেন । এই হাদীসের মানে হইল নারী জাতির উপর দাজ্জালের সাংঘাতিক পরিকল্পিত হামলা হইবে এবং এই হামলা এমন সূক্ষ্ম নিপুণ হইবে যে, সে তাহাদের মগজ ধোলাই করিয়া ফেলিবে । দাজ্জাল মহিলাদেরকে এমনভাবে ব্রেন ওয়াশ করিবে যে আপনি তাহাদেরকে যতই বুঝান না কেন আপনার কথা তাহাদের কানে ঢুকিবে না । ব্যাপারটি হইল অনেকটা দেয়ালে মাথা ঠুকিবার মতো, ঠুকিতে ঠুকিতে আপনার মাথা চুড়মার হইয়া যাইবে কিন্তু দেয়ালের কিছুই হইবে না । ইহাই হইল নারীদের মগজ ধোলাই । আর এই ব্রেন ওয়াশিংয়ের মাধ্যমে দাজ্জাল তাহাদেরকে নারী প্রগতি নারী অধিকার আন্দোলন নারী বিপ্লব ইত্যাদির দিকে নিয়া যাইবে । ফলে নারীরা তখন পুরুষদের মতো পোষাক পরিধান করিবে । মহিলারা কেন পুরুষদের স্যুট কোট জেকেট টাই ইত্যাদি পরিধান করিবে ? কারণ দাজ্জাল চায় নারীরা সমাজে পুরুষদের ভূমিকা পালন করুক । দাজ্জাল তাহাদেরকে পেশাজীবি নারী হওয়ার জন্য, কর্মজীবি নারী হওয়ার জন্য প্ররোচিত করিতে থাকে । তাছাড়া আল্লাহ তো তাহাদেরকে বিদ্যা, বুদ্ধি, যোগ্যতা দিয়াছেন । আপনার মা তো একজন নারী, আর আপনি জানেন তিনি কতো বুদ্ধিমতী । কাজেই নারীদের বুদ্ধিশুদ্ধি পুরুষদের চাইতে কম, এই জাতীয় ফালতু কথা বলার অভ্যাস ছাড়েন । সুতরাং দাজ্জাল বর্তমানে নারীদেরকে সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে আরো দ্বায়িত্ব নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করিবে ।
কিন্তু এজন্য তাহাকে স্ত্রী হিসাবে, মা হিসাবে তাহার ভূমিকা অনেকটা কমাইয়া দিতে হইবে । প্রথম কথা হইল আপনি একজন কর্মজীবি নারী হইয়া একই সাথে যশোরে আপনার দাদী যাহা করিতেন তাহা করিতে সক্ষম হইবেন না । তাহার ছিল বারটি সন্তান, সোবহানাল্লাহ । কিন্তু আপনার মতো একজন পেশাজীবি নারীর পক্ষে তো বারটি সন্তান লালন-পালন করা সম্ভব নয়, বিরাট ঝামেলার ব্যাপার । কাজেই আল্লাহ কোরআনে বলেন, আল্লাহ আপনাদের জন্য যতটি সন্তান ভালো মনে নির্ধারন করিয়া রাখিয়াছেন তাহার বদলে এখন আপনারা নিজেরাই নিজেদের জন্য যতটি ভালো মনে করিয়াছেন নিয়াছেন । সুতরাং আপনাদের কতটি সন্তান থাকা উত্তম হইবে তাহা আল্লাহ নির্ধারন করিবেন, তাহাই আল্লাহ কোরআনে বলিয়াছেন । “তোমরা স্ত্রীদের নিকট গমন করো এবং কামনা করো আল্লাহ যাহা (সন্তান) তোমাদের জন্য লিখিয়া রাখিয়াছেন ।আল কোরআন” কিন্তু এখন দাজ্জালের যুগে একটি নতুন বিষয় চালূ হইয়াছে যাহাকে বলা হয় “দ্বায়িত্বশীল পিতামাতা” । কাজেই এখন আপনিই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেছেন । আপনি এবং আপনার স্বামী মিলিয়া সিদ্ধান্ত নিতেছেন কতটি সন্তান নিবেন এবং মাঝখানে কত বছর বিরতি রাখিবেন । আর যখনই আপনি বিরতি দিলেন, কারণ আমি একজন কর্মজীবি নারী, তখনই আপনি শিরক করিলেন । খেয়াল করিবেন “শিরক্” শব্দটি উচ্চারণ করিলাম, কেননা আল্লাহ এভাবেই শব্দটি ব্যবহার করিয়াছেন । আপনি যদি অন্যভাবে ইহা উচ্চারণ করেন তবে আপনি কোরআনকে অপমান করিলেন, মনে রাখিবেন । সংসারের বদলে দাজ্জাল তাহাকে অফিসে পাঠাইয়া দিয়াছে, ফলস্রুতিতে তিনি হইয়া গিয়াছেন খন্ডকালীন স্ত্রী এবং খন্ডকালীন মা । অফিসে তাহার চারপাশে থাকে অসংখ্য পুরুষ আর তিনি একজন সুন্দরী মহিলা । ফলাফল হিসাবে কি ঘটিয়া থাকে আপনারা জানেন, বেশীরভাগ দাম্পত্য সম্পর্ক ভাঙ্গিয়া যাইতেছে । কাজেই নারীমুক্তি আন্দোলনের কারণে সমাজে তালাকের সংখ্যা বাড়িয়া গিয়াছে, বিবাহ বন্ধন ভাঙ্গিয়া যাইতেছে । এই ধরনের ঘটনা কি মালয়েশিয়াতেও ঘটিতেছে ? দাজ্জাল এভাবে মগজ ধোলাইয়ের মাধ্যমে তাহাকে ঘরের বদলে বাইরে দ্বায়িত্ব পালনের দিকে নিয়া যাইতেছে । হযরত খাদিজা (রাঃ)ও একজন ব্যবসায়ী নারী ছিলেন, এই জাতীয় ফালতু কথা আমাকে বলিতে আসিবেন না । আমি তাহা জানি, আপনাকে বলিতে হইবে না । আমরা অন্য বিষয়ে আলোচনা করিতেছি । দাজ্জাল কেবল নারী বিপ্লব সাধন করিতে চায় না ; সাথে সাথে যৌন বিপ্লবও সফল করিতে চায় । কাজেই যখন নারীরা এমনভাবে পোষাক পরিধান করে যাহাতে তাহাদেরকে নগ্নই মনে হয়, তাহা পুরুষদেরকে সুড়সুড়ি দিতে থাকে বিশেষতঃ যুবকদেরকে । ফলে সত্যিকারের ভালবাসা কমিয়া যায় এবং তাহার বদলে বৃদ্ধি পায় যাহাকে বলা হয় “লালসা” । আর ইহাও আরেকটি কারণ যাহাতে বিবাহ-বিচ্ছেদ বৃদ্ধি পাইতেছে । কাজেই আখেরী জামানায় এই দাজ্জালের যুগের একটি লক্ষণ হইল আপনি দেখিতে পাইবেন বিবাহ বন্ধন ভাঙ্গিয়া যাইতেছে, বিবাহ-বিচ্ছেদ বৃদ্ধি পাইতেছে ।
একজন নারী প্রথম বিবাহ করিলেন তাহা ভাঙ্গিয়া গেলো, তারপর তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহ করিলেন তাহাও বিচ্ছেদ হইয়া গেলো ; তারপর তিনি বলিলেন “নাহ, আর বিবাহ করিব না” । সুতরাং বিবাহ-বিচ্ছেদ যখন বৃদ্ধি পাইতে থাকিবে, মনোযোগ দিয়া শুনন, নারীদের একটি বিরাট সংখ্যা তখন নিঃসঙ্গ হইয়া যাইবে, পরিবারহীন । আমি ইতিমধ্যে দুইবার বিবাহ করিয়াছি, কাজেই আর নয় বিয়ে যতক্ষন না সত্যি সত্যি সকল পুরুষদের মধ্যে সেরা পুরুষের সন্ধ্যান না পাইতেছি । এসব আবর্জনা টাইপের পুরুষদের সাথে আর জীবন কাটাইব না । এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হইলে মানবজাতিকে তাহার কি মাশুল দিতে হইবে যখন অগণিত নারীরা বিবাহ-বহির্ভূত থাকিবে ? যাহারা বিবাহ করিতে ইচ্ছুক কিন্তু উপযুক্ত স্বামী পাইবে না । এখানেই আমাদের বক্তৃতা বিস্ময়কর মোড় নিতে যাইতেছে । আমি এখন পবিত্র কোরআনের সুরা নিছার প্রতি দৃষ্টি দিতে চাই যেখানে আল্লাহ সর্বপ্রথম বহুবিবাহের কথা বলিয়াছেন । বদর যুদ্ধ সংঘটিত হইয়াছে এবং আমাদের কিছু সংখ্যক পুরুষ তাহাতে শহীদ হইয়াছেন, ওহুদ যুদ্ধ সংঘটিত হইয়াছে এবং তাহাতে আমাদের বিরাট সংখ্যক পুরুষ শহীদ হইয়াছেন । ফলে বিরাট সংখ্যক নারী বিধবা হওয়ার পাশাপাশি অসংখ্য মেয়েরা ইয়াতীম হইয়া গেলেন । সুতরাং আল্লাহ সোবহানাহু তায়ালা নির্দেশ পাঠিয়ে দিলেন, “তোমরা যদি আশংকা কর যে জাতি হিসাবে ইয়াতীম নারীদের প্রতি দ্বায়িত্ব পালন করিতে পারিবে না তবে তাহাদের মধ্য হইতে দুই, তিন অথবা চার জনকে বিবাহ করিয়া নাও” । আল্লাহ এখানে সেই সব ইয়াতীম বালিকাদের কথা বলিতেছেন যাহারা বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ নারীতে পরিণত হইয়াছে । যাহাদের মাসিক ঋতুস্রাব শুরু হইয়া গিয়াছে । বর্তমানে সে গর্ভধারনের, মাতৃত্বে অধিষ্টিত হইবার যোগ্যতা অর্জন করিয়াছে । কাজেই আল্লাহ বলিতেছেন এই অনাথ নারীদের কথা, যাহারা প্রাপ্ত বয়ষ্কা হইয়াছে, তাহাদেরকে বিবাহ কর সর্বোচ্চ চারজনকে । ইতিপূর্বে আল্লাহ যত শরীয়্যাহ (জীবনবিধান) অবতীর্ন করিয়াছিলেন তাহাতে কোন সীমা নির্ধারন করা ছিল না, একজন পুরুষ তাহার যত ইচ্ছা ততজন স্ত্রী গ্রহন করিতে পারিতেন । কিন্তু এই শারীয়াহ হইল সর্বশেষ শরীয়াহ এবং ইহাতে স্ত্রীদের সংখ্যা নির্ধারন করিয়া দেওয়া হইয়াছে সর্বোচ্চ চারটি ।
এখন ইমরান হোসেন তাহার বক্তৃতা বন্ধ করিতে চাহেন এবং কুয়ালালামপুরের এই মসজিদে উপস্থিত শ্রোতাদেরকে একটি প্রশ্ন করিতে চান । আল্লাহ তো বিধান দিয়াছেন পুরুষদেরকে চারটি পর্যন্ত বিবাহ করিবার । পৃথিবীতে নারী-পুরুষের সংখ্যা কত হইবে তাহা তো আল্লাহ নির্ধারন করিয়া থাকেন । আল্লাহ যতক্ষন সৃষ্টি না করেন ততক্ষন পৃথিবীতে কোন শিশু জন্মগ্রহন করে না । সুতরাং পৃথিবীর জনসংখ্যা আল্লাহ নির্ধারন করেন, জাতিসংঘের সেই ক্ষমতা নাই । কাজেই দুনিয়াতে কতজন নারী আর কতজন পুরুষ সৃষ্টি হইবে তাহাও নির্ধারন করেন আল্লাহ । এই ক্ষমতা এমনকি সেই লোকেরও নাই কি যেন নাম এখন, ওহ হ্যাঁ বারাক হোসেন ওবামা । সুতরাং ইহা আল্লাহ স্থির করিয়া থাকেন পৃথিবীতে কতজন নারী আর কতজন পুরুষ সৃষ্টি হইবে । আমি এখন আপনাদেরকে জিজ্ঞাসা করিতে চাই, আল্লাহ যদি পুরুষদেরকে চারটি পর্যন্ত বিবাহ করিবার বিধান দিয়া থাকেন তাহার ফলাফল হইল আল্লাহ পুরুষদের চাইতে নারীদেরকে অনেক অনেক বেশী সংখ্যায় সৃষ্টি করেন । কাজেই কোরআনের এই আয়াতের বাস্তবতা হইল আল্লাহকে অবশ্যই অনেক বেশী সংখ্যায় নারীদেরকে সৃষ্টি করিতে হইবে । অন্যথায় পুরুষদেরকে দুই তিন চারটি পর্যন্ত বিবাহ করিবার অনুমতি দেওয়ার প্রশ্নই আসিত না । দীর্ঘদিন যাবত দাজ্জাল নারীমুক্তি আন্দোলনের মাধ্যমে মগজ ধোলাই করিয়া আসিতেছে, নারী-পুরুষের সম্মানজনক সম্পর্ক হইল একজন পুরুষের মাত্র একজন স্ত্রী থাকিবে, ইহাই নৈতিকভাবে গ্রহনযোগ্য । দাজ্জাল যুক্তি দেখাইয়া আসিতেছে যে নীতিবান পুরুষের মাত্র একজন বিবি থাকিবে কিন্তু যাহার একাধিক স্ত্রী আছে তাহার নৈতিক মান নিম্নশ্রেণীর নিম্নমানের । ফলে এখন যাহার একজন স্ত্রী আছে সে ভালো পুরুষ আর যাহার দুই-তিন-চারজন স্ত্রী আছে তাহার মানসিকতায় কোন সমস্যা আছে । এখন আমার নিজেকে সংযত করিতে হইবে অন্যথায় আমার বেগম সাহেবা পরবর্তীতে আমার উপর রাগিয়া যাইবেন । “কেন তুমি রাগিয়া গেলে ? কেন তুমি গলার আওয়াজ উচুঁ করিলে ?” কারণ আমি একজন আদম সন্তান, আমি খুবই হতাশ হইয়া পড়িয়াছি, আমার হৃদয়টি তো কাঠের তৈরী নয় । তো দাজ্জাল এইভাবে মানবজাতিকে ব্রেনওয়াশিং (গাড়ি নাম্বার ৮৩৮০ আপনার স্ত্রী গাড়িতে অপেক্ষা করিতেছেন, আপনি দ্রুত যোগাযোগ করুন অন্যথায় তিনি গাড়ি নিয়ে বাসায় চলে যাবেন । সারা দুনিয়াবাসী আপনাদের কথা এখন শুনে গেলো….হা-হা-হা-) মাধ্যমে বিশ্বাস করাইয়াছে যে এক পুরুষের এক স্ত্রী হইল গ্রহনযোগ্য আদর্শ । ফলে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই এখন একটির বেশী বিবাহ করা আইনতঃ নিষিদ্ধ । দুইজন স্ত্রী থাকিতে পারিবেন না কিন্তু মনিকা লিউনষ্কি থাকিতে পারিবে যত ইচ্ছা ।

মালয়েশিয়ার জন্য আল্লাহকে ধন্যবাদ, মালয়েশিয়াতে এখনও সুলতান আছেন । যেহেতু সুলতানের একাধিক স্ত্রী আছে কাজেই আপনারাও স্ত্রী রাখিতে পারিবেন । মালয়েশিয়াতে একাধিক বিবাহ নিষিদ্ধ হইবে না, আইনতঃ আপনারা এখনও চারটি বিবাহ করিতে পারেন । আলহামদুলিল্লাহ , মালয়েশিয়ার জন্য আল্লাহকে ধন্যবাদ । অবশ্য আমি জানি না কতজন মালয়েশিয়ান পুরুষের চারজন স্ত্রী আছে, আমি কথা বলিতেছি বাকী দুনিয়ার কথা । এখন আমার প্রশ্ন হইল আল্লাহ যদি পুরুষদের চাইতে অনেক বেশী সংখ্যায় নারীদেরকে সৃষ্টি করিয়া থাকেন, কারণ পুরুষদেরকে তিনি চারটি পর্যন্ত বিবাহ করিবার অনুমতি দিয়াছেন, তারপর তুমি আসিয়াছো বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করিয়া তোমার নতুন আইন নিয়া, পৃথিবীর অধিকাংশ পুরুষই এখন একটি বিবাহ করে, তাহার ফলাফলটি কি হইবে তাহা কি ভাবিয়া দেখিয়াছো ? তুমি কি ভাবিয়া দেখিয়াছো তোমার নির্বুদ্ধিতা, তোমার চরম বোকামীর ফলাফলটা কি হইবে ? তুমি কোরআন নিষিদ্ধ করিয়া, ইসলাম নিষিদ্ধ করিয়া দাজ্জালের অনুসরন করিয়াছো । একটা গাধার সমান বুদ্ধিশুদ্ধিও তো আমাদের নাই, একটা গাধা সমান । ইহার ফলাফল হইল বিপুল সংখ্যক নারীরা একজন স্বামী লাভ করিবে না । কারণ আল্লাহ তো পুরুষদের চাইতে অনেক বেশী সংখ্যায় নারীদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন । ইহা কি একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি নয় ? এমন পরিস্থিতি তো আল্লাহ চাহেন নাই । আধুনিক পাশ্চাত্য সভ্যতা আমাদেরকে এই সমস্যা ‍উপহার দিয়াছে ।

দাজ্জাল অবশ্য আপনাদেরকে নানা রকম তথ্যউপাত্ত দিয়া বলিবে যে, না না, নারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় নাই, পুরুষদের সমানই আছে । দাজ্জালের এসব তথ্য উপাত্ত নিয়া ‍আমার কাছে আসিবেন না । আল্লাহ সকল যুগেই নারীদেরকে পুরুষদের চাইতে বেশী সংখ্যায় সৃষ্টি করেন । বর্তমানে দাজ্জালের আবিষ্কৃত মোবাইল রেডিয়েশান, ওয়াই-ফাই রেডিয়েশান, জেনেটিক ফুড অর্থাৎ মেগাসাইজের ফল মূল তরকারি ইত্যাদি অনেক কারণে পুরুষদের ‍শুক্রাণু মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইতেছে । ফলে ছেলে শিশুদের জন্মহার কমিয়া যাইতেছে এবং মেয়ে শিশুদের জন্মহার বৃদ্ধি পাইতেছে । মালয়েশিয়ায় এই সম্পর্কিত একটি লেকচারের পরে একজন মোবাইল ইঞ্জিনিয়ার আমাকে বলিয়াছিলেন যে, হে শায়খ ! আমরা আপনার কথার সত্যতার প্রমাণ পাইয়াছি । আমাদের মোবাইল টাওয়ারে কর্মরত ব্যক্তিদের পরিবারগুলোতে জন্ম নেওয়া সকল শিশুই কন্যা শিশু । নবী করীম (সাঃ) এর ভবিষ্যতবাণী করা মালহামার অর্থাৎ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পৃথিবীতে নারীদের সংখ্যা কি পরিমাণে বৃদ্ধি পাইবে সেই সম্পর্কেও মহানবী সাঃ বলিয়া গিয়াছেন । তিনি বলিয়াছেন, পঞ্চাশজন নারীকে দেখাশুনা করিতে হইবে মাত্র একজন পুরুষকে । আর দাজ্জাল চায় মুসলমানদের মধ্যে নারীদের সংখ্যা অনেক অনেক বৃদ্ধি পাক এবং সমাজ জিনা ব্যভিচারে সয়লাব হইয়া যাক । মানবজাতি বর্তমানে অভাব-অনটন দারিদ্র্যে জর্জড়িত । এজন্য খুব কম পুরুষের পক্ষেই দুই তিন কিংবা চারজন স্ত্রীর ভরনপোষণ করা সম্ভব । ভবিষ্যতে এই দারিদ্র্য আরো প্রকট আকার ধারন করিবে । কেননা এভাবেই সম্ভব ইজরাঈলের পক্ষে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের অর্থাৎ মালহামার পরে পৃথিবীর যেই অংশটুকু অক্ষত থাকিবে তাহাকে শাসন করা । সামনে আসিতেছে অর্থনৈতিক পতন অর্থনৈতিক মন্দা । কাগজের মুদ্রা উঠিয়া যাইবে । অভাব-অনটন-দারিদ্র আরো প্রকট আকার ধারন করিবে । তখন খুব কম পুরুষের পক্ষেই সম্ভব হইবে চারজন স্ত্রীর ভরনপোষন করা । তাহলে সেই বিপুল সংখ্যক অতিরিক্ত নারীদের কি উপায় হইবে ? তখন আপনারা কি করিবেন ? এখনই আপনার স্ত্রী ঘোষণা করিতেছে যে, বিশ্বাস না হইলে বাসায় গিয়া আপনার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করিয়া দেখেন, আমার স্বামীর আরেকটি বিবাহ করিবে তাহা আমি মানিয়া নিব না । নাহ, কিছুতেই না । আমি তাহার নিকট থেকে তালাক নিয়া নিব, তবুও তাহার দুই স্ত্রী মানিতে পারি না, মানিয়া নিব না । অধিকাংশ নারীদেরই চিন্তাভাবনা বর্তমানে এই রকম । হ্যাঁ, বোন আপনি যে-সব কারণে জাহান্নামে যাইবেন তাহার মধ্যে ইহাও একটি কারণ । হ্যাঁ, বোন আপনি যে-সব কারণে জাহান্নামে যাইবেন তাহার মধ্যে ইহাও একটি কারণ । আজ রাতে আমি একজন ইসলামী বিশেষজ্ঞ আপনাকে বলিতেছি, আপনি জাহান্নামে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন । আমাদেরকে মনে রাখিতে হইবে যে, একজন স্বামী লাভ করা প্রত্যেক নারীর অধিকার । কিন্তু একজন স্ত্রী লাভ করা প্রত্যেক পুরুষের অধিকার নহে । বরং প্রত্যেক নারীর একজন স্বামী লাভের অধিকার রক্ষার জন্য একজন পুরুষকে প্রয়োজনে দুই-তিন-চারটি পর্যন্ত বিবাহ করিতে প্রস্তুত থাকিতে হইবে । অন্যথায় আপনাকে এজন্য আল্লাহর কাছে একদিন জবাবদিহি করিবার জন্য প্রস্তুত থাকিতে হইবে । দাজ্জালের মগজ ধোলাইয়ের কারণে নারীদের মতো এখন পুরুষরাও বিশ্বাস করিতে শুরু করিয়াছে যে, একটির বেশী বিবাহ করা কোনভাবেই তাহাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে না । (অসমাপ্ত)

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
Marriage and nikah in akhiruzzaman By Sheikh Imran Hosein লেকচারের অনুবাদ


Leave a comment

বাংলাদেশের বালিকা কওমি মাদ্রাস ার তালিকা

বাংলাদেশের বালিকা মাদ্রাসার তালিকা-
অনেক আপুরা মাদরাসায় পড়তে চান বলে ইনবক্স করেন. তাই তাদের জন্য ঢাকার ও ঢাকার বাইরের কিছু শীর্ষ কওমি মহিলা মাদরাসার নাম নিচে দিয়ে দিলাম। সবাই হয়তো নিজের এলাকায় ভাল মাদরাসাগুলো পাবেন না. ভাল কিছু পেতে হলে যেমন ত্যাগ স্বীকার করতে হয় তেমন ভাল জায়গায় পড়তে দুরে যেতে হয়. আর সারা বাংলাদেশে কওমি মহিলা মাদরাসা এমনিতেই অনেক কম.
women-offereing-salat.jpg

(এখানে নাম আসেনি এমন কোন মহিলা মাদ্রাসার নাম যদি আপনাদের জানা থাকে তবে কমেন্টে দিলে এড করে দেব ইনশাআল্লাহ)

১. জাতীয় মহিলা মাদরাসা, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা
২. উম্মাহাতুল মুমেনিন মহিলা মাদরাসা, ভাটারা মোড়, গুলশান, ঢাকা
৩. ইবরাহিমিয়া মহিলা মাদরাসা, কাজলারপাড়, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা
৪. জামিয়া সিদ্দিকিয়া নুরানি মহিলা মাদরাসা, মিরপুর-২, ঢাকা
৫. মদিনাতুল উলুম মহিলা মাদরাসা, তুরাগ, ঢাকা
৬. উম্মাহাতুল মুমেনিন হয়রত আয়েশা সিদ্দিকা মাদরাসা, দারুস সালাম, ঢাকা
৭. আল মাদরাসা আল মাদানিয়া আল আরবিয়া, পল্লবী, ঢাকা
৮. হালিমা সাদিয়া মহিলা মাদরাসা, লালবাগ, ঢাকা
৯. জামিয়া ইসলামিয়া আশরাফুল উলুম মাদরাসা, ছনটেক, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
১০. আনোয়ারুল উলুম মহিলা মাদরাসা, আশরাফাবাদ, কামরাঙীচর, ঢাকা
১১. দারুল উলুম মহিলা মাদরাসা, উত্তর গোলাপবাগ, ঢাকা
১২. আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া রানাভোলা, উত্তরা-১০, ঢাকা
১৩. মাদরাসা ফাতেমাতুজজোহরা, মুহাম্মাদিয়া হাউজিং লিমিটেড, ঢাকা
১৪. মাহাদু তালিমিল বানাত্, আল-হেরা টাওয়ার, খিলখেত, ঢাকা
১৫. আয়েশা সিদ্দিকা দারুল উলুম মাদরাসা, কদমতলী, ঢাকা
১৬. নুরে হেরা মহিলা মাদরাসা, কোম্পানিঘাট, হাজারিবাগ, ঢাকা
১৭. মাদরাসাতুল কিতাব ওয়াসসুন্নাহ, শেরশাহসুরী রোড, মুহাম্মদপুর, ঢাকা
১৮. মাদরাসা আয়েশা সিদ্দিকা, ঢালকানগর, সুত্রাপুর, ঢাকা
১৯. ইকরা দারুল কারিম মহিলা মাদরাসা, দখিন কেরানিগনজ, ঢাকা
২০. জামেয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদরাসা, মুমসিহাটি, কামরাঙিচর, ঢাকা
২১. হাজী আব্দুর রশিদ দারুল উলুম মহিলা মাদরাসা, শিবপুর, সাভার, ঢাকা
২২. আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা মাদরাসা, দেবিনগর মাঝিরচর বাজার, দোহার, ঢাকা
২৩. খাদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদরাসা, নবোদয় হাউজিং, মুহাম্মদপুর, ঢাকা
২৪. হযরত ফাতিমা তালিমুদ্দিন মহিলা মাদরাসা, মেরাজনগর, কদমতলি, ঢাকা
২৫. আল্লাহর দান বালিকা মাদরাসা, পুর্ব নয়াপাড়া গাজিপুর সদর, ঢাকা
২৬. নুসাইবা বালিকা মাদরাসা (দখিন বারিধারা), মেরুল বাড্ডা, ঢাকা
২৭. জামিয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদরাসা, মজিপুর, সাভার, ঢাকা
২৮. তাহিরাতুন নিসা মহিলা মাদরাসা, ভাটারা বাড্ডা, ঢাকা
২৯. হযরত আয়েশা সিদ্দিকা আন্না বিবি মহিলা মাদরাসা, উত্তর কাফরুল, ঢাকা
৩০. রশিদিয়া ইবরাহিমিয়া মহিলা মাদরাসা, পলাশপুর, ডেমরা, ঢাকা
৩১. ফাইজুল উলুম ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা, বছিলা, মুহাম্মদপুর, ঢাকা
৩২. কোনাবাড়ি দারুল উলুম মহিলা মাদ্রাসা (Gazipure)
৩৩. আল- মানার মহিলা মাদরাসা,বাড়ী নং- ৬৪৯/৪,কামালখান সড়ক, ইব্রাহিপুর,কাপরুল,মিরপুর ১৪

ঢাকার বাইরের ২০১৫ সালের শীর্ষ কওমি মহিলা মাদরাসার তালিকা

১. খাদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদরাসা, নন্দিনা পশ্চিম বাজার, জামালপুর সদর
২. খাতুনে জান্নাত কামরুন্নেছা মহিলা মাদরাসা, জালেশ্বরীতলা, ঠাকুরগাও সদর
৩. সিদ্দিকিয়া বালিকা শিশু সদন ও মহিলা মাদরাসা, ঝিনাইগাতি ব্রিজপাড়, শেরপুর
৪. ফাতেমাতুজ যাহরা বালিকা মাদরাসা, হাজি খলিলুর রহমান রোড, ভোলা সদর
৫. আয়েশা(রা:) মহিলা মাদরাসা, লালখান বাজার, খুলশি, চট্টগ্রাম
৬. আলমতাজ মহিলা মাদরাসা, শাহেদনগর, সিরাজগনজ সদর
৭. আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা মাদরাসা, মনোহর বাজার রোড, পালং, শরিয়তপুর
৮. আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা মাদরাসা কমপ্লেক্স, ইপিজেড রোড, কুমিল্লা সদর
৯. মারকাযুস সুন্নাহ আল ইবরাহিমি মহিলা মাদরাসা, আঙাউড়া, দাউদকান্দি, কুমিল্লা
১০. তালিমুল কুরআন মহিলা মাদরাসা, জয়দেবপুর, পুর্ববরুদা, গাজিপুর সদর
১১. আল্লাহর দান বালিকা মাদরাসা, পুর্ব নয়াপাড়া, গাজিপুর সদর
১২. জামিয়া উসমানিয়া দারুল উলুম মহিলা মাদরাসা, সাতাইশ, টঈি, গাজিপুর
১৩. হযরত হাফসা মহিলা মাদরাসা, বানিদাপাড়া (মিলসগেট), কালিগনজ, ঝিনাইদহ.
১৪. সুফফাহ মহিলা মাদরাসা, জলিলপুর, মহেশপুর, ঝিনাইদহ
১৫. মাদরাসা আয়েশা সিদ্দিকা, পশ্চিম দাশড়া, মানিকগনজ সদর
১৬. খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ মহিলা মাদরাসা, আওরাঙা বাজার, মানিকগনজ সদর
১৭. আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া, খালপাড়া, লৌহজং, মুন্সিগনজ
১৮. জামেয়া ইসলামিয়া জাহারুননেছা, ডেকরপাড়া, মুন্সিগনজ সদর
১৯. জামিয়া আরবিয়া লিল বানাত, সোনারং, টঈিবাড়ি, মুন্সিগনজ
২০. জামিয়া রশিদিয়া আহসানাবাদ মহিলা মাদরাসা, চরমোনাই, বরিশাল সদর
২১. জামেয়া ইসলামিয়া ফজিলাতুননেছা লিল বানাত, শাহ পরান সড়ক, ২নং ওয়ার্ড, বরিশাল সদর
২২. জামিয়া ইসলামিয়া ফাতেমাতুজ যাহরা, সেকশন রোড, ভাটিথানা, বরিশাল সদর
২৩. রিয়াজুল জান্নাহ মহিলা মাদরাসা, নিশিন্দারা কারবালা, বগুড়া সদর
২৪. তাহযীবুল বানাত মহিলা মাদরাসা, স্টাফ কোয়ার্টার রোড, বগুড়া সদর
২৫. রাবেয়া বসরি মহিলা মাদরাসা, শিকারপুর পুর্বপাড়া, বগুরা সদর
২৬. জামিয়া ফাতেমাতুজ যাহরা মহিলা মাদরাসা, দয়ামীর, উসমানি নগর, সিলেট
২৭. আল জামিয়াতু ত্বয়িবাহ মহিলা মাদরাসা, সুলতানপুর, বালাগনজ, সিলেট
২৮. মাসরাসাতুল বানাত দারুল হাদিস, বারুতখানা, সিলেট সদর
২৯. মিফতাহুল জান্নাহ মহিলা মাদরাসা, গলগন্ডা, মোমেনশাহি সদর
৩০. রাহাতুল জান্নাহ মহিলা মাদরাসা, বাগডহর, কোতয়ালি, মোমেনশাহি
৩১. জামিয়া খাদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদরাসা, বাওলা, ফুলপুর, মোমেনশাহি
৩২. জামিয়াতুজ জাহরা মহিলা মাদরাসা, বালিয়া, ফুলপুর, মোমেনশাহি
৩৩. নাসিরাবাদ তোহফাতুল জান্নাত মহিলা মাদরাসা, ১৮ নং বগাবাড়ি, মোমেনশাহি সদর
৩৪. আল হেরা মহিলা মাদরাসা, গাবতলি, চাড়িপাড়া, মুক্তাগাছা, মোমেনশাহি
৩৫. মাফাকিরুল আরিফ মহিলা মাদরাসা, মাইজবাড়ি, মোমেনশাহি সদর
৩৬. ছাওতুল হেরা মহিলা মাদরাসা, রায়বাজার, ইশ্বরগনজ, মোমেনশাহি
৩৭. জামিয়া আশরাফিয়া মহিলা মাদরাসা, সি-১৬, সেক্টর-৭, যশোর সদর
৩৮. আমেনা মহিলা মাদরাসা, নওয়াপাড়া, অভয়নগর, যশোর
৩৯. জামিয়া ইমদাদিয়া মাদানিনগর, মনিরামপুর, যশোর
৪০. আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা মাদরাসা, সল্প মারিয়া, কিশোরগনজ সদর
৪১. হালিমা সাদিয়া মহিলা মাদরাসা, ভৈরবপুর, ভৈরব, কিশোরগনজ
৪২. খাদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদরাসা, শুম্ভপুর, ভৈরব, কিশোরগনজ
৪৩. জামিয়া রাহেলা পারভিন তাহযীবুল বানাত, পুর্ব চকপাড়া (নুর মসজিদ), নেত্রকোনা সদর
৪৪. ফাতিমাতুজ যাহরা মহিলা মাদরাসা, নিশ্চিন্তপুর, নেত্রকোনা সদর
৪৫. বাগে জান্নাত মহিলা মাদরাসা, ব্রাম্মনজাত, কেন্দুয়া, নেত্রকোনা
৪৬. জামিয়াতুল আরবিয়া খাদিজাতুল আরবিয়া, শেখপাড়া, সানাডাঙা, খুলনা
৪৭. আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা মাদরাসা, আরজী, ডুমুরিয়া, খুলনা
৪৮. আশরাফুল উলুম উম্মে হাবিবা মহিলা মাদরাসা, নিরালা, প্রান্তিকা, খুলনা সদর
৪৯. ইবরাহিমিয়া আমিনিয়া মাদরাসা, আটি ওয়াপদা কলোনি রোড, সিদ্ধিরগনজ, নারায়নগনজ
৫০. দারুল হুদা মহিলা মাদরাসা, ভুইগড়, ফতুল্লা, নারায়নগনজ
৫১. আশরাফিয়া মহিলা মাদরাসা, নয়াআটি, চিটাগাং রোড, সিদ্ধিরগনজ, নারায়নগনজ
৫২. দারুস সুন্নাহ মহিলা মাদরাসা, রাজঘর খালিয়ারা, বি-বাড়িয়া সদর
৫৩. খাতুনে জান্নাহ মহিলা মাদরাসা, মুনাসেফপাড়া, বি-বাড়িয়া সদর
৫৪. জামেয়া ইসলামিয়া ইবরাহিমিয়া মহিলা মাদরাসা, কাউতলি, বি-বাড়িয়া সদর
৫৫. হযরত ফাতেমা মহিলা মাদরাসা, হরিপুর, কালিহাতি, টাঙাঈল
৫৬. রাবেয়া বসরি মহিলা মাদরাসা, জেলা সদর, টাঙাঈল
৫৭. জামিয়া আয়েশা সিদ্দিকা লিল বানাত, গোড়াকি (কাজিনগর), মির্জাপুর, টাঙাঈল
৫৮. রিয়াজুল জান্নাহ মহিলা মাদরাসা, জেলখানার মোড়, তরোয়া, নরসিংদি সদর
৫৯. সিরাজুল উলুম মহিলা মাদরাসা, উত্তর সাটিরপাড়া, নরসিংদি সদর
৬০. আল মাহমুদিয়া মহিলা মাদরাসা, বিরামপুর, নরসিংদি সদর
৬১. আল-হুদা মহিলা মাদ্রাসা, হাটহাজারি
কোনাবাড়ি দারুল উলুম মহিলা মাদ্রাসা (Gazipure)
আল- মানার মহিলা মাদরাসা,বাড়ী নং- ৬৪৯/৪,কামালখান সড়ক, ইব্রাহিপুর,কাপরুল,মিরপুর ১৪
ছাতারপাইয়া মহিলা মাদরাসা, ছাতারপাইয়া, সেনবাগ, নোয়াখালী।

Ask Sumon


2 Comments

অসুখ বিসুখে হোমিওপ্যাথিক পরামর ্শ

১৪৮. doya koray khoma korun sir, aj hotat koray amar nijar apon small sister ar akta khub emergency problem hoyaca,, aj sokal thaky automatic sorir kapcay r buker vitor jam badha acy, sorir jala pura korcay,,, hotat koray bolcy amar amon lagcay kno bolayi emergency obostha hoya galo,,, r sorir khub kapacca r gora gori cillacilli…. tar por dati lagay jacca,,, tar por ambulance k khobor diya hospital a vori koralo doctor,,, tarpor dupor a injection dawar por ghumiya galo, ghum thaky utha vlo hata cola o kothao bollo vlo hoya galo tobuo bolcilo sirir hat pa kapcy r buker vitor jam hoya acy,,, ami rat 10 pm a bari colay aslam aktu por ammu phone koray bollo aber naki sorir kapcy,, diya sister aber injection dilo abong ghumiya porlo,,, r sorir khub naki pain…. kno amon ta hocca plz plz…sir help me উত্তর ‍ঃ মৃগী রোগ বা হিষ্টিরিয়া হতে পারে অথবা মারাত্মক ধরনের কোন ইনফেকশান । পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা যাবে না ।
১৪৯. সালাম নিবেন।আশা করি আল্লাহর অশেষ দয়ায় ভাল আছেন এবং আল্লাহ আপনাকে নেক হায়াত দান করুন।আপনার কাছে আমার একটা প্রশ্ন:আমি দীর্ঘ দিন যাবত এপিস মেল Q সেবন করে যাচ্ছি,এতে কী কোন বড় ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে?স্যার,দয়াকরে জানাবেন।
homeopathy-18768.jpg

উত্তর ‍ঃ একটি ঔষধ দীর্ঘদিন খেলে সেই ঔষধটি যে-সব রোগ নিরাময় করে, সেই রোগগুলি আপনার শরীরে সৃষ্টি করে দিবে । কাজেই আপনার যদি এই ঔষধটি খেতেই হয়, তবে মাঝে মাঝে এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহ বিরতি দিয়ে খান । এতে তার ক্ষতিকর ক্রিয়া থেকে বেচেঁ যাবেন ।
১৫০. Sir my father is 75 yrs old nd suffering from parkinsonism since 2 years. he took stem cells therapy nd now his condition is stable. he can walk but very slow and can talk but very little. Please suggest homeopathic medicine for my father
Answer- Alumina 200, take this medicine 1 drop or 5 pills for one day.
৩৫১. Assalamualikum, ami scientific Officer, BARI. Amar chele(13),mae(4) duijoni autistic, ora kotha bolena, kotha bojena, gumaina, sarakhon kannakati kore. Homeo medicine ki oder kono help korte pare, pls janaben.
উত্তর ‍ঃ অটিজম হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরোপুরি ভালো হয়ে যায় । আর কোন কোন ক্ষেত্রে যদি পুরোপুরি ভালো না হয়ে ৫০ ভাগ বা ৭০ ৮০ ভাগ উন্নতি হয়, তাও তো একটা বিরাট প্রাপ্তি হিসাবেই মনে হবে । কাজেই আপনি যত দ্রুত সম্ভব একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের অধীনে আপনার সন্তানদের ন্যস্ত করুন ।
১৫২. Bhai, assalamualaikum, bhai ami gotokal sokal theke sabal serrulata half glass panir sathe 20 kore khawa shuru koresi, ebong rateo kheyesi, somossa holo aj vor rate amar prochondo rokom loose motion hoy, tarporo ami aj sokaler doze kheye ofc e jai, ofc e jabar por sara dine amr aro 4-5 bar ekebare panir moto paikhana hoy ebong amr sorir khub durbol hoye pore, emotabosthai ami ki korbo bujte parsina, ami ki eki niyome rater oshudh khabo, doya kore janale khub upokrito hotam.
উত্তর ‍ঃ ঔষধটা কয়েকদিন বন্ধ রাখেন । ডায়েরিয়া সেরে গেলে আবার খাওয়া শুরু করবেন । যদি আবারও ডায়েরিয়া দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে এই ঔষধ খাওয়া বাদ দিতে হবে অথবা কমিয়ে খেতে হবে যেমন – ৫ ফোটা করে বা ১০ ফোটা করে ।
১৫৩. আমার স্তন হটাৎ করে বড় হয়ে গেছে আর ব্যাথা করছে । চাপ দিলে পানি পড়ছে। কি ঔষধ খাবো ?
উত্তর ‍ঃ Bryonia alba 200 এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা একদিন খাবেন ৫টি বড়ি ।
১৫৪. Sneezing and coughing when cooking. Which homoeo remedy belongs to this symptoms ?
উত্তর ‍ঃ pothos foetida 200 এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা একবার খাবেন ৫টি বড়ি ।
১৫৫. স্যার,আসসালামুওলাইকুম।আমি দীরঘ দিন ডিপ্রেশনে ভুগেছি এবং সাইক্রিয়াটিষ্টের প্রেস্ক্রিপশন মোতাবেক লুডিওমিল (এন্টি ডিপ্রেজেন্ট) ও নেক্সিটো (মানসিক অস্তিরতা কমায়) ঔষুধ খেয়েছি।ওষুধ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। যার কারনে প্রায়ই খুব খারাপ লাগে তখন মাঝে মাঝে সিগারেট খেতে হয়/ক্যালি ফস খেতে হয়।পরামরশো দিলে উপক্রিত হতাম।
উত্তর ‍ঃ বিষন্নতার জন্য Alfalfa, Ignatia, Hypericum ইত্যাদি হোমিওপ্যাথিক ঔষধগুলো খেতে পারেন । আপনি যদি হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার না হন তবে কোন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ঔষধ খান ।
১৫৬. Sir amon kono repotory ase ki Jeta bangal anubad abog picture soho.
উত্তর ‍ঃ এমন কোন রেপার্টরি চোখে পড়ে নাই
১৫৭. আমি গত প্রায় আড়াই মাস আগে হাত ঘামানো বন্ধের জন্য একজন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী Thuja 10m, Pulsatilla 10M, Medorrhinum 10M, Ambra Grisea 10M এই চারটি ওষুধ চার সপ্তাহে খাই। এক মাস বিরতি দিয়ে আবার শুধু thuja আর pulsatilla খাই দুই সপ্তাহে। কিন্তু হাত ঘামানো সারে নাই। যাই হোক আমি গত সপ্তাহে মিরপুর ১৪ নাম্বারে সরকারী হোমিওপ্যাথী হাস্পাতালে যাই এবং বহি্বিভাগে দেখাই। সেখানকার ডাক্তার আমাকে বলে যে আমার এসব ওষুধ এতো উচ্চ মাত্রায় খাওয়া ঠিক হয় নি। এরপর থেকে আমি প্রচন্ড মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছি। এই ওষুধ গুলো খাওয়ার কারনে কি আমার কোনও শারিরিক ক্ষতি হবে ? কোনও সাইড ইফেক্ট আছে ? আমার কি কোনও মেডিকেল টেস্ট করানোর প্রয়োজন আছে ? দয়া করে আমাকে জানান। আমার সামনে পরীক্ষা , আমি কিছুই পড়তে পারছি না। খুব মানসিক যন্ত্রনার মধ্যে আছি। একটু সাহায্য করেন।
উত্তর ‍ঃ হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সাইড ইফেক্ট খুবই কম, নাই বললেই চলে । তাছাড়া আপনার যদি জ্বর, কাশি, ডায়েরিয়া, আমাশয়, পেট ব্যথা, মাথা ব্যথা ইত্যাদি কোন সাইড ইফেক্ট দেখা দেয়, সেজন্য নির্দিষ্ট ঔষধ আছে, খেলেই চলে যাবে । অযথা টেনশানের কিছু নাই ।
১৫৮. আস্সালামুআলাইকুম স্যার ভাল আছেন। আমার ছোট বোন এর একটা খুব জটিল সমস্যা হচ্ছে। সে কোন কিছু নিয়ে বেশি চিন্তা করলে সাথে সাথে শরির কাপতে শুরু করে দিচ্চে আর শ্বাস প্রস্বাস নিতে কষ্ট হচ্চে। আর হটাৎ করে দাতি লেগে অগ্গান হয়ে যাচ্ছে। এই এক মাসে ৬ বার মেডিকেল এ ভর্তি করলাম ডাঃ বলছে কোন রোগ নাই। প্লিজ একটু বলবেন কেন এমন হচ্ছে। আর রাত হলেই আজে বাজে স্বপন দেখছে আর ঘুমের ভিতর কথা বলছে।।।
উত্তর ‍ঃ Gelsemium semparvirens 200 এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা একদিন খাবেন ৫টি বড়ি ।
১৫৯. স্যার আমি 2011 সালে রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হতে ডিএইচএমএস পাশ করেছি। এখন আমি চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে আগ্রহী। আমি একটি চেম্বার দিতে চাচ্ছি। সেক্ষেত্রে আইনগত কিছু করণীয় আছে নাকি? চিকিৎসার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করা কি খুব জরুরী না করলে কোন সমস্যা আছে কি না? দয়া করে জানাবেন?
উত্তর : আপনি যদি চেম্বার দেন তবে আপনাকে সিটি কর্পোরেশান থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে । চেম্বারে যদি ঔষধ রাখেন তবে ড্রাগ লাইসেন্স নিতে হবে । চেম্বারে যদি এলকোহল অর্থাৎ রেকটিফাইড স্পিরিট রাখেন তবে নারকোটিকস লাইসেন্স নিতে হবে ।
১৬০. আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু । স্যার, আমার জিহ্বাতে ঘা , জিহ্বা নড়াচড়া করলে একটু লাগলেই বেথা পাই। কি ওসদ এবং কিভাবে এবং কত শক্তিতে খেতে হবে দয়াকরে পরিমাণ বললে উপকৃত হব। B-50 Forte® খেলে সেরে যায় আবার কয়দিন পর হয়।
উত্তর ‍ঃ Natrum muriaticum 6x এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা প্রতিদিন একবার করে খাবেন ৫টি বড়ি এক মাস ।
১৬১. আমার রক্তে প্লাটিলেট কাউন্ট কমে গেছে অনেক । কি ঔষধ খাইতে পারি ?
উত্তর ঃ Alfalfa Q ঔষধটি ৫০ ফোটা করে রোজ ৩ বেলা খাওয়ান আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে ।
১৬১. ভাই আমার দাত রুট কেনেল করেছিলাম,কিন্তু দাত ভেংগে গিয়ে রুট সিল্ক উঠে গেছে।চারোদিকের গোস্ত দাতের মধ্যে এসেছে।একটু জিহবার লরা পেলে রক্ত আসে।এখন আমি কি করব ?
উত্তর ঃ Calcarea flour 6x ঔষধটি ৫ বড়ি রোজ ২ বার হিসাবে ১ মাস খান ।
১৬২. স্যার দীর্ঘ যাবত টনসিল সমস্যায়য় ভুগছি। হিপার সালফ ২০০ খাচ্ছি।কমে আবার ২ দিন পরে ব্যাথা বারে।কি করতে পারি?
উত্তর ঃ Bacillinum 200 ঔষধটি প্রতি মাসের ১ তারিখে ৫টি বড়ি খাবেন এভাবে তিন মাসে খাবেন তিন দিন ।
১৬৩. Assam o alaikum. After a male baby birth doctor advised my daughter in Law not to feed child due to jaundice to the baby. After one week her right chest swelled with milk clots and Puss developed. Yesterday puss removed through surgery. Gave 2 doses of Arnica-30 today. Advise any quick remedy to normalize still swelling chest please.

Calcarea carb 200
১৬৪. স্যার আমার কন্নার বয়স ৮ মাস. কন্নার মার বুকের দুধ কিছু টা কমে গেছে, কন্না বাইরের খাবার খেতে চায়না, এখন বুকের দুধ বারানুর জন্য কন্নার মাকে কি অওসুদ খায়াতে পারি দয়া করে বলবেন কি
উত্তর ‍ঃ Urtica urens Q ঔষধটি ২০ ফোটা করে আধা গ্লাস পানিতে মিশিয়ে রোজ দুইবার করে কমপক্ষে তিনদিন খান।
১৬৫. Assalamualikum.amar boyos 31 yrs.amar mukher lomkup gulo din din boro hoye jasse.r lips khub kalo hoye jasse.homeopathy te ki er kono medicine ase?pls poramorso diben.advance dhonnobad.
উত্তর ‍ঃ sepia 200 এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা মাত্র ১ দিন খাবেন একবার ৫টি বড়ি ।
১৬৬. ASSAMUALAIKUM, How to save my hair from "TAK". hair fall problem is there for not less then 20 years. Have dandruff (oily). If you have any advises please…..!!
উত্তর ঃ Silicea 6x ঔষধটি সকালে ৫ বড়ি এবং রাতে ৫ বড়ি করে ১ মাস খান, আশা করি ঠিক হয়ে যাবে ।
১৬৭. আমি আজ ছয়মাস সালফার ২০০ সেবন করতেছি এলার্জির জন্য। এখন ঐ ওষুধ টার পাওয়ার বাড়ানো লাগবে কি? পরবর্তী পাওয়ার টা কত সেবন করবো, একটু জানালে উপকৃত হবো
উত্তর ‍ঃ সালফার আর খাওয়ার দরকার নাই । Urtica urens Q ঔষধটি ১০ ফোটা করে রোজ দুইবেলা হিসাবে ১ মাস খেয়ে দেখতে পারেন । কাজ না হলে কোন হোমিওপ্যাথিক বিশেষজ্ঞের স্মরনাপন্ন হন ।
১৬৮. excessive pain, redness, thick pus and watery with bloody discharge . when scarb out it look like sallow hole.
উত্তর: Asterias rubens 30
১৬৯. যা হোক , হোমিওতে বেশ কয়েক সাইজের বড়ি আছে । কোন সাইজের ৫টি বড়ি খাব , কখন খাব, খাওয়ার আগে না পরে ? সময়টা জানাবেন আশা করি।
উত্তর ঃ যে-কোন সাইজের বড়ি খেতে পারেন, এতে কোন সমস্যা হবে না ।
১৭০. আস্ সালামু আলাইকুম। স্যার আপনার কাছে একটা সমস্যা নিয়ে লিখতেছি সময় পেলে জবাব দিবেন আশাকরি। বিয়ে করেছি ২০১৪ সালে দিনকাল সুন্দর ভাবে কাটতেছে আলহামদুলিল্লাহ একটা মেয়েও আছে। সবকিছু ঠিকমত চলতেছিল। আমি বিদেশ ছিলাম কিছু সমস্যার হওয়ার কারণে গত মার্চে দেশে চলে আসি। আসার পরেও দু এক মাস ঠিক ছিল। কিন্তু এর পর থেকে আমার পুঃলিঙগটি ঠিকমত উওেজিত হয় না। বউয়ের রাগা রাগি প্রতিদিন স্যার মহা সমস্যায় আছি। আপনার কাছ থেকে একটা সামাধান চাই।আমি আপনার লিখা গুলু প্রতিদিন পড়ি। এখনো কোন ডাক্তার দেখাই নি। প্লিজ স্যার আমাকে কোন সামাধান দেবেন আশাকরি। মাআস্সালাম
উত্তর ঃ উত্তর ঃ আলফালফা (Alfalfa Q), এভেনা সেটাইভা (Avena sativa Q) ঔষধগুলো সাতদিন সাতদিন করে একটার পর আরেকটা করে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খাবেন, ১০ ফোটা করে রোজ ২ বেলা ।

১৭১. নারকোটিকস লাইসেন্স কোথা হতে নিতে হয় ? হোমিও এর ড্রাগলাইসেন্স আর এলোপ্যাথি র ড্রাগলাইসেন্স কি আলাদা কিনা ? হোমিও রেজিস্টেশন তাহলে কখন দরকার ?
উত্তর : নারকোটিকস লাইসেন্স নিতে হয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে । এলোপ্যাথিক আর হোমিওপ্যাথিক ড্রাগ লাইসেন্স অবশ্যই আলাদা । হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিসের
১৭২. আমার স্বামীর মাড়ির একটা দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত বের হয়। কোন যন্তনা নাই।কি ঔষধ দেব স্যার।
উত্তর ঃ Calcarea phos 6x ঔষধটি ৫ বড়ি রোজ ২ বার হিসাবে ১ মাস খান ।
১৭৩. আমার নাকের মাংস বৃদ্দি হয়েছে, মাথা ব্যাথা করে। আর হা করলে বাম কানে ব্যাথা করে। ও গলাতে ক্রণিক ফেরেনজাইটিস এর সমস্যা আছে সাইনুস ই ক্রণিক প্লিজ হেল্প মি স্যার।
উত্তর ঃ Aurum metallicum 50M ঔষধটি একদিন মাত্র ৫টি বড়ি খাবেন । এক মাসের মধ্যে নিরাময় না হইলে আবার যোগাযোগ করিবেন ।
১৭৪. আমার আব্বা রেক্টাম ক্যান্সারে আক্রান্ত বহুদিন ধরে। এলওপ্যাথি অনেক ডা: দেখিয়েছি। তারা অপারেশন করে টোটাল রেক্টাম কেটে বাইপাস ব্যাগ দিতে চাচ্ছে। আমরা ভেবে পাচ্ছিনা,নিরুপায়।কি করব বুঝিনা। প্লিস আমাদের একটু হেল্প করুন। আমরা বরিশালে থাকি।
উত্তর ঃ এলাকার কোন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের পরামর্শ মতো ঔষধ খান । আশা করি রোগমুক্ত হয়ে যাবেন ।
১৭৫. আমার লাংস এলার্জিতে আক্রান্ত, এক্সরে করে জানা গেছে
মাঝে মাঝে দম বন্ধ বন্ধ লাগে, হাত পা অসাড় হয়ে আসে
মাথায় প্রচন্ড চাপ লাগে
তখন টেনশন হলে হার্টবিট অনেক হাই হয়ে যায়, এসময় মনে হয় মারা যাচ্ছি
স্মোকিং এর অভ্যাস ছিল দীর্ঘদীন, অনিমিত ঘুম ও খাদ্য গ্রহণ, বিশ্রাম রেষ্ট খুব কম নেয়া হয়েছে
কম্পিউটার, মোবাইল ফোন অতিরিক্ত ব্যবহার ( আইটি প্রফেশন এর জন্য)
এখন আমার জন্য কি করণীয়?
দয়াকরে জানাবেন কি?

উত্তর ‍ঃ Urtica urens Q ঔষধটি ১০ ফোটা করে আধা গ্লাস পানিতে মিশিয়ে রোজ দুইবার করে কমপক্ষে পনের দিন খান।
১৭৬. আস সালামু আলাইকুম স্যার। আমি মোঃ ফরহাদ, বয়সঃ৩৫ উচ্চতাঃ ৫ ফিট ৮ ইঞ্চ। আমি বিবাহিত। আমার ০১ ছেলে ০১ মেয়ে। আমার দ্রুতবীর্যপাত হয়। ( বিবাহর পর থেকেই তা অনুভব) কখনো সহবাসের শুরুতে কখনো সহবাসের ৩০-৪০ সেকেন্ড পর বীর্যপাত হয়ে যায়। এই সমস্যা দুরকরার জন্য হামদদ ও হোমিও চিকিৎসা নিয়েছি কোন রেজাল্ট পাইনি। আমার প্রসাবে কোন জ্বালা পুড়া হয় না কোথ দিলে বীর্য ও বাহির হয় না।আমার যখন লিঙ্গ যখন উত্তেজিত হয় তখন লিঙ্গের মাথায় দুই তিন ফোটা পিচ্ছিল তরল পানি বেড় হয়। আমার স্ত্রী অনিয়মিত মাসিক হয়। বিয়ের পূর্বে মাঝে মধ্যে হস্ত মৈথন করতাম।

উত্তর ‍ঃ tarentula hispanica 30 ঔষধটি প্রতি শুক্রবার সকালে খাবেন ৫টি বড়ি । এভাবে ১ মাস খেয়ে পরে জানাবেন।
১৭৭. মেডিকেল চেক আপ এ টাইফয়েড দেখা দিয়েছে । এখন কি ঔষধ খেতে হবে ।
উত্তর : Baptisia tinctora 30 ঔষধটি ১ ফোটা অথবা ৫ বড়ি করে রোজ দুই বেলা করে ৭ দিন খান । এলোপ্যাথিক ঔষধ খাওয়ার দরকার নাই, এটি যে-কোন এলোপ্যাথিক এন্টিবায়োটিকের চাইতেও কম সময়ে টাইফয়েড নিরাময় করে দিতে সক্ষম ।
১৭৮. excessive fat in male chest er solution ki ?
উত্তর : Mercurious solubilis 50M ঔষধটি ১ ফোটা অথবা ৫ বড়ি খান ১ দিন । প্রয়োজনে ১ মাস পরে আবার ১ দিন খান ।
১৭৯. আমি একটা মেয়েকে ভুলতে পারছিনা। এর জন্য কি কোন মেডিসিন আছে।
উত্তর : ignatia amara Q ঔষধটি ১0 ফোটা করে রোজ দুই বেলা করে ১৫ দিন খান ।
১৮০. A girl 18 years, test declares as brucellosis. Any treatment please.
Answer : Echinacia angustifolia Q take this medicine 5 drops 2 times daily for 1 month.

১৮১. আমার ভায়ের উরুতে ২টি ফোড়া হয়েছে চারপাশ লাল,তাতে খুব ব্যাথা।কি ঔষধ দেব
উত্তর ঃ Arnica montana 6 ঔষধটি ৫ বড়ি করে রোজ তিন বেলা করে ৩ দিন খাওয়ান ।
১৮২. স্যার আমি ক্লাস নাইন থেকে ইন্টানমিডিয়েট পর্যন্ত মাস্টারবেশনে আসক্ত ছিলাম, প্রচুর বীর্য ক্ষয় করেছিলাম যার কারনে আমার স্বাস্থ্য ভেঙ্গে যায়, চোখ বসে গেছে, কয়েেক বছর যাবত ওই বদঅভ্যাস সম্পুর্নরুপে ত্যাগ করেছি। (কারন ২০১২ তে আমার বিবাহ হয়, বর্তমান ছয় মাস বয়সি আমার একটা পুত্র সন্তান রয়েছে।) আমার চোখ কোন অবস্থাতেই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি। আমি আরোগ্য লাভের জন্য এই হোমিও মেডিসিনগুলো সেবন করেছিলাম। ১/ এসিড ফস৩০,২০০,১০০০ কয়েকবার ২/ লাইকোপোডিয়াম,৩০,১ এম দু তিন বার ৩/এগনাস কাস্টিস কয়েকবার ৪/জিনসেং কিউ ২ মাস ৫/ টার্নেরা,এ্যবেনা একবার করে বর্তমানে আমি ক্যালি ফস ৬ ট্যব তিন বেলা খাচ্ছি। তেমন কোন উপকার পাইনি। ঘুমের ঘোরে মাঝে মাঝে গোঙ্গানি হয়।শরির খুব দুর্বল। একটুতেই ক্লান্ত হয়ে যাই। দয়াকরে পরামর্শ দিন।আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।
১৮৩. আমার মেরুদন্ডের শেষে ডান দিকে লাল ফোস্কার মত একটা বিচি হইছে এটা কয়দিন পর ফুলে পুজপানি বের হই এবং শুকাই ৫ মাস চলতেছে হোমিও ওষুধ খাইতেছি ভাল হচ্ছে না। কিভাবে,কতদিন লাগবে ভাল হতে জানারে খুশি হব
উত্তর : Calcarea carb 50M এবং Thuja occidentalis 50M । এই একটি প্রতি মাসের এক তারিখে খান ৫ বড়ি এবং অন্যটি প্রতি মাসের পনের তারিখে খান ৫ বড়ি । এভাবে তিন মাস খান ।
১৮৪. বাবার হার্টে সমস্যা ( উনি সিগারেটও খান), এলার্জি। বয়স আনুমানিক ৭০। এলার্জি রোগটা আমার ফ্যামিলি ও আত্মীয়স্বজনদের অনেকের মধ্যেও আছে। ছোট বড়।
উত্তর ঃ Urtica urens Q ঔষধটি রোজ ১০ ফোটা করে দুইবেলা খান এক মাস (আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে) ।
১৮৫. মা পায়ে হঠাত ব্যথা পাইছে arnica montana কি ভাবে বা কতো ফোটা খাবে একটু বলেন দয়া করে।
উত্তর ঃ Arnica montana 6 ঔষধটি ১ ফোটা বা ৫ বড়ি করে দুই ঘণ্টা পরপর খাওয়ান যতক্ষন ব্যথা না কমছে ।
১৮৬. মায়ের যে সমস্যা -কস্টিকাঠিন্য ২/৩দিন পর পায়খানা করে।গ্যাস্টিকের কারনেপেট মরিচের মত জ্বলে।মাঝেমাঝে শরিরও পা জালাপুরা করে।পায়খানা করার সময় রক্ত আসে, আগে অরশো ছিল। ঘার চাবায়।মাথা বেথা করে।প্রস্রাবের বেগ বেশি,কিন্তু ডায়বেটিস নাই। অনেক ভিতু। এবং অনেক চিন্তিত থাকে।আত্ত্যবিশ্ব্যাষ কম হোমিও অউশুদের উপর। কারন ভাল কোনো হোমিও ডাঃ পাচ্ছিনা তাই গ্রাম্য হমিও ডাঃ থেকে অউশুধ খাওয়াইছি কোন কাজ হয়নি।বরতোমানে অনেক দুরবল,অস্থির লাগে, পেট জলে,কস্টিকাঠিন্য,এগুলো মেন সমস্যা।
উত্তর ‍ঃ Natrum muriaticum 6 এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা ৫টি বড়ি করে প্রতিদিন দুই বার করে খাবেন এক মাস ।
১৮৭. মাসিকে সমেস্য কালো হয় খয়রি হয় গোস্তোর মত পরে রক্তের দলা পরে মাসিক আসলের মাথা ব্যাথা হয়। মাসিক আসার আগে শরিলের পেরায় অংশ ব্যাথা করে চাবায় মাসিক ছারাও মাঝেমাঝে মাথাটা ব্যাথা করে।শরিল অনেক দুরবল।ইকটু বেশিখন বসে থাকলে পিঠের দুপাস ব্যাথা করে। গলার ডান পাসের রক ব্যাথা করে মাথা ব্যাথা পিঠের ব্যাথা গলা ব্যাথা হয় মাঝেমাঝে। মাঝেমাঝে রাতে জর আসে গলার বামপাসে রগ মাঝেমাঝে ব্যাথা করে মাথা ঘুরায়
উত্তর ঃ Alfalfa Q ঔষধটি রোজ রাতে ২০ ফোটা করে আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন তিন মাস ।
১৮৮. আমার খুব ঘন ঘন প্রসাব হয় এবং গলা শুকিয়ে যায় এবং দিন দিন ওজন কমে যাচ্ছে ক্ষুধাও অনেক বেশি।কি করব স্যার
উত্তর ঃ এটা তো ডায়াবেটিসের লক্ষণ । রুটি খান আর ব্যায়াম করেন ।

১৮৯. স্যার হস্তমৈথুন থেকে দূরে থাকতে চাই। অভ্যাসে পরিনত হইসে। ছাড়তে পারসি না । ছাড়তে চাই। কোন ঔষধ অাছে ?
উত্তর : salix nigra Q ঔষধটি ২০ ফোটা করে রোজ দুইবেলা করে খান আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে ১ মাস বা যতদিন প্রয়োজন মনে করেন ।
১৯০. আসসালামু আলাইকুম , আমার আম্মার বেশ কয়েক বছর যাবত ডায়াবেটিস আর ব্লাড প্রেশার এর সমস্যা । গত বেশ কয়েকদিন ধরে আম্মার চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝরছে । ডায়াবেটিস হসপিটালের এক ডাক্তারকে দেখানো হয়েছিলো কিন্তু ওনার ওষুধে কাজ হয়নি বরং সমস্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে । শুনেছি সেই ডাক্তার নতুন জয়েন করেছে । আবার উনি পাওয়ার বদলে একটা চশমা দিয়েছিলো কিন্তু সেটার পাওয়ার চোখে ফিট হয়নি । আম্মু কয়েকদিন ঐ চশমা চোখে দিয়েছিলো কিন্তু এরপর থেকেই এই অবস্থা । ঐ ডাক্তার যে ড্রপ প্রেস্ক্রাইব করেছে সেটা দেওয়াতে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পায় পরে আম্মু সাধারণ একটা চোখের ড্রপ যেটা সাধারণ চোখের অসুখে দেয় ওটা সেদিন রাতে নেওয়ার সাথে সাথে সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যায় আল্লাহ্‌ এর রহমে কিন্তু আবার পরদিন সকাল থেকে সেই একই সমস্যা শুরু হয়ে যায় । আম্মু খুবই কষ্ট পাচ্ছে আর আমরাও অনেক চিন্তিত । আমি যে বাসায় থাকি সে বাসার পানিতে প্রচুর আয়রন । আমি আম্মুকে ঐ পানি সরাসরিভাবে ব্যাবহার করতে মানা করেছি কিন্তু উনি মাঝে মাঝে ভুল করে ব্যাবহার করায় মনে হয় ওনার সমস্যা আরও বেশী হচ্ছে যা আমার মনে হচ্ছে । এখন আমরা কি করতে পারি একটু পরামর্শ দিলে উপকৃত হতাম । জাজাকুমুল্লাহ্ খাইরান
উত্তর : Jaborandi Q ঔষধটি ১০ ফোটা করে রোজ দুইবেলা করে খান আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে দু’চার দিন । সমস্যা চলে গেলে ঔষধ বন্ধ করে দিবেন ।
১৯১. স্যার, অাসসালামু অালাইকুম। অামার বাবার বয়স ৫৮ বছর। গত ৩/৪ বছর ধরে উনি হাটুর ব্যাথায় ভুগছেন। অনেক ডাক্তার দেখানো হয়েছে, টেস্ট করা হয়েছে কিন্তু ব্যাথা কমে না। ঔষধ খেলে কিছুটা কম হয়। কিন্তু ১ দিন ঔষধ না খেলে অাগের মতোই তীব্র ব্যাথা শুরু হয়। রাতের বেলা বেশি ব্যথা করে। হোমিওপ্যাথিতে এর কোন চিকিৎসা অাছে কি? হাটুর ব্যথা কি সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব? পরামর্শ দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো। ভাল থাকবেন স্যার। অাল্লাহ হাফেজ।
উত্তর : Bellis perennis Q ঔষধটি ১০ ফোটা করে রোজ দুইবেলা করে খান আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে ১৫ দিন । সমস্যা চলে গেলে ঔষধ বন্ধ করে দিবেন ।
১৯২. স্যার, মেয়েদের মাসিক বন্ধ হলে (বাচ্চা না হয়ে) কি ঔষধ দেব।এবং অনেক দিন হচ্ছে কিন্তু বন্ধ হচ্ছে না।২টি ঔষধই বলবেন
উত্তর : মাসিক চালু করার জন্য Alfalfa এবং Fraxinus Americana ঔষধ দুটি খাওয়াতে পারেন । অবশ্য লক্ষণ থাকলে Natrum mur, Ferrum phos, Thyroidinum ইত্যাদি ঔষধগুলোও খাওয়াতে পারেন । পক্ষান্তরে মাসিকের দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষরণ বন্ধ করার জন্য লক্ষণ অনুযায়ী Secale cor, Mellifolium, Hamamellis, aconite, phosphorus ইত্যাদি ঔষধ খাওয়াতে পারেন ।
১৯৩. ভাই, স্পন্ডিলাইটিসের একটি রোগী পেয়েছি । দুই সন্তানের জননী, গর্ভাবস্থার কারণে ব্যাথা বেড়েছে । প্রেসক্রিপশান করার মতো কোন লক্ষণ পাইতেছি না ।
উত্তর : Bellis perennis Q ঔষধটি ৫ ফোটা করে রোজ ৩ বেলা খেতে দেন ১৫ দিন । সাধারণত জরায়ুর সাথে কোন বাতের ব্যথার সম্পর্ক পাওয়া গেলে তাতে বেলিস ভালো কাজ করে ।
১৯৪. আসসালামুওলাইকুম । আমার শরীরে ছিয়াল বা ছুলি আছে কোন ভাবে ভাল হয়না । আগে হোমিও চিকিৎসা করছি কাজ হয়নি । হোমিও ঔষধ স্কোনোভিট তার সাথে আরো ঔষধ দিয়েছিল । এখন শরীরে সব জায়গাতে আছে এখন এটা ভাল করার একটা ঔষধ দিন বা সমাধান দিন ।
উত্তর ঃ Bacillinum 200 এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা দুই মাস পরপর একদিন খাবেন ৫টি বড়ি -এভাবে ৬ মাসে ৩ বার খাবেন ।
১৯৫. Sir amr PLID (protruding lumbar intervertebral disk) Problem……back pain & left side leg obas hoye jay & onek pain ai roger ki kono osud ace……?
উত্তর ঃ Ruta graviolens 6 ঔষধটি ১ ফোটা বা ৫ বড়ি করে রোজ ৩ বেলা করে ৬ মাস খান, ঠিক হয়ে যাবে । তবে যদি অপারেশানে যান তবে আপনার ভোগান্তির কোন সীমা থাকবে না ।
১৯৬. amr amma hotat kore bolce bam pasta jim jim kore ar bam thoter aktu jayga abos ,aconite 30 diecilum ar ki dewa jay bolben pls.
উত্তর ঃ Causticum 30 ঔষধটি ১ ফোটা বা ৫ বড়ি করে রোজ ৩ বেলা করে ২ দিন খাওয়ান, ঠিক হয়ে যাবে ।
১৯৭. Dada Piles a Blood poray kintu Mol narom , akta anguler mato molder diya ber hoy . Hattay bostay poray , Pani laglay o poray . ki bebo ?
উত্তর : রক্তের রঙ লালচে হলে Mellifolium আর কালচে হলে Hamamellis খাওয়ান ।
১৯৮. Brother, I have pain in my knees. can you help? I had a sports injury. Doctors told me to operate but I denied. The injury is 10 years old now. its about meniscus as doctor said before. at first couple of years my knee used to get locked and then slowly it recovered. then sometimes I feel pain inside and sometime it becomes tough to walk easily. once I sit for long, I feel pain to stand again and slowly it also become senseless. these are some basics. thanks
উত্তর ঃ Ruta graviolens 6 ঔষধটি ১ ফোটা বা ৫ বড়ি করে রোজ ৩ বেলা করে ৬ মাস খান, ঠিক হয়ে যাবে ।
১৯৯. Madicine ansi vai . 1fota kora 3 bar khabo naki 1tu bashi khabo ?
উত্তর : ১ ফোটার বেশী খাওয়া লাগবে না । তবে সাবধান থাকবেন যাতে ঔষধে থুতু বা নিঃশ্বাস না লাগে । এজন্য সরাসরি বোতল থেকে ঔষধ না খেয়ে একটি চায়ের চামচে বা গ্লাসে ঢেলে খাবেন ।
২০০. মাসিকের রং কালো।কোন ব্যথা নায়।পরিমানে অল্প।কি ঔষধ দেয়া যায়, আমার মাসিক হয় ২ দিন। পরিমানে বেশি।এটা কি রোগ?বেশি দিন হওয়ার জন্য কি ঔষধ খাওয়া যায়
উত্তর : যদি এতো বেশী হয় যে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, তবে তো তা রোগই । এক্ষেত্রে দুয়েক বার Secale cornatum 30 ঔষধটি খেতে পারেন ।
২০১. আমি হোমিওপ্যথিক শিখতে চাই আমাকে কি করতে হবে ভাই
উত্তর : নিজের ছোটখাটো রোগের চিকিৎসার উদ্দেশ্যে হলে বাজার থেকে কিছু বাংলা হোমিওপ্যাথিক বই কিনে পড়ুন । আর ডাক্তার হয়ে চিকিৎসা পেশায় আসতে চাইলে হোমিও কলেজে গিয়ে ডিপ্লোমা অথবা বিএসসি কোর্স করুন ।
২০২. স্যার আমি আমার জীবনে অনেক অনেক হস্তমৌথন করেছি এখন আমার বয়স ৩০ আমার বিয়ের বয়স ৬ আমার একটি মেয়ে বাচ্চা আছে আমার সমস্যা হলো আমার লিঙ্গ ৪ ইঞ্চি এবং চিকন আমার মনে হয় লিঙ্গ এর স্বাভাবিক বৃদ্ধি হয়নি এখন লিঙ্গ শক্ত হয় কিন্তু বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয় না সহবাস করার সময় ১/২ মিনিটেই পতন হয় এখন আমি কি করব প্লিজ একটা ভালো সাজেশন দেন। আপনার কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবো।
উত্তর ঃ আলফালফা (Alfalfa Q), এভেনা সেটাইভা (Avena sativa Q), ক্যালি ফস (Kali phosphoricum 6x) ইত্যাদি ঔষধগুলো সাতদিন সাতদিন করে একটার পর আরেকটা করে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খাবেন, ১০ ফোটা অথবা ৫ বড়ি করে রোজ ২ বেলা ।
২০৩. জনাব, ফেসবুক মানে লক্ষ লক্ষ বা কোটি কোটি মানুষের সমাগম । এ ধরনের সমাগমে রোগের লক্ষণ আর ঔষধের নাম প্রকাশ পেলে ভুক্তভোগীগনের অধিকাংশই নিশ্চয়ই চুপ করে বসে থাকবেন না অথবা চিকিৎসা নিতে চিকিৎসকের কাছে ছুটেও যাবেন না । বরং তারা সরাসরি সেগুলো পরখ করে দেখতে সচেষ্ট হবেন এবং বাস্তবিকপক্ষে প্রয়োজনীয় ঔষধগুলো বাজার থেকে ক্রয় করে ব্যবহার করে কিছু সংখ্যক মানুষ ভাল হয়ে যাবেন । আবার অনেকে ভাল না হয়ে হোমিওপাথিক চিকিৎসার, আপনার ও ঔষধের দূর্নাম ছড়াবেন । ভাল হয়ে যাবার পিছনে যুক্তি অবশ্যই আছে, হয়তো তার সৌভাগ্য অথবা দৈবক্রমে রোগীর অন্যান্য সকল লক্ষণগুলোর সাথে ব্যবহ্রত ঔষধের লক্ষণাবলীর সাদৃশ হয়ে গেছে । আর ভাল না হওয়াদের পশ্চাতে ওটার বিপরীত কারন ঘটেছে বলে ধারনা করা যায়, যাদের প্রকৃতই হোমিও চিকিৎসা প্রয়োজন । তবে ভুক্তভোগীগন খুব সহজেই যে চিকিৎসকমুখী হবেন না এটা প্রায় নিশ্চিত, কেননা তাদের হাতে আছে আপনার দেয় রোগ লক্ষণ ও তদনুযায়ী ঔষধের নাম । বারংবার এবং ঔষধ পাল্টিয়ে পাল্টিয়ে হলেও চেষ্টা চলতেই থাকবে, অন্যদিকে ক্ষতি স্বীকার করেও- এটাই সাধারন মানুষের স্বভাব । কেননা অধিকাংশ মানুষ জানেন না হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা তথা মায়াজমেটিক চিকিৎসার কঠিন ও জটিল নিয়মগুলো । আমাকে ভুল না বুঝলে ধন্যবাদ ।
২০৪. আসসালামু আলাইকুম স্যার আমার কতোগুলো সমস্যার সমাধান দিন প্লীজ স্যার আমি অনেক দিন(৪-৫ বছর) যাবত masterbate করেছি কিন্তু এখন আমার অনেক সমস্যা দেখা দিয়েছে নিম্নে সেগুলো ১।খুব দ্রুত বীর্যপাত হচ্ছে (৩০ সেকেন্ডে) ২।প্রসাব পায়খানায় কুথুনি দিলে বীর্য বের হচ্ছে ৩।খাওয়ার কিছুক্ষনের মধ্যেই প্রসাবের বেগ আসে বেগ ধরে রাখতে পারিনা ৪।ভিটামিন,ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধো খাবার দুধ বা মাছ মাংস খেল পেটে সহ্য পায় না,স্বপ্নদোষ হয় , হজম শক্তিকমে গিয়েছে ৫।এখন আমার বুকটা সবসময় ধরপর করে,বুকটা জোরে জোরে শব্দে ধকধক করে ৬।কোনো কাজ করতে পারি না,শরীরে কোনো শক্তিই পাই না কাজ করার ৭।সবসময় দূর্বল লাগে ৮।শরীর খুব দূর্বল হয়ে গেছে,খাওয়ার কোনো রুচি নেই বয়সঃ ২০ ওজনঃ ৪৪ কেজি উচ্চতাঃ ৫.৩"
২০৫. আসসালামুয়ালাইকুম।
আংকেল ইমার্জেন্সি হেল্প লাগবে।
আমার নানুর জ্বর ও কাশি। কফ জমে গেছে। এলোপ্যাথিকক ডাক্তার দেখাইছি কোন কাজ হয় নি। ডাক্তার বলছে আস্তে আস্তে কমবে।
এখন কি করণীয়?
আপনি কোন পরামর্শ দিন। জাযাকাল্লাহ।
উত্তর ‍ঃ Bryonia alba 30 এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা ৫ বড়ি করে রোজ ৩ বার করে খাওয়ান ৩ দিন ।
২০৬. আমি মোটা হতে চাই কি ঔষধ খেতে হবে ।
উত্তর ‍ঃ আলফালফা (Alfalfa), এভেনা সেটাইভা (Avena sativa), ক্যালি ফস (Kali phosphoricum) ইত্যাদি ঔষধগুলো সাতদিন সাতদিন করে একটার পর আরেকটা করে নিয়মিত দৈনিক খাবেন । ২০ ফোটা করে দুইবেলা এবং ৫ বড়ি করে দুইবেলা ।
২০৭. Dear Sir, Hope you are fine. One of my friend ( age 50) had a cycle accident at his age 15 and had a sever head injury at left side of his head and later he also had a blow in his left chest. Now he is suffering from cronic pain is his left side of head and chest and also server arthritis pain from his waist to leg of left side. he can not tolerate cold. How to help this guy. By the by my name is M and i am from Chittagong, Bangladesh. I am a private service holder and last year i admitted in HP diploma course.
Answer : give your patient Natrum sulphuricum 10M, one drop or five pills 1 time for 1 day. If he is not cured within one month then repeat the same medicine.
২০৮. আসসালামু আলাইকুম। স্যার, আমার এক ভাইর চোখে কম দেখেন। বয়স ৩৪। ছোটবেলা অপারেশন করিয়েছিলেন। কোন উপকার হয়নি।এখন দিনদিন চোখের পাওয়ার কমে যাচ্ছে।এলোপ্যাতিক ডাঃ দেখিয়েছিলাম। তিনি বললেন আর ভাল হবেনা। হেমিওপ্যাতিতে এর কোন চিকিৎসা আছে কিনা? থাকলে কোথায় আছে দয়া করে জানিয়ে একটু উপকার করবেন। উল্লেখ্য যে, এস এম এসের মাধ্যমে আপনার পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করে আমি উপকৃত হয়েছি।
উত্তর : Titanium 30 ঔষধটি ১ ফোটা অথবা ৫ বড়ি করে প্রতি শুক্রবার একবার করে খেতে থাকুন । আর যতদ্রুত সম্ভব একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হন ।
২০৯. দাদা, নাক ডাকা বন্ধে হোমিও চিকিৎসা যদি বলতেন তবে কৃতজ্ঞ থাকব।
উত্তর : বিস্তারিত না জেনে এই রোগের চিকিৎসা করা কঠিন । তবে Opium 30 ঔষধটি দুই মাস পরপর একদিন খেয়ে দেখতে পারেন (১ ফোটা অথবা ৫ বড়ি) ।
২১০. ক্রিম ব্যবহার করে মুখে খস খস করছে,চুলকাচ্ছে,পরে জ্বলছে,সাদা চামড়া উঠছে।কি ঔষধ দেব
উত্তর : ‍Silicea 50M ঔষধটি একদিন খান ৫ বড়ি ।
২১১. স্যার ছলির ভাল ঔষধ কোনটি।রাতে চুলকায়।দিনে নয়।
পিঠে,গলায়।বেশি দিনের না।কোন ঔষধ লাগানো হয়নি
উত্তর ঃ Bacillinum 200 এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা দুই মাস পরপর একদিন খাবেন ৫টি বড়ি -এভাবে ৬ মাস । আবার শুনে রাখুন, প্রতিদিন নয়, দুই মাসে মাত্র একদিন খাওয়াবেন ।

২১২. স্যার বগলের তলে গুটি চাকার মত, এর আগে calcaria phos এর কথা বলে ছিলেন
আগে হাই পাওয়াবে মার্ক সল খান এক মাত্রা
২১৩. sir apner prescription onujai medicine kacci but gastric tow komsce na sir
উত্তর ঃ Alfalfa Q ঔষধটি রোজ রাতে ২০ ফোটা করে আধা গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন

২১৪. ভাই আমার ছেলের বয়স১৬ মাস শিশুদের যে টিকা দেয়া হয় আমি তা দেই নি। এখন বাবু শরীরে চুলকানি এটা নি আমার স্ত্রীর চিন্তা টিকা না দেয়ার কারণে এটা হয়ে থাকতে পারে।
এমতাবস্থায় একটা পরামর্শ চাই ভাইয়া
উত্তর ঃ টিকা সম্পর্কে আমার লেখাটি তাকে পড়তে দেন, তাহলে টেনশান থাকবে না । চুলকানির জন্য লক্ষণ অনুযায়ী সালফার, আর্টিকা ইউরেন্স, ডলিকোসিস, রাসটক্স, নেট্রাম সালফ ইত্যাদির কোনটি খাওয়ান ।
এই প্রেসক্রিপশান মতো ঔষধ খান, আশা করি আপনার সমস্যা চলে যাবে

২১৫. স্যার আমি একজন ছাত্র।আমি ক্লাস নাইন থেকে ইন্টানমিডিয়েট পর্যন্ত মাস্টারবেশনে আসক্ত ছিলাম, প্রচুর বীর্য ক্ষয় করেছিলাম যার কারনে আমার সাস্থ খুব খারাপ হয়ে গিয়েছে। এখনও মাঝে মাঝে উত্তেজনার বশে হস্তমৈথুন করে ফেলি।আমার খাওয়ার রুচি খুবই কম।শরির খুব দুর্বল। একটুতেই ক্লান্ত হয়ে যাই। দয়াকরে পরামর্শ দিন। আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।
২১৫. হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ডায়াবেটিস কি স্থায়ীভাবে নিরাময় হয় ?
উত্তর : হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় খুব সহজেই ডায়াবেটিস সেরে যায় । তারপর আপনি যদি নিয়ম-কানুন মেনে চলেন তবে সারাজীবনেও আর ডায়াবেটিস ফিরে আসবে না আর ডায়াবেটিসের ঔষধও খেতে হবে না । কিন্তু যদি পূর্বের স্টাইলে ফিরে যান, তবে ডায়াবেটিসও পুণরায় ফিরে আসবে ।
২১৬. vy achiI ar j0nn0 ki vaI0 h0be
উত্তর ঃ Thuja occidentalis CM এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা এক মাস পরপর একদিন খাবেন ৫টি বড়ি -এভাবে ৩ মাস ।
২১৭. sir ,apnar dawya prescription amar nakar polypus valo hoisa kintow nakar har ar jonnow prescription cahi.ar amar hat pa gama basi.tension hoi. gomar somoi nak daki ar jakhan diya nissas nai sakhn ya har ta nichow hoiya jaccha…
উত্তর ঃ Aurum metallicum 50M এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা মাত্র একদিন খাবেন ৫টি বড়ি ।
২১৮. স্যার, আমার গেল রোযার ঈদে, ডান বগলে ব্যাথা যুক্ত গুটি হয়, তিন দিন পর ছোট আরেকটা হয়, হোমিও ঔষধ খাবার পর কমে যায়, মাসখানেক পর, বাম বগলে এমনই গুটি হয়, তবে গুটি হবার আগে শরীরে বিভিন্ন অংশে ব্যাথা করত, যেমন, হিপ জয়েন্ট পেটের বাম, ডান পাশে, গুটি হবার পর শরীরে অন্য কোথাও ব্যাথা হয় নি, হোমিও ঔষধ খাবার পর কমে গেছে, আমার পুরাতন একজিমা আছে কিছুদিন আগে, অনেক বেড়ে গিয়েছিল, এখন আবার শরীরে ব্যাথা বিভিন্ন যায়গায় ব্যাথা করছে, যেটাকে আবার গুটি হবার লক্ষন মনে হচ্ছে, মাঝখানে পেটের চামড়ার নিছে ও ছোট ব্যাথাযুক্ত গুটি হয়েছিল, এমনিতে কমে গিয়েছিল, আমার বয়স ২৫, ওজন ৮৫ কেজি।
উত্তর ঃ Lycopodium 50M এই হোমিওপ্যাথিক ঔষধটা মাত্র একদিন খাবেন ৫টি বড়ি ।
২১৯. কাঁশির জন্য রাত্রে ঘুম হচ্ছে না। তাছাড়া আমার বুকের মধ্যে খুবই খাপার লাগছে। মহে হচ্ছে বুকের উপর কেহ বসে আছে। কি কারণে বুঝতে পারছি না। কোন ঔষধ দিলে উপকার হত।
উত্তর ‍ঃ Sticta pulmonaria 200 ঔষধটি ৫ বড়ি খান, আশা করি ঠিক হয়ে যাবে ।
২২০. Sir, 50 mlcml mdcn er bepare jodi kisu advise korten
Ekhono beshirvag manush e shototomik poddhoti use kore but onekei abar bole 50 mlcml hosse 6th edition organon ke follow kore
Ami nobio practice shuru korsi, jodi ektu advise korten
উত্তর ঃ পঞ্চাশ সহস্রতমিক পদ্ধতির ঔষধের ওপর অনেক বই পাওয়া যায়, সেগুলো পড়ে দেখুন । পৃথিবীর অধিকাংশ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তাররাই মনে করেন যে, পঞ্চাশ সহস্রতমিক পদ্ধতির ঔষধের ওপর হ্যানিম্যান তার গবেষনা শেষ করে যেতে পারেন নাই । এজন্য অধিকাংশ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারগণই শততমিক পদ্ধতির ঔষধ ব্যবহার করে থাকেন । আরেকটি কারণ হলো পঞ্চাশ সহস্রতমিক পদ্ধতির ঔষধের গবেষনা যখন প্রকাশিত হয়, তার অনেক পূর্বেই শততমিক পদ্ধতির ঔষধ বাজার দখল করে বসে আছে । কাজেই সত্তর বছর বিলম্বের কারণে পঞ্চাশ সহস্রতমিক ঔষধ আর শততমিক ঔষধকে বাজার থেকে উৎখাত করতে সক্ষম হয় নাই । তবে যারা পঞ্চাশ সহস্রতমিক ঔষধ ব্যবহার করেন তারা বলেন যে, এগুলো ক্রনিক ডিজিজের চিকিৎসা ব্যবহার করা সুবিধাজনক এবং ফলাফল দেয় বেশ চমৎকার ।
২২১. assalamualikum sir, kmn asen asha kori Allahpak apnake valo rakhce, sir apner wall a akta post dekhlam j 11 ti ousude diabetes theke mukti, tobe okhane ousud gulur nam pai nai, amar mayer diabetes, r halka hridrug r pray sara bochori dater betha thake akhono ase ajke giye cilo dat uthaite pore dr. bolce diabetes komate hobe pore uthabe akhon diabetes 10 ase, se akhon ki ousud khete pare ba ai bapare apner poramorso chai plzz,


Leave a comment

মালহামা ৩য় বিশ্বযুদ্ধ ও গাজওয়ায়ে হিন্দের ভারত যুদ্ধ জন্য প্রস্ত ুতি

মালহামা (৩য় বিশ্বযুদ্ধ) ও গাজওয়ায়ে হিন্দের (ভারত যুদ্ধ) জন্য প্রস্তুতি
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর ভবিষ্যতবাণী করা এই ২ টি যুদ্ধে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার একটি বৃহৎ অংশ মানে অর্ধেকেরও বেশী বিলুপ্ত হবার আশংকা রয়েছে । তাই ধরে নিবেন আপনিও তাদের মধ্যে একজন।আর যদি বেঁচেও যান তবুও নিচের প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন । আশা করি কল্যানের পথে ধাবিত হবেন । গত কয়েকদিন আগে আপনারা জেনেছেন রাশিয়া তার দেশের প্রায় ৪ কোটি নাগরিকদের ট্রেনিং করিয়েছে ৩য় বিশ্ব যুদ্ধে কিভাবে নিজেকে সেফ করে রাখবে এবং তাদের জন্য মাথা পিছু খাদ্যও বরাদ্দ করা আছে।তলে তলে পরা শক্তি গুলো ঠিকই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে, তাহলে আমরা অজ্ঞ থাকবো কোন ভরশায়। আমার বিশ্বাস ৭১ সালে যদি আমাদের পূর্ব প্রস্তুতি থাকতো তবে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি এত ব্যাপক হতো না। তাই আরেকটি ভুল আমরা করতে চাই না।
এই পোষ্ট তাদের জন্য নয়, যারা মনে করেন-
9855%2B%2Bnuke.jpg

9855%2B%2Bnuke.jpg

# আসহাবে কাহাফগন কোন রকম প্রস্তুতি ছাড়াই কেবল মাত্র আল্লাহর উপর ভরশা করে নগর থেকে বের হয়ে গিয়ে ছিলেন, অত:পর আল্লাহই তাদের রক্ষা করেছেন।
# মূসা (আ) কোন রকম প্রস্তুতি ছাড়াই তার অনুসারীদের নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন, অত:পর আল্লাহই তাদেরকে রক্ষা করেছেন।
সুতরাং ৩য় বিশ্ব যুদ্ধের জন্য এত চিন্তা গবেষনা বা পেরেশান, প্রস্তুতির প্রয়োজন নেই।তাহলে আপনারা বাকিটুকু পড়ে সময় নষ্ট করবেন না pls
এই পোষ্ট তাদের জন্য, যারা মনে করেন-
# ইউসুফ (আঃ) দূভীক্ষ মোকাবেলা করার জন্য ৭ বছর আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছেন।খাদ্য গুদামজাত করার ব্যবস্থা করেছেন।
# নূহ (আঃ) বিপর্যের আগেই নৌকা তৈরী করে রেখেছেন।
# রাসূল (সাঃ) সাধ্যমত প্রস্তুতি নিয়েই বদরের ময়দানে হাজির হয়েছেন।
সুতরাং আমাকেও সাধ্যমতো প্রস্তুতি নিতে হবে।
একদিকে সিরিয়ায় শুরু হতে যাওয়া ৩য় বিশ্বযুদ্ধ যা ক্রমান্বয়ে সারা পৃথিবীতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। আবার ভৌগলিক ভাবে আমরা এমন একটি এলাকায় বসবাস করি যারা মোকাবেলা করবো গাজওয়ায়ে হিন্দ। সুতরা আমাদের প্রস্তুতিটাও হতে হবে এই উভয় সংকট মাথায় রেখে। প্রস্তুতিটাকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে নিলে বুঝতে ও পদক্ষেপ নিতে সুবিধা হবে।

ক,আধ্যাতিক প্রস্তুতি
খ,শারীরিক প্রস্তুতি
গ,মানসিক প্রস্তুতি
ঘ,অর্থনৈতিক ও খাদ্য প্রস্তুতি
## ক, আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি ঃ-
১, মুসলীম হওয়ার জন্য কোরআন হাদীসে যে সব শর্ত বা বৈশিষ্টের কথা বলা হয়েছে, তা পুরপুরি মেনে চলার চেষ্টা করুন ।
২, সকল ফরজ গুলোর ব্যাপারে কঠোর যত্নবান হোন ।
৩, যতটুকু সম্ভব কোরআন মুখস্থ করুন ।
(নন্যুতম নামাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজনীয় সাথে সূরা কাহাফ এর ১ম ও শেষ ১০ আয়াত।এবং জরুরী দোয়া সমূহ।)
৪, সকলের সাথে পাওনা, দেনা মিটিয়ে ফেলুন ।
৫, ভূল ত্রুটি বা কারো সাথে ঝগড়া মনোমালিন্য থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিন ।বেশী করে তাওবা, এশতেগফার করুন ।
৬, প্রতিদিন কোরআন হাদীস অধ্যয়ন করুন, যতটুকু সম্ভব ।
৭, কোরআন, হাদীস, তাফছির সহ গুরুত্বপূর্ন কিছু বই এর হার্ড কপি নিজের কাছে, বাড়ির সবচেয়ে নিরাপদ এবং গোপন জায়গায় সংরক্ষন করুন ।
৮, অশ্লীল সিনেমা, গান, নাটক, অসৎ সঙ্গ পরিহার করুন ।
৯, আপনার পরিবার, নিকট আত্মীয়দের এসব ব্যাপারে সতর্ক করুন ।

## ( খ) শারীরিক প্রস্তুতিঃ-

১,সব রকমের GMO food পরিত্যাগ করুন।
২,এলোপ্যাথি ঔষধ বর্জন করুন।
৩,ভেষজ ঔষধ সম্পর্কে জ্ঞন অর্জন করুন।
৪,নিয়মিত শরিরচর্চা, বিশেষ করে দৌড়ানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদি করুন।
৫,কমন রোগ যেমন গ্যাসট্রিক, ডায়াবেটিস, জ্বর, মাথা ব্যথা, সর্দি এসবের জন্য ভেষজ ঔষধগুলো বাড়িতে সংরক্ষন করুন।
৬,বাড়িতে টিউবওয়েল বা চাপকল বসান, সাপ্লাই পানির উপর নির্ভরতা ১০০% কমিয়ে ফেলুন।
৭,কমপক্ষে ২ বছরের জন্য সাবান, ব্যান্ডেজ, স্যাভলন, ব্লেড, সুই, সুতা, দিয়াশলাই, মোমবাতি, ব্যাটারি চালিত টর্চ লাইট ও ব্যাটারি ক্রয় করে রাখুন।
৮,জ্বালানী বিহীন বিদ্যুৎ উৎপাদন করার চেষ্টা করুন।
৯,পরিবারের সবার জন্য কমপক্ষে ২ টি করে রেইন কোর্ট, পর্যাপ্ত শীতের ভারি জামা ও জরুরী জামা কাপড় ক্রয় করে রাখুন।শূন্য ডিগ্রি বা মাইনাস তাপমাত্রার উপযোগী পোশাক সংগ্রহ করুন।
১০,পরিবারের সকলের জন্য ফিউম মাক্স বা গ্যাস মাক্স ১ টি করে এবং ডাষ্ট মাক্স পর্যাপ্ত পরিমানের সংগ্রহ করে রাখুন।
১১,বসবাস করার জন্য যে কোন শহর, বন্দর ত্যাগ করুন।যত অজো পাড়া গাঁ হবে ততই ভালো।উত্তম হবে পাহাড়ী এলাকা ও প্রাকৃতি ঝর্না বা অধিক বৃষ্টি হয় এমন এলাকা।বেশী জনবসতী এলাকা পরিহার করুন।(ঢাকা-চিটাগাং সহ বিভাগীয় সিটির ভাই বোনদের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ রইলো)
১২, যারা একত্রে বসবাস করবেন তাদের নিরাপত্তার জন্য নিরাপত্তার যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করার চেষ্টা করুন ও হাতের কাছেই কোথাও লুকিয়ে রাখুন।
১৩,সকল পুরুষ সদস্য একত্রে ঘুমতে বা কোথাও সফরে যাবেন না।গ্রুপ করে পালাক্রমে পাহারা দিন।
১৪, আশে পাশের জনপদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বাইসাইকেল সংগ্রহ করুন।দ্রুত যোগাযোগ করার পদ্ধতি আবিস্কার করার চেষ্টা করুন।
১৫,ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করার অভ্যাস করুন।
১৬,মাটির নিচে ঘর তৈরী করুন, বাড়ি থেকে সহজে বের হওয়ার পথ তৈরী করে রাখুন।
১৭,তাবু তৈরী করার সরঞ্জাম ব্যবস্থা করুন।
১৮,আপনার এলাকার অবসর প্রাপ্ত বা কত্যর্বরত ডিফেন্স বাহিনীর সদস্যদের সাথে পরামর্শ করে তাদের কাছ থেকে প্রশিক্ষন গ্রহন করুন।
১৯,পাড়ায় পাড়ায় সেচ্ছাসেবক টিম গঠন করার চেষ্টা করুন।
২০,যদি সমস্যা না হয় স্থানিয় আইন প্রশাসন বা জন প্রতিনিধিদের কাছে বিষয়টি বুঝিয়ে অনুমতি নিয়ে নিন।

## (গ) মানসিক প্রস্তুতিঃ-

১,এ যুদ্ধের শুরুতেই সারা পৃথিবীর ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ধ্বংশ করে দেওয়া হতে পারে । ফলে দেশে বিদেশে থাকা আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এমন কি পরিবারের কেউ যদি প্রবাসে থাকে তার সাথে চিরদিনের মতো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে তার জন্য প্রস্তুত হোন।
২,বৈদেশিক বানিজ্য ও লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে আমদানিকৃত পন্য, বিদেশে উৎপাদিত জরুরী ঔষধ ও যন্ত্রপাতি আসা যাওয়া বন্দ হয়ে যাবে । ফলে আপনার কাছের মানুষজন যারা ঐ সব ঔষধের উপর ডিপেন্ডেন্ট তারা চিকিৎসাহীনতায় ভূগবে।এবং ইমারজেন্সি রোগীরা এক পর্যায় মারা যাবে, তার জন্যও প্রস্তুত হোন।
৩,চারিদিকে মৃত্যু, লাশ আর নানান ধরনের অঘটন শুনতে পাবেন, যা এখন কল্পনাতেও আসে না, এমন পরিস্থিতির জন্য মনকে শক্ত করুন।
৪,নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের তীব্র সংকট শুরু হবে….. চাল, ডাল, তেল, লবন ইত্যাদি।আপনার কাছে টাকা থাকবে হাজার হাজার কিন্তু ঐ টাকার বিনিময়েও আপনি জিনিসপত্র কিনতে পারবেন না। ফলে পারিবারিক খাদ্যসংকট কিভাবে সামাল দিবেন সে চিন্তা করুন । মনকে শক্ত রাখুন, কারন এ সময় ভেঙ্গে পড়লে বাকিরাও টিকতে পারবে না।
৫,হয়তো নিজ পরিবারের এক বা একাধিক সদস্য মারা যাবে, আহত হবে, অসুস্থ হয়ে পড়বে, নিখোঁজ হয়ে যাবে, এসবের জন্যও মনকে প্রস্তুত রাখুন।
৬,এ জাতিয় যে কোন সমস্যাই আসুক না কেন আল্লাহর ইবাদত থেকে গাঁফেল হওয়া যাবে না । মনে রাখতে হবে এই দুনিয়াটাই পরীক্ষা ক্ষেত্র । এ ধরনের বিপদ আপদ দিয়ে আসলে আল্লাহ আমাদের যাচাই করছেন। আমরা জান্নাতের যোগ্য কি না।
৭,প্রচন্ড অভাবের তাড়নায় আপনার বাড়িতে লুটপাট হতে পারে, হিংস্র হয়ে উঠতে পারে আশেপাশের মানুষ গুলো।তাই আসন্ন পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে আপনার প্রতিবেশীদের এখনি বোঝান।তাদের নিয়েই পরিকল্পনা করুন। যতটা সফল হবেন,পরবর্তীতে ততটাই নিরাপদ থাকতে পারবেন।এ ক্ষেত্রে আত্মীয়-স্বজনরাও গ্রুপ ভাবে বসবাস শুরু করতে পারেন।
৮,ভৌগোলিক ভাবে আমরা বসবাস করছি গাজওয়ায়ে হিন্দের মাঝামাঝি এলাকায় ।সুতরাং শত্রু পক্ষ থেকে আক্রান্ত হওয়া প্রায় নিশ্চিত, আক্রান্ত হলে প্রতিরোধ করা সকল দেশে সকল ধর্মে সকল আইনেই বৈধ।সুতরাং প্রতিরোধ করার মতো মানসিক প্রস্তুতি নিন।
৯,জরুরী প্রয়োজনে তাৎক্ষনিক ভাবে বাসস্থান পরিবর্তন করতে হতে পারে, হিজরত করার দরকার পড়তে পারে, আবার এমনও হতে পারে অন্য এলাকা থেকে আপনার এলাকায় লোকজন নিরাপত্তা বা আশ্রয়ের জন্য ছুটে আসতে পারে। সুতরাং মুহাজির বা আনসার দুটোর জন্যই আবু বকর (রা) এর মতো প্রস্তুত থাকুন।

## (ঘ) অর্থনৈতিক ও খাদ্যের প্রস্তুতিঃ-

১,নিজের খাদ্য নিজেই উৎপাদন করুন, ধান, গম, আলু, শাক সবজি ইত্যাদি। কৃষিকাজের মাধ্যমে।
২,মাছ চাষ করুন।
৩,সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঃ- গবাদিপশু পালন করুন (গরু, ছাগল, ভেড়া) ইত্যাদী।(হাদীসে এর নির্দেশ রয়েছে)
৪,চাপ কল বা টিউবওয়েল মাটির অনেক গভিরে স্থাপন করুন।সাধারনত যতটুকু নীচ থেকে পানি উঠে তার চাইতে ৫০-১০০ ফুট নীচে।এ ছাড়াও নদী, পুকুর, ঝর্নার পানি বিশুদ্ধ করে ব্যবহার করার পদ্ধতি জেনে নিন।
৫,পর্যাপ্ত শুকনো খাবার সংগ্রহে রাখুন । যেমন চিড়া, মুড়ি, সীম বা কুমড়ার বিচী, বাদাম, ছোলা, কিসমিস ইত্যাদি ।
৬,আপনার ব্যাংক একাউন্ট, ডিপোজিট বা এ জাতীয় খাতে যত টাকা আছে তা এক মুহূর্ত ও নিরাপদ নয়।দ্রুত তুলে ফেলুন।তা দিয়ে স্বর্ন ক্রয় করুন বা গবাদী পশুতে পরিনত করুন।
৭,বাসস্থানের আশেপাশে পর্যাপ্ত ফল গাছ রোপন করুন।
৮,বাচ্চাদেরকে এখন থেকেই চীপস, চকোলেট, আইসক্রীম জাতীয় খাবার থেকে বিরত রাখার অভ্যাস করুন।
৯,শুকনো লাকড়ির ব্যবস্থা করে রাখুন।
এতক্ষন যেসব প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে তা কেবল বেসিক ধারনা দেয়া হলো।এলাকা ভেদে তার থেকে কম বেশী প্রস্তুতি নিতে হতে পারে।তা নিজেই চিন্তা গবেষনা করে বের করুন।সব শেষে যে কথাটি বলে রাখতে চাই, তা এখনি বলে রাখি, প্রযুক্তি ধ্বংশ হবার ফলে হয়তো উপযুক্ত সময়ে জানাতে পারবো না।
মনে রাখবেন মহা যুদ্ধের পরপরই দাজ্জাল বের হবে, বের হবার ২-৩ বছর আগে পৃথিবীতে অনাবৃষ্টির ফলে খাদ্য উৎপাদন কমে যাবে, শেষ বছর একেবারেই খাদ্য উৎপাদন হবে না, আর সে তখন রুটির পাহাড় বা ত্রান নিয়ে হাজির হবে,ঘরে ক্ষুধার্ত স্ত্রী সন্তান রেখে সে ত্রান থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা বড়ই কঠিন পরীক্ষা, বড়ই কঠিন। আর এ মুহূর্তে যদি ধৈর্য ধরতে পারেন সুবহানআল্লাহ আপনাকে খাদ্য দেবে আলহামদুলিল্লাহ্‌ আপনাকে খাদ্য দেবে, আল্লাহু আকবার আপনাকে খাদ্য দেবে।আল্লাহ আমাদের সকলকে তার রহমত এবং বরকতে ঢেকে রাখুন।আমাদেরকে পৌছে দিন চিরস্থায়ী জান্নাতে।আমিন
হয়তো জানা অজানা আরো বহু ভীতিকর পরিবেশ তৈরী হতে পারে । তাই ধৈর্য হারাবেন না, অচিরেই সুদিন আসছে।
" যখনই কোন বিপদ আসে (মুমিনরা) বলেঃ “আমরা আল্লাহ‌র জন্য এবং আল্লাহ‌র দিকে আমাদের ফিরে যেতে হবে," (বাকারাহ ১৫৬)
যদি এই পোষ্টটি শেয়ার করতে না পারেন, অন্তত্ব কপি করে ব্যক্তিগত ভাবে ছড়িয়ে দিন আপনার প্রিয়জনদের কাছে।হয়তো উপকৃত হতে পারে।

মোঃ তারিকুল ইসলাম


2 Comments

শীঘ্রই দুইজন ভুয়া ইমাম মাহদী আত ্মপ্রকাশ করিবে আল্লামা ইমরান ন যর হোসেন

যে-কোন দিন শুরু হয়ে যাবে মালহাম/আরমাগেডন/তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ
সবার প্রতি আসসালামু আলাইকুম,
সম্ভবত এখন থেকে যে কোন দিনের মধ্যে মালহামা (মহাযুদ্ধ) শুরু হতে পারে। যদি তাই হয়, তবে আমরা ধারণা করছি যে, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ হয়ে যাবে আর আমরা আমাদের পরষ্পরের সাথে যোগাযোগের এই মাধ্যমটি হারিয়ে ফেলব। এই সুযোগে আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে, আমাদেরকে অবশ্যই শুকনো খাদ্য, খাবার পানি ও জ্বালানি সঞ্চয় করে রাখতে হবে।
আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে লাকড়ি লাগবে রান্না করার জন্য এবং অতিরিক্ত ব্যাটারিসহ টর্চলাইট লাগবে আলোর জন্য। আগামীতে যা-ই ঘটুক না কেন, আমাদের পবিত্র কোরান পাঠ চালিয়ে যেতে হবে। (আল্লাহ্ সবচেয়ে ভাল জানেন)

শাইখ ইমরান নজর হোসেইন
অক্টোবর ২০১৬

শেষযুগ বিদ্যা প্রচার করুন
এখনকার পৃথিবীতে যাহা ঘটিতেছে তাহা কেন ঘটিতেছে এবং ভবিষ্যতে কি ঘটিবে তাহা কোন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী তাহার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জ্ঞান দিয়া বলিতে পারিবেন না । এখনকার পৃথিবীতে যাহা ঘটিতেছে তাহা কেন ঘটিতেছে এবং ভবিষ্যতে কি ঘটিবে তাহা কোন অর্থনীতিবিদ তাহার অর্থনীতির জ্ঞান দিয়া বলিতে পারিবেন না । এসব ব্যাপার সঠিকভাবে বলিতে পারিবেন একমাত্র সেই ব্যক্তি যিনি ইসলামের আখেরীজামানা বিদ্যা বা শেষযুগ বিদ্যা নিয়া পড়াশোনা, গবেষনা করিয়াছেন । কাজে ইসলামের আখেরী জামানা বিদ্যা নিয়া পড়াশোনা, গবেষনা এবং প্রচার করেন । ইহুদী এবং খ্রীষ্টান পন্ডিতগণ তাহাদের আখেরীজামানা বিদ্যা নিয়া অনেক গবেষণা করিয়াছেন কিন্তু সেই তুলনায় ইসলাম ধর্মের আখেরীজামানা বিদ্যা নিয়া খুবই কম গবেষণা হইয়াছে । অথচ ইহুদী এবং খ্রীষ্টান ধর্মের শেষযুগ বিদ্যার তুলনায় ইসলামের শেষযুগ বিদ্যা অনেক বেশী নিখুঁত এবং সঠিক । কাজেই তাবলীগ জামায়াতসহ যে-সব ভাইয়েরা দাওয়াতী কাজ করেন, তাহাদের উচিত ইসলামের আখেরী জামানা বিদ্যা প্রচার করা । কারণ এখনকার পৃথিবীতে যে-সব অদ্ভুত অদ্ভুত, রহস্যজনক, বিপদজনক এবং ধংসাত্মক ঘটনা ঘটিতেছে ; সে-সবের কারণ সম্পর্কে ভাবিয়া ভাবিয়া মানবজাতি কোন কুল-কিনারা খুঁজিয়া পাইতেছে না । কাজেই আমরা যদি ইসলামের আখেরী জামানা বিদ্যার আলোকে সে-সব ঘটনার সঠিক ব্যাখ্যা মানবজাতির সামনে তুলিয়া ধরিতে পারি তাহলে মানবজাতি বুঝিতে পারিবে যে ইসলামই সর্বশক্তিমান মহান শ্রষ্টা প্রেরিত একমাত্র সত্য ধর্ম ।
মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

শীঘ্রই দুইজন ভুয়া ইমাম মাহদীর আত্মপ্রকাশ করিবে
ইমাম মাহদী (আঃ) কখন আত্মপ্রকাশ করিবেন, তাহা কোন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী তাহার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জ্ঞান দিয়া বলিতে পারিবেন না । ইমাম মাহদীর আবির্ভাব কখন হইবে তাহা কোন অর্থনীতিবিদ তাহার অর্থনীতির জ্ঞান দিয়া বলিতে পারিবেন না । ইমাম মাহদী কখন আত্মপ্রকাশ করিবেন তাহা কোন মোফাসসির তাহার তাফসিরের জ্ঞান দিয়া বলিতে পারিবেন না । ইমাম মাহদি কখন আবির্ভূত হইবেন তাহা কোন ফকিহ্‌ তাহার ফেকাহর জ্ঞানের সাহায্যে বলিতে পারিবেন না । এই কথা একমাত্র তিনিই ভালো বলিতে পারিবেন যিনি ইসলামী আখেরীজামানা বিদ্যায় পড়াশুনা এবং চিন্তা-গবেষনা করিয়াছেন । ইসলামী আখেরীজামানা বিদ্যায় আমার যতটুকু জ্ঞান আছে তাহাতে আমার অনুমান আগামী পনের হইতে বিশ বছরের মধ্যে ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের সম্ভাবনা আছে । এজন্য আমাকে দোষারোপ করিবেন না । কেননা ‍আমি ছাড়াও বর্তমানে অনেক আলেম-ওলামা আছেন যাহারা এমনটা বিশ্বাস করেন । এমনকি অনেকে ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখও প্রচার করিতেছেন । হ্যাঁ, তবে আমি মনে করি ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের পূর্বে দুইজন ভুয়া ইমাম মাহদীর আবির্ভাব হইবে । একজন শিয়া ইমাম মাহদী এবং আরেকজন সুন্নী ইমাম মাহদী । আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং ইজরাঈলী গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ তাহাদেরকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়া প্রস্তুত করিয়া রাখিয়াছে । সম্ভবতঃ মালহামার (তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের) পরেই তাহাদেরকে মাঠে ছাড়িয়া দেওয়া হইবে । একজন ইতিমধ্যেই তুরষ্কে আত্মপ্রকাশ করিয়াছেন (হারুণ ইয়াহিয়া) যিনি নাকি অনেক বই-পুস্তক লিখিয়াছেন, অনেক ডকুমেন্টারী তৈরী করিয়াছেন এবং সেটেলাইট টিভি চ্যানেলে বক্তৃতা দিয়া বেড়াইতেছেন । যাহাদের অন্তরের চক্ষু আছে অর্থাৎ যাহারা আল্লাহর নুরের সাহায্যে দেখিতে পান, একমাত্র তাহারাই এসব ভুয়া মাহদীর প্রতারনা হইতে বাঁচিতে পারিবেন । পক্ষান্তরে যাহারা দাজ্জালের অনুসারী অর্থাৎ দাজ্জালের মতো অন্তরের চক্ষু কানা তাহারা ভুয়া মাহদীর বাহিনীতে যোগদান করিয়া ধ্বংস হইবেন । প্রকৃত ইমাম মাহদীর পরিচয় হইল তাঁহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিবার জন্য সিরিয়া হইতে একটি বিরাট সেনাবাহিনী ‍আসিবে । পবিত্র মক্কার নিকটবর্তী হইলে সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে মাটি গ্রাস করিয়া নিবে । এই ঘটনাই হইল ইমাম মাহদী (আঃ) প্রকৃত চিহ্ন ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

8795%2B%2Bnuke.jpg

নভেম্বরের মধ্যেই মালহামা/ আরমাগেডন/ ৩য় বিশ্বযুদ্ধ
মহানবীর (সাঃ) ভবিষ্য‍ৎবাণীকৃত মালহামা (মহাযুদ্ধ) এখন নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছে । অথচ আমরা কোরআন না পড়িবার কারণে হালুয়া রুটি খাইতেছি আর নাক ডাকিয়া ঘুমাইতেছি । কোরআন পড়া কোন জরুরি কাজ নয় । ছেলেকে অক্সফোর্ডে পাঠাইয়াছি কমপিউটার সাইন্স পড়িবার জন্য । সেটা বেশী জরুরি । এই হইল এখন মোহাম্মদ (সাঃ)-এর উম্মাতের অবস্থা । মালহামাকে (মহাযুদ্ধ) তাহারা বলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ । কিন্তু ইহা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো হইবে না । ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধ, হাজার হাজার এটম বোমা ইহাতে বিস্ফারিত হইবে । ইহার তুলনায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে মনে হইবে চিনাবাদামের মতো । সেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এখন নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছি । খুব সম্ভবতঃ নভেম্বরের ৪ তারিখের পূর্বেই তাহা শুরু হইবে । কারণ ট্রাম্প তাহাদের (যায়োনিষ্টদের) জন্য হুমকি হইয়া দাঁড়াইতে পারে । যখনই পাকিস্তানে কোন শক্ত মেরুদন্ডের শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছে তাহারা (যায়োনিষ্টরা) তাহাকে হত্যা করিয়াছে । যখনই আমেরিকায় কোন যোগ্যতাসম্পন্ন শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছে তাহারা (যায়োনিষ্টরা) তাহাকে হত্যা করিয়াছে । এজন্য তাহারা কেনেডীকে হত্যা করিয়াছে (তাহাদের নির্দেশ মতো চলিতে অস্বীকার করিবার কারণে) । ব্রিটিশ জনগণ এখন আর ব্রিটেনের সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে না । আমেরিকার জনগণও এখন আর আমেরিকান সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে না । কাজেই ট্রাম্প যদিও মাঝে মাঝে বোকার মতো কথা বলে কিন্তু সে প্রমাণ করিয়াছে যে তাহার স্বাধীনভাবে চিন্তা করিবার শক্তি আছে । সে কাহারো ইশারায় চলে না । ডোনাল্ড ট্রাম্প বলিয়াছেন যে, আমি একজন ব্যবসায়ী । রাশিয়ার সাথে আমরা অযথা শত্রুতা করিব আর এই সুযোগে রাশিয়ার সাথে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য একচেটিয়া চীন দখল করিয়া নিবে তাহা হইতে পারে না । কাজেই তাহারা (যায়োনিষ্টরা) যাহা করিবার নভেম্বরের ৪ তারিখের পূর্বেই করিয়া ফেলিবে । কেননা সেদিন আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন । আল্লাহকে ধন্যবাদ যে রাশিয়া তাহাদের ভয়ে ভীত নহে । আল্লাহকে ধন্যবাদ যে চীন তাহাদের ভয়ে ভীত নহে । আল্লাহকে হাজার বার ধন্যবাদ যে রাশিয়া তাহাদের ভয়ে ভীত নয় । আল্লাহকে হাজার বার ধন্যবাদ যে চীন তাহাদের ভয়ে ভীত নয় । মুসলমান হওয়ার একটি সুবিধা এই যে, মুসলমান কখনও মরিতে ভয় পায় না । মুসলমানরা কোটি কোটিতে মরিতে রাজী, তারপরও আমরা চাই জালেমরা যেন ধুলায় মিশিয়া যায় । পৃথিবীতে যেনো পুণরায় সত্য এবং ন্যায় প্রতিষ্টিত হয় । মালহামা নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছে অথচ আলেম-ওলামাদের মুখে কিছুই শোনা যায় না । আমরা এখনও হালুয়া রুটি খাইতেছি আর নাক ডাকিয়া ঘুমাইতেছি । এই হইল মোহাম্মাদ (সাঃ)-এর উম্মাতের অবস্থা ! তাহারা চিনাবাদাম নিয়া মরনপণ জিহাদ করিতেছে ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

তিন মাসের খাবার পানি সংগ্রহ করিয়া রাখুন
রাসুলাল্লাহ (সাঃ) আমাদেরকে জানাইয়াছেন যে, একটি ভয়ঙ্কর মহাযুদ্ধ সংঘটিত হইবে যাহাতে যুদ্ধরত সৈন্যদের শতকরা ৯৯ জন নিহত হইবে । প্রচলিত গতানুগতিক যুদ্ধে কখনও শতকরা ৯৯ জন নিহত হয় নাই, ইতিহাসে এমন কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয় নাই । সুতরাং যেই যুদ্ধটি আসিতেছে তাহা এমন যুদ্ধ হইবে যাহার সাথে মানবজাতি কখনও পরিচিত নয় । আমরা বলি ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধ অর্থাৎ ইহাতে ব্যাপক গণবিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করা হইবে । একমাত্র এই ধরনের যুদ্ধেই দুই পক্ষের শতকরা ৯৯ ভাগ লোকের মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে । যাহারা আমার এই ইন্টারভিউ শুনিতেছেন তাহারা সাবধান থাকিবেন, তাহাদেরকে সচেতন করা আমাদের কর্তব্য । এমন একটি যুদ্ধে সাধারণত খাবার, পানি এবং জ্বালানির সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংস হইয়া যাইবে । বড় বড় শহরগুলোতে যাহারা বসবাস করেন তাহারা যুদ্ধের পরে দেখিতে পাইবেন অরাজকতা, লুটপাট, ডাকাতি, খুনাখুনি । ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধে বাঁচিয়া যাওয়া মানুষদের জীবন বাঁচানোর চেষ্টার কারণে । সুতরাং আপনাদেরকে বড় বড় শহরগুলো ত্যাগ করিয়া গ্রাম অঞ্চলে চলিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকিতে হইবে । দ্বিতীয় কথা হইল আমাদের নিজের এবং স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার, পানি এবং জ্বালানি যেমন মোমবাতি সংগ্রহ করিয়া রাখা উচিত । আমার মতে অন্তত তিন মাস জীবন ধারণের মতো মওজুত থাকা উচিত । আমি কয়েক দিন আগে মার্কেটে গিয়া খাবার কেনাকাটা শুরু করিয়াছি বিশেষত কৌটাজাত খাবার । পানির ব্যাপারে আমাদেরকে পার্থক্য নির্ণয় করিতে হইবে, কোনটা পান করিবার জন্য এবং কোনটা রান্নাবান্না আর শৌচক্রিয়ার পানি । পান করিবার পানি সাধারণত প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে বরং কাচেঁর বোতলে সংরক্ষন করা উচিত । আমরা জানি না পারমাণবিক যুদ্ধ সংঘটিত হইলে পারমাণবিক রেডিয়েশানে প্লাষ্টিকের বোতলের কি অবস্থা হয় । তবে কাঁচের বোতল রক্ষা পাইবে বলিয়া আমরা আশা করিতে পারি । বড় বড় বোতলে পানি সংরক্ষণের চাইতে ছোট ছোট বোতলে পানি মওজুত করা উচিত । কেননা একটি বড় বোতল ভাঙিয়া গেলে আপনি দশ বিশ লিটার পানি হারাইয়া ফেলিবেন । পানির বোতলগুলি এমন জায়গায় সংরক্ষন করা উচিত যাহাতে বিল্ডিং ভাঙিয়া পড়িলেও বোতলগুলি অক্ষত থাকে । আমাদের আরো গুদামজাত করা উচিত খাবার, পানি, জ্বালানী আমার মতে অন্তত তিন মাসের প্রয়োজন পূরণ করিবার মতো পারমাণবিক যুদ্ধ সংঘঠিত হওয়ার সময় । আমি ভাবিতেছিলাম সম্ভবতঃ আগামী এক বছর বা কিছুটা কম বেশী সময়ের মধ্যে যুদ্ধটি সংঘটিত হইতে পারে । কিন্তু আমি সতর্ক করিতে চাই যে যুদ্ধটি তাহার চাইতেও কম সময়ে সংঘটিত হইতে পারে । আমরা যখন কোন ভবিষ্যতবাণী করি তখন সব সময়ই আশা করি তাহা সত্য না হউক । তাহা মিথ্যা প্রমাণিত হইলে আমরা বরং খুশী হইব । কিন্তু যাহারা আমাদের কথা শোনেন এবং আমাদের মতামতকে শ্রদ্ধা করেন তাহাদেরকে বলিতেছি যে যুদ্ধটি এক বছর অতিক্রমের পূর্বেই সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে । পারমাণবিক যুদ্ধের পরে কি ঘটিবে তাহাও গুরুত্বপূর্ণ । ইহা কেবল পারমাণবিক যুদ্ধ থেকে আত্মরক্ষার বিষয় নয়, ইহা বরং পারমাণবিক যুদ্ধের পরবর্তী প্রধান ঘটনাটিও গুরুত্বপূর্ণ । মরিস, আপনার ইন্টারভিউর মাধ্যমে আমি মানুষকে সাবধান করিতে পারিতেছি যাহা অন্যথায় মানুষ জানিতে পারিত না । ইসলামী আখেরী জামানা বিদ্যা আমাদেরকে জানাইয়াছে যে মহাযুদ্ধের পরে কন্সট্যান্টিনোপোল বিজিত হইবে । ইহা ঠিক যে খ্রীষ্টানদের আখেরী জামানা বিদ্যাতেও মহাযুদ্ধের পরে কন্সট্যান্টিনোপোল বিজয়ের কথা আছে, কিন্তু ততটা নিশ্চিতভাবে নয় যতটা ইসলামী আখেরী জামানা বিদ্যাতে আছে । কন্সট্যান্টিনোপোল বিজয়ের সময় সেখানে অবশ্যই গৃহযুদ্ধ চলিতে থাকিবে । কারণ তুরষ্কে গৃহযুদ্ধ ছাড়া কখনও কন্সট্যান্টিনোপোল জয় করা সম্ভব নয় । কাজেই আমাদের বিশেষত রাশিয়ার নীতি এমন ভাবে পরিবর্তন করিতে হইবে যাহাতে আপনারা তুরষ্কের সংখ্যাগরিষ্ট জনগণের মতামতকে উত্তেজিত করা যাইবে না । সংখ্যাগরিষ্ট তুর্কী জনগণের মনোভাব যায়োনিষ্ট ন্যাটো বিরোধী । এই ব্যাপারে আমি রাশিয়ান সরকারকে সতর্ক করিয়াছি । আমি জানি না কখন দেখিতে পাইব রাশিয়ান সরকারের এমন নীতি গ্রহনের উদ্যোগ যে, তুরষ্কের সমস্ত মানুষের মনোভাবকে বিরুপভাবাপন্ন করা হইবে না । কেননা সেক্ষেত্রে তুর্কী জাতীয়তাবাদ মাথাচাড়া দিয়া উঠিবে এবং জাতীয়তাবাদীরা নেতৃত্বে চলিয়া আসিতে পারে । তুরষ্ক কর্তৃক রাশিয়ার জঙ্গী বিমান গুলি করিয়া ভূপাতিত করিবার প্রেক্ষাপটে বর্তমানে কন্সট্যান্টিনোপল বিজয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বলভাবে দৃষ্টিগোচর হইতেছে । মরিস ঃ শায়খ ইমরান, রাশিয়ান সরকারের মনোভাব আপনার আকাঙ্খার সাথে সাদৃশ্যশীল মনে হইতেছে । সম্প্রতি তাহারা জানাইয়াছে যে, তাহারা তুরষ্কের জনগণকে নিজেদের শত্রু মনে করে না ।
মূল – মাওলানা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
Sheikh Imran Hosein Expects The Nuclear War In 1 Year লেকচারের অনুবাদ
অচেতন মানবজাতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে
আল্লাহর নবী (সাঃ) বলেছেন, “যখন জেরুজালেমের উত্থান হবে এবং মদীনার পতন হবে, তখন আসবে মহাযুদ্ধ । ইহা হবে এমন যুদ্ধ যাতে শতকরা ৯৯ জন মৃত্যুবরণ করবে” । মহানবী (সাঃ) জেরুজালেমের উত্থান বলিতে ইসরাঈলের উত্থান অর্থাৎ ইহুদীদের উত্থানকে বুঝিয়েছেন এবং মদীনার পতন বলিতে মুসলমানদের পতনকে বুঝিয়েছেন । বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীর রাজনীতি, অর্থনীতি এমনকি ধর্মীয় বিষয়াদি ইহুদীরা নিয়ন্ত্রণ করে । অন্যদিকে এখনকার দুনিয়ার রাজনীতি, অর্থনীতি, ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক কোন ব্যাপারেই মুসলমানদের কোন কর্তৃত্ব নাই । সুতরাং রাসুলূল্লাহ (সাঃ) এর ভবিষ্যতবাণীকৃত সেই ভয়ঙ্কর যুদ্ধ এখন যে-কোন মুহূর্তেই শুরু হয়ে যাবে । আর তা হবে পারমাণবিক যুদ্ধ । কেননা এটম বোমা ছাড়া প্রচলিত অন্য কোন অস্ত্রের আঘাতে শতকরা ৯৯ জন মানুষের মৃত্যু হয় না । সেই যুদ্ধে পৃথিবীতে বিদ্যমান একটি এটম বোমাও অবশিষ্ট থাকবে না, সবগুলো ফাটানো হবে । ফলে পৃথিবীর বিরাট একটি অংশ মানুষের বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে যাবে (সম্ভবত উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপ) । সম্প্রতি আল্লাহ আমাকে স্বপ্নেযোগে যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাতে মনে হয় আমাদের হাতে আর মাত্র এক বছর সময় আছে । দ্রুত সমাগত এই ভয়ংকর বিপদের খবর নেওয়ার সময় নাই মানবজাতির । তারা এখন ম্যাকডোনালসে বসে ক্যান্টাকি ফ্রাই খাওয়া নিয়ে মহাব্যস্ত । তারপরও আলেমদের কাজ মানুষকে সাবধান করা সেটা করে যাচ্ছি ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

যে-কোন দিন শুরু হইবে ৩য় বিশ্বযুদ্ধ / মালহামা/ আরমাগেডন
ইতিপূর্বে আমি মনে করিতাম মহানবী (সাঃ)-এর ঘোষিত মালহামা (মহাযুদ্ধ / আরমাগেডন / তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ) সংঘঠিত হইতে এখনও পাঁচ / দশ বছর বাকী আছে । কিন্তু সম্প্রতি ইরান সফরের সময় আমি দুইটি স্বপ্ন দেখিয়াছি (সেপ্টেম্বর / ২০১৪), একটার পর আরেকটা, যাহাতে আমি দেখিয়াছি পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হইয়া গিয়াছে এবং আকাশের দিকে পারমানবিক ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করা হইয়াছে । একই ঘটনা ঘটিয়াছিল নাইন ইলাভেনের পূর্বে যখন আমি নিউ ইয়র্কের লঙ আইল্যান্ডে বসবাস করিতাম । আমি স্বপ্নে দেখিয়াছিলাম নাইন ইলেভেন সংঘঠিত হইয়াছে, ম্যানহাটনের উচুঁ বিল্ডিংয়ে আগুন দেওয়া হইয়াছে এবং সেখান থেকে একটার পর একটা বিল্ডিংয়ে আগুন ছড়াইতে ছড়াইতে সারা পৃথিবীতে আগুনের শিখা ছড়াইয়া পড়িয়াছে । লং আইল্যান্ডের দার আল কোরআন মসজিদের জু’মুআর খোতবায় আমি আমার স্বপ্নের বিষয়টি উল্লেখ করিয়াছিলাম । আমার এই স্বপ্ন দেখিবার দুই বছর পরে নাইন ইলাভেন সংঘঠিত হয় । এই স্বপ্নটি দেখিবার সাথে সাথেই আমার সেই নাইন ইলাভেনের স্বপ্নের কথা মনে পড়িল । মহানবী (সাঃ) বলিয়াছেন যে, আখেরী জমানায় ঈমানদারদের স্বপ্ন কদাচিৎ মিথ্যা প্রমাণিত হইবে । কাজেই নাইন এলেভেনের স্বপ্নের ইশারা অনুযায়ী বলা যায় যে, আমাদের হাতে মাত্র অল্প সময় বাকী আছে, গত সেপ্টেম্বর হইতে হিসাব করিয়া দুই বছর, যখন মহাযুদ্ধ শুরু হইবে, যাহাতে বড় বড় শহরগুলির অধিকাংশ মানুষ নিহত হইবে (বিশেষত উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ মহাদেশের) । পক্ষান্তরে যেসব শহরের মানুষ এটম বোমার আঘাত হইতে বাঁচিয়া যাইবে, তাহারাও অরাজকতা, গৃহযুদ্ধ, মহামারী এবং অনাহারে কুকুর-বিড়ালের মতো ঝাঁকে ঝাঁকে মৃত্যুবরণ করিবে । মালহামার পরে বড় বড় শহরগুলিতে জাহান্নামের সকল দরজা খুলিয়া দেওয়া হইবে । কেননা এসব মেগাসিটিতে কোটি কোটি মানুষ বসবাস করে অথচ এদের খাবার-পানি আসে গ্রাম থেকে । যুদ্ধের পরে যেহেতু খাবার-পানি সরবরাহ ব্যবস্থা অচল হইয়া পড়িবে, তখন শহরবাসীগণ জীবন বাঁচাতে ছিনতাই-ডাকাতি-লুটতরাজ শুরু করিবে । তাহারা সভ্যতা-ভদ্রতা কিংবা জাহান্নামের শাস্তির কথা বেমালুম ভুলিয়া যাইবে । কুকুর কুকুরকে খায় বলিয়া একটি কথা প্রচলিত আছে, তখনকার মেগাসিটিতে বসবাসকারীদের অবস্থা হইবে অনেকটা এই রকম । শহরবাসীদের কেউ যদি জানিতে পারে যে, আপনার গৃহে একটু খাবার বা পানি আছে, তবে হাজার হাজার লোক ঝাপাইয়া পড়িবে এবং দরজা ভাঙিয়া তাহা ছিনাইয়া নিবে । এই ব্যাপারে আপনারা পবিত্র কোরআনের সুরা ইসরার এই আয়াতটি পাঠ করিয়া দেখিতে পারেন, “এমন কোন শহর নগর নাই, যাহাকে আমরা (অবাধ্যতার কারণে) কেয়ামত দিবসের পূর্বে ধ্বংস করিব না অথবা যাহাকে কঠোর শাস্তি দিব না। ইহা তো কিতাবে লিপিবদ্ধ হইয়া গিয়াছে (১৭:৫৮)” । খ্রীষ্টান ধর্মজাযকগণ বলেন (আকাশে ছড়ানো ব্যাঙের ছাতার মতো এটম বোমার ধোয়ার কারণে পৃথিবীতে সূর্যের আলো আসিতে না পারিবার কারণে) পৃথিবী অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকিবে তিন দিন । পক্ষান্তরে মহানবী (সাঃ) বলিয়াছেন, চল্লিশ দিন (মানে অনেক দিন) পৃথিবী অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকিবে । এই সময় পৃথিবীর তাপমাত্রা নামিয়া যাইবে হিমাঙ্কের নীচে এবং শীতে মারা যাইবে কোটি কোটি মানুষ । বিশ্বনবী (সাঃ) বলিয়াছেন, “এক বছর বৃষ্টিপাত এক-তৃতীয়াংশ কম হইবে, ফলে খাদ্য-শস্য এক-তৃতীয়াংশ কম উৎপাদিত হইবে । দ্বিতীয় বছর বৃষ্টিপাত দুই-তৃতীয়াংশ কম হইবে, ফলে খাদ্য-শস্য দুই-তৃতীয়াংশ কম উৎপন্ন হইবে । তৃতীয় বৎসর কোন বৃষ্টিপাত হইবে না, ফলে সেই বছর কোন ফসল উৎপাদিত হইবে না ।” আমি মনে করি, এই ঘটনা ঘটিবে মালহামার (মহাযুদ্ধ, ৩য় বিশ্বযুদ্ধ) পরে । পারমানবিক রেডিয়েশান থেকে পৃথিবীর জলবায়ুর মারাত্মক সর্বনাশ হওয়ার কারণে এই অবস্থা হইবে । আমি আমার স্বপ্নের কথা সাধারণত প্রকাশ করি না কিন্তু এই স্বপ্নটি আপনাদের কল্যাণে আসিবে ধারনা করিয়া প্রকাশ করিলাম । ইহার ফলে আমি যেমন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মহাদুর্যোগ মোকাবেলার ব্যাপারে নিজেকে প্রস্তুত করিতে যথেষ্ট সময় পাইতেছি, আপনারাও তাহা করিবার সুযোগ পাবেন । নবী করীম (সাঃ)-এর ভবিষ্যৎবাণীকৃত মালহামা (মহাযুদ্ধ) এমন ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হইবে যে, তাহার তুলনায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে মনে হবে চীনাবাদামের মতো । শেষ নবীর (সাঃ) আরেকটি ভবিষ্যতবাণী হইল, মালহামার পরে একটি পাখিও যদি আকাশে উড়ে তাহা ভূপাতিত হইবে । ইহাতে আমরা ধরিয়া নিতে পারি যে, মালহামার (তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের) পরে পৃথিবীতে মিসাইল, জঙ্গী বিমান, সেটেলাইট ইত্যাদি উড়ন্ত কিছুর অস্তিত্ব থাকিবে না । তারপর থেকে যুদ্ধ হইবে স্থলপথে এবং জলপথে ঘোড়া এবং নৌকা দিয়ে । আজ থেকে দশ বিশ বছর পরে যখন মালহামা (মহাযুদ্ধ) শেষ হইবে, পৃথিবীর এখনকার মানুষদের মাত্র ক্ষুদ্র একটি ভগ্নাংশ তখন বাঁচিয়া থাকিবে । আমার মনে হয় এখন পৃথিবীর জনসংখ্যা যদি আটশ কোটি হয়, মালহামার পরে পৃথিবীর জনসংখ্যা হইবে পঞ্চাশ কোটি । আপনি যদি মুসলিম হন অথবা মুসলমানদের বন্ধু হন (যেমন খ্রীষ্টানরা), তবে যত দ্রুত সম্ভব শহর থেকে দূরবর্তী কোন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে চলিয়া যান, যেখানে আপনার স্ত্রী এবং সন্তানদের জন্য খাবার-পানির ব্যবস্থা আছে । অন্যথায় আপনার স্ত্রী এবং সন্তানদের অকাল মৃত্যুর জন্য আপনি দায়ী থাকিবেন ।
মূল – শায়খ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
Imran Hosein predicts nuclear WW3_ Armageddon_ Al Malhama in 2 years লেকচারের অনুবাদ
আর কতো ঘুমাবেন এবার জেগে ওঠুন
ইরানের ওপর ইজরাঈলী হামলা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র । আর এই ঘটনা হইতে পারমাণবিক যুদ্ধের (তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের) সূচনা হইবে । আর পারমাণবিক যুদ্ধের পরে (অর্থাৎ হাজার হাজার এটম বোমা নিক্ষিপ্ত হওয়ার পরে) আপনারা যেই পৃথিবীকে দেখিবেন, তাহা হইবে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পৃথিবী । বিদ্যুৎ নাই, মোবাইল নাই, ইন্টারনেট নাই, বৃষ্টি নাই, খাবার নাই (এবং চাকরি নাই) ।
মূল – শায়েখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – ডাঃ বশীর মাহমুদ ইলিয়াস
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হইবে সিরিয়াতে
বিশ্বনবী (সাঃ) আজ থেকে চৌদ্দশত বছর পূর্বে ভবিষ্যতবাণী করিয়া গিয়াছেন যে, মালহামা (মহাযুদ্ধ অর্থাৎ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ) অনুষ্টিত হইবে সিরিয়ার আমুক শহরে (কেউ কেউ মনে করেন আমুক বলিতে মহানবী (সাঃ) আলেপ্পো শহরকে বুঝাইয়াছেন) । বর্তমানে আমেরিকান জোট এবং রাশিয়ান জোট তাহাদের অস্ত্রশস্ত্র এবং সৈন্যসামন্ত সিরিয়া এবং তাহার আশেপাশের দেশগুলোতে আনিয়া মওজুত করিতেছে । নবী করীম (সাঃ) আরো ভবিষ্যতবাণী করিয়াছেন যে, এই যুদ্ধে উভয়পক্ষের শতকরা ৯৯ জন নিহত হইবে । কাজেই ইহাতে বুঝা যায় যে, সেই যুদ্ধটি হইবে পারমাণবিক যুদ্ধ অর্থাৎ ইহাতে অগণিত এটম বোমা নিক্ষিপ্ত হইবে । কেননা সাধারণ যুদ্ধে এতো বেশী মানুষ কখনও নিহত হয় না । নবীজি (সাঃ) কেবল বিশ্বযুদ্ধের কথাই বলেন নাই, ইহার কারণ সম্পর্কেও ভবিষ্যতবাণী করিয়া গিয়াছেন । তিনি বলিয়াছেন যে, ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর তলদেশ থেকে একটি সোনার খনি বাহির হইবে এবং লোকেরা তাহার দখল নিয়া যুদ্ধে লিপ্ত হইবে । কাজেই আমরা মনে করি মহানবী (সাঃ) সোনার খনি বলিতে তেলের খনিকে বুঝাইয়াছেন অর্থাৎ তেলভিত্তিক অর্থাৎ পেট্টোডলার ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা । আমেরিকান জোট চাহিতেছে তাহাদের প্রতিষ্টিত পেট্টোডলার ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা টিকাইয়া রাখিতে । অন্যদিকে রাশিয়ান জোট চাহিতেছে পেট্টোডলার ভিত্তিক বৈষম্যমূলক অর্থব্যবস্থাকে ধ্বংস করিতে । এজন্য রাশিয়া-চীন-ভারত-ব্রাজিল-দক্ষিন আফ্রিকা মিলিয়া তৈরী করিয়াছে নতুন ব্যাংক ব্রিকস (BRICS) । সুতরাং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মূল কারণ ইউক্রেন বা সিরিয়া ইস্যু নয় বরং ইহার মূল কারণ হইল ব্রিকস (অর্থাৎ পেট্টোডলার ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা টিকাইয়া রাখা বা সহজ কথায় তেলের খনি ) ।

মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস


Leave a comment

মুসলমানদের দুই প্রধান শত্রু মা ওলানা ইমরান নজর হোসেন

ইরানে হামলা থেকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ
আমেরিকা চায় না ইরানে হামলা করিতে । কেননা তাহার ফলস্রুতিতে বিশ্বযুদ্ধ শুরু হইয়া যাইবে । আমেরিকা লিবিয়ার সাথে যুদ্ধ করিতে ভালবাসে ! (হা-হা-হা-) আমেরিকা ইরাকের সাথে যুদ্ধ করিতে চায়, আফগানিস্তানের সাথে যুদ্ধ করিতে চায় কিন্তু রাশিয়ার সাথে ? কখখ্‌নো না ! কারণ রাশিয়া তাহার বারোটা বাজাইয়া দিবে । (রাশিয়ার এটম বোমার আঘাতে) তখন আমেরিকার সুন্দর সুন্দর শহরগুলো জ্বলিয়া পুড়িয়া ছাই হইয়া যাইবে । রাশিয়ানরা আমেরিকার সাথে তেমন ব্যবহারই করিবে লিবিয়ার সাথে তাহারা যেমন ব্যবহার করিয়াছে, ইরাকের সাথে, আফগানিস্তানের সাথে তাহারা যেমন ব্যবহার করিয়াছে । এজন্যই আমেরিকা কখনও চায় না ইরানে হামলা করিতে । কিন্তু ইজরাঈল চায় । আপনারা কখনও মনে করিবেন না যে, ইসরাঈলী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যখন ইরানে হামলা করিবার সিদ্ধান্ত নিবেন, তখন তিনি সেনাবাহিনীর বড় বড় জেনারেলদের সাথে পরামর্শ করিয়া সিদ্ধান্ত নিবেন । নাহ, বরং তিনি বড় বড় ইহুদী রাব্বি এবং জ্যোতিষীদের সাথে পরামর্শ করিয়া একটি শুভক্ষণ ঠিক করিবেন । (-হা-হা-হা) ইজরাঈল ইরানে এমনভাবে হামলা করিবে যাহাতে ইরানের এটমিক প্লান্টগুলো ধ্বংস হয় কিন্তু ইরানের সামরিক শক্তির কোন ক্ষতি না হয় । কারণ ইসরাঈলীরা ভালোভাবেই জানে যে, তাহার ফলস্রুতিতে ইরাক-কুয়েত-সৌদী আরব এবং লোহিত সাগরে আমেরিকার সকল সামরিক ঘাটি এবং যুদ্ধজাহাজে ইরানীরা প্রতিশোধমূলক ভয়াবহ হামলা চালাইবে । ফলে আমেরিকাও ইরানে পাল্টা হামলা চালাইবে । এভাবেই ইসরাঈল এক ঢিলে দুই পাখি শিকার করিবে । ইজরাঈল অনেক বছর যাবতই পর্দার আড়ালে থাকিয়া পৃথিবী শাসন করিতেছে । কিন্তু এখন তাহারা চাহিতেছে বোরকা খুলিয়া বাহিরে আসিতে । এজন্য তাহারা ২০০৮ সাথে আমেরিকাকে অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস করিয়াছে । ইরানে হামলা করিবার মাধ্যমে তাহারা আমেরিকাকে সামরিক শক্তির দিক দিয়াও ধ্বংস করিবে । আমি মনে করি (শিয়া সংখ্যাগরিষ্ট ইরাক তো ইরানের নিয়ন্ত্রণে আছেই, অধিকন্তু) বাহরাইনকেও তখন ইরান দখন করিয়া নিবে । কেননা বাহরাইনের শাসকরা সুন্নী হইলেও সেখানকার সংখ্যাগরিষ্ট জনগণ শিয়া । সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দিতে আমেরিকা হয়ত তাহার শেষ অস্ত্র এটম বোমা ব্যবহার করিবে । আর তখনই সেটি আঞ্চলিক যুদ্ধ থেকে বিশ্বযুদ্ধে রূপান্তরিত হইবে । কেননা তখন তাহাতে রাশিয়া এবং চীন জড়াইয়া যাইবে । আমি মনে করি, একটা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত রাশিয়া ও চীন আন্তর্জাতিক আইন মানিয়া চলিবে । আমেরিকা সেই সীমা অতিক্রম করিলে তখন রাশিয়া ও চীন আর কোন আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা করিবে না । আর সেই সীমাটি হইল ইরান আক্রমণ ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

67689%2B%2Bnuke.jpg

মুসলমানদের দুই প্রধান শত্রু
দুইটি শক্তি পৃথিবী থেকে ইসলামী খেলাফতকে ধ্বংস করিয়াছে এবং খিলাফাহ যাহাতে পুণরায় পৃথিবীতে ফিরিয়া আসিতে না পারে সেজন্য গত একশ বছর যাবত তাহারা তাহাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করিয়াছে । আর এই দুইটি শক্তি হইল তুরষ্ক এবং সৌদী আরব । (খেলাফতের কারণে চৌদ্দশত বছর মুসলমানরা ছিল পৃথিবীর একমাত্র সুপারপাওয়ার আর খেলাফত না থাকার কারণে গত একশ বছর যাবত মুসলমানরা পরিণত হইয়াছে পৃথিবীর সবচাইতে অসহায় জাতিতে ।)
মূল – শায়খ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

মুসলমানদের মধ্যে ইহুদীদের স্বভাব
ইহুদীরা প্রচার করিয়া বেড়াইত যে, তাহারাই আল্লাহর একমাত্র প্রিয় দল এবং তাহারা ছাড়া অন্য কেউ বেহেশতে যাইতে পারিবে না । আল্লাহ তাহাদের এই মিথ্যা কথার প্রতিবাদ করিয়া বলেন, (হে নবী, আপনি) বলুন, হে ইহুদীগণ ! যদি তোমরা দাবী কর যে, তোমরাই আল্লাহ্‌র বন্ধু, অন্য কোন মানুষ নয়, তবে তোমরা মৃত্যু কামনা কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হও। (কিন্তু) তাহারা নিজেদের কৃতকর্মের (অনিবার্য শাস্তির) কারণে কখনও মৃত্যু কামনা করিবে না। আল্লাহ্‌ জালেমদের সম্পর্কে সম্যক অবগত আছেন। (আল কোরআন ঃ ৬২: ৬-৭) বর্তমানে মুসলমানদের মধ্যে অনেকগুলি দলের সৃষ্টি হইয়াছে । প্রতিটি দলই মনে করে যে, তাহারাই একমাত্র সঠিক পথে আছে এবং একমাত্র তাহারাই বেহেশতে যাইবে । অন্য দলগুলি পথভ্রষ্ট হইয়া গিয়াছে এবং তাহারা জাহান্নামে যাইবে । এই সমস্যাকে আমরা কি বলিতে পারি ? আত্মিক অন্ধত্ব নাকি আত্মিক অহমিকা ? মহানবী (সাঃ) ভবিষ্যতবাণী করিয়া গিয়াছেন যে, তোমরা প্রতি হাতে হাতে প্রতি বিগতে বিগতে ইহুদী খ্রীষ্টানদের অনুসরন করিবে । এমনকি তাহারা যদি গিরগিটির গর্তে প্রবেশ করে তবে তোমরাও গিরগিটির গর্তে প্রবেশ করিবে । রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর ভবিষ্যতবাণী আশ্চর্যজনকভাবে সত্যে পরিণত হইয়াছে ।
মূল – মুফতী ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

নভেম্বরের মধ্যেই মালহামা/ আরমাগেডন/ ৩য় বিশ্বযুদ্ধ
মহানবীর (সাঃ) ভবিষ্য‍ৎবাণীকৃত মালহামা (মহাযুদ্ধ) এখন নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছে । অথচ আমরা কোরআন না পড়িবার কারণে হালুয়া রুটি খাইতেছি আর নাক ডাকিয়া ঘুমাইতেছি । কোরআন পড়া কোন জরুরি কাজ নয় । ছেলেকে অক্সফোর্ডে পাঠাইয়াছি কমপিউটার সাইন্স পড়িবার জন্য । সেটা বেশী জরুরি । এই হইল এখন মোহাম্মদ (সাঃ)-এর উম্মাতের অবস্থা । মালহামাকে (মহাযুদ্ধ) তাহারা বলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ । কিন্তু ইহা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো হইবে না । ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধ, হাজার হাজার এটম বোমা ইহাতে বিস্ফারিত হইবে । ইহার তুলনায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে মনে হইবে চিনাবাদামের মতো । সেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এখন নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছি । খুব সম্ভবতঃ নভেম্বরের ৪ তারিখের পূর্বেই তাহা শুরু হইবে । কারণ ট্রাম্প তাহাদের (যায়োনিষ্টদের) জন্য হুমকি হইয়া দাঁড়াইতে পারে । যখনই পাকিস্তানে কোন শক্ত মেরুদন্ডের শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছে তাহারা (যায়োনিষ্টরা) তাহাকে হত্যা করিয়াছে । যখনই আমেরিকায় কোন যোগ্যতাসম্পন্ন শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছে তাহারা (যায়োনিষ্টরা) তাহাকে হত্যা করিয়াছে । এজন্য তাহারা কেনেডীকে হত্যা করিয়াছে (তাহাদের নির্দেশ মতো চলিতে অস্বীকার করিবার কারণে) । ব্রিটিশ জনগণ এখন আর ব্রিটেনের সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে না । আমেরিকার জনগণও এখন আর আমেরিকান সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে না । কাজেই ট্রাম্প যদিও মাঝে মাঝে বোকার মতো কথা বলে কিন্তু সে প্রমাণ করিয়াছে যে তাহার স্বাধীনভাবে চিন্তা করিবার শক্তি আছে । সে কাহারো ইশারায় চলে না । ডোনাল্ড ট্রাম্প বলিয়াছেন যে, আমি একজন ব্যবসায়ী । রাশিয়ার সাথে আমরা অযথা শত্রুতা করিব আর এই সুযোগে রাশিয়ার সাথে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য একচেটিয়া চীন দখল করিয়া নিবে তাহা হইতে পারে না । কাজেই তাহারা (যায়োনিষ্টরা) যাহা করিবার নভেম্বরের ৪ তারিখের পূর্বেই করিয়া ফেলিবে । কেননা সেদিন আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন । আল্লাহকে ধন্যবাদ যে রাশিয়া তাহাদের ভয়ে ভীত নহে । আল্লাহকে ধন্যবাদ যে চীন তাহাদের ভয়ে ভীত নহে । আল্লাহকে হাজার বার ধন্যবাদ যে রাশিয়া তাহাদের ভয়ে ভীত নয় । আল্লাহকে হাজার বার ধন্যবাদ যে চীন তাহাদের ভয়ে ভীত নয় । মুসলমান হওয়ার একটি সুবিধা এই যে, মুসলমান কখনও মরিতে ভয় পায় না । মুসলমানরা কোটি কোটিতে মরিতে রাজী, তারপরও আমরা চাই জালেমরা যেন ধুলায় মিশিয়া যায় । পৃথিবীতে যেনো পুণরায় সত্য এবং ন্যায় প্রতিষ্টিত হয় । মালহামা নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছে অথচ আলেম-ওলামাদের মুখে কিছুই শোনা যায় না । আমরা এখনও হালুয়া রুটি খাইতেছি আর নাক ডাকিয়া ঘুমাইতেছি । এই হইল মোহাম্মাদ (সাঃ)-এর উম্মাতের অবস্থা ! তাহারা চিনাবাদাম নিয়া মরনপণ জিহাদ করিতেছে ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

মুসলমানদের জন্য ভয়াবহ শাস্তি অপেক্ষা করিতেছে
রাসুল বলিলেন, হে আমার প্রতিপালক, আমার জাতি এই কোরআনকে প্রলাপ সাব্যস্ত করিয়াছে। -আল কোরআন (২৫:৩০) আল্লাহর কোন নবী যখন আল্লাহর কাছে এই অভিযোগ করেন যে, তাঁহার জাতি তাঁহার প্রেরিত আসমানী গ্রন্থকে অবহেলা করিয়াছে, পরিত্যাগ করিয়াছে, তখন সেই জাতির উপর কত ভয়াবহ শাস্তি নামিয়া আসে তাহা ইতিহাস পড়িয়া দেখিতে পারেন । এখন পৃথিবীর সকল মুসলমানরাই তাহাদের সন্তানদের অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজ আর হার্বার্ড ইউনিভার্সিটিতে পাঠান কমপিউটার সাইন্স পড়িবার জন্য । একজন মুসলমানও পাওয়া যাইবে না যে তাহার সন্তানকে অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজ আর হার্বার্ড ইউনিভার্সিটিতে পাঠিয়েছেন কোরআন গবেষনার জন্য । কাজেই বর্তমান মুসলিম জাতি চুড়ান্তভাবে কোরআনকে অবজ্ঞা করিয়াছে, পরিত্যাগ করিয়াছে । (সুতরাং মুসলমানদের উপর কি ভয়াবহ শাস্তি নাজিল হইয়াছে তাহা নিজেদের চোখেই দেখিতে পাইতেছেন এবং সামনে আরো যে-সব ‍ভয়ঙ্কর শাস্তি আসিতেছে তাহাও স্বচক্ষে দেখিতে পাইবেন ।)

মূল – শায়খ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

বোখারী শরীফে জাল হাদীস
বোখারী শরীফে একটি হাদীস আছে, হযরত আয়শা সিদ্দিকা (রাঃ) বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে বিবাহ করেন যখন আমার বয়স ছয় এবং তিনি আমার সাথে বসবাস করা শুরু করেন যখন আমার বয়স নয়”। এখন কথা হইল, নবী করীম (সাঃ) যদি একটি ছয় বছরের শিশুকে বিবাহ করিয়া থাকেন, তবে তো ইহা নবীজির (সাঃ) সুন্নাহ । তাহলে আপনি রাসুলের (সাঃ) সুন্নাহর উপর আমল করেন না কেন ? বিগত চৌদ্দশত বছরে একজন মুসলমানও রাসুলুল্লাহর (সাঃ) এই সুন্নাহর উপর আমল করিল না কেন ? অন্ততঃপক্ষে সবার সামনে দাঁড়াইয়া ঘোষণা তো দেন যে, আমি ছয় বছরের একটি শিশুকে বিবাহ করিতে রাজী আছি । আমি তো আজ পর্যন্ত এমন একজন পুরুষকেও পাই নাই যে, প্রকাশ্যে ইহাতেই প্রমাণিত হয় যে, ইহা একটি জাল হাদীস । প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) কখন আয়শা সিদ্দিকাকে (রাঃ) বিবাহ করেন নাই, কস্মিনকালেও না । বরং আল্লাহ নিজেই জিব্রাঈলের (আঃ) মাধ্যমে রাসুলে করীম (সাঃ)-কে জানাইয়া দিয়াছেন যে, এখন থেকে আয়শা সিদ্দিকা (রাঃ) আপনার সহধর্মিনী (যাহা অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে বর্ণিত আছে) । কাজেই আল্লাহ তায়ালা নিজেই তাহাদের বিবাহ দিয়াছেন । আর আল্লাহ যেহেতু শ্রষ্টা, কাজেই তিনি তাঁহার সৃষ্টি সম্পর্কে যে-কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করিতে পারেন, এই অধিকার তাঁহার আছে ।
মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস


Posted By Blogger to Know Thyself at 10/19/2016 07:51:00 AM